ঢাকা, শনিবার   ১১ জুলাই ২০২৬,   আষাঢ় ২৭ ১৪৩৩

তাসাউফতত্ত্ব ও সুফি মেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৬:১৩ পিএম, ১১ জুলাই ২০২৬ শনিবার

রাজধানীর এশিয়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে “তাসাউফতত্ত্ব, সুফি সাইকলজি ও সুফি মেডিটেশন বিষয়ক দিনব্যাপী অভিজ্ঞতামূলক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুফি সেন্টারের পরিচালক ও বিশিষ্ট সুফি চিন্তক খাজা ওসমান ফারুকী খাজাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রখ্যাত দার্শনিক, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। 

মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কে. এম. সাইফুল ইসলাম খান।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানের আহবায়ক এবং  শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মনজুর-এ-মুর্শেদ।

বিশেষ আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুস সবুর খান, অধ্যাপক ডা. আব্দুজ জাহের, বিচারক মো. সালাউদ্দিন, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন) ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট মুরাদ আনসারী এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড. অখিল পোদ্দার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্ঞানচর্চা, আত্মসচেতনতা ও নৈতিক বিকাশের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি মানবিক, সুষম ও পরিপূর্ণ সমাজ গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়নে আধ্যাত্মিক চর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 

এ ক্ষেত্রে সুফি সেন্টারের দীর্ঘদিনের কার্যক্রম ও অবদানও উল্লেখ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে খাজা ওসমান ফারুকী খাজাজী বলেন, তাসাউফ মানুষের অন্তর্জগতকে পরিশুদ্ধ করে তাকে তার প্রকৃত সত্তা ও স্রষ্টার সঙ্গে গভীরতর সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করে। তিনি বলেন, সুফি সাইকলজি ও সুফি মেডিটেশন ব্যক্তি জীবনে মানসিক ভারসাম্য, আত্মউপলব্ধি, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধ্যাত্মিক উৎকর্ষ অর্জনের একটি বিজ্ঞানসম্মত ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক প্রক্রিয়া। 

তিনি আরও বলেন, মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও অন্তর্গত শান্তির চর্চা ছাড়া একটি সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গঠন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সুফি সেন্টার দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

দিনব্যাপী কর্মশালায় তাসাউফতত্ত্ব, সুফি সাইকলজি এবং সুফি মেডিটেশনের বিভিন্ন তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং অভিজ্ঞতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। 

অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালাটিকে আত্ম-উন্নয়ন, মানসিক সুস্থতা এবং আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রে একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।

এএইচ