ঢাকা, রবিবার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯,   পৌষ ১ ১৪২৬

জুমাবারের গুরুত্বপূর্ণ আমল

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:২২ এএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৯ শুক্রবার

আল্লাহ তায়ালা নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও গোটা জগতকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। এই ছয় দিনের শেষ দিন ছিল জুমার দিন। কেয়ামতও এ দিনেই সংঘটিত হবে। মহান আল্লাহ প্রতি সপ্তাহে মানবজাতির সমাবেশ ও ঈদের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু পূর্ববর্তী উম্মতরা তা পালন করতে ব্যর্থ হয়। 

ইসলামে জুমার দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। জুমার আজানের আগেই সব কর্মব্যস্ততা ত্যাগ করে নামাজের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে মসজিদে গমন করা সব মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব। এ দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, তখন মানুষ যে দোয়াই করবে তাই কবুল হয়। এই দিনে বিশেষ বিশেষ কিছু আমল রয়েছে, যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। 

১. জুম্মার দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে হযরত আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলে পাক (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসর নামাজের পর না উঠে ওই স্থানে বসা অবস্থায় ৮০ বার ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহী ওয়াসাল্লিম তাসলীমা’ এই দুরুদ শরিফটি পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব তার আমল নামায় লেখা হবে। (সুবনহান আল্লাহ)

২. জুম্মার দিনে সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করলে কিয়ামতের দিন আকাশতুল্য একটি নূর প্রকাশ পাবে।

৩. এই দিনে বেশি বেশি দুরুদ শরিফ পাঠ করা এবং বেশি বেশি জিকির করা মোস্তাহাব। এমনিতেই যে কোনো সময়ে একবার দরুদ শরিফ পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা পাঠকারীকে দশটা রহমত দান করেন এবং ফেরেশতারা তার জন্য দশবার রহমতের দোয়া করেন।

৪. জুমার নামাজের পূর্বে দুই খুতবার মাঝখানে হাত না উঠিয়ে মনে মনে দোয়া করা।

৫. সূর্য ডোবার কিছুক্ষণ আগ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে জিকির, তাসবীহ ও দোয়ায় লিপ্ত থাকা।

এএইচ/