ঢাকা, শুক্রবার   ০৩ মে ২০২৪,   বৈশাখ ১৯ ১৪৩১

কক্সবাজারের পর্যটন খাতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি এখনও

প্রকাশিত : ১০:৫৭ এএম, ২ অক্টোবর ২০১৬ রবিবার | আপডেট: ১০:৫৮ এএম, ২ অক্টোবর ২০১৬ রবিবার

স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও বিশ্বেও অন্যতম সমুদ্র সৈকত ও কক্সবাজারের পর্যটন খাতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। আকর্ষন করতে পারছে না বিদেশী পর্যটক। পরিবার পরিজন নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নারী-পুরুষ শিশুরা বেড়েতে গেলেও তৃপ্তি নিয়ে ফিরতে পারছেন না তারা। ব্যবসায়ীরাও বিপুল পরিমান বিনিয়োগ করে পাচ্ছেন না মুনাফা। হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস রেস্টুরেন্টসহ প্রায় ৫’শ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বঙ্গোপসাগরের তীরে এই পর্যটন শহরে। সুনির্দিষ্ট কোনো জরিপ বা তথ্য না থাকলেও বছরে প্রায় ১২ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমনে যান বলে সংশ্লিস্টদের ধারনা। এরমধ্যে বেশীর ভাগই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা নারী, পুরুষ ও শিশু। পর্যটন শহর হিসেবে রাস্তাঘাট যেরকম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও নিখুঁত থাকা দরকার কক্সবাজারে এখনো সেটি দেখা যায় না। তার উপর রয়েছে সৈকতে ভিক্ষুক ও হকারদের উৎপাত। সমুদ্র সৈকতেই গড়ে উঠেছে দোকানপাট। এতে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে সৈকতের রূপ সৌন্দর্য। বছরের পর বছর চলছে এভাবেই। সৈকত আর পর্যটন শিল্পকে দেখভাল করার জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি রয়েছে। দেশের প্রধান এই পর্যটন এলাকাকে বিশেষ গুরত্ব দিতে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও গঠন করেছে সরকার। তবে এই কর্তৃপক্ষ কি ধরণের কাজ করবে তা পরিস্কার করে বলতে পারছেন না কর্মকর্তারাই। তবে ব্যবসায়ীরা নিজের উদ্যোগে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন কক্সবাজারে। বিশাল এই সমুদ্র সৈকতকে ঘিরে কেবল পর্যটন বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলেই বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে বলে আশাবাদ সংশ্লিস্টদের।