ঢাকা, সোমবার   ০২ নভেম্বর ২০২৬,   কার্তিক ১৭ ১৪৩৩

‘গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে ঢুকবে না’

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৫৩ পিএম, ১ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার

গঙ্গা নদীর পানি বাংলাদেশে না এলে ভারতীয় পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে যদি পানি না আসে তাহলে কোনো করিডোর হবে না। কোনো ট্রানজিট হবে না। ভারতীয় কোনো চ্যানেলও বাংলাদেশে চলবে না।

তিনি বলেন, মাওলানা ভাসানীর ইতিহাসকে স্মরণ করতে চাই। তিনি ঐতিহাসিক ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ করেছিলেন। ইনশাআল্লাহ, যদি এরকম কিছু হয় আমরা আবারও লংমার্চের জন্য প্রস্তুত আছি।

রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় যুব সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার এখন বিভিন্ন দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে ঋণের জন্য। কিন্তু এই সরকারকে কেউ বিশ্বাস করছে না, ঋণও দিচ্ছে না। জাপান আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র, জাপান বাংলাদেশে অতীতেও ইনভেস্ট করেছে। কিন্তু এই মাতারবাড়ি নিয়ে সরকার জাপানের সঙ্গে কী কী চুক্তি করছে তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করতে হবে। কোনো ধরনের ধোঁয়াশা না রেখে সংসদে আলোচনা ব্যতীত আমরা বাংলাদেশে কোনো জাতীয় চুক্তি পাস করতে দেবো না।

‘এই চুক্তিতে ভারতকে কোনো ধরনের অবৈধ করিডোর বা ট্রানজিট সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বাংলাদেশের জনগণ রুখে দেবে।’

তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সালাহউদ্দিন আহমদ মতামত চেয়েছেন। উনার কাছে আমাদের কোনো মতামত দেওয়ার কিছু নাই। উনি কে মতামত চাওয়ার? তারা এখন আলোচনার জন্য বিরোধী দলকে যেতে বলছে, কিন্তু আলোচনা নির্বাচনের আগেই কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে। নতুন করে আর কোনো আলোচনার কিছু নাই।

তিনি বলেন, এখন হচ্ছে বাস্তবায়নের সময়। অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধানকে সংস্কার করতে হবে। এর অন্যথা কিছু হলে জনগণ সেটা মানবে না, বিরোধী দল সেটা মানবে না, তরুণ প্রজন্ম ও শ্রমিকরা সেটা মানবে না।

শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা ন‍্যায‍্য মজুরির জন্য আন্দোলন করছে। সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছে। কিন্তু শ্রমিক আর বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। আমরা এ বৈষম্য মানি না। অবিলম্বে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ করতে হবে।

এমএইচ