ঢাকা, সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২২ ১৪২৬

লাজুক সন্তানের যত্নে বদলে ফেলুন নিজেকে

প্রকাশিত : ০৭:০৩ পিএম, ২ অক্টোবর ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ১০:৫৬ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৭ শুক্রবার

বাচ্চাদের বড় করা কতটা কষ্টের তা একমাত্র বাবা-মায়েরাই বোঝেন। তার উপর সন্তান যদি লাজুক স্বভাবের হয় তাহলে অভিভাবকের ঘাড়ে বাড়তি দায়িত্ব এসে পড়ে। তাই বলে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকার সুযোগ নেই। আপনার সন্তান যদি লাজুক স্বভাবের হয় তবে মেনে চলুন কিছু নিয়ম। প্রয়োজনে আপনার পুরোনো ধ্যান ধারণাও বদলে ফেলতে হতে পারেন।

প্রথমেই বুঝতে চেষ্টা করুন লাজুক বলতে আসলে কী বোঝায়? লাজুক বা অন্তর্মুখী হওয়া কোনো চারিত্রিক দোষ নয়। বরং এটা এক ধরনের ব্যক্তিত্ব। তবে এমন চরিত্রের মানুষেরা সামাজিক হতে চান না। পরিবর্তে নিজেদের সঙ্গে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন। সহজ কথায় বললে, নিজ চিন্তার মধ্য়েই এরা এদের সঙ্গী খুঁজে পান। ফলে একাকিত্ব দূর করতে আর কাউকে প্রয়োজনই হয় না এদের। তাই বলে লাজুক মানুষদের যে একবারেই কোনো বন্ধু হয় না, এমন নয়। তবে সংখ্য়াটা হয় খুব হাতে গোনা।

আসুন জেনে নিই লাজুক ছেলে মেয়েদের যত্নে কিছুট টিপস।

টিপস ১:

বাবা-মা হিসেবে প্রথমেই আপনাদের বুঝতে হবে যে লাজুক হওয়াটা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। বাকি বাচ্চাদের মতো আপনার বাচ্চাও একদম স্বাভাবিক। তাই সে কথা কম বলছে বলে আকারণ চিন্তা করবেন না।

টিপস ২:

কেউ ইচ্ছা করে লাজুক হয় না। এটা আপনার বাচ্চার চারিত্রিক বৈশিষ্ট। তাই চিকিৎসার মাধ্য়মে স্বভাবের পরিবর্তন করা সম্ভব, এমনটা ভেবে নেবেন না। কারণ এটা করা একেবারেই সম্ভব নয়।

টিপস ৩:

জোর করে বাচ্চাকে সামাজিক হতে বাধ্য় করবেন না। এমনটা করলে আপনার বাচ্চা হয়তো ভাবতে পারে যে সে স্বাভাবিক নয়। আর এমন ভাবনা মোটেই ভালো নয়।

টিপস ৪:

বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করার আগে আপনার বাচ্চাকে সেটা বলবেন, যাতে সে প্রস্তুতি নেওয়ার কিছুটা সময় পায়। একথা ভুলে গেলে চলবে না যে লাজুক স্বভাব যাদের, তাদের সামাজিক হতে একটু সময় লাগে।

টিপস ৫:

যখন দেখবেন আপনার বাচ্চা সামাজিক হতে চাইছে না, তখন তাকে জোর করবেন না। এমনটা করলে হয়তো আগামী দিনে আপনার বাচ্চা নিজে থেকেই লোকের সঙ্গে মিশতে চাইবে।

টিপস ৬:

যখন দেখবেন আপনার বাচ্চা কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও লোকের সঙ্গে মিশতে চাইছে, তখন তাকে অভিবাদন জানাবেন। এতে তাদের মনের জোর বাড়বে।

টিপস ৭:

যদি দেখেন অন্য় বাচ্চারা আপনার ছেলে-মেয়েকে বিরক্ত করছে তাহলে তাদের প্রতিবাদ করা শেখাবেন। এমনটা করলে তাদের মনের জোর বাড়বে, যা জীবনে এগিয়ে যেতে তাদের সাহায্য় করবে।

সূত্র : বোল্ডস্কাই।

 

ডব্লিউএন