ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২০ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৫ ১৪৩৩

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট দিতে সংসদ সদস্যদের ৯ নির্দেশনা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:৩৩ এএম, ২০ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। ১৯৯১ সালে সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে ভোটাভুটি হয়।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ, বীর বিক্রম। এই নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের ভোট প্রদানের জন্য ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ২০২৬’ শীর্ষক নির্দেশনায় এসব নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে। 

যেসব নির্দেশনা পালন করবেন সংসদ সদস্যরা:- ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট সংগ্রহ করে ভোট দিতে হবে। এ সময় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে। ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে তা ব্যালট বাক্সে রাখার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। নির্বাচনকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না। ভোট দেওয়ার সময় তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে চিফ হুইপ ও বিরোধীদলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে। ব্যালট পেপারে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।

বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করা হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।