ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩১:৪২

কোটা নয়, ৪০তম বিসিএসে নিয়োগ হবে মেধায়

কোটা নয়, ৪০তম বিসিএসে নিয়োগ হবে মেধায়

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার এবার ৪০ বিসিএসে মেধায় নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ বৃহস্পতিবার পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক এবিষয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলেছিলাম কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়োগ হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে এই বিসিএসে কোটা নয় মেধা থেকে নিয়োগ হবে। এ ছাড়া কয়েকটি নন ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রেও কোটার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলাম। সেই নিয়োগ গুলোতেও সরকারের সর্বশেষ কোটার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, তবে যেসব নিয়োগ আগের, যেমন ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের কোটা নীতি ব্যবহার করা হবে। পিএসসি জানায়, ৪০তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নেওয়া হবে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। টিআর/
৩৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট

৩৯তম বিসিএসের (বিশেষ) লিখিত পরীক্ষা বাতিল এবং মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটের যুক্তিতে বলা হয়েছে, এমসিকিউ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাতটি ভুল ছিল, তাই পরীক্ষাটি বাতিল করতে আবেদন করা হয়েছে ওই রিটে। ২২ পরীক্ষার্থীর পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ বৃহস্পতিবার দুপুরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে স্বাস্থ্য সচিব, সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি), সরকারি কর্মকমিশন পিএসসির কন্ট্রোলারকে (ক্যাডার) বিবাদী করা হয়েছে। এদিকে মৌখিক পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন নম্বরভিত্তিক সময়সূচি পিএসসির ওয়েবসাইটে ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষা প্রতি কার্যদিবসে সকাল ১০টায় শেরেবাংলা নগর আগারগাঁওয়ে পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে, যা ১০ অক্টোবর শুরু হয়ে চলবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে চার হাজার ৫৪২ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ২৫০ জনকে নিয়োগের জন্য ৩৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ৩ আগস্ট ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসএইচ/

৩৯তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শুরু ১০ অক্টোবর

৩৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হবে বলে পিএসসি সূত্রে জানানো হয়েছে। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পিএসসির আগারগাঁওয়ের প্রধান কার্যালয়ে প্রতি কার্যদিবসে সকাল ১০ টা থেকে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ২৬ নভেম্বর। কোনো প্রার্থী নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে ওই প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা আর গ্রহণ করা হবে না এবং প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে। পিএসসি সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে সাক্ষাৎকারপত্রে উল্লিখিত কাগজপত্র, সাক্ষাৎকারপত্রসহ প্রার্থীদেরকে পিএসসি কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।  এমএইচ/

৪০তম বিসিএসের আবেদন শুরু

৪০তম বিসিএসের অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন আগামী ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত করা যাবে। আগ্রহীরা bpsc.teletalk.com.bd বা bpsc.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময় ৩০০ বাই ৩০০ পিক্সেল আকারের রঙিন ছবি এবং ৩০০ বাই ৮০ পিক্সেল আকারের স্বাক্ষরের স্ক্যানকপি আপলোড করতে হবে। আবেদন ফরম পূরণ শেষে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ব্যবহার করে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ৭০০ টাকা। তবে প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ফি ১০০ টাকা। বিপিএসসি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪০তম বিসিএসে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নেওয়া হবে। যার মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা বাড়তেও পারে। / এআর /

কোটা বহাল রেখে ৪০তম বিসিএসের সার্কুলার

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান ৫৬ শতাংশ কোটা বহাল রেখেই ৪০তম বিসিএসের  সার্কুলার জারি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪০তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়োগ হবে। অর্থাৎ এই বিসিএসেও ৫৬ শতাংশ কোটা পদ্ধতি বহাল থাকছে। কারণে কোটার বিষয়ে সরকার গঠিত কমিটি এখনও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে নি। কোটা পুরোপুরি বাতিল করা হবে নাকি সংস্কার করা হবে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আজও আসে নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করছে কমিটি। সরকারি কমর্কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা গেছে, ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আর কোটা রেখে ৪০ তমের সার্কুলারের বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নেওয়া হবে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এদিকে কোটার সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির পর ৪০ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জারির দাবি জানায় কোটা আন্দোলনকারীরা। ৪০ তম বিসিএসের সার্কুলার হওয়ার আগে আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। এ সময় তিন দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা পাঁচ দফার আলোকে আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা। এ সময় তিনি ৩দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হচ্ছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার করা, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা এবং পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আশা করি সরকার ছাত্র সমাজকে রাজপথে নেমে প্রজ্ঞাপন আদায়ের দিকে ধাবিত করবেন না। সরকারের অনাগ্রহ ও উদাসীনতা যদি প্রজ্ঞাপন জারি আটকে রাখে তবে ছাত্র সমাজ রাজপথে নেমেই দাবি আদায় করতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণার পর দীর্ঘ পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও কোটা সংস্কারের কাঙ্ক্ষিত প্রজ্ঞাপন এখনও জারি না হওয়ায় ছাত্র সমাজ হতাশ ও বিক্ষুব্ধ সংবাদ সম্মেলন থেকে  তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া। প্রসঙ্গত সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ‘কোটাই থাকবে না’ বলে ঘোষণা দেন। এরপর ৫ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও জারি হয়নি কোটার প্রজ্ঞাপন। কোটার সংস্কারে গঠিত কমিটি বলছে, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। সংশ্লিষ্ট সূ্ত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৪০তম বিসিএসের জন্য জনবলের চাহিদাপত্র পাঠানো হয় পিএসসিতে। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজারেরও বেশি পদে নিয়োগের চাহিদা পাঠানো হয়। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার পদে ২২৮টি, পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার ৭০টি, পররাষ্ট্র ক্যাডারে সহকারী সচিব ২৫টি, আনসার ক্যাডারে ১২, মৎস্য ক্যাডারে ৩৪৪, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক ১৫ এবং শিক্ষা ক্যাডারে বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাষক পদে প্রায় ১ হাজার ক্যাডার নিয়োগের চাহিদার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সাজর্ন, সহকারী ডেন্টাল সাজর্ন, কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ কমর্কতার্, সহকারী বন সংরক্ষক, ভেটেরিনারি সাজর্ন, সহকারী প্রকৌশলী, কর ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার, তথ্য ক্যাডার, রেলওয়ে প্রকৌশল ক্যাডারে নিবার্হী প্রকৌশলী ও সমমানের পদ, ইকোনমিক ক্যাডারে সহকারী প্রধান, রেলওয়ে পরিবহন ও ডাক ক্যাডারে সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল পদে প্রায় ১ হাজার কমর্কতার্ নিয়োগের জন্য চাহিদা দেওয়া হয়। কোটা রেখে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘আমরা চাই সরকার আমাদের ৫ দফার ভিত্তিতে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। দেশের সব চাকরিপ্রত্যাশীও সেটাই চায়। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ মূলত চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম। সাধারণ শিক্ষাথীর্রা যেটা চাইবে আমরাও সে অনুসারে আমাদের কমর্সূচি চুড়ান্ত করব। ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি যদি আমাদের দাবি না মেনে প্রকাশ করা হয় তবে আমরাও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন কমর্সূচিতে নামতে বাধ্য হব।  তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের শীষর্ মহল চাইলে এটা এত সময় লাগার কথা নয়। সরকারের উচিত, এটাকে আর ঝুলিয়ে না রেখে এখনই সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া। আমরা মনে করি, নীতিনিধার্রকদের গাফিলতি ও সদিচ্ছার অভাবের কারণেই বিষয়টি ঝুলে আছে। আমরা আশা করব, আমাদের দাবি মেনে নিয়ে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। প্রয়োজন হলে আমরা এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আবারও আলোচনা করতে চাই। আমরা সংঘাত সহিংসতা চাই না। এবিষয় জানতে চাইলে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আমরা আশা করি সরকার ছাত্র সমাজকে রাজপথে নেমে প্রজ্ঞাপন আদায়ের দিকে ধাবিত করবেন না। সরকারের অনাগ্রহ ও উদাসীনতা যদি প্রজ্ঞাপন জারি আটকে রাখে তবে ছাত্র সমাজ রাজপথে নেমেই দাবি আদায় করতে বাধ্য হবো। ৪০ তম বিসিএসের সার্কুলারটি দেখতে ক্লিক করুন টিআর / এআর /    

৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির আগেই কোটার প্রজ্ঞাপন দাবি

৪০তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগেই কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। এ সময় তিন দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা পাঁচ দফার আলোকে আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা। এ সময় তিনি ৩দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হচ্ছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার করা, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা এবং পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আশা করি সরকার ছাত্র সমাজকে রাজপথে নেমে প্রজ্ঞাপন আদায়ের দিকে ধাবিত করবেন না। সরকারের অনাগ্রহ ও উদাসীনতা যদি প্রজ্ঞাপন জারি আটকে রাখে তবে ছাত্র সমাজ রাজপথে নেমেই দাবি আদায় করতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণার পর দীর্ঘ পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও কোটা সংস্কারের কাঙ্ক্ষিত প্রজ্ঞাপন এখনও জারি না হওয়ায় ছাত্র সমাজ হতাশ ও বিক্ষুব্ধ সংবাদ সম্মেলন থেকে  তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া। প্রসঙ্গত সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ‘কোটাই থাকবে না’ বলে ঘোষণা দেন। এরপর ৫ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও জারি হয়নি কোটার প্রজ্ঞাপন। কোটার সংস্কারে গঠিত কমিটি বলছে, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। / এআর /  

নৌকা মার্কার প্রচারণায় চবি ছাত্রলীগ

নির্বাচনের এখনো বাকি তিন মাস। আগামী ২৭ ডিসেম্বরকে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ  ধরা হচ্ছে। এরইমধ্যে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কয়েকটি এলাকায় প্রচারণা চালান ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীরা।  এ বিষয়ে  জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক সাদেক হোসাইন টিপু বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নৌকা প্রতীককে জয় যুক্ত করতে কাজ শুরু করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরই অংশ হিসেবে চবি ছাত্রলীগ প্রচারণায় নেমেছে। প্রচারণাকালে সহ সম্পাদক কায়সার শাকিল,সদস্য রকিবুল হাসান রকি,নাজমুল সামির,মারুফ,ফরাজী, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রলীগ  নেতা নাইমুল হাসান রকিবসহ শতাধিক নেতা কর্মীরা অংশ নেন। জেইউ/ এমজে

৩৯তম বিসিএসের ফল জানবেন যেভাবে

৩৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। আজ বৃহস্পতিবার বিশেষ সভার পর পিএসসির ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে সহকারী সার্জন পদে ১৩ হাজার ২১৯ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৫১৩জন প্রার্থী পাশ করেছে। পাশ করা প্রার্থীরা চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য এখন মৌখিক পরীক্ষা দেবেন। মৌখিক পরীক্ষার সূচি পরে পরীক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। টেলিটক মোবাইল থেকে PSC লিখে স্পেস দিয়ে ৩৯ লিখে স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে। এছাড়া পিএসসির ওয়েবসাইটেও ফল জানা যাবে। ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস www.bpsc.gov.bd গত ৮ এপ্রিল ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে এককালীন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে বিধিমালা সংশোধন করে সরকার। গত ৩ আগস্ট ৩৯তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ৩২টি কেন্দ্রে এই বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৩৭ হাজার ৫৮৩ চাকরিপ্রত্যাশী অংশ নেন। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯৩ শতাংশ এবং বহিষ্কার করা হয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী দুই পরীক্ষার্থীকে। এই বিশেষ বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। এ সংখ্যা বাড়তে পারে। / এআর /

৩৬তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) সহকারী সার্জনদের যোগদান ৩ সেপ্টেম্বর     

৩৬তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের সহকারী সার্জনদের ৩ সেপ্টেম্বর যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিসিএস ক্যাডারের ১৮০জনকে ওইদিন সকালে যোগদানের এই নির্দেশ দেওয়া হয়। যুগ্ম সচিব মইনউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত মঙ্গলবার এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়, ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীতে অবস্থিত বিএমএ ভবনের বিএমএ অডিটোরিয়ামে ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।   প্রসঙ্গত, ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ৩৭ মাস পর গত ৩১ জুলাই ওই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) যে সুপারিশ করেছিল, সেখান থেকে ১২১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়েছেন। পিএসসি সূত্র জানায়, গত বছরের ১৭ অক্টোবর ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে পিএসসি। কিন্তু আজ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে, ২ হাজার ২০২ জন প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ফলে এতে ১২১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন। এর আগে স্বাস্থ্য সহকারী সার্জন পদে ১৮৭ জনকে সুপারিশ করেছিল পিএসসি। এছাড়াও প্রশাসন ক্যাডারে ২৯২টি, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি, কর ক্যাডারে ৪২টি, পররাষ্ট্র ২০, নিরীক্ষা ও হিসাব ১৫, কৃষি ৩২২, মৎস্য ৪৮, পশুসম্পদ ৪৩-সহ ২ হাজার ৩২৩ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়। ৩৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২০১৫ সালের ৩১ মে। দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেন। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে লিখিত পরীক্ষা হয়। মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয় ২০১৭ সালের জুনে। এসি     

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি