ভারতে পালাতে গিয়ে যেভাবে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমন
যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৫:৫৮ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ বুধবার | আপডেট: ০৬:১৮ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২৬ বুধবার
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন এবং তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম যশোর নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করে তাদের গ্রেফতার করে।
পরে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চার দিন আগে ভারত থেকে দেশে ঢোকেন ইমন। এরপর আবার ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্র জানায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে সেখানে থাকতেন ইমন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডেভিড ইমন ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন তথ্য ছিল যশোর পুলিশের কাছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নেয়।
বুধবার ভোরের দিকে সন্দেহ হলে কালো রঙের একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালালে ইমনকে শনাক্ত করে পুলিশ। ইমনের আলোচিত গোফ কেটে ফেলায় পুলিশের চিনতে বেগ পেতে হয়। পরে এক পর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন সে চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন।
এ সময় গাড়ির ভেতরে থাকা তার তিন সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, ডেভিড ইমন ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল এমন তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৩টার দিকে একটি সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ইমনসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে সাজ্জাদ আলীর আরেক সহযোগী মো. রায়হানকে ধরতেও গতকাল রাতে নোয়াখালীতে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। তবে পুলিশ যাওয়ার আগেই বাড়ির দেয়াল টপকে রায়হান পালিয়ে যান। তাঁকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও ইমন বড় সাজ্জাদের হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন।
এএইচ
