ঢাকা, শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬

‘নিরাপদ সড়কের জন্য ৩৬৫ দিনই কাজ করতে হবে’

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৫:৩০ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯ মঙ্গলবার

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘আমি মনে করি নিরাপদ সড়কের জন্য এক দিন কিংবা বা দুই দিন নয়, এর জন্য বছরের ৩৫৬ দিনই কাজ করা উচিৎ।’ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ‘পাঠাও’ এবং ‘এটুআই’-এর যৌথভাবে আয়োজিত ‘সেফটি ফাস্ট’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পলক বলেন, ‘বাংলাদেশের সব জায়গায় সড়ক নিরাপদ করে তুলতে এক দিন কিংবা দুই দিন নয় আমাদের বছরের প্রতিটি দিনই কাজ করা উচিৎ। সড়ক নিরাপদ রাখতে মানুষকে আইন মানতে হবে এবং আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া বছরব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের প্রয়োজন। অন্যদিকে রোড ডিজাইনের ক্ষেত্রেও আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আর তাই আজকে থেকে, এখন থেকে আমরা চেষ্টা করব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে। যাতে করে তারা যেন মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি যত্নশীল হয়।’

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে সাড়ে ৪ কোটি ছেলে-মেয়ে পড়াশুনা করছে উল্লেখ করে পলক বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নিজের বর্তমানকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন তারাই এ দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে, এগিয়ে নিয়ে যাবে।

পাঠাও-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা আনতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। একজন রাইডারের যেমন দায়িত্ব ঠিকভাবে ড্রাইভ করা, ঠিক একইভাবে যাত্রীদেরও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ‘পাঠাও’ সব সময় তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়। তাই আমাদের তরুণ সমাজের উচিত নিজেদের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করা। গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে ও ট্রাফিক আইন মেনে আমাদেরকে সড়কে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালাতে হবে।’

অনুষ্ঠানে পাঠাও-এর সিইও হুসাইন মো. ইলিয়াস বলেন, ‘আমরা রাইডার ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কাজ করি। পাঠাওতে রাইডের অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আমরা নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বেশ কয়েকটি কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে রাইডার এবং ড্রাইভারদের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, রাইডারদের এবং যাত্রীদের জন্য হেলমেট দেওয়া ও হেলমেট এক্সচেঞ্জসহ বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।’

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত পাঠাও প্রায় ২৬ হাজার হেলমেট বিতরণ করেছে এবং পাঠাও রাইডার এবং ড্রাইভারদের জন্য হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’

এর আগে সড়কে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে ‘একসেস টু ইনফরমেশন’এর সৌজন্যে শিশু-কিশোররা একটি মঞ্চনাটক উপস্থাপন করে। পরে পাঠাও এর বেস্ট রাইডারদের হাতে প্রতিমন্ত্রীসহ অতিথিরা ক্রেস্ট এবং হেলমেট তুলে দেন।

টিআর/এসি