ঢাকা, শুক্রবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৬,   মাঘ ১৭ ১৪৩২

ক্ষমতায় গেলে আত্মসাৎকৃত রাষ্ট্রীয় সম্পদ উদ্ধার করা হবে: ডা. শফিকু

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৭:৩৯ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার

অতীতে যারা রাষ্ট্রের সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, আমরা ক্ষমতায় গেলে তা উদ্ধার করা হবে—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করে যারা বিদেশে পাচার করেছে, জামায়াত রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তাদের কাছ থেকে সেই অর্থ উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। 

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের অর্থের প্রতিটি টাকার হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মেঘনা নদীর বাঁধ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ বাজেট নদীর পাড়ে না গিয়ে দুর্নীতিবাজদের পেটে চলে গেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সেই বাজেট নদীর পাড়ে নিয়ে যাবো। কারো পেটের ভেতরে ঢুকতে পারবে না।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘জনগণ যদি তাদের পবিত্র মূল্যবান ভোট দিয়ে এই জোট, এই ঐক্যকে নির্বাচিত করে, তাহলে আমরা কথা রাখবো। প্রথমত, আমরা জাতিকে আর বিভক্ত হতে দেবো না। পুরনো কাসন্দি নিয়ে কামড়া-কামড়ি করবো না। আমরা পেছনের দিকে দৌঁড়াবো না। আমরা যুবকদের স্বপ্নের অগ্রগামী বাংলাদেশ দেখতে চাই।’

যুব সমাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেকার ভাতা দিয়ে নয়, দক্ষতা সৃষ্টি করে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি জানান, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অধিকাংশ প্রার্থীই তরুণ, যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনে যুবকদের নেতৃত্বের বার্তা দেয়।

তিনি বলেন, ‘দেশবাসী রাজনীতির পুরনো বন্দোবস্ত দেখেছে, ৫৪ বছর দেখেছে। সে বন্দোবস্তে ফ্যাসিবাদ তৈরি হয়েছে। মানুষের অধিকার হরণ করেছে। দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। চাঁদাবাজিতে জনগণকে অতিষ্ঠ করেছে। জনগণের কেনা অস্ত্র দিয়ে জনগণের বুকে গুলি ছুড়েছে। যে রাজনীতি আমার মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছে। ওই রাজনীতি আবার ফিরে আসুক আমরা চাই না।’

জেলা জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এটিএম মা’ছুম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, ঢাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, শিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ সাহেদী, জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম ও চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব প্রমুখ।

এসময় তিনি লক্ষ্মীপুর-১ আসনের শাপলা কলির প্রার্থী মাহবুব আলম, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী রেজাউল করিম ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের প্রার্থী হাফিজ উল্যাহর হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন।

এমআর//