ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২৬,   কার্তিক ১২ ১৪৩৩

ইবির ৯ আবাসিক হলে ডিপ ফ্রিজ উপহার দিল ছাত্রদল

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ০৫:১০ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নয় আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ৯টি ডিপ ফ্রিজ উপহার দিয়েছে শাখা ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির উপদেষ্টা মাহবুব আলম শাহ'র অর্থায়নে এই ফ্রিজ বিতরণ করে সংগঠনটি।

সংগঠনটির সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবং ট্রেজাজার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদ্য সাবেক আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, শাখা ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদসহ অন্য শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা ছিলেন সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ।

আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, ছাত্রদল নিরাপদ এবং পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাসের জন্য সারা বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে আজকের আমাদের এই ফ্রিজ বিতরণের আয়োজন শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্য। শিক্ষার্থীরা যখনই যেকোনো মুহূর্তে বিপদে পড়েছে, অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে, তখনই ছাত্রদল তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ​ইনশাআল্লাহ, সামনের দিনগুলোতেও ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের অধিকারে কাজ করবে এবং তাদের যৌক্তিক আন্দোলন পাশে থাকবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রদল যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে তা যেমন প্রশংসনীয়, একইভাবে একটি দৃষ্টান্তও বটে। বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু একটি মুক্ত চিন্তার একটি ক্ষেত্র, তাই এখানে বিভিন্ন মত-পথের মানুষ থাকবে। বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন থাকবে। তারা তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রচার করার চেষ্টা করবে। এবং তাদের মধ্যেকার প্রতিযোগীতা হবে একটি ইতিবাচক প্রতিযোগিতা।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই কার্যক্রমকে দৃষ্টান্ত ধরে অন্য সকল ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করতে পারলে, বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে ইতিবাচক একটি পরিবর্তন ঘটবে। আর এই পরিবর্তনই জুলাই আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা। এই আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে ছাত্রদল যে আয়োজন করেছে এবং এই আয়োজনে যে অর্থায়ন করেছেন, তাদেরকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি।

এমএইচ