ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ভারতের সঙ্গে জামায়াতের গোপন বৈঠক: রাশেদ খাঁন
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৭:৫৩ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার | আপডেট: ০৭:৫৫ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার
ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক লিয়াজোঁ শুরু করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ পুরোনো ডিসি কোর্ট জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও স্থানীয়দের সঙ্গে কুশলবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই গুরুতর দাবি করেন।
জামায়াত ও আওয়ামী লীগের তীব্র সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, আগে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য ভারতকে তোষণ করার যে রাজনীতি করত, এখন জামায়াতও ঠিক একই পথে হাঁটছে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এবং বিশেষ করে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছেন।
এই ধরনের তথ্য সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কাছে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জামায়াতকে তাঁর এই দাবি মিথ্যা প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। তিনি যোগ করেন, ভারতের সঙ্গে জামায়াতের এই তোষণের চেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ কোনোভাবেই ভালোভাবে নেয়নি।
বিরোধী দলের ঢাকা থেকে শুরু হওয়া খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের রুট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাশেদ খাঁন জামায়াতের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা থেকে শুরু হওয়া লংমার্চটি গোপালগঞ্জ হয়ে খুলনায় যাবে এবং পরবর্তীতে যশোর, ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে। কিন্তু জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন যে তাঁরা গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা বা জনসভা করবেন না।
এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, জামায়াত মুখে বলে তারা এক আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পায় না, অথচ আওয়ামী লীগকে ভয় পেয়ে তারা গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা করবে না—এটা হতে পারে না। তাদের যদি সাহস ও নৈতিকতা থাকে, তবে গোপালগঞ্জে একটি পথসভা করে সেই নৈতিকতার পরীক্ষা দিক।
আজকের এই কুশলবিনিময় ও সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে রাশেদ খাঁনের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এমএইচ
