ঢাকা, বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ২৫ ১৪৩৩

সেপ্টেম্বরের শেষ ও অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৪:৫৮ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার | আপডেট: ০৫:০৩ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার

দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তাঁর আশঙ্কা, চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবরের শুরুর সময়টিতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে।

ডেঙ্গুর সম্ভাব্য পিক মোকাবিলায় আগামী তিন মাস দেশজুড়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে বাড়ি, অফিস ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার লার্ভা ধ্বংসের কাজ করবে।

ডা. এম এ মুহিত জানান, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগীর সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণে রাখা। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু রোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পুনঃপ্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ ধরনের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আগেই হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়লে প্রয়োজনে অন্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।

পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও সম্ভাব্য পিক সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রয়োজন দেখা দিলে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে রোগীর চাপকে কেন্দ্র করে অযৌক্তিকভাবে চিকিৎসা ব্যয় না বাড়ানো এবং ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এমএইচ