দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৪:১৮ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আসিফ মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি এই নোটিশ পাঠান। এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।
আইনি নোটিশে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু তথ্যের অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের যে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিল। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির বিষয়েও আসিফ মাহমুদকে জড়ানোর যৌক্তিকতা নেই বলে দাবি করা হয়েছে। নোটিশের তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদ ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। আর সংশ্লিষ্ট পদোন্নতির ঘটনা ঘটে চলতি বছরের ১১ মে। অর্থাৎ, তার পদত্যাগের প্রায় পাঁচ মাস পর ওই পদোন্নতি হয়।
নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে ১৫ দিনের মধ্যে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যথাযথভাবে যাচাই করা এবং প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া কোনো বক্তব্য না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার বা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না হলে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএইচ
