ঢাকা, রবিবার   ০৫ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ২০ ১৪২৭

অভিষেকেই মুশফিকের সেঞ্চুরি

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:৪০ পিএম, ১৫ মার্চ ২০২০ রবিবার

ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো আবাহনী লিমিটেডের হয়ে খেলতে নেমে অভিষেকেই সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিজেন্টস মুশফিকুর রহিম। এর আগে সবশেষ ২০১৭ সালে রুপগঞ্জের হয়ে শতক হাঁকিয়েছিলেন তিনি। 

ঘরোয়া ক্রিকেটে শিরোপা ঘরে তোলা না হলেও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে বরাবরই উজ্জ্বল মি. ডিপান্ডাবল। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) রুপগঞ্জের হয়ে তার ব্যাটিং গড় ৫৭.৫০, শেখ জামালের হয়ে ৬৯.৩৩ আর মোহামেডানের হয়ে ৪৫। 

রোববার হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে খেলতে নেমে অসাধারণ এক শতক হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশের টপ অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। 

৮ চার ও ২ ছয়ে ১১২ বলে তিন অংকের ঘরে পৌঁছান এ ম্যাজিশিয়ান। এর মধ্যদিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। যদিও সেখান থেকে আর বেশিদূর যেতে পারেননি। দলীয় ২২৭ রানের মাথায় জয়নুল ইসলামের আগুন ঝড়া বোলিংয়ে রনি হোসেনের হাতে ধরা পড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরতে হয় তাকে। 

এর আগে দিনের শুরুতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে হতাশ করেন সদ্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেরা নৈপুণ্য দেখানো লিটস দাস ও নাঈম শেখ। দু’জনই ডাক মেরে ফিরে যান। 

এক পর্যায়ে ৬৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে পথ হারানো আবাহনীকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন মুশফিকুর রহিম। তাকে সঙ্গ দেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দু’জনে ষষ্ঠ উইকেটে ১৬০ রানের মূল্যবান জুটি গড়েন। এরপর সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। 

তার বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মোসাদ্দেক। ৬১ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৮৯ রানে থামে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ইনিংস। বল হাতে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবের জয়নুল ইসলাম ৩টি ও তাসামুল হক নিয়েছেন ২টি উইকেট।
 
ডিপিএলের এবারের আসরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনীতে নাম লেখান মুশফিকুর রহিম। আশা করছেন দীর্ঘদিনের শিরোপার খরা কাটবে এ মৌসুমেই।

এআই/