ঢাকা, বুধবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০,   ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬

আরেকটি রাজকীয় জয়ের পথে রাজশাহী

নাজমুশ শাহাদাৎ

প্রকাশিত : ০৪:১৪ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ শুক্রবার

জয়ের পথে রাজশাহী রয়্যালস

জয়ের পথে রাজশাহী রয়্যালস

প্রথম ম্যাচে দারুণ এক জয় পেলেও আজ (১৩ ডিসেম্বর) নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তেমন সুবিধা করতে পারেনি সিলেট থান্ডার্সের ব্যাটাররা। রাজশাহীর বোলারদের আগ্রাসি বোলিংয়ে মাত্র ৯১ রানেই গুটিয়ে যায় মোসাদ্দেক-মিঠুনরা। জবাব দিতে নেমে শূন্য রানেই জাজাইকে হারালেও আফিফ-লিটনে আরেকটি রাজকীয় জয়ের পথে রাজশাহী। 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭ ওভারে রাজশাহীর সংগ্রহ এক উইকেটে ৬২ রান। লিটন দাস ২৮ রানে এবং আফিফ হোসাইন ৩০ রানে ক্রিজে আছেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৪১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল সিলেট থান্ডার। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন ও মোসাদ্দেক হোসেন। দারুণ খেলছিলেন তারা। বেশ মেলবন্ধন গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে। কিন্তু রাজশাহীর বোলারদের তোপের মুখে ব্যাটসম্যানদের যাওয়া আসার মিছিলে মাত্র ৯১ রানে অলআউট হয়ে যায় সিলেট। 

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের পঞ্চম ম্যাচে মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেন রাজশাহী রয়্যালস অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ফলে হোম অব ক্রিকেট মিরপুরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সিলেট।

দলকে শুভসূচনা এনে দেন দুই ওপেনার রনি তালুকদার ও জনসন চার্লস। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৫ রান তোলেন তারা। তবে আন্দ্রে রাসেলের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে রনি (১৯) ফিরলে হোঁচট খায় সিলেট। সেই রেশ না কাটতেই এই শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন অলক কাপালি। ফিরিয়ে দেন অপর ওপেনার জনসন চার্লস (১৬) ও জীবন মেন্ডিসকে। এতে চাপে পড়ে তারা। শেষ পর্যন্ত ৯১ রানে গুটিয়ে যায় সিলেটের যাত্রা।

এদিন সিলেটের ইনিংসে ত্রাস ছড়ান রাজশাহীর বোলাররা। তবে সবচেয়ে বেশি সফল ছিলেন অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার অলক কাপালি। হ্যাটট্রিকের আশা জাগানো এই বোলার ১৭ রানের বিনিময়ে নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া বোপারা ও ফরাহাদ রেজা নেন দুটি করে উইকেট যথাক্রমে ১০ ও ৯ রানের বিনিময়ে।  

এদিকে, দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রাত ৭টায় ঢাকা প্লাটুনের মুখোমুখি হবে কুমিল্লা ওয়ারিয়ার্স। রাজশাহীর কাছে হেরে ব্যাকফুটে থাকা মাশরাফিদের বিপক্ষে ম্যাচেও জয় পেতে চায় কুমিল্লা। 

আসরের দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে ১০৫ রানের বিশাল জয় দিয়ে এবারের বিপিএল মিশন শুরু করে কুমিল্লা। সে ধারাবাহিতা ধরে রাখতে চায় দাসুন সানাকার দল। অপরদিকে, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া মাশরাফিরা। 

এনএস/