ঢাকা, বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ৩০ ১৪২৭

সরাইল এখন শুধুই নিরবতা

সরাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

প্রকাশিত : ০৭:৫১ পিএম, ২৬ মার্চ ২০২০ বৃহস্পতিবার

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এর সংক্রমণ যাতে ছড়াতে না পারে সে জন্য সরকারী  নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল থেকে ৪ এপ্রিল পযর্ন্ত সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয়, ফার্মেসী, মদিমালের দোকান,খাবারের দোকান,জরুরী সার্ভিস ছাড়া সব দোকানপাট বিপনীবিতান বন্ধ ঘোষনা করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসের বরাদ দিয়ে এলাকায় মাইকিং করে জনসাধারনের অবগতির জন্য জানিয়ে দেয়া হয় সকারের এই সিদ্ধান্ত। 

সরকারি এই নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা সদরের প্রধান সবগগুলি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা তারা তাদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে যার যার বাড়িতে অবস্থান করছে। সরাইল সদরের কেন্দ্রীয় শহীদমিনার এলাকা, সকাল বাজার, বিকাল বাজার, অন্নদা স্কুল মোড়, উচালিয়াপাড়ার মোড়, হসপিটাল মোড় সহ সকাল সন্ধা জাঁকজমক পূর্ন এই স্থানগুলি এখন যেন জনমানব শূন্য। 

উপজেলার বেশকটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় কালীকচ্ছ ইউনিয়নের কয়েকটি দোকান খোলা রাখা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ গিয়ে তা বন্ধ করে দেয়,এবং মাস্ক ছাড়া রাস্তায় অঝতা ৩/৪ জন এক সাথে বের হওয়ার কারনে কান ধরে উঠবোস করানো হয় পথচারিদের ,এবং বলে দেয়া হয় যাতে ঘরের বাইরে না বের হন । 

তবে সরাইল সদরসহ পুরো উপজেলা এই নির্দেশনা মেনেই ঘরে আছেন সবাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,এস,এম মোসা জানান করোনা ভাইরাস যাতে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পরতে না পারে তার জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী আমরা দিনরাত সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছি যাতে মানুষ তাদের নিজ গৃহে থাকেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে অতি দরিদ্র  য়ারা তাদের খাবার পৌছে দিচ্ছি। 

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটো বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সরাইল থানা পুলিশ নিজেদের জিবন বাজি রেখে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষকে ঘরে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি ,আর যদিও কেউ বিশেষ প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে আসতে হয় তবে অবশ্যই যেন মাস্ক পরে বের হন এই বিষয়গুলি আমাদের পুলিশের সদস্যগন নিশ্চিত করছেন পাশাপাশি সবাইকে ঘরে থেকে সহযোগী করার অনুরোধ করছি। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর সড়কের যান চলাচলও সিমীত করা হয়েছে, অটো রিক্সা সহ ছোট যানগুলি বন্ধ রাখা হয়েছে। 

আরকে//