ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৬ জুলাই ২০২৪,   শ্রাবণ ১ ১৪৩১

টক দইয়ের শত গুন

প্রকাশিত : ০৩:৪২ পিএম, ১১ নভেম্বর ২০১৮ রবিবার

দই খাওয়া অনেকের বেশ পছন্দের হলেও টক দই অনেকেই খেতে চান না। দই বলতে আমরা মূলত বুঝি মিষ্টি বা টক-মিষ্টি দই। কিন্তু স্বাদের দিক থেকে একটু কম হলেও টকদই আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশ কার্যকরী। এটি মিষ্টি এবং টক-মিষ্টি দইয়ের চাইতে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। প্রতিদিন মাত্র ১ কাপ টকদই খাওয়ার অভ্যাস নানা শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে খুব সহজেই। যদি টকদই এমনি খেতে পছন্দ না করতে পারেন তাহলে এতে কিছু ফল কেটে দিয়ে খেয়ে ফেলুন, এতেও কাজ দেবে।

টকদই হলো দুগ্ধজাত খাবার। সেই সাথে এটি খুব পরিচিত ও সহজপাচ্য। টকদই তে প্রোটিন ,ক্যালসিয়াম,রাইবোফ্ল্যাভিন,ভিটামিন বি ৬ ও ভিটামিন বি ১২ রয়েছে। টকদই কে লেকটিক ফারমেন্টেড খাবার বলা হয়। টকদই এ চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট নেই। এর কারণে টকদই অনেক বেশি উপকারিতা শরীরের জন্য।

টকদই এর উপকারিতা:

সবাই আজকাল অনেক বেশি সৌন্দর্য সচেতন। সুন্দর ত্বক সবারই কাম্য। ত্বক সুন্দর রাখার জন্য টকদই এর ভূমিকা অনেক। টকদই এ প্রচুর ল্যাকটিক এসিড রয়েছে যা ত্বককে হাইড্রেট করে ও ত্বককে টানটান রাখে। এর ক্যালসিয়াম এবং জিংক ত্বকের রুক্ষতা দুর করে ত্বককে নরম রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া টক দই শরীরের টক্সিন জমা প্রতিরোধ করে ফলে ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল থাকে। সাধারণত যারা ওজন কমাতে চান তাদের টকদই খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয় কারণ এতে ক্যালরি ও ফ্যাট এর পরিমান কম থাকে।

#টকদই ক্যালসিয়াম এর খুব ভালো উৎস যা হাড় ও দাঁত মজবুত করে এবং সেই সাথে ক্যালসিয়ামের চাহিদাও পূরণ করে থাকে।

# অনেক ক্ষেত্রে অনেকেরই ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স এর সমস্যা থাকে তখন তারা গরুর দুধ খেতে পারেনা সেই ক্ষেত্রে তারা দুধের বিকল্প হিসেবে টকদই খেতে পারে ।কারন দইয়ের ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটজ কে ভেঙ্গে ল্যাকটিক এসিড তৈরি করে।

#টকদই হজমে অনেক বেশি সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও টকদই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর কিছু খনিজ উপাদান যেমন:পটাশিয়াম,  ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

 

লেখক: পুষ্টিবিদ তাসনিম আশিক