ঢাকা, শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬

রোজ বিছানা ঝাড়লে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে!

প্রকাশিত : ১২:৪৭ পিএম, ৬ মার্চ ২০১৮ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৪:৪৭ পিএম, ২২ মার্চ ২০১৮ বৃহস্পতিবার

রোজ বিছানা ঝাড়া প্রত্যেক মানুষের একটা স্বভাবতই কাজ। এমনকি দৈনন্দিন রুটিনও বলা যায়। ঘর পরিষ্কার রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে বিছানা পরিষ্কার করা। বিছানা পরিষ্কার না থাকলে যতুই ঘর পরিষ্কার বা গোছানো থাকুক না কেন ঘরটা অপরিষ্কার দেখায়। তাই সবার আগে বিছানাটা ঝেড়ে পরিষ্কার করে রাখা হয়। আর তাছাড়া সকালে বিছানাটা পরিষ্কার দেখলে মনে পজিটিভ এনার্জিও সৃষ্টি হয়।

বিছানা না ঝাড়লে যেন ঘুমই আসতে চায় না। তাছাড়া বিছানা পরিপাটি না থাকলে মনে হয় সবসময় বিছানায় ধুলোবালি লেগেই আছে। এ ধারণাটা ভুল। রোজ বিছানা ঝাড়লে শরীরের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে এমনটা গবেষকরা জানিয়েছে।

গবেষকদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বিছানা ঝাড়লে কিংবা ঘন ঘন বিছানা ঝাড়লে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিবে। এছাড়া অ্যাজমা এর প্রধান কারণ। কেননা ধুলোর মধ্যে অনেক ছোট ছোট পোকা থাকে। যা গরমের মধ্যে বাড়ে। আর ঘুমের সময় যেহেতু আমাদের শরীর গরম হয়ে যায় তাই সেই পোকাগুলি বিছানায় থাকা ধুলোর মধ্যে বাড়তে শুরু করে। আর আপনি যখন বিছানা ছাড়ের তখন পোকাগুলি বিছানার উপরেই থাকে। তবে পর্যাপ্ত গরম না পেয়ে সেগুলি মরে যায়। এরপর বিছানা ঝাড়ার ফলে ওই মরা পোকাগুলি নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকে যায় যার ফলে অ্যাজমার মতো বড় ধরনের সমস্যা দেখা যায়।

বিছানা না ঝেড়ে যা করতে হবে :

১) রোজ বিছানা ঝাড়ার কোনও দরকার নেই। বিছানা হালকা করে হাত দিয়ে গুছিয়ে নিতে পারেন।

২) আপনার যদি মনে হয় বিছানা না ঝাড়লে অপরিষ্কার মনে হয়, তেমন হলে দু-তিন দিন অন্তর বিছানার চাদর বদলে ফেলুন। তাহলে দেখবেন বিছানা দেখতে পরিষ্কার মনে হচ্ছে, এতে বিছানা ঝাড়ার প্রয়োজন হবে না।

৩) গরমকালে বিছানার চাদর বেশি পরিবর্তন করুন। কারণ এই সময় ঘুমের মধ্যে ঘাম হয়। এর থেকেও পোকার উপদ্রব বাড়তে থাকে।

৪) শুধু বিছানার চাদরই নয়, বালিশেও পোকা থাকে। এ থেকে অনেক সময় মুখে ব্রণের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বিছানার চাদরের পাশাপাশি বালিশের কভারও পরিবর্তন করে ফেলুন।

তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া।

/কেএনইউ/এসএইচ/