ঢাবির উপ-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৪:১১ পিএম, ৭ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১৩(১) অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। উপ-উপাচার্য হিসেবে বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধাও ভোগ করবেন। একইসঙ্গে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইন অনুযায়ী এবং ভাইস চ্যান্সেলর প্রদত্ত ক্ষমতা অনুসারে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি (থিসিস) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স তাকে ‘অ্যাসোসিয়েট ফেলো’ এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ ‘ক্যাপস্টোন ফেলো’ হিসেবে মনোনীত করে। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী বাংলাদেশ জার্নাল অব প্ল্যান্ট ট্যাক্সোনমি-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা শতাধিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশিত বই রয়েছে ছয়টি। তার তত্ত্বাবধানে চারজন গবেষক পিএইচডি এবং ৪০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
গবেষণাক্ষেত্রে তিনি প্রথমবারের মতো ১৬টি নতুন শৈবাল প্রজাতি, একটি নতুন পদ্ম প্রজাতি এবং একটি পতঙ্গভুক উদ্ভিদ আবিষ্কার করেন। এ ছাড়া শৈবালভিত্তিক পানি বিশুদ্ধকরণ ন্যানো-ফিল্টার, সুপার ক্যাপাসিটর ও বায়োসেন্সর উদ্ভাবনের মাধ্যমে পরিবেশ ও জৈবপ্রযুক্তি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
এমআর//
