ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   আশ্বিন ৬ ১৪৩৩

বিশ্বের অন্যান দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:৫১ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনো তুলনামূলকভাবে কম বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও সরকার জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে। দাম সমন্বয়ের পরও সরকারকে উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

জ্বালানি তেলের দামের হিসাব তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রতি লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৫০ টাকা। দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান থাকতে পারে। সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তাঁর দাবি, দেশে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ‘পতিত স্বৈরাচারের’ যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

রিজভী আরও বলেন, দেশের মানুষ এবং বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ বিষয়ে সচেতন রয়েছেন।

সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিরোধীদের কাছ থেকে সংকট মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়েছিল বলে জানান রিজভী। তবে লংমার্চকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিএনপির বিরুদ্ধে যে ধরনের কটূক্তি ও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রশাসনের ভেতরের একটি অংশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তাঁর অভিযোগ, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রশাসনের অভ্যন্তরে থেকে নাশকতা বা স্যাবোটাজের চেষ্টা করতে পারেন।

এমনকি প্রশাসনের কেউ গোপনে পরাজিত শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ বা যোগসাজশ করছে কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী।

এমএইচ