মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৫:০৮ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার | আপডেট: ০৫:১১ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার
মন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারির পর ঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে এলপিজি ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবিগুলো নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন তারা।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে আজ সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা।
এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত দুই দিনে বিইআরসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাদের কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। সর্বশেষ আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিইআরসির চেয়ারম্যান আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় গণশুনানির মাধ্যমে তাদের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস দেন। তার এই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এদিকে, বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ধর্মঘট প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন জ্বালানিমন্ত্রী।
এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ব্যবসায়ীরা তাদের ঘোষিত কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
বিইআরসি সূত্র জানায়, এলপিজি ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর সকালে শুনানি করবে কমিশন। শুনানিতে ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে। কমিশনের পক্ষ থেকে শুনানির এ তারিখ জানানোর পর ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন।
গত ১২ অক্টোবর এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দেশজুড়ে সব এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।
ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে রয়েছে- পরিবেশকদের কমিশন বৃদ্ধি, কোম্পানিগুলোর ইচ্ছামতো দাম পরিবর্তন বন্ধ করে বিইআরসির নির্ধারিত দামের বাইরে মূল্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন নিশ্চিত করা, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানিগুলোর সিলিন্ডারে গ্যাস পুনরায় ভরার ব্যবস্থা করা এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করা।
এএইচ
