ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ৪:৪০:০৪

৪০তম বিসিএসের সার্কুলার: আবেদন শুরু ৩০ সেপ্টেম্বর

৪০তম বিসিএসের সার্কুলার: আবেদন শুরু ৩০ সেপ্টেম্বর

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের অপেক্ষার অবসান ঘুচল। অবশেষে প্রকাশিত হলো ৪০তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
কোটা বহাল রেখে ৪০তম বিসিএসের সার্কুলার

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান ৫৬ শতাংশ কোটা বহাল রেখেই ৪০তম বিসিএসের  সার্কুলার জারি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪০তম বিসিএসের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বিসিএসের মাধ্যমে ক্যাডার নিয়োগ হবে। অর্থাৎ এই বিসিএসেও ৫৬ শতাংশ কোটা পদ্ধতি বহাল থাকছে। কারণে কোটার বিষয়ে সরকার গঠিত কমিটি এখনও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে নি। কোটা পুরোপুরি বাতিল করা হবে নাকি সংস্কার করা হবে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আজও আসে নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করছে কমিটি। সরকারি কমর্কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা গেছে, ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আর কোটা রেখে ৪০ তমের সার্কুলারের বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নেওয়া হবে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বিষয়ে সরকারের সবশেষ গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। এদিকে কোটার সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির পর ৪০ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জারির দাবি জানায় কোটা আন্দোলনকারীরা। ৪০ তম বিসিএসের সার্কুলার হওয়ার আগে আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। এ সময় তিন দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা পাঁচ দফার আলোকে আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা। এ সময় তিনি ৩দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হচ্ছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার করা, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা এবং পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আশা করি সরকার ছাত্র সমাজকে রাজপথে নেমে প্রজ্ঞাপন আদায়ের দিকে ধাবিত করবেন না। সরকারের অনাগ্রহ ও উদাসীনতা যদি প্রজ্ঞাপন জারি আটকে রাখে তবে ছাত্র সমাজ রাজপথে নেমেই দাবি আদায় করতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণার পর দীর্ঘ পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও কোটা সংস্কারের কাঙ্ক্ষিত প্রজ্ঞাপন এখনও জারি না হওয়ায় ছাত্র সমাজ হতাশ ও বিক্ষুব্ধ সংবাদ সম্মেলন থেকে  তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া। প্রসঙ্গত সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ‘কোটাই থাকবে না’ বলে ঘোষণা দেন। এরপর ৫ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও জারি হয়নি কোটার প্রজ্ঞাপন। কোটার সংস্কারে গঠিত কমিটি বলছে, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। সংশ্লিষ্ট সূ্ত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ৪০তম বিসিএসের জন্য জনবলের চাহিদাপত্র পাঠানো হয় পিএসসিতে। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজারেরও বেশি পদে নিয়োগের চাহিদা পাঠানো হয়। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার পদে ২২৮টি, পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার ৭০টি, পররাষ্ট্র ক্যাডারে সহকারী সচিব ২৫টি, আনসার ক্যাডারে ১২, মৎস্য ক্যাডারে ৩৪৪, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক ১৫ এবং শিক্ষা ক্যাডারে বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাষক পদে প্রায় ১ হাজার ক্যাডার নিয়োগের চাহিদার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সাজর্ন, সহকারী ডেন্টাল সাজর্ন, কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ কমর্কতার্, সহকারী বন সংরক্ষক, ভেটেরিনারি সাজর্ন, সহকারী প্রকৌশলী, কর ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার, তথ্য ক্যাডার, রেলওয়ে প্রকৌশল ক্যাডারে নিবার্হী প্রকৌশলী ও সমমানের পদ, ইকোনমিক ক্যাডারে সহকারী প্রধান, রেলওয়ে পরিবহন ও ডাক ক্যাডারে সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল পদে প্রায় ১ হাজার কমর্কতার্ নিয়োগের জন্য চাহিদা দেওয়া হয়। কোটা রেখে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘আমরা চাই সরকার আমাদের ৫ দফার ভিত্তিতে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। দেশের সব চাকরিপ্রত্যাশীও সেটাই চায়। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ মূলত চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম। সাধারণ শিক্ষাথীর্রা যেটা চাইবে আমরাও সে অনুসারে আমাদের কমর্সূচি চুড়ান্ত করব। ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি যদি আমাদের দাবি না মেনে প্রকাশ করা হয় তবে আমরাও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন কমর্সূচিতে নামতে বাধ্য হব।  তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের শীষর্ মহল চাইলে এটা এত সময় লাগার কথা নয়। সরকারের উচিত, এটাকে আর ঝুলিয়ে না রেখে এখনই সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া। আমরা মনে করি, নীতিনিধার্রকদের গাফিলতি ও সদিচ্ছার অভাবের কারণেই বিষয়টি ঝুলে আছে। আমরা আশা করব, আমাদের দাবি মেনে নিয়ে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। প্রয়োজন হলে আমরা এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আবারও আলোচনা করতে চাই। আমরা সংঘাত সহিংসতা চাই না। এবিষয় জানতে চাইলে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আমরা আশা করি সরকার ছাত্র সমাজকে রাজপথে নেমে প্রজ্ঞাপন আদায়ের দিকে ধাবিত করবেন না। সরকারের অনাগ্রহ ও উদাসীনতা যদি প্রজ্ঞাপন জারি আটকে রাখে তবে ছাত্র সমাজ রাজপথে নেমেই দাবি আদায় করতে বাধ্য হবো। ৪০ তম বিসিএসের সার্কুলারটি দেখতে ক্লিক করুন টিআর / এআর /    

৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির আগেই কোটার প্রজ্ঞাপন দাবি

৪০তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগেই কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। এ সময় তিন দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা পাঁচ দফার আলোকে আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা। এ সময় তিনি ৩দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হচ্ছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার করা, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা এবং পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আশা করি সরকার ছাত্র সমাজকে রাজপথে নেমে প্রজ্ঞাপন আদায়ের দিকে ধাবিত করবেন না। সরকারের অনাগ্রহ ও উদাসীনতা যদি প্রজ্ঞাপন জারি আটকে রাখে তবে ছাত্র সমাজ রাজপথে নেমেই দাবি আদায় করতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণার পর দীর্ঘ পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও কোটা সংস্কারের কাঙ্ক্ষিত প্রজ্ঞাপন এখনও জারি না হওয়ায় ছাত্র সমাজ হতাশ ও বিক্ষুব্ধ সংবাদ সম্মেলন থেকে  তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সব মামলা প্রত্যাহার, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা ও পাঁচ দফার আলোকে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন দেওয়া। প্রসঙ্গত সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে ‘কোটাই থাকবে না’ বলে ঘোষণা দেন। এরপর ৫ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও জারি হয়নি কোটার প্রজ্ঞাপন। কোটার সংস্কারে গঠিত কমিটি বলছে, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে। / এআর /  

নৌকা মার্কার প্রচারণায় চবি ছাত্রলীগ

নির্বাচনের এখনো বাকি তিন মাস। আগামী ২৭ ডিসেম্বরকে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ  ধরা হচ্ছে। এরইমধ্যে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন কয়েকটি এলাকায় প্রচারণা চালান ছাত্রলীগের একাংশের নেতা-কর্মীরা।  এ বিষয়ে  জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক সাদেক হোসাইন টিপু বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নৌকা প্রতীককে জয় যুক্ত করতে কাজ শুরু করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরই অংশ হিসেবে চবি ছাত্রলীগ প্রচারণায় নেমেছে। প্রচারণাকালে সহ সম্পাদক কায়সার শাকিল,সদস্য রকিবুল হাসান রকি,নাজমুল সামির,মারুফ,ফরাজী, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রলীগ  নেতা নাইমুল হাসান রকিবসহ শতাধিক নেতা কর্মীরা অংশ নেন। জেইউ/ এমজে

৩৯তম বিসিএসের ফল জানবেন যেভাবে

৩৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। আজ বৃহস্পতিবার বিশেষ সভার পর পিএসসির ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে সহকারী সার্জন পদে ১৩ হাজার ২১৯ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৫১৩জন প্রার্থী পাশ করেছে। পাশ করা প্রার্থীরা চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য এখন মৌখিক পরীক্ষা দেবেন। মৌখিক পরীক্ষার সূচি পরে পরীক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। টেলিটক মোবাইল থেকে PSC লিখে স্পেস দিয়ে ৩৯ লিখে স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে। এছাড়া পিএসসির ওয়েবসাইটেও ফল জানা যাবে। ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস www.bpsc.gov.bd গত ৮ এপ্রিল ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে এককালীন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে বিধিমালা সংশোধন করে সরকার। গত ৩ আগস্ট ৩৯তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ৩২টি কেন্দ্রে এই বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৩৭ হাজার ৫৮৩ চাকরিপ্রত্যাশী অংশ নেন। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯৩ শতাংশ এবং বহিষ্কার করা হয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী দুই পরীক্ষার্থীকে। এই বিশেষ বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। এ সংখ্যা বাড়তে পারে। / এআর /

৩৬তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) সহকারী সার্জনদের যোগদান ৩ সেপ্টেম্বর     

৩৬তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের সহকারী সার্জনদের ৩ সেপ্টেম্বর যোগদানের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিসিএস ক্যাডারের ১৮০জনকে ওইদিন সকালে যোগদানের এই নির্দেশ দেওয়া হয়। যুগ্ম সচিব মইনউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত মঙ্গলবার এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়, ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীতে অবস্থিত বিএমএ ভবনের বিএমএ অডিটোরিয়ামে ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।   প্রসঙ্গত, ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রায় ৩৭ মাস পর গত ৩১ জুলাই ওই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) যে সুপারিশ করেছিল, সেখান থেকে ১২১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়েছেন। পিএসসি সূত্র জানায়, গত বছরের ১৭ অক্টোবর ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে পিএসসি। কিন্তু আজ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে, ২ হাজার ২০২ জন প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ফলে এতে ১২১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন। এর আগে স্বাস্থ্য সহকারী সার্জন পদে ১৮৭ জনকে সুপারিশ করেছিল পিএসসি। এছাড়াও প্রশাসন ক্যাডারে ২৯২টি, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি, কর ক্যাডারে ৪২টি, পররাষ্ট্র ২০, নিরীক্ষা ও হিসাব ১৫, কৃষি ৩২২, মৎস্য ৪৮, পশুসম্পদ ৪৩-সহ ২ হাজার ৩২৩ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়। ৩৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২০১৫ সালের ৩১ মে। দুই লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেন। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে লিখিত পরীক্ষা হয়। মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয় ২০১৭ সালের জুনে। এসি     

৩৭ তম বিসিএস: মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারীদের সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ

৩৭তম বিসিএস পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সনদ ও রেকর্ডপত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সনদ ও রেকর্ডপত্র আবশ্যিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখায় ডাকযোগে অথবা সরাসরি পাঠানো যাবে।এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।  সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৩৭তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৩১৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে গত ১২ জুন চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২০ জন, তথ্য ক্যাডারে ১৪ জন, কৃষি ক্যাডারে ৫০ জন, মৎস্য ক্যাডারে ৭৯ জন, প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে ৪৭ জন ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ২১০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।/ এআর /

৩৯তম বিসিএসে ১৩৯ জনের প্রার্থিতা বাতিল

৩৯তম বিসিএস বিশেষ পরীক্ষায় আবেদনকারী ১৩৯ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বিএসসি ইন হেলথ/মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল) ডিগ্রি বিডিএস ডিগ্রির সমমানের না হওয়ায় তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।   মঙ্গলবার পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ. ই. ম. নেছার উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তাদের প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের ২০ মে’র পত্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএসসি ইন হেলথ/মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল) ডিগ্রি বিডিএস ডিগ্রির সমমানের নয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষাতে বিএসসি ইন হেলথ/মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল) ডিগ্রিধারী আবেদনকারীরা সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদের জন্য যোগ্য নন। এ কারণে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের শর্ত এবং বিএমডিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএসসি ইন হেলথ বা মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল) ডিগ্রিধারী ১৩৯ জনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রেজিস্ট্রেশন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৩ অগাস্টের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। তাই তাদের পরীক্ষার হলে না যেতে অনুরোধ করেছে পিএসসি। প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য ক্যাডারে চার হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে গত ৮ এপ্রিল ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। এই বিসিএসে অংশ নিতে ১০ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৯ হাজার ৯৫৪ জন চাকরিপ্রার্থী অনলাইনে আবেদন করেন। ৩৯তম বিসিএসের মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন এবং ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে পিএসসি জানিয়েছে। একে//

৩৯ তম বিসিএসের আসনবিন্যাস

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) ৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে। পিএসসির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আসন বিন্যাস দেওয়া হয়েছে।   বিশেষ এই বিসিএসে শুধু চিকিৎসক নেওয়া হবে। ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩ আগস্ট শুক্রবার ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর ২৫টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীরা ঘড়ি, মোবাইল, ব্যাগ, ক্যালকুলেটরসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে হলে আসতে পারবেন না। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তা হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের আবেদন কার্যক্রম শুরু হয় গত ১০ এপ্রিল, শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। এতে মোট ৩৯ হাজার ৯৫৪ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৩৯তম বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। সব মিলে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে। মেডিকেল সায়েন্স বা ডেন্টাল সায়েন্স বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এছাড়া বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে এবং মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর করে মোট ২০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা হবে। প্রতি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর পিএসসি নির্ধারণ করবে। মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর ধরা হয়েছে ৫০। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি