ঢাকা, শুক্রবার   ১৭ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ৩ ১৪৩৩

কমিশনিং লাইসেন্স পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎকেন্দ্র

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:২২ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার

নানা বাধা-বিপত্তি পর কমিশনিং লাইসেন্স পেয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট। ফলে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

রূপপুর পারমাণবিকে জ্বালানি লোডিংয়ের কার্যক্রম লাইসেন্সের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ক্লিয়ারেন্স দেয়ায় চলতি এপ্রিলের শেষের দিকে রূপপুর পারমাণবিকের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহের আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৭ এপ্রিল থেকে দেশের প্রথম ও বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ফুয়েল লোডিংয়ের কথা জানিয়েছিলেন। গত ১৪ মার্চ গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি জানান, ৭ এপ্রিল থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোড শুরু হবে। এটি হবে দেশের পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে বলে আশার কথা জানিয়ে ওইদিন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, প্রকল্পের একটি ইউনিট ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণ ক্ষমতায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে ২ দশমিক ৪ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার রোসাটোম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি করপোরেশনের সহযোগিতায় নির্মিত হয়।
 
২০২৪ সালের ১৩ অক্টোবর প্রথম ইউনিট ও ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর দ্বিতীয় ইউনিট চূড়ান্ত হস্তান্তর করার কথা থাকলেও ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্পের সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।


এমআর//