ঢাকা, শনিবার   ২৮ মার্চ ২০২০,   চৈত্র ১৪ ১৪২৬

আপনি কি সবসময় ক্লান্ত…

প্রকাশিত : ০২:২৩ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার | আপডেট: ১২:০০ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

শারীরিক ক্লান্তি অনেকের জীবনের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের চাপ থেকে সৃষ্টি হওয়া স্ট্রেস ও টেনশন– শরীরের এনার্জিকে নিংড়ে নিচ্ছে। কিন্তু, এর কারণ কী শুধুই কাজ? বিশেষজ্ঞরা অবশ্য অন্য কথা বলছেন-


কান্তির কারণ


এসির হাওয়া
অফিসে এসির হাওয়ায় বসে একটানা কাজের পর বাইরে বেরিয়ে আসলে ক্লান্তি লাগে। অনেকের হালকা মাথা ব্যথাও করে। বিজ্ঞানের ভাষায়,‘সিক বিল্ডিং সিনড্রোম’। তাই কাজের মাঝেমধ্যে এসির ঘরের বাইরে গিয়ে খোলা আকাশের নীচে হেঁটে আসুন। বাড়িতে থাকলেও নির্দিষ্ট সময় ছাড়া এসি ব্যবহার করবেন না।

কোল্ড ড্রিঙ্কে তেষ্টা মেটে, এনার্জিও হারায়
অনেকের স্বভাব আছে, মাঝেমধ্যেই কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করা। এতে কিন্তু ক্লান্তি আরও বেড়ে যায়। কোল্ড ড্রিঙ্কের অতিরিক্ত চিনিতে শরীরে কোষ-প্রতি জলের ভারসাম্য কমিয়ে দেয়। ফলে রক্ত চলাচলও কমতে থাকে। এর ফলেও ঝিমুনি বা ক্লান্তি দেখা দেয়। তাই কোল্ড ড্রিঙ্কের পরিবর্তে লেবু, টমেটো বা ডাবের পানি পান করা স্বাস্থ্যকর।

গাড়ির হর্ন ও ইয়ারফোন
গাড়ির হর্ন অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়। একইভাবে কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে জোরে গান শোনাও। দু’ক্ষেত্রেই পরবর্তীতে ক্লান্তির লক্ষণ দেখা যায়।

ফলের রস বা চা আর পানি একই নয়
অনেকেই পানির পরিবর্তে চা বা ফলের রস পান করেন। কিন্তু, জেনে রাখা ভালো এতে পানির প্রয়োজনীয়তা কমে না। দিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পান না করলে শারীরিক ক্লান্তি দেখা দেবেই।

মদ্যপানের মজা নয় সাজা
বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করলেন। মদ খেলেন। নিশ্চিন্ত থাকুন, ক্লান্তি হবেই। ‘ফ্রেশ’ মোটেও হবেন না। তাই মদ্যপানের অভ্যাস ধীরে ধীরে ত্যাগ করাই আপনার শরীরের জন্য শ্রেয়।

বিছানায় ঘুম...ফোন নয়
অনেকেই ঘুমোনোর আগে শুয়ে শুয়ে ফোন ঘাঁটতে ভালোবাসেন। কিন্তু, এতে শরীরের নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন হয়। রাতে ঘুম আসা স্বাভাবিক নিয়ম। সে সময়ে ঘুমের পরিবর্তে এক ঘণ্টা মোবাইল বা ল্যাপটপে ব্যস্ত থাকলে, তা ঘুমের ঘাটতিতে পরিণত হবে।

সরল মন...সহজ জীবন
সবকথা মনে নিতে নেই। মনের উপর অতিরিক্ত চাপ ভবিষ্যতে শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই কোন বিষয়ে কী গুরুত্ব দেবেন। তা বোঝা জরুরি।