ঢাকা, সোমবার   ১৮ নভেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬

প্রতি বছর বাড়ছে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৪৯ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সোমবার | আপডেট: ০৮:৫০ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সোমবার

ক্যানসারের নাম শুনলে যে কেউ ঘাবড়ে যান। কারণ ক্যানসারের অপর নাম মৃত্যু। ক্যান্সার নামের এই মৃত্যু বর্তমানে অধিকহারে বেড়েই চলেছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন, খাদ্যাভাসসহ নানা কারণে মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশ্বে ক্যানসার প্রতিরোধে গবেষণা চললেও এখনও পুরোপুরি এর সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি হয়নি। তবে জীবন পদ্ধতি পরির্বতনের মাধ্যমে ক্যানসারকে জয় করা সম্ভব। 

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখের বেশি। প্রতি বছরই বাড়ছে আক্রান্তের হার। রোগী অনুপাতে চিকিৎসা সুবিধা এখনও পর্যাপ্ত নয়। ক্যানসার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে দেশে নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন দেড় লাখের বেশি মানুষ। প্রতিবছরই বাড়ছে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার।

ক্যানসার বাড়ার কারণ    

পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৬৭ হাজার নারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাল্যবিয়ে কারণে নারীরা জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। এছাড়া, শিশুকে বুকের দুধ না খাওয়ানো, বেশি বয়সে সন্তান ধারণ ও অতিরিক্ত ওজন- স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

তবে, সার্বিকভাবে দেশে পুরুষদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ও মৃত্যুর হার বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, বছরে ৮৩ হাজারের বেশি পুরুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারে। এরমধ্যে ফুসফুস ও অন্ননালীর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি।

বায়ুদূষণ রোধ ও খাদ্যে ভেজাল বন্ধ না হলে ক্যানসারে আক্রান্তের হার আরও বাড়বে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে প্রতিবছর ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার হার বাড়লেও চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ২০ থেকে ২৫টি হাসপাতালে এই রোগের চিকিৎসা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৬ কোটি জনসংখ্যার দেশে ১৬০টি ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র থাকার কথা।

এসি