ঢাকা, শনিবার   ২১ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ৭ ১৪৩২

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক অবহিতকরণ সভা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:০৬ পিএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার

আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে শহরে বসবাসরত দরিদ্রদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা, কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করা, নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান, জলবায়ু সহিষ্ণ অবকাঠামো উন্নয়নসহ নোয়াখালী পৌর শহরকে দারিদ্রবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা তৈরি করা এবং নীতি ও পরিকল্পনা জোরদার করা হবে।
 
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী পৌরসভার সভা কক্ষে পৌরসভা, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ডিএফআইডি ও ইউএনডিপি সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে অবহিত করণ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রকল্পের পরিচালক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুল মান্নান। নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদ উল্যাহ্ খান সোহেল এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইউএনডিপির কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর ফরিদ আহমেদ, সিটি লিয়াজু কো-অর্ডিনেটর ইকবাল হোসেন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত বড়ুয়াসহ অনেকে। এছাড়া স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরাও নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। 

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, নগর দারিদ্র্য নিরসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং কাজে সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং ইউএনডিপি। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্রদের সক্ষমতা বাড়বে যার ফলে দারিদ্র্য বিমোচন নীতি ও কর্মকান্ডে দরিদ্ররাই তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারবে। শহরে বসবাসরত বৃহৎ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে দেশকে স্বল্প আয়ের দেশ থেকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তিনি। 

নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র তার বক্তব্যে বলেন, শহরে একদিকে যেমন আয় বৈষম্য বাড়ছে, অন্যদিকে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। বল বায়ুর বিরূপ প্রভাব থেকে বাঁচতে গ্রামের বহু ভুমিহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠী ক্রমাগত শহরে আসছে। এর সার্বিক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শহরে বসবাসকারী অন্য সবার ওপর। নোয়াখালী পৌরসভা স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাসরত সকলের জন্য নাগরিক সেবা প্রদানে তিনি বন্ধপরিকর বলেও জানান। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নোয়াখালী পৌর শহরের দারিদ্র হ্রাসকরণে ভুমিকা রাখবে বলেও মনে করেন তিনি। পরে বক্তাগণ গণমাধ্যমকর্মীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন।

কেআই/এসি