ঢাকা, মঙ্গলবার   ১২ মে ২০২৬,   বৈশাখ ২৮ ১৪৩৩

সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৭ টাকা, সর্বোচ্চ ৩৫ টাকার প্রস্তাব

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৩৪ পিএম, ১১ মে ২০২৬ সোমবার

তরুণ সমাজকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা, অকালমৃত্যু রোধ এবং সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিটি সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৭ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সিগারেটের দাম চার স্তরে ভাগ করা হয়-প্রিমিয়াম, উচ্চ, মাঝারি ও নিম্ন। 

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রিমিয়াম স্তরের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ২০০ টাকা এবং এর সঙ্গে ৬৭ শতাংশ এক্সাইজ বা আবগারি শুল্ক ও প্রতি প্যাকেটে নির্দিষ্ট ৪ টাকা কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই হিসাবে প্রতিটি সিগারেটের খুচরা মূল্য দাঁড়ায় ৩৫ টাকা।

উচ্চ মূল্যস্তরের প্রতি প্যাকেটের খুচরা মূল্য আগের তুলনায় ১০ টাকা বাড়িয়ে ১৫০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সঙ্গে ৬৭ শতাংশ এক্সাইজ শুল্ক ও প্রতি প্যাকেটে নির্দিষ্ট ৪ টাকা কর যুক্ত হলে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম দাঁড়াবে ২৫ টাকা ৪৫ পয়সা, যা আগের তুলনায় প্রতি শলাকায় প্রায় ২ টাকা বেশি।

মধ্যম ও নিম্নস্তরের ১০ শলাকার প্রতি প্যাকেটের দাম যথাক্রমে ৮০ ও ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সঙ্গে ৬৭ শতাংশ এক্সাইজ শুল্ক ও প্রতি প্যাকেটে নির্দিষ্ট ৪ টাকা কর সংযুক্ত হলে, প্রতিটি সিগারেটের দাম দাঁড়াবে ১৭ টাকা ১ পয়সা।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিগারেটের দাম বাড়ালে লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী ধূমপান করা থেকে বিরত থাকবে, পাশাপাশি সরকারের কর আয় বৃদ্ধি পাবে। তারা সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশে ক্যানসার ও অন্যান্য মারাত্মক রোগের অন্যতম কারণ ধূমপান।

এমআর//