ঢাকা, রবিবার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯,   পৌষ ১ ১৪২৬

বাংলাদেশের সিনেমায় বলিউড নায়িকা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:৩৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রবিবার | আপডেট: ১০:৪৫ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রবিবার

বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন বলিউডের নায়িকা পূজা চোপড়া। নতুন এই সিনেমাটির নাম ‘অ্যাডভোকেট সুরাজ’। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা পরিচালক সিবি জামান। ইতিমধ্যে সিনেমাটিতে নায়িকা পূজা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মুম্বাইয়ে চুক্তিবদ্ধের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক ও অভিনেতা শামস হাসান কাদির, লাইন প্রডিউসার আমিনুল ইসলাম শাওন, বলিউডের জনপ্রিয় নৃত্য পরিচালক মাস্টার সৌরভ।

আমিনুল ইসলাম শাওন বলেন, গত ২৪ তারিখ পূজা চোপড়ার সঙ্গে বোম্বের এল্ফ্রেড রেস্টুরেন্ট-এ চুক্তি হয়। তারকার ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পরই শুটিং শুরু হবে। আমরা আশা করছি আগামী নভেম্বরে সব কিছু ঠিক থাকলে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে।

এক ভিডিও বার্তায় নায়িকা পূজা বলেন, ‘সবার জন্য দারুণ একটা সংবাদ হচ্ছে, আমি বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছি। এর নাম ‘অ্যাডভোকেট সুরাজ’। এটি পরিচালনা করছেন গুণী নির্মাতা সি.বি. জামান এবং প্রযোজনা করছে এসএইচকে গ্লোবাল। সবার সঙ্গে খুব শিগগিরই দেখা হচ্ছে।’

তবে সিনেমাটির পরিচালক সিবি জামান একুশে টেলিভিশনকে বলেন, আমরা এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। কে অভিনয় করবেন সেটি এখনো বলা যাচ্ছে না। সিনেমার যে নাম রয়েছে সেটিও পরিবর্তন হতে পারে। তাই সব কিছু চূড়ান্ত হলে আমরা পরে জানাবো। 

নতুন এই চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছে এসএইচকে গ্লোবাল। নায়িকা পূজার সঙ্গে এই ছবিতে নায়ক হিসেবে থাকছেন শামস হাসান কাদির।

পূজা চোপড়া ২০০৯ সালে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়ার মুকুট জেতেন। ২০১১ সালে তামিল সিনেমা ‘পোন্নার শঙ্কর’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। বলিউডে ‘ফ্যাশন’ ও ‘হিরোইন’ ‘কমান্ড’ সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন। এছাড়া গত বছর ‘আইয়ারী’ সিনেমাতেও তাকে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে প্রায় তিন দশক পর চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন সিবি জামান। ১৯৯০ সালে তার সর্বশেষ ‘কুসুম কলি’ ছবিটি মুক্তি পায়। ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সরাসরি চলচ্চিত্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। এ সময়ে তিনি নির্মাণ করেন একে একে ঝড়ের পাখি (১৯৭৩), উজান ভাটি (১৯৮২), পুরস্কার (১৯৮৩), শুভরাত্রি (১৯৮৫), হাসি (১৯৮৬), লাল গোলাপ’র (১৯৮৯) মতো কালজয়ী চলচ্চিত্র। 

১৯৮৬ সালে শুভরাত্রি ছবির জন্য ৯টি ক্যাটাগরির ভেতরে ৬টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়।

এসি