ঢাকা, সোমবার   ২৯ জুন ২০২৬,   আষাঢ় ১৪ ১৪৩৩

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ শিক্ষক চাকরিচ্যুত

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:১৬ পিএম, ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার | আপডেট: ১০:২২ পিএম, ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার

শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ জন শিক্ষককে এবং সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে আরও একজনসহ ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা ও এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তাঁদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকেরা হলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম, আশরাফুল হোসেন হাওলাদার ও সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার; একই বিভাগের প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস; পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন; কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি; রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল; আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান; লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান; ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার; সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহসিন; অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন; ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জল হুসাইন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তাঁদের বারবার লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দেননি। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাঁদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়।

অফিস আদেশে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটিকালীন বেতন-ভাতা হিসেবে পাওয়া সমুদয় অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত কারণে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গোবিপ্রবির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলমের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

এমআর//