ঢাকা, শনিবার   ২৯ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১৩ ১৪৩৩

ঋণগ্রস্ত থাকায় আত্মগোপনে গিয়েছিলেন সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৬:০৮ পিএম, ২৮ আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার

চাঁদপুরের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস পরিবারসহ হঠাৎ আত্মগোপনে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট হয়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঋণগ্রস্ততা ও দেনার দায়ের কথা জানালেও কেন তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য দেননি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে পিন্টু দাস পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি ঋণগ্রস্ত এবং দেনার দায়ে ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি পরিবার নিয়ে হঠাৎ আত্মগোপনে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে এখনও পুরোপুরি মুখ খুলছেন না।

তিনি বলেন, আত্মগোপনের প্রকৃত কারণ জানতে পিন্টু দাসকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। এ কারণে আপাতত তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে গুরুতর কোনও অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এরই মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি দল চাঁদপুরে এসে পিন্টু দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তার আত্মগোপনের কারণ এবং এর সঙ্গে অন্য কোনও বিষয় জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখবে ওই দল।

পুলিশ জানায়, শুধু ঋণ ও দেনার চাপই পিন্টু দাসের আত্মগোপনের কারণ কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে পরিবার নিয়ে তার হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

চাঁদপুর শহরের আলোচিত এই স্বর্ণ ব্যবসায়ী পরিবারসহ আত্মগোপনে যাওয়ার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে পুলিশ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে। এরপর তাদের আত্মগোপনে যাওয়ার কারণ জানতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধারের পর আত্মগোপনে যাওয়ার কারণ জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেনা-পাওনা ও ঋণের বিষয়টি সামনে এলেও আত্মগোপনের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে কোনও গুরুতর অভিযোগ বা অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমএইচ