ঢাকা, শনিবার   ২২ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ৬ ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সব দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল: তেহরান

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৫১ এএম, ২২ আগস্ট ২০২৬ শনিবার | আপডেট: ১০:১৭ এএম, ২২ আগস্ট ২০২৬ শনিবার

ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন যে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা কেবল একটি দেশের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থনৈতিক যুদ্ধের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে; বরং তিনি একে সব সরকারের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বাঘাই বলেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা হলো “জাতিসংঘের সব স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্রের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব এখতিয়ার বা সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।”

“কোনো সরকারেরই এমন অধিকার নেই যে তারা বিদেশি ব্যাংক, প্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরগুলোকে—যার প্রতিটিই সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব সার্বভৌম এখতিয়ারের অধীনে পরিচালিত—তৃত কোনো দেশের সাথে বৈধ বাণিজ্য করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করবে।”

তিনি যুক্তি দেন যে, “এ ধরনের ‘সেকেন্ডারি’ বা পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার কোনো আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি নেই।” তিনি আরও বলেন, এগুলো “জাতিসংঘ সনদের ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ নম্বর ধারায় বর্ণিত সার্বভৌম সমতার মৌলিক নীতিকে লঙ্ঘন করে।”

বাঘাই অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকে “আন্তর্জাতিক অপরাধ ও অন্যায় কাজ” হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সাথে নৌ-অবরোধের সংমিশ্রণ “অন্যান্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে এমন এক অস্থায়ী ও শর্তসাপেক্ষ অবস্থায় নামিয়ে আনে, যা অন্য একটি শক্তির খেয়ালখুশির ওপর নির্ভরশীল।”

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের হুমকির কাছে নতি স্বীকার করলে তা “জাতীয় সার্বভৌমত্বের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি” ঘটাবে এবং “প্রকাশ্য ও পূর্ণাঙ্গ ঔপনিবেশিকতার যুগে এক বিপর্যয়কর প্রত্যাবর্তনের” পথ প্রশস্ত করবে।