ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক-রেলপথ অবরোধ, ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট ট্রেন চলাচল বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০:০২ এএম, ৮ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার | আপডেট: ১০:০৪ এএম, ৮ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামকে পুনর্বহালের দাবি ও সদর উপজেলাকে বিভক্তিকরণ ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কপথ ও রেলপথ অবরোধ করেছে বিক্ষোভকারীরা। এতে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
আজ রোববার (০৮ নভেম্বর) সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় বাসুদেব ইউনিয়নবাসী রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে তারা।
ফলে গুরুত্বপূর্ণ দুটি রেলপথে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ বেশ কিছু ট্রেনের নিদিষ্ট সময়ে যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
একই সাথে বিক্ষোভকারীরা আখাউড়া আগরতলা সড়ক পথ অবরোধ করেছে এর ফলে ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহীসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন এ পথে চলাচলকারীরা।
স্থানীয়রা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর,শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল গ্রাম ভেঙ্গে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সাথে যুক্ত করা হয়েছে। যা এ বছরের ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়। বাসুদেব ইউনিয়নবাসী শুরু থেকেই বিষয়টির প্রতিবাদ করলেও তার কোন সুরাহা মেলেনি।
বরং সম্প্রতি সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ইউনিয়ন ভেঙ্গে আখাউড়া উপজেলায় যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নের সাথে যুক্ত করে ‘বরিশল’ নামে নতুন একটি উপজেলা করার প্রস্তাব করা হয়।
যার নেপথ্যে কাজ করছেন জেলা বিএনপি নেতা কবির আহমেদ আহমেদ ভূঁইয়া। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ক্ষোভে ফুসে উঠে স্থানীয় জনতা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি খাইরুল আলম জানান, অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। যানমালের কোন ক্ষতি যাতে না হয় নিরাপত্তায় পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।
এএইচ
