ঢাকা, বুধবার   ২২ জুলাই ২০২৬,   শ্রাবণ ৬ ১৪৩৩

জামায়াতের এমপির ভিডিও ভাইরাল, ষড়যন্ত্রের দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৪:০১ পিএম, ২১ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলাম নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করেন। ঘটনার ব্যাখ্যায় তিনি লিখেন, ‘গত ১৩ জুলাই তার প্রথমা ও দ্বিতীয় স্ত্রী যথাক্রমে মোছা. মাকছুদা বেগম ও মোছা. মরিয়াম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন তিনি। অফিসে অবস্থানকালে যোহরের নামাজ আদায়ের আগে তার গাড়িচালক ও দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। পরবর্তীতে সে ৫-৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে অফিস কক্ষে প্রবেশ করে এবং জিম্মি করে এক লাখ টাকা আদায় করে। তিনি চলাচলের জন্য যে ভাড়াকৃত গাড়িটি ব্যবহার করেন, ওবায়দুল্লাহর যোগসাজশে পরবর্তীতে সেটিও আটকে রেখে দফায় দফায় কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

গাজী নজরুল আরও লিখেন, ‘টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়া হয়। এ সময় তিনি জানতে পারেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বশত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এই ষড়যন্ত্রের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। পরবর্তীতে, হিংসা ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওবায়দুল্লাহ তাদের স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।’

তিনি আরও লিখেন, ‘গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়াম বেগমের সঙ্গে মো. মাসুম বিল্লাহর বাসভবনে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ফলে তাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। যারা তাদের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নৈতিক চরিত্র ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

এমআর//