ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৯ এপ্রিল ২০২০,   চৈত্র ২৫ ১৪২৬

‘নির্বাচন থেকে সরে যেতে অজুহাত খুঁজছে বিএনপি’

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:২৬ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ শনিবার

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সিটি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় বিএনপি নানামুখী অজুহাত খুঁজছে। পরাজয়ের ভয়ে তারা ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন থেকে সরে যেতে চাচ্ছে।’

শনিবার বেলা সোয়া একটায় রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১১ জন নারী গাড়ি চালকের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার মতো বক্তব্য দিলে তো হবে না। বিএনপি তথ্যপ্রমাণ নিয়ে আসুক। কোথায় সরকার আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে। এ পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে হয়েছে কোথায় তারা কারচুপির তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে। তারা শুধু বলেই যাচ্ছে। বলার জন্যই এবং বিরোধীতার জন্যই তারা বিরোধীতা করছেন।’

এর আগে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গাড়ি চালকদের মতো রাজনীতিবিদরাও বেপরোয়া।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের কথামালা ফরমালিনের বিষের চেয়েও ভয়ঙ্কর। তাদের কথার কারণে সংঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। জানি না কবে ধৈর্যের কাছে, শৃঙ্খলার কাছে ফিরবো।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতিতে বেপরোয়া চালক, সড়কেও বেপরোয়া, পথচারীও তেমন বেপরোয়া। কে কার কথা শোনে। আইন না মানার যে প্রবণতা এ দেশে, এটা কবে যে শেষ হবে। আমরা সবাই সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলছি, কিন্তু সড়কেতো শৃঙ্খলা নেই। মানুষ হামাগুড়ি দিয়ে আইল্যান্ড পার হচ্ছে। মা সন্তানকে নিয়ে সড়ক পার হচ্ছে। অথচ পাশেই ফুটওভার ব্রিজ। কে কাকে বোঝাবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজধানীর সিটিং সার্ভিস হচ্ছে চিটিং সার্ভিস। গণপরিবহন নিয়ে এতো কাজ হচ্ছে, তারপরও ফলাফল আসছে না।’

বিআরটিসিতে শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটের কারণে বিআরটিসি লাভের মুখ দেখে না। এ সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলা কঠিন। তবুও চেষ্টা করছি বাধার প্রাচীর ভেঙে ফেলার জন্য। আমি হতাশ হবো না, যদিও হতাশ হওয়ার মতো অনেক কারণ রয়েছে। সড়কে প্রতিনিয়ত মানুষ মরছে। মন্ত্রী হিসেবে আমি দায় এড়াতে পারি না। অনেক পরিবার সড়কে প্রাণ হারাচ্ছে।’

এসএ/