ঢাকা, বুধবার   ১০ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৭ ১৪৩৩

বিয়ে মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০২:৫৫ পিএম, ১০ জুন ২০২৬ বুধবার

ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে করা মামলায় খালাস পেয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি। 

বুধবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন তারা দুজনই।

দীর্ঘ পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে আলোচিত এই মামলায় নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিলেন আদালত।

আসামী পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, বাদীপক্ষ এই ঘটনা আদালতে প্রমাণ করাতে পারেনি। 

তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদীপক্ষ। তাদের দাবি, তদন্তে অপরাধের তথ্য উঠে আসার পরও আদালত আসামিদের খালাস দিয়েছেন।

এর আগে গত ৬ মে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১০ জুন দিন ধার্য করেন আদালত। শুনানিতে বাদীপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানালেও, আসামিপক্ষ তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাস প্রার্থনা করে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব হাসানের সঙ্গে তামিমার বিয়ে হয় এবং তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০২১ সালে নাসির হোসাইনের সঙ্গে তামিমার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এলে রাকিব আদালতের দ্বারস্থ হন। তার অভিযোগ ছিল, বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থাতেই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা আইন ও ধর্মীয় বিধানের পরিপন্থী।

দণ্ডবিধির ৪৯৭, ৫০০ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় ব্যভিচার, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া এবং মানহানির অভিযোগ আনা হয়। 

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে পিবিআই নাসির, তামিমা ও তামিমার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিলেও পরে আদালত তামিমার মাকে অব্যাহতি দেন।

২০২২ সালে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। পরে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানিতে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আত্মপক্ষ সমর্থনে তামিমা দাবি করেন, তিনি আইনগতভাবে আগের স্বামীকে তালাক দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন।

এএইচ