ঢাকা, মঙ্গলবার   ৩১ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ১৭ ১৪৩২

অপরিবর্তিত থাকছে এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৬:০৮ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:৫৩ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা থাকলেও দেশের বাজারে আপাতত দাম বাড়াচ্ছে না সরকার। ফলে আগের দরেই এপ্রিল মাসেও ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন বিক্রি হবে।

মঙ্গলবার (৩১ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। 

আদেশে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের দর অপরিবর্তিত রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে এপ্রিল মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং অকটেন ১২০ টাকাই থাকছে। 

ফেব্রুয়ারি ও মার্চেও একই দামে এসব জ্বালানি বিক্রি হয়েছে। এর আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ধাপে ধাপে প্রতি লিটারে মোট ৪ টাকা কমানো হয়েছিল জ্বালানি তেলের দাম।

২০২৪ সালের মার্চ থেকে সরকার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করে। এর আওতায় আগের মাসের আমদানি ব্যয়ের ভিত্তিতে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হয়।

বর্তমানে জ্বালানি তেলের দর নির্ধারণ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করত বিপিসি। এখন বিইআরসি প্রতি মাসে করছে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল ব্যবহার হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলে। ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচে, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহার করা হয়।

এএইচ