ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০১ অক্টোবর ২০২০,   আশ্বিন ১৫ ১৪২৭

ছেলে জন্মের পর থেকে এক টাকাও খরচ দেয়নি শাকিব : অপু

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১২:১৫ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ শুক্রবার

শাকিব খান আর অপু বিশ্বাসকে নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। গোপন বিয়ে, সন্তান, বিচ্ছেদ সহ নানান ঘটনার সংবাদই প্রকাশ পেয়েছে এই তারকা দম্পত্তিদের নিয়ে। এবার নতুন করে আবারও শিরোনামে উঠে আসলেন এই তারকা জুটি। অপু অভিযোগ করলেন শাকিবের বিরুদ্ধে।

জানালেন, ‘ছেলের সবরকম খরচ আমাকেই দিতে হচ্ছে। শাকিব আসলে ছেলের জন্য কোনও খরচ কখনোই দেয়নি। ওর কাছ থেকে একটা প্রয়োজনে আমি ১০ লাখ টাকা নিয়েছিলাম। তখন আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিল। তখন আমরা স্বামী-স্ত্রী। পরে যখন জয় এলো তখন শাকিব ওই ১০ লাখ টাকা ছেলের খরচ হিসেবে দিয়েছে বলে দাবি করে। মানে সে বলে যে আমার আর তাকে ওই টাকাটা ফেরত দিতে হবে না। এটা সে ছেলের জন্য দিয়েছে। এই দেয়াটাকেই সবাই প্রচার করেছে যে ছেলে-বউয়ের খরচ দিচ্ছে শাকিব। আমিও কিছু বলিনি। কারণ টাকাটা সে আমার কাছে পায়। কিন্তু সত্যটা হলো, ছেলে জন্মের পর ওর জন্য এক টাকাও সে নগদ দেয়নি।’

শাকিব খানের সাবেক স্ত্রী অপু আরও বলেন, ‘জয় আসার পর থেকেই আমাকে অনেক সংগ্রামের মুখে পড়তে হয়েছে। সাংবাদিক ও আমার পরিবার আমাকে মানসিক সমর্থনটা দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু আর্থিক সাপোর্টটা আমি কোথাও থেকে পাইনি। নিজেকে জোগাড় করতে হয়েছে নানারকম বিজ্ঞাপন, সিনেমা ও শো থেকে। ছেলের জন্য আমি সব করতে পারি। ওকে তো মানুষ করতে হবে। স্বামীর অনিচ্ছায় আমি ছেলেকে পৃথিবীর মুখ দেখিয়েছি। ওর জন্য নিরাপদ জীবনের ব্যবস্থা আমাকেই করতে হবে। শাকিব মাসে-বছরে একদিন একটা গিফট দেয়, হঠাৎ একদিন দেখা করতে আসে আর সেগুলো দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায়। কিন্তু আমার দায়িত্ব প্রতিদিনের।’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। গোপনে ১০ বছর সংসার করেন তারা। তবে নিজের সেই গোপন বিষয়গুলো আর লুকিয়ে রাখতে পারেননি অভিনেত্রী। একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সের ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন তিনি।

সেদিন অপু বলেন, ‘আমি শাকিবের স্ত্রী, আমাদের ছেলে আছে।’

সেই সময় বিয়ের খবর সবার সামনে প্রকাশ করার পর শাকিব-অপুর সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয়নি দুজনের। এরপরের ঘটনা সবার জানা রয়েছে।

এসএ/