জামালপুরে আরও দুটি কূপে গ্যাসের সন্ধান, অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৭:১৪ পিএম, ৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৭:১৭ পিএম, ৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার
জামালপুরের মাদারগঞ্জে দেশের ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র ‘জামালপুর-১’ এ সফলতার পর এবার একই প্রকল্পের আওতায় আরও দুটি নতুন অনুসন্ধান কূপ খননের জোরালো প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) নতুন এই কূপ দুটি খননের প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবে সিভিল ওয়ার্ক ও স্থান নির্ধারণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছে। মাঠপর্যায়ে মূল খননকাজ শুরু করার লক্ষ্যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা বা ডিপিপি পাঠানো হয়েছে।
বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলার তিনটি সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত স্থানে গ্যাস অনুসন্ধানের মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি উপজেলার তারতাপাড়া গ্রামে অবস্থিত জামালপুর-১ কূপ, যেখান থেকে দৈনিক গড়ে ১ কোটি বা ১০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় কূপটি উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের সিংদহ এলাকায় এবং তৃতীয় কূপটি চরপাকেরদহ ইউনিয়নের নব্যচর এলাকায় স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত স্থানগুলোতে মাটি পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে।
বাপেক্সের পরিকল্পনা ও আইসিটি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন এই কূপ দুটির নামকরণ করা হয়েছে ‘জামালপুর-২’ এবং ‘জামালপুর নর্থ-১’। প্রকল্প দুটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের ডিপিপি অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের সবুজ সংকেত বা অনুমোদন মিললেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ে মূল খননকাজ শুরু করতে পারবে কর্তৃপক্ষ।
নতুন এই দুটি কূপের প্রতিটির গভীরতা হবে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মিটার। এর মধ্যে একটি হবে অনুসন্ধান কূপ এবং অন্যটি হবে অ্যাপ্রোজাল কাম ডেভেলপমেন্ট কূপ। নতুন দুটি কূপে গ্যাসের বাণিজ্যিক উপস্থিতি ও মোট মজুতের পরিমাণ পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পর গ্যাস উত্তোলন এবং তা জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বা গ্রিডে যুক্ত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এমএইচ
