ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:৪৬:৩৩

৫ উইকেট হারিয়ে চাপে জিম্বাবুয়ে

৫ উইকেট হারিয়ে চাপে জিম্বাবুয়ে

পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান সংগ্রহ করে। আর ২৭২ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করছে সফরকারীরা। প্রথম ভালো সূচনা করলেও পাঁচ উইকেট হারিয়ে এখন চাপে রয়েছে এখন তারা।
ব্যাটিংয়ে ঝলক দেখালেন বোলার সাইফুদ্দিন

মিরপুর স্টেডিয়ামে আজ ব্যাটিং ঝলক দেখালেন ইমরুল কায়েস। তার ১৪৪ রানে ভর করে টাইগারদের স্কোর ২৭১। তবে আজকের ম্যাচে আরেকটি বিষয় সবচেয়ে আলোচিত। সেটি হচ্ছে বোলার সাইফউদ্দিনের ঝলক দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে দারুণ এক অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন এই বছরের জানুয়ারির দল থেকে বাদ পড়া মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। এদিন, ১৩৯ রানে ৬ উইকেট পড়ার পর বাংলাদেশ যখন ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ঠিক তখনই ইমরুল কায়েসের সঙ্গে জুটি গড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম অর্ধশতকের দেখা পান এই বোলিং অলরাউন্ডার। ৬৮ বলে ৩ চার ও এক ছক্কার সাহায্যে একেবারে ৫০ রান পূর্ণ করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এদিকে, সেঞ্চুরি পেয়েছেন বার বার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ইমরুল কায়েস। ১১৮ বলে চতুর্থ সেঞ্চুরির স্বাদ পান এই ওপেনার। এরপর অবশ্য জিম্বাবুয়ে বোলারদের ওপর চড়াও হন ইমরুল। শেষ পর্যন্ত ১৪০ বলে ১৪৪ রানে থামেন তিনি। / এআর /

ইমরুলকে সাকিবের অভিনন্দন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১৪৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলায় ইমরুল কায়েসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে শুরু হয় ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়া। এরইমধ্যে মাঠে আলো ছড়িয়েছেন ইমরুল কায়েস। এক প্রান্ত আগলে থেকে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন টাইগার এই ওপেনার। ৬৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা ইমরুল পরের অর্ধশত করেন ৫৪ বলে। ১১৮ বলে ৩ ছক্কা ও ৮ চারের সাহায্যে শতরান পূরণ করেন তিনি। এটি তার একদিনের ক্রিকেটে চতুর্থ সেঞ্চুরি। ইমরুলকে নিয়ে আইসিসি তাদের অফিসিয়াল পেজে এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ঢাকায় ইমরুলের তৃতীয় শতক এটি। সেখানে কায়েসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আঙ্গুলের ইনজুরির কারণে দলের বাহিরে থাকা সাকিব আল হাসান। ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ধুকছিল তখন চওড়া হাতে ব্যাট হাতে তুলে নেন ইমরুল কায়েস ও সাইফুদ্দিন। ৭ম উইকেট জুটিতে আসে ১২৭ রান। উইকেটে কিছুটা থিতু হয়ে মিরপুরে ঝড় তোলেন ইমরুল । সেই ঝড়ে লন্ডভন্ড জিম্বাবুয়ে দল। ঝড় থামল। ততক্ষণে বাংলাদেশ নিরাপদ বন্দরে পৌছে গেছে। ইমরুল আউট হয়েছেন এক অসাধারণ ইনিংস খেলে। মাত্র ৬ রানের জন্য ১৫০ রানের মাইলফলক ছুতে পারলেন না এই বা-হাতি। তবে দলকে দিয়েছেন দারুণ এক তৃপ্তি। ইমরুলের বরিবাসরীয় এই ইনিংসে ছিল ২০ টি বাউন্ডারি এবং ওভার বাউন্ডারি। ১৪ টি চারের মার আর ছয় মেরেছেন ৬টি। বল খেলেছেন ১৪০ টি।  

ইমরুল-সাইফউদ্দিনে আড়াইশ’ ছাড়াল টাইগাররা

তিন উইকেটে ১৩৬ রান। এরপর ৬ রান যোগ করতেই পড়ে যায় তিনটি ‍উইকেট। ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ঘোর অমানিশায় টাইগাররা তখন হাল ধরেন ইমরুল ও সাইফউদ্দিন। তাদের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে সপ্তম উইকেট জুটিতে শতাধিক রান আসে। এর রানের উপর ভর করে বাংলাদেশ স্কোর ২৫০ ছাড়ায়। একের পর এক উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দল যখন চরম বিপর্যয়ে তখন দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন ইমরুল কায়েস। ওপাশে সবাই আসা-যাওয়ার খেলায় মেতে উঠলেও তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতীক হয়ে। শেষ দিকে তাঁকে যোগ্য সমর্থন দিচ্ছেন সাইফউদ্দিন। এ দুজনের ৭ম উইকেটি জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ দলের স্কোর ২৬৩/৬। ৪৮ তম ওভারের খেলা শেষ। ইমরুল ব্যাট করছেন ১৪৩ রানে। আর সাইফউদ্দিন ব্যাট করছেন ৪৬ রানে। আন্ডারডগ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চোখে শর্শে ফুল দেখছিল তখন ইমরুল একজন সঙ্গী খুঁজছিলেন। পেয়েও গেলেন একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তিনি সাইফউদ্দিন। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় দুইশ’র কোটায়। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর‌্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ‌। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর ১ রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও ইমরুল কায়েস। তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর‌্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা। দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক। কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন। মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। মিঠুনের পর যারা মাঠে নামের তারা কেউই দাঁড়াতে পারেন নি। সপ্তম উইকেট জুটি সফল হয়। এখন পযন্ত এই জুটি থেকে একশ’ রানের বেশি এসেছে। শতক পেয়েছেন ইমরুল। আর সাইফউদ্দিন ব্যাট করছেন ৪৬ রানে। সূত্র: ক্রিকইনফো। / এআর /

সপ্তম উইকেটে শতরানের জুটি

তিন উইকেটে ১৩৬ রান। এরপর ৬ রান যোগ করতেই পড়ে যায় তিনটি ‍উইকেট। ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ঘোর অমানিশায় টাইগাররা তখন হাল ধরেন ইমরুল ও সাইফউদ্দিন। তাদের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে সপ্তম উইকেট জুটিতে শতাধিক রান আসে। একের পর এক উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দল যখন চরম বিপর্যয়ে তখন দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন ইমরুল কায়েস। ওপাশে সবাই আসা-যাওয়ার খেলায় মেতে উঠলেও তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতীক হয়ে। শেষ দিকে তাঁকে যোগ্য সমর্থন দিচ্ছেন সাইফউদ্দিন। এ দুজনের ৭ম উইকেটি জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ দলের স্কোর ২৪৬/৬। ৪৬ তম ওভারের খেলা চলছে। আন্ডারডগ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চোখে শর্শে ফুল দেখছিল তখন ইমরুল একজন সঙ্গী খুঁজছিলেন। পেয়েও গেলেন একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তিনি সাইফউদ্দিন। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় দুইশ’র কোটায়। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর‌্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ‌। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর ১ রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও ইমরুল কায়েস। তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর‌্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা। দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক। কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন। মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। মিঠুনের পর যারা মাঠে নামের তারা কেউই দাঁড়াতে পারেন নি। সপ্তম উইকেট জুটি সফল হয়। এখন পযন্ত এই জুটি থেকে একশ’ রানের বেশি এসেছে। শতক পেয়েছেন ইমরুল। আর সাইফউদ্দিন ব্যাট করছেন ৪৬ রানে। সূত্র: ক্রিকইনফো। / এআর /

দুইশ’ ছাড়াল বাংলাদেশ

১৬ রান কোনো উইকেট না খুইয়ে। অথচ ১৭ রারেই পড়ে যায় দুই উইকেট। আবার তিন উইকেটে ১৩৬ রান। এরপর ৬ রান যোগ করতেই পড়ে যায় তিনটি ‍উইকেট। ১৩৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন ঘোর অমানিশায় টাইগাররা তখন হাল ধরেন ইমরুল ও সাইফউদ্দিন। তাদের দায়িত্বপূর্ণ ব্যাটিংয়ে দুইশ’ ছাড়াল বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দল যখন চরম বিপর্যয়ে তখন দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন ইমরুল কায়েস। ওপাশে সবাই আসা-যাওয়ার খেলায় মেতে উঠলেও তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতীক হয়ে। শেষ দিকে তাঁকে যোগ্য সমর্থন দিচ্ছেন সাইফউদ্দিন। এ দুজনের ৭ম উইকেটি জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ দলের স্কোর ২০৬/৬। ৪৪ তম ওভারের খেলা চলছে। আন্ডারডগ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চোখে শর্শে ফুল দেখছিল তখন ইমরুল একজন সঙ্গী খুঁজছিলেন। পেয়েও গেলেন একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তিনি সাইফ উদ্দিন। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় দুইশ’র কোটায়। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর‌্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ‌। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর ১ রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও ইমরুল কায়েস। তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর‌্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা। দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক। কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন। মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। মিঠুনের পর যারা মাঠে নামের তারা কেউই দাঁড়াতে পারেন নি। সপ্তম উইকেট জুটি সফল হয়। এখন পযন্ত এই জুটি থেকে ৬০ রানের বেশি এসেছে। শতক পেয়েছেন ইমরুল। আর সাইফউদ্দিন ব্যাট করছেন ২৭ রানে। সূত্র: ক্রিকইনফো। / এআর /

ইমরুল-সাইফউদ্দিনে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ 

একের পর এক উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দল যখন চরম বিপর্যয়ে তখন দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন ইমরুল কায়েস। ওপাশে সবাই আসা-যাওয়ার খেলায় মেতে উঠলেও তিনি ঠায় দাঁড়িয়ে আস্থার প্রতীক হয়ে। শেষ দিকে তাঁকে যোগ্য সমর্থন দিচ্ছেন সাইফউদ্দিন। এ দুজনের ৭ম উইকেটি জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ দলের স্কোর ১৯৮/৬। আন্ডারডগ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চোখে শর্শে ফুল দেখছিল তখন ইমরুল একজন সঙ্গী খুঁজছিলেন। পেয়েও গেলেন একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তিনি সাইফ উদ্দিন। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় দুইশ’র কোটায়। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর‌্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ‌। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর ১ রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও ইমরুল কায়েস। তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর‌্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা। দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক। কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন। মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। মিঠুনের পর যারা মাঠে নামের তারা কেউই দাঁড়াতে পারেন নি। সপ্তম উইকেট জুটি সফল হয়। এখন পযন্ত এই জুটি থেকে ৬০ রানের বেশি এসেছে। শতক পেয়েছেন ইমরুল। আর সাইফউদ্দিন ব্যাট করছেন ২৭ রানে। সূত্র: ক্রিকইনফো। / এআর /

ইমরুলের অর্ধশতক

দলের অন্য ব্যাটসম্যানরা যখন যাওয়া-আসায় ব্যস্ত তখন একপ্রান্ত আগলে রেখেছেন ওপেনার ইমরুল কায়েস। দায়িত্বশীল ব্যাট করে অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন ইতোমধ্যেই। ইমরুল চেষ্টা করে যাচ্ছেন দলকে ব্যাটিং বিপর‌্যয় থেকে টেনে তুলতে। শুরু থেকেই দেখেশুনে ব্যাট করছেন এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর‌্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ‌। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর ১ রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও ইমরুল কায়েস। তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর‌্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা। দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক। কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন। মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। এ প্রতিবেদন লেখার সময় ইমরুল ব্যাট করছিলেন ৬৭ রানে। বল খেলেছেন ৭৬ টি। স্কোর করতে ইমরুল ৪ মেরেছেন ৫ টি আর ছয় মেরেছেন ৩ টি। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের স্কোর ১১৭/৩। ২৪ তম ওভারের খেলা চলছে। ২৩ রানে ক্রিজে আছেন মিঠুন। সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি