ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির জেএমসি বিভাগের প্রধান হলেন ড. কাবিল খান
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৬:৪২ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ড. মো. আব্দুল কাবিল খান। টানা পাঁচ বছর বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের পর সহযোগী অধ্যাপক ড. আফতাব হোসেন তাঁর কাছে এ দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) সাভারের ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত (জেএমসি) মিডিয়া ল্যাবে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সদ্য সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. আফতাব হোসেন তাঁর অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, "বিভাগ নিয়ে আমার কিছু স্বপ্ন ছিল, যার অনেকটাই আমি পূরণ করতে পেরেছি। একটি দক্ষ টিম তৈরি করতে পেরেছি, যা আজ রেখে যাচ্ছি।"
নতুন বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করে ড. মো. আবদুল কাবিল খান বলেন, ‘‘সাংবাদিকতায় শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং বিভাগকে আরও এগিয়ে নিতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে।’’
তিনি তাঁর বক্তব্যে বিভাগের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে বলেন, “জেএমসি বিভাগকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আমরা তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেব, শিল্প ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা, বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প খাত এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, এবং সাংবাদিকতায় উদ্যোক্তা তৈরি তে উৎসাহিত করা।”
তিনি আরও যোগ করে বলেন, এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমেই বাংলাদেশে প্রথম স্থানে থাকা জেএমসি বিভাগকে ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা মিডিয়া বিভাগে উন্নীত করা সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির মানবিক ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক ড. কুদরত-ই-খুদা বাবু শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে।”
বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান সদ্য প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধানের অবদান স্মরণ করে বলেন, “আফতাব এই বিভাগের ছাত্র ছিলেন, এরপর শিক্ষক হয়েছেন এবং পরবর্তীতে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এটি আমাদের জন্য বড় গর্বের বিষয়।”
উক্ত অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালুমনাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ
