এয়ারবাসের সঙ্গে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হচ্ছে : বিমানমন্ত্রী
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৬:৪২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:৫৩ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার
এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি আগামী অক্টোবর মাসে হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান। বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে এয়ারবাসের কোনো উড়োজাহাজ নেই; চালু রয়েছে ১৭টি বোয়িং উড়োজাহাজ।
মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মোট ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে, যার মধ্যে আগের ১৪টি এবং নতুন চুক্তিবদ্ধ ১১টি বোয়িং রয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে এই উড়োজাহাজগুলো বাংলাদেশে আসা শুরু করবে এবং পুরো বহর বুঝে পেতে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে ২০২৭ বা ২০২৮ সালের মধ্যে যেন অন্তত একটি উড়োজাহাজ সরবরাহ করা হয়, সেজন্য বোয়িংয়ের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে।
বিমানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, চুক্তি স্বাক্ষর মানেই এখনই পুরো অর্থ পরিশোধ করা নয়। একেকটি উড়োজাহাজ আসার পর তা গ্রহণ করা হবে এবং নতুন উড়োজাহাজগুলোর নিজস্ব আয় থেকেই সেই অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব হবে।
বর্তমানে বিমানের বহরে থাকা উড়োজাহাজগুলোর একটি অংশ আগামী ১০ বছরের মধ্যে পুরোনো হয়ে যাবে এবং দুটি উড়োজাহাজ আগামী ১-২ বছরের মধ্যে গ্রাউন্ডেড করার প্রয়োজন হতে পারে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এয়ারবাসের ১০টি, বোয়িংয়ের ২৫টি এবং বর্তমান বহরের উড়োজাহাজ মিলিয়ে আগামী কয়েক বছরে দেশের নিজস্ব বহরে ৫০টির বেশি উড়োজাহাজ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নতুন উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে ২০৩৬, ২০৩৭ এমনকি ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময়ে বহরে যুক্ত হতে পারে।
এমএইচ
