বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাসে পরিবর্তন আনা হবে: সংসদে প্রতিমন্ত্রী
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০১:৪৮ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০১:৫৫ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার
বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদে রাজবাড়ী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিসিএসসহ অন্যান্য সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রচলিত মুখস্থনির্ভর সিলেবাসের পরিবর্তে স্কিল-বেজড বা দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তন করা বর্তমান কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি জানান, এ লক্ষ্যে কমিশন বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন-সংযোজনের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার সিলেবাস পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেবে।
মৌখিক পরীক্ষায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই যোগ্যতাভিত্তিক সাক্ষাৎকার পদ্ধতি চালু করা হবে, যেখানে প্রার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও মনোভাব মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি আরো জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৫০তম বিসিএসের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তির সময়ই পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের জনবল সংক্রান্ত হালনাগাদকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সর্বশেষ প্রকাশিত স্ট্যাটিসটিক্স অব পাবলিক সার্ভেন্টস ২০২৪ অনুযায়ী সকল মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসসমূহের শূন্যপদের সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি।
এরমধ্যে ১ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে ৬৮ হাজার ৮৮৪ টি, ১০ম গ্রেড থেকে ১২তম গ্রেডে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬ টি, ১৩তম গ্রেড থেকে ১৬তম গ্রেডে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯ টি, ১৭তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেডে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫ টি এবং অনারারি, নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত ও চুক্তিভিত্তিক-যারা বিভিন্ন শ্রেণিতে অবস্থান করে এমন ৮ হাজার ১৩৬টি শূন্যপদ রয়েছে।
শূন্যপদ পূরণের জন্য ইতোমধ্যে ৬ মাস, ১ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংসদকে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এএইচ
