কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা: হানিফসহ ৪ জনের রায় বৃহস্পতিবার
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১২:৩১ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার
জুলাই আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুবুল হানিফসহ ৪ জনের রায় ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে ৩ সদস্যর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ দিন নির্ধারণ করেন।
মামলায় হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চারজনই বর্তমানে পলাতক।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান ছিলো।
এর আগে, ১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে প্রসিকিউশন থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
গত ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শেষে চার আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করে প্রসিকিউশন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যখন বলেছিলেন ‘আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট’, তখন সেখানে উপস্থিত থেকে হানিফ তাতে মৌন সমর্থন দেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই কুষ্টিয়ায় বৈঠক করে ছাত্র-জনতাকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া এবং জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছয়জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় নেতা আজগর আলীর একটি বক্তব্যও তুলে ধরা হয়। সেখানে হানিফের নির্দেশে যেকোনোভাবে আন্দোলন দমনের কথা বলা হয়েছিল বলে প্রসিকিউশনের দাবি।
এএইচ
