ঢাকা, মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯,   ভাদ্র ৪ ১৪২৬

শোবিজের ৪ বছর: যে কথা হয়নি বলা

আজম খান

প্রকাশিত : ০১:০৪ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৯ বুধবার

শোবিজে আসার ৪ বছর পূর্ণ হল। ২০১৫ সালের ৩ জুলাই প্রথম ক্যামেরার সামনে দাড়িয়েছিলাম এফ কিউ পিটারের দ্য হীরো টেলিফিল্মে শক্তিমান অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিমের সঙ্গে।

এই ৪ বছরে শোবিজে আমি শুধু অভিনয়ই করেছি। সেজন্যই শখের অভিনয় এক সময় পরিণত হয়েছে আমার দ্বিতীয় কাজে। আর তাই এখন আমি বলতে পারি অভিনয় হচ্ছে আমার প্যাশন। 

এই ৪ বছরে আমি একটাও নাটক, টেলিফিল্ম বা মিউজিক ভিডিও প্রযোজনা করিনি। কারণ আমি প্রডিউসার না। আমি শুধুই একজন অভিনয় শিল্পী। প্রডিউস করা আমার কাজ না।

ব্যক্তিগত জীবনে আমি একটি শীর্ষ স্থানীয় ব্যাংক এর কমিউনিকেশনস বিভাগের প্রধান। আর তাই শোবিজে অনেক সময় অনেকেই অনুরোধ করেছেন স্পন্সর করার জন্য। কিন্তু নীতিগত কারণে আমি সেটাও করিনি কখনও।

তারপরেও অনেকের ধারণা আমি একজন প্রডিউসার। অনেক কাজ প্রডিউস করেছি এই ৪ বছরে। বিশেষ করে প্রিয় বন্ধু আর নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর সব টিভি কাজের আমি একমাত্র প্রডিউসার।

আশা করি এই লেখাটা পড়ে অনেকের সেই ভুল ভাঙবে। আমি অনেক কৃতজ্ঞ টেলিহোম, সালভি টেলিফিল্ম, আলফা আই, পথিক, দৃস্টিদ্বীপ, জারা ক্রিয়েশনস, ১৯৫২ এন্টারটেইনমেন্ট, বানীচিত্র, ফ্যাক্টর থ্রী সলিউশন্স এর মতো অনেক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কাছে যাদের প্রযোজনায় এই ৪ বছরে আমি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি শোবিজে।

শিল্পী চন্দন সিনহা আর এটিএন বাংলার কর্নেল মীর মোতাহার হাসানকে ২০১৫ সালের প্রথম দিকে একদিন বলেছিলাম আমার শখের কথা। অভিনয় করতে চাই। আমার কথা শুনে তারা পরিচয় করিয়ে দিলেন দেশের কয়েকজন গুণী নির্মাতার সঙ্গে।

তাদেরই একজন ছিলেন চয়নিকা চৌধুরী। আমার এই ৪ বছরের অভিনয় জীবনে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি তার। ২০১৬ সালের রোজার ঈদে প্রথম তার পরিচালনায় অভিনয় শুরু করি শেষের পরে নাটকে।

তারপর গত ৪ বছরে অনেক গুণী নির্মাতার পরিচালনায় অভিনয় করেছি আমি। চয়নিকা চৌধুরীসহ ৪৩ জন গুণী নির্মাতার পরিচালনায় কাজ করেছি ১১৯ টি সিংগেল নাটক / টেলিফিল্মে, ১৪ টি ধারাবাহিকে, ২ টি মিউজিক ভিডিওতে, ১ টি চলচ্চিত্রে আর ১৬ টি বিজ্ঞাপনে।

সবাই ভাল থাকবেন। দেশের গুণী আর বরেণ্য নির্মাতাদের পরিচালনায় আর দেশের স্বনামধন্য প্রযোজকদের প্রযোজনায় দেশের গুণী অভিনয় শিল্পীদের অভিনয় দেখুন।