জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে হট্টগোল
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৩:১৭ পিএম, ৫ আগস্ট ২০২৬ বুধবার
রাজধানীর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন-মৈত্রী) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি তথ্যচিত্রকে (ডকুমেন্টারি) কেন্দ্র করে চরম হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় উপস্থিত আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিরা স্থান ত্যাগ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারিতে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের ফুটেজ না থাকা ও তথ্যের অসঙ্গতির জন্য হলরুমেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকসারিতে থাকা ছাত্র-জনতা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের একাংশ।
বুধবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠান চলাকালে প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতেই এ হট্টগোল শুরু হয়। হট্টগোলের মুখে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত স্টেজ ও প্রেক্ষাগৃহে অবস্থান নেন।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধে এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন মঞ্চে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
মঞ্চে উঠে আখতার হোসেন আন্দোলনকারীদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “ডকুমেন্টারিতে যে অসংগতি আছে তা আমরা দেখেছি এবং আমরা সরকারকে বিষয়টি জানাব। ৩ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ এখানে একেবারে অনুপস্থিত। এসব নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ের কাছে জবাবদিহি চাইব। তবে আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে শহীদ পরিবারের সম্মানে আমাদের শান্ত থাকতে হবে।”
পরে আবার মঞ্চে আসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। তিনি ডকুমেন্টারিতে থাকা অসম্পূর্ণতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা চান। একই সঙ্গে প্রদর্শিত ডকুমেন্টারির ফুটেজ ও তথ্যগত অসঙ্গতি সংশোধনের আশ্বাস দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বলেন, “আজকে আপনারা এই ডকুমেন্টারি দেখে মনে কষ্ট পেয়েছেন। এই জুলাই আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান আমাদের সবার। তথ্যচিত্রে ৩ আগস্টের বিষয়সহ যে সব অসংগতি রয়েছে, আমরা তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখবো এবং দ্রুত সংশোধনের ব্যবস্থা নেবো।”
এ ঘোষণার পর প্রতিবাদকারীরা শান্ত হন এবং অনুষ্ঠানের পরিবেশ স্বাভাবিক হয়ে আসে। পরে বাকি কর্মসূচি যথারীতি অনুষ্ঠিত হয়।
এএইচ
