ঢাকা, শনিবার   ০৪ মে ২০২৪,   বৈশাখ ২১ ১৪৩১

জীবন বাজি রাখা সেই সোনার ছেলে [ভিডিও]

প্রকাশিত : ০৫:৫৩ পিএম, ৫ মার্চ ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ১২:০৯ এএম, ৭ মার্চ ২০১৮ বুধবার

একাত্তরের উত্তাল মার্চে দেশমাতৃকার জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে যাওয়া প্রতিটি সূর্যসন্তানের সেইসব দিনরাতগুলো মহাকাব্যের এক-একটি উপাখ্যান যেনো।

সিরাজগঞ্জের চৌহালী মালিপাড়া চরের মোজাম্মেল হক এমনি এক উপাখ্যানের দুঃসাহসী চরিত্র। অগ্নিঝরা ৭ মার্চের গর্জে ওঠা ভাষণ, ২৫ মার্চের কালরাত্রি, অতঃপর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা। আরও অনেকের মত উজ্জ্বীবিত করে তোলে সিরাজগঞ্জের কলেজ পড়ুয়া মোজাম্মেল হককে।

কিন্তু তখনও তিনি জানেন না কিভাবে যুদ্ধে অংশ নেবেন, লড়াই করবেন। দেশমাতৃকার প্রতি প্রবল আকর্ষণে বুকভরা স্বপ্ন আর সাহসে ১০ এপ্রিল ভোরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বের হন ঘর থেকে।

টানা ৫ দিন পায়ে হেঁটে কুষ্টিয়া সীমান্ত দিয়ে ঢুকে পড়েন ভারতে। উদ্দেশ্যে অস্ত্র প্রশিক্ষণ। সঙ্গী ছিলেন তার আরো ৩ সহযোদ্ধা।

মৃত্যুর ভয় তাকে তাড়িত করেনি কখনও । ভাবনা শুধু শক্রকে আঘাত হানার। মোজাম্মেল হকদের কাছে তখন সরাসরি যুদ্ধই ছিলো একটাই লক্ষ্য।

স্বাধীনতাবিরোধীরা যখন যুবকদের রাজাকার বাহিনীতে অন্তর্ভূক্তির প্রাণান্তকর চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন দেশকে ভালবেসে যুদ্ধে নিজেদের উৎসর্গ করার চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে উঠে আরেক দল।

মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে উজ্জ্বীবিত হয়েছিলেন, যুগে যুগে সবাই দেশের জন্য তেমনি কাজ করবে- জীবনসায়াহ্নে এই একটাই স্বপ্ন একাত্তরের বীরদের।

 ভিডিও লিংক