ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:২৭:০৭

বিশ্বকাপে চার নম্বরে নামবেন বিরাট?

বিশ্বকাপে চার নম্বরে নামবেন বিরাট?

বিশ্বকাপে চার নম্বরে কে নামবেন? ক্রমেই মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে থাকা জায়গাটি নিয়ে অনেক পরীক্ষা হলেও, সমাধান সূত্র এখনও নেই বললেই চলে। শোনা যাচ্ছে, বিশ্বকাপে প্রয়োজনে চার নম্বরে নামতে পারেন স্বয়ং অধিনায়ক বিরাট কোহালি। সে ক্ষেত্রে তিন নম্বরে আসতে পারেন ঋষভ পন্থের মতো কোনও তরুণ। সম্ভাবনা রয়েছে বিজয় শঙ্করেরও। বেশ কিছু দিন ধরেই জল্পনা চলছিল বিরাটের ব্যাটিং পজিশন নিয়ে। বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলে চার নম্বর জায়গাটি নিয়ে চলেছে অনেক পরীক্ষা-নিরিক্ষা। সাম্প্রতিক সময় গুরুত্বপূর্ণ ওই জায়গাটির জন্য ভরসা করা হচ্ছিল অম্বাতি রায়ুডুর উপর। কিন্তু, তিনি কতটা চাপ নিতে প্রস্তুত তা নিয়েই সংশয় রয়েছে অনেক প্রাক্তনদের মধ্যে। যদিও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে চার নম্বরে নেমে চাপের মুখে সফল হয়েছেন রায়ুডু। তাও চিন্তা মুক্ত হতে পারছেন না প্রাক্তনরা। অনেকের দাবি, বর্তমান ভারতীয় দলটি বড্ড বেশি প্রথম তিন জনের উপর নির্ভরশীল। রোহিত-শিখর-বিরাটের মধ্যে অন্তত দু’জন সফল হলেই দলের স্কোর তিনশোর উপর চলে যাবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। সে ক্ষেত্রে চার নম্বরে নেমে সহজেই নিজের খেলা খেলতে পারেন রায়ুডু। কিন্তু, সমস্যা হল শুরুতেই কয়েকটা উইকেট পড়ে গেলে। সে ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার মানসিকতা এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ব্যাটসম্যান দলে তেমন কেউ নেই। শুধু মাত্র মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। স্বভাবতই ধোনির উপর চাপ বেড়ে যায় বহু গুণ। স্কোরবোর্ড সচল রাখার পাশাপাশি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা থেকে টিমকে গাইড করা— সবই করতে হয় ধোনিকে। সূত্রের খবর, ধোনির উপর এই চাপ কমানোর জন্যই বিরাটকে চার নম্বরে নামানোর পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। যদি বিরাট চার নম্বরে নামেন, সে ক্ষেত্রে ধোনির সঙ্গে শেষ পর্যন্ত দলকে টেনে নিয়ে যাওয়া খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে বিরাট চার নম্বরে নামতে রাজি হবেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। দলের এক নম্বর ব্যাটসম্যান। তিন নম্বরে নামলে অনেক ক্ষণ খেলার সময় পান। নিজের সেরা ইনিংসগুলো তিন নম্বরে নেমেই খেলেছেন তিনি। নিজের অতি প্রিয় জায়গাও এটি। এক সময় সচীনকে ওপেনিং ছেড়ে নীচে নেমে খেলার পরামর্শ দিতেন প্রাক্তনরা। কিন্তু, তাতে রাজি হননি লিটল মাস্টার। এখন দেখার অতি পছন্দের তিন নম্বর কি আদৌ ছেড়ে দেবেন বিরাট! তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/
সাকিবের সব চেয়ে প্রিয় দুজন মানুষ

১২.১২.১২। অর্থাৎ ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর। এ দিনে উম্মে আহমেদ শিশিরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন বাংলাদেশ ক্রিকেট সুপারস্টার সাকিব আল হাসান। এরই মধ্যে এই জুটির পথচলার ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে। দাম্পত্য জীবনে অর্ধযুগের পথচলায় এ জুটির সংসারে রয়েছে একটি কন্যাসন্তান। ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর তাদের ঘর আলো করে আসে নতুন অতিথি আলাইনা হাসান অব্রি।প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন সাকিব। তার সব অনুপ্রেরণার উৎস প্রিয় সহধর্মিণী ও কলিজার টুকরা মেয়ে। সেই রেশেই বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রকাশ করলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সাকিব লিখেছেন - ‘আমার এবং শিশিরের দাম্পত্য জীবনের প্রায় ছয় বছর পার হতে চললো, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে আমাদের জীবনে এসেছে ফুটফুটে এক সন্তান- আলাইনা। আমার পুরো জগতটাই এখন এ দুজন ভালোবাসার মানুষ দিয়ে ঘেরা। তাদের ছাড়া জীবনটা কল্পনাই করতে পারি না আমি। তোমাদের দুজনকেই আমি প্রচণ্ড ভালোবাসি। আমার পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় এই দুজন মানুষকে জানাই ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা।’এসএ/  

ইতিহাসে স্থান করে নিলেন মাশরাফি

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্যবার রেকর্ড বুকে নাম লিখিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এবার আরেকটি অভিনব কীর্তি গড়ে তাতে ঠাঁয় করে নিলেন তিনি। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিন সংস্করণ মিলিয়ে শততম ম্যাচে অধিনায়কত্ব করার গৌরব অর্জন করলেন নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত মাশরাফি বিন মর্তুজা। আজ নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস করতে নেমেই অধিনায়কদের মহাকীর্তির তালিকায় প্রবেশ করেন মাশরাফি। বাংলাদেশের প্রথম ও বিশ্বের ৪০তম অধিনায়ক হিসেবে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে শততম ম্যাচে নেতৃত্ব দেয়ার মাইলফলক স্পর্শ করলেন ম্যাশ। বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ১টি টেস্ট, ৭১টি ওয়ানডে ও ২৮টি টি-২০তে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাশরাফি। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নির্বাচিত হন ম্যাশ। ঐ সফরের দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন হাঁটুর ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়েন মাশরাফি। ফলে পুরো টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেননি তিনি। তবে ঐ টেস্টটি ৯৫ রানে জিতেছিলো। তাই রেকর্ড বই বলছে, একটি টেস্ট নেতৃত্ব দিয়ে একটিতেই জয় পেয়েছেন মাশরাফি। তবে ৭১ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়ে ৪০টি জয় ও ২৯টিতে হার এবং ২৮টি টি-২০তে অধিনায়কত্ব করে ১০টিতে জয় ও ১৭টি হারের স্বাদ নেন মাশরাফি। ম্যাশের পরই বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাবেক দলনেতা মুশফিকুর রহিম। ৯৪ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেন মুশফিক। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নিজ দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ভারতের সাবেক দলপতি মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৩৩২টি ম্যাচে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। আরকে//

কিংবদন্তি হতে চলেছেন বিরাট: সাঙ্গাকারা

ক্রিকেট দুনিয়া মুগ্ধ বিরাট কোহলির প্রতিভায়। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান- ক্রিকেট বিশ্বের এই সেরা ক্রিকেটখেলিয়ে দেশের কিংবদন্তিরা ভারত অধিনায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন অধিনায়ক ও সে দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারাও যে বিরাট-ভক্তদের দলে, তা বোঝালেন মঙ্গলবার, যখন বললেন, ‘বিরাট কিংবদন্তি হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। ওর সমসাময়িক ক্রিকেটারদের চেয়ে ও অনেক এগিয়ে।’ গত বছর তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য আইসিসি-র বর্ষসেরা ক্রিকেটার এবং বর্ষসেরা টেস্ট ও ওয়ান ডে ক্রিকেটারের খেতাব পেয়েছেন বিরাট। এই প্রথম কেউ একই সঙ্গে এই তিনটি খেতাব পেলেন। বর্তমান ক্রিকেটে জো রুট, স্টিভ স্মিথ, কেন উইলিয়ামসনকে সেরা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রাখা হলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও নজিরে সবাইকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের সেরা তারকা। ওয়ান ডে-তে সেঞ্চুরির সংখ্যায় বিরাট (৩৯) এখন শচীনের (৪৯) পরেই। টেস্টে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ২৫। সব ধরনের ক্রিকেটে তার এই ধারাবাহিকতায় মুগ্ধ প্রাক্তন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক। নয়াদিল্লিতে এক ক্রিকেট-আলোচনায় সাঙ্গাকারা বলছেন, ‘সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের অন্যতম বিরাট। সর্বকালের সেরা হলেও অবাক হব না। রান করার জন্য ছটফট করে ও। সে জন্য যে প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে ও, সেটাও নিখুঁত। ব্যাটিংয়ে ছন্দ ধরে রাখতে পারে ও। পরিস্থিতি বুঝতেও পারে দারুণ। মাঠে ওর আচরণ ও অভিব্যক্তি দেখলেই বোঝা যায়, ক্রিকেটের নেশায় মেতে আছে ও।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

১০ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩২

নিউজিল্যান্ডের বোলারদের কোনভাবেই সামলাতে পারছেন না টাইগাররা। এক্সট্রা সুইং, গতি, বাউন্সে দিশেহারা বাংলাদেশ টিম। একের পর এক আসছেন আর যাচ্ছেন।ম্যাকলিন পার্কে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। ট্রেন্ট বোল্টের সর্পিল সুইংয়ে উইকেটের পেছনে টম লাথামকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইনফর্ম ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ম্যাট হেনরির বলে সোজা বোল্ড হয়ে ফেরেন লিটন দাস। প্রিয় পজিশন চারে ব্যর্থ হন মুশফিকুর রহিম। বোল্টের বলে কাট করতে গিয়ে তিনি প্লেড-অন হয়ে ফিরলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এ পরিস্থিতিতে অবিচল থাকতে পারেননি সৌম্য সরকার। হেনরির বাউন্সারে হুক করতে গিয়ে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে ফেরেন দুর্দান্ত খেলতে থাকা এ বাঁহাতি। ফেরার আগে ২২ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ রান করেন তিনি।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৮.৫ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে ২৩২ রান।চরম বিপর্যয়ের মুখে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার সাব্বির রহমান। মিচেল স্যান্টনারের বলে ভারসাম্য হারিয়ে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর মিথুনের ব্যাটে আসে ৬২ রান। আর এতেই কিছুটা আশার আলো দেখে টাইগাররা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। একে একে সবগুলো উইকেটের পতন হয় মাত্র ২৩২ রানে। বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিথুন, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মোস্তাফিজুর রহমান।নিউজিল্যান্ড একাদশ : মার্টিন গাপটিল, হেনরি নিকোলস, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রস টেলর, টম লাথাম, জিমি নিশাম, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, মিচেল স্যান্টনার, লুকি ফার্গুসন, ম্যাট হেনরি ও ট্রেন্ট বোল্ট।এসএ/  

নেপিয়ারে ১ম ওয়ানডেতে মাঠে নামছে সাকিববিহীন টাইগাররা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে কাল মাঠে নামছে বাংলাদেশ। নেপিয়ারে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ভোর ৭টায়। ঘরের মাটিতে কিউইরা শক্তিশালী হলেও জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মাশরাফিরা। ২০১০ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে কোনো ম্যাচই হারেনি বাংলাদেশ। তবে কিউইদের মাটিতে মাশরাফিদের রেকর্ড একেবারেই উল্টো। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অসাধারন জয়ের সুখ স্মৃতিকে পুঁজি করে এবার লড়বে মাশরাফির দল। ইনজুরিতে বাদ পড়া সাকিবের অনুপস্থিতি ভাবাচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। সম্প্রতি ভারতের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হারলেও ঘরের মাঠে বরাবরই শক্ত প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। এরপরও নিজেদের সামর্থ্য পুরোটা দিয়ে প্রথম ম্যাচ জিতে এগিয়ে যেতে চায় টাইগাররা। টাইগারদের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে অপরাজিত থাকার অনুপ্রেরণা নিয়ে মাঠে নামছে উইলিয়ামসন-রস টেলররা। পেস উইকেটে ট্রেন্ট বোল্ট আর ম্যাট হেনরিদের নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখার ছক এটেছে কিউইরা। এছাড়া, দলপতি কেইন উইলিয়ামসন, রস টেলর এবং টম লাথামরাও আছে দুর্দান্ত ফর্মে। দুই দলের এর আগে ৩১ মোকাবেলায় এগিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের ১০ জয়ের বিপরীতে কিউইরা জিতেছে ২১ ম্যাচে।   এসএইচ/

কোহলিকে পছন্দের একাধিক কারণ জানালেন ওয়ার্ন

‘একজন খেলোয়াড় তার গণ্ডির বাইরে বেরোলেই দশজন মতামত দিতে এগিয়ে আসেন। এমন ঘটনা ভীষণই হাস্যকর। খেলোয়াড়দেরও কিছু সময় গণ্ডির বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিৎ।’ জনপ্রিয় চ্যাট শোয়ে হার্দিক পান্ডিয়া-লোকেশ রাহুল বিতর্কের ব্যাখ্যা এভাবেই দিলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি লেগস্পিনার শেন ওয়ার্ন। কার্যত দুই ভারতীয় ক্রিকেটারের পাশে দাঁড়িয়ে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে প্রাক্তন তারকা লেগস্পিনার জানান, ‘বর্তমানে আমরা একটা এমন পৃথিবীতে বাস করছি যেটা রাজনৈতিকভাবে সঠিক হয়ে উঠছে। খেলোয়াড়দের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি দেখতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি।’ তাদের আবেগ-অভিব্যক্তির মাধ্যমে আমরা খেলোয়াড়দের প্রকৃত হিসেবে দেখতে চাই, কিন্তু অনুরূপ নয়। কিন্তু ওয়ার্নের মতে এমন ঘটনা কাম্য নয়। গতানুগতিক প্রশ্নোত্তরের যুগে ওয়ার্ন তাই ব্যতিক্রমী হিসেবে উদাহরণ টেনে এনেছেন বিরাট কোহলির। কিংবদন্তি লেগস্পিনারের মতে, ‘কোহলি যা বিশ্বাস করে, অনুভব করে, মুখে তাই বলে। কোহলির ব্যাটিং দেখতে সেইসঙ্গে ওর কথা শুনতে আমি ভীষণ পছন্দ করি। আমি কোহলির একজন বড় ভক্ত।’ ওয়ার্নের কথায়, ‘কোহলি আবেগপ্রবনও বটে। মাঠে কখনও কখনও আবেগ সীমা ছাড়ালেও সেটা উত্তেজনার অঙ্গ।’ লেগস্পিনারের মতে কোহলির সোজাসাপ্টা মন্তব্য এবং ওর সততার জন্য অনুরাগীদের খুব পছন্দের ক্রিকেটার কোহলি। ওয়ার্নের আরও সংযোজন, ‘ইচ্ছাশক্তি এবং প্রতিযোগীতামূলক ভাবধারা কোহলিকে আজ শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। এটা কোনও প্রতিভা বা দক্ষতার বিষয় নয়।’ একইসঙ্গে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালস তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তাকে বেছে নেওয়ায় টেস্ট ক্রিকেটে ৭০৮ উইকেটের মালিক জানান, ‘একটা বিশ্বস্ত যোগসূত্র তৈরি হয়েছে রাজস্থানের মানুষের সঙ্গে। তারা খুব বেশি প্রত্যাশা করে না। কেবল দলের ভালো ফলাফলে বিশ্বাস করে তারা।’ ওয়ার্নের মতে, পছন্দ এবং শ্রদ্ধা করার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু রাজস্থানের মানুষ এবং ক্রিকেটারদের থেকে তিনি দুটি জিনিসই প্রচুর পরিমাণে পেয়েছেন বলে জানান ১৯৯৯ বিশ্বজয়ী অজি দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার প্রধান নির্বাচকের মাথা ফাটাল কারা?

অতীতে বহু কেলেঙ্কারিরই ছায়া পড়েছে দিল্লি ক্রিকেটে। কিন্তু সোমবার যা ঘটল, তা যেমন নজিরবিহীন, তেমনই ন্যক্কারজনক। ভারতীয় ক্রিকেটে এর আগে কখনও এ রকম ঘটনা ঘটেছে কি না, সন্দেহ। ভারতের প্রাক্তন পেসার এবং বর্তমানে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার (ডিডিসিএ) প্রধান নির্বাচক অমিত ভাণ্ডারী দিনদুপুরে, ক্রিকেট ট্রায়াল চলার সময় দুষ্কৃতি হামলার শিকার হলেন। মাথায় আঘাত নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে যে কারণ উঠে আসছে, সেটাই নড়িয়ে দিচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেটকে। অভিযোগ উঠেছে, দিল্লির অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ না পাওয়া এক ক্রিকেটার এবং তার পরিবার-বন্ধুরা নাকি রয়েছে এই হামলার পিছনে। রাতে এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (নর্থ) নূপুর প্রসাদ বলেছেন, ‘আমরা অভিযুক্ত এবং তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। ওদের গ্রেফতারও করা হয়েছে।’ জানা গেছে, অনূজ ধেদা নামক অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ওই ক্রিকেটার এবং তার সঙ্গীরা হামলা চালায় ভাণ্ডারীর ওপর। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সোমবার দুপুর সওয়া একটা নাগাদ বাদ পড়া ক্রিকেটার অনূজ ধেদা এসে তর্কাতর্কি শুরু করে ভাণ্ডারীর সঙ্গে। জানতে চায়, কেন বাদ দেওয়া হয়েছে। বচসার মধ্যে ভাণ্ডারীকে থাপ্পরও মারে। এর পরে আরও ১০-১৫ জন ছেলে এসে মারতে শুরু করে ভাণ্ডারীকে।’ রাতে হাসপাতাল থেকে ভাণ্ডারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি পুলিশকে আমার বক্তব্য জানিয়েছি। দল নির্বাচন কীভাবে হয়েছে, সেটাও বলেছি। আমাকে যারা আক্রমণ করেছিল, তাদের নামও পুলিশকে জানিয়েছি।’ হাসপাতালে ভাণ্ডারীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন ডিডিসিএ-র প্রেসিডেন্ট রজত শর্মা। পরে তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘গুণ্ডারা চাপ দিয়ে একজন ক্রিকেটারকে দলে ঢোকানোর চেষ্টা করছিল। যে যোগ্যতা অনুযায়ী দলে সুযোগ পায় না। ভাণ্ডারী আমাকে এও বলেছে, ওকে রিভলবার দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, একজন সৎ নির্বাচককে তার কাজটা করা থেকে বাধা দেওয়া হচ্ছিল।’ যেভাবে প্রকাশ্যে, অনূর্ধ্ব-২৩ নির্বাচনী ট্রায়াল চলার মধ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে, তাতেই বিস্মিত হচ্ছেন সবাই। সেন্ট স্টিফেন্সের মাঠে এ দিন ওই ট্রায়াল চলছিল। ঘটনার সময় অন্তত ৪০ জন মানুষ সেখানে ছিলেন। কিন্তু তাদের সামনেই লোহার রড, সাইকেলের চেন দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় ভারতীয় দলের হয়ে ওয়ান ডে খেলা এই প্রাক্তন পেসারের। দিল্লি অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ম্যানেজার শঙ্কর সাইনি সামনে থেকে পুরো ঘটনা দেখেছেন। তার কথায়, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের একটি ম্যাচ দেখছিলেন ভাণ্ডারী। ওই সময় দু’জন লোক এসে ভাণ্ডারীর সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে। এর পরে ওই দু’জন বেরিয়ে যায়। কিন্তু তার মিনিট কয়েক পরে জনা পনেরো লোক হকি স্টিক, সাইকেলের চেন হাতে নিয়ে ভাণ্ডারীর ওপর হামলা চালায়। সাইনির কথায়, ‘আমি এবং আর একজন তাঁবুর মধ্যে বসে খাচ্ছিলাম। ভাণ্ডারী, মিঠুন মানহাসরা বসে ট্রায়াল ম্যাচটা দেখছিল। এমন সময় দু’জন লোক এসে ভাণ্ডারীর সঙ্গে তর্কাতর্কি জুড়ে দেয়। ওরা বেরিয়ে যাওয়ার সময়ও আমরা বুঝতে পারিনি, কী ঘটতে চলেছে। হঠাৎ দেখি জনা পনেরো লোক, হাতে হকি স্টিক, রড, চেন নিয়ে এসে ভাণ্ডারীকে মারতে শুরু করেছে। আমরা ছুটে যাই। অন্য অনেকেও চলে আসে। তখন ওদের মধ্যে থেকে এক জন আমাদের সতর্ক করে দিয়ে বলে, এর মধ্যে জড়ালে গুলি করে মারব। ওরা মেরে ভাণ্ডারীর মাথা ফাটিয়ে দেয়।’ ভাণ্ডারীর উপরে এই আক্রমণের ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তে ক্রিকেট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভারত এবং দিল্লির প্রাক্তন এবং বর্তমান ক্রিকেটাররা সরব হয়েছেন। বীরেন্দ্র সহবাগ টুইট করেছেন, ‘একজন ক্রিকেটারকে দলে না নেওয়ায় যেভাবে হামলা চালানো হল দিল্লির নির্বাচক অমিত ভাণ্ডারীর উপরে, তা ক্রিকেটকে নতুনভাবে কলঙ্কিত করল। আশা করব, কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে দুষ্কৃতিকে। এও আশা করব, এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে এই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি না হয়।’ ভারতীয় দলের অন্যতম ওপেনার শিখর ধওয়নের টুইট, ‘বিশ্বাস করতে পারছি না অমিত ভাইয়ার সঙ্গে এ রকম একটা ঘটনা ঘটেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, কাপুরুষোচিত ঘটনা। দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের যেন কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হয়।’ ক্ষুব্ধ গম্ভীর অভিযুক্ত ক্রিকেটারের আজীবন নির্বাসনের দাবি জানিয়ে টুইট করেছেন, ‘রাজধানীর বুকে এ রকম একটা ঘটনা ঘটতে দেখে অত্যন্ত খারাপ লাগছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখব, যাতে এই ঘটনা ধামাচাপা না দিয়ে দেওয়া হয়। শুরুতেই চাইব, যে ক্রিকেটার এই হামলার নেপথ্যে আছে, তাকে যেন সব ধরনের ক্রিকেট থেকে আজীবন নির্বাসিত করা হয়।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন মাশরাফি

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক ও আইন প্রনেতা মাশরাফি বিন মর্তুজাকে যুব ও ক্রীড়া সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশেন চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী গঠিত ১০টি সংসদীয় কমিটির সদস্যদের নাম প্রস্তাব করেন। আর এই কমিটির সভাপতি করা হয়েছে ভোলা-৪ আসান (চরফ্যাশন-মনপুরা) থেকে নির্বাচিত সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে। এ সময় কমিটির সভাপতি পদে সাবেক মন্ত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বীরেন শিকদার, নাজমুল হাসান, মাহাবুব আরা বেগম গিনি ও জুয়েল আরেং। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু হয় মাশরাফির। টিআর/

দিনটি ছিল আমার : তামিম

এবারের বিপিএলে আগের পাঁচটি সেঞ্চুরিই ছিল পাঁচ বিদেশির। ফাইনালের আগে দেশি ক্রিকেটারদের কাছ থেকে একটি সেঞ্চুরিরও দেখা পায়নি দর্শক। সেই আক্ষেপের জায়গাটি পূরণ করলেন তামিম ইকবাল। নয়ন জুড়িয়ে একেবারে ফাইনালেই আসরের সেরা ইনিংসটি খেললেন তিনি। মাত্র ৬১ বলে অপরাজিত ১৪১ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেলে ছাড়িয়ে গেলেন সবাইকে।তাইতো ফাইনালের শিরোপা হাতে নিয়ে তামিম ইকবাল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি একজন সুখী মানুষ, কারণ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। সেই সঙ্গে সেঞ্চুরি করার আনন্দটা তো আছেই। তবে দল জিতেছে বলেই আনন্দটা উপভোগ্য হচ্ছে। বিপিএলে কখনো ট্রফি জিতিনি। প্রথমবার জিতলাম। তাই চ্যাম্পিয়ন হতে পারাটাই আমার এক নম্বর আনন্দ। ফাইনালে এমন চমক দেখানোর বিষয়ে দলের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছেন নিজের প্ল্যানেই খেলছিলেন তামিম।নিজের প্ল্যান নিয়ে তামিম বলেন, ‘একটা চিন্তা নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম যে সাকিব আর নারিনকে খুব বেশি অ্যাটাক করব না। ওরা দুজনে মিলে ৮ ওভারে ৫০ রান দিলেও অসুবিধা নেই, যদি উইকেট না পায়। বাকি ১২ ওভারে ১১০-১২০ রান করতে পারলেই স্কোরটা ১৬০-১৭০ হয়ে যাবে। ফাইনালের জন্য এটা ভালো স্কোর। তবে উইকেটটা দারুণ ছিল। সাকিবের মতো বোলার ৪৫ রান দিয়েছে, ভাবতে পারেন! সবচেয়ে খারাপ দিনেও সাকিব বড়জোর ৩৫ দেয়। আসলে একটা পর্যায়ে আমাকে আক্রমণ করতে হয়েছে এবং ব্যাটে-বলে হয়েও গেছে। তবে নারিনকে একটা শর্ট বলে ছক্কা মারা ছাড়া আক্রমণ করিনি। রুবেলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ওর প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরেই বুঝে গিয়েছিলাম আজ আমার দিন। ওর সঙ্গে তো আর কম দিন খেলি না। আমি ওকে জানি, ও-ও আমাকে বোঝে। তাই প্রথম বলটা বাউন্ডারির পরই বুঝে গিয়েছিলাম এই ওভারে রান তুলতে হবে। ওখান থেকেই আমাদের ছোটা শুরু। এরপর রাসেলের ওপরও ঝড় গেছে। তবে একটা জিনিস মাথায় ছিল যে স্লগ করব না, ক্রিকেটিং শটই খেলব।’নিজের এই পরিবর্তন সম্পর্কে তামিম আরও বলেন, ‘রান করার জন্য আমার হাতে যথেষ্ট শট আছে। রিভার্স সুইপ আমি কালেভদ্রে খেলি। স্কুপ আমার শট না। আমার শক্তি উইকেটের সামনে খেলা শট। ওটাই আমার শক্তি, মনোযোগও থাকে ওটার ওপর। তবে আমার ব্যাটিংয়ে যে পরিবর্তন আসেনি, তা কিন্তু নয়। খেয়াল করে রাখবেন ক্রিজে আগে-পিছে করি জায়গা বানানোর জন্য। স্কয়ার অথবা ফাইন লেগ বাউন্ডারিতে ফ্লিক শটটা অনেক বেশি খেলছি। সামনে হয়তো আরো নতুন কিছু চেষ্টা করব। হয় কি, আপনি ভালো খেলতে থাকলে প্রতিপক্ষ আপনাকে বিশ্লেষণ করে ফেলবে। তখন আপনাকে নতুন কিছু করতেই হবে।’এসএ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি