ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৩৬:০১

‘ঘাতক রোবট’ নিষিদ্ধের দাবি তুলল বিজ্ঞানীরা

‘ঘাতক রোবট’ নিষিদ্ধের দাবি তুলল বিজ্ঞানীরা

মানব জাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে ‘ঘাতক রোবট’-এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্যা অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্স’এর বাৎসরিক সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়। ‘ঘাতক বা যুদ্ধোপযোগী সেনা রোবট’ তৈরির জন্য যখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক তৎপরতা চলছে তখন এ আহ্বান জানানো হলো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বিকাশ ঘটছে অতি দ্রুত। ফলে মানুষের সহায়তা ছাড়াই লক্ষ্য নির্বাচন এবং হামলা চালাতে সক্ষম রোবট তৈরি হওয়া সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন সক্ষমতার অধিকারী কথিত ‘যন্ত্র মানব’কে ‘ঘাতক রোবট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ‘রোবট’ মানেই মানবিক চেহারা সম্পন্ন হতে হবে তাও নয়। দূর নিয়ন্ত্রণ বা মানবিক কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই লক্ষ্য নির্ধারণ এবং হামলা চালাতে সক্ষম যান, নৌযান কিংবা বিমানও এর আওতায় পড়বে। ‘আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্যা অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্স’এর সম্মেলনে বিজ্ঞানী এবং মানবাধিকার কর্মীরা বলেন, এ জাতীয় রোবট যুদ্ধের জগতে তৃতীয় বিপ্লবের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বারুদের ব্যবহার এবং পরমাণু অস্ত্র তৈরির মধ্য দিয়ে এর আগের দু’টি বিপ্লব সম্পন্ন হয়েছে। তারা আরো বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তির ফলে স্থলমাইন ব্যবহার উল্লেখযোগ্য ভাবে সীমিত হয়েছে। ‘ঘাতক রোবট’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে একই ধরণের চুক্তির প্রয়োজন। ‘ঘাতক রোবট’ ব্যবহারের চল শুরু হওয়ার আগেই এমন পদক্ষেপ নেওয়ার জরুরি আহ্বান জানান তারা। এ জাতীয় নিষেধাজ্ঞার প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেন, এমন অস্ত্র ব্যবস্থা রাজনৈতিক এবং নৈতিক ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/
জরুরি অবস্থা জারি করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প!

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ করতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স জানান, ‘প্রেসিডেন্ট আবারও মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ, সীমান্ত রক্ষা এবং আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ জন্য সীমান্তে জাতীয় নিরাপত্তা ও মানবিক সঙ্কট নিরসনে ট্রাম্প জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন।’ এর পরই বেশ কয়েকজন সিনিয়র ডেমোক্র্যাট সদস্য জানান, এর মাধ্যমে ট্রাম্প তার ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ ও ‘আইনের অপব্যবহার’ করছেন। এর আগে একটানা ৩৫ দিন ফেডারেল সরকারের একাংশের কাজকর্ম বন্ধ থাকার পর সিদ্ধান্ত হয়েছিল, উভয় দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাজেট প্রশ্নে একটি সর্বসম্মত প্রস্তাব গ্রহণে কাজ করবে। সেই সময়সীমা পার হওয়ার আগেই (১২ ফেব্রুয়ারি) তারা এক সমঝোতা সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। তবে এ সিদ্ধান্তে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোটেই খুশি নন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। মেক্সিকো সীমান্তে নিরাপত্তা দেয়াল নির্মাণের জন্য ট্রাম্প প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার দাবি করেন। কিন্তু ছয় বিলিয়নের বদলে সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের মতো অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ মোট ৫৫ মাইল বেড়া নির্মাণে ব্যবহৃত হবে। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

বিশ্বের কুখ্যাত অপরাধী ‘এল চাপো’ দোষী প্রমাণিত

মেক্সিকোর মাদক সম্রাট জোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমানের বিরুদ্ধে আনা ১০টি অভিযোগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন নিউ ইয়র্কের একটি আদালত। কোকেন এবং হেরোইন সরবরাহসহ অর্থ পাচার এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত ছিলেন ৬১ বছর বয়সী গুজমান। তার চূড়ান্ত সাজা এখনও ঘোষণা করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি পেতে পারেন তিনি। মেক্সিকোর একটি কারাগার থেকে সুরঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পাচ মাস পর ২০১৬’র জানুয়ারিতে গ্রেফতার হন তিনি। ২০১৭ সালে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের চক্র ‘সিনায়োলা কার্টেল’এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাষ্ট্রীয় কৌসুলিদের মতে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী ওই চক্র। এগারো সপ্তাহের বিচারিক কার্যক্রম শেষে ব্রুকলিনের একটি আদালত তাকে দোষী হিসেবে রায় দেন। গুজমানের সহযোগীদের অনেকেই তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। কে এই ‘এল চাপো?’ ‘এল চাপো’ মানে ‘বেঁটে’- যিনি এক সময় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের একজন ছিলেন - মেক্সিকোর উত্তারঞ্চলের মাদক ব্যবসার চক্রের মূল হোতা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক চোরাচালানের বৃহত্তম উৎসগুলোর একটি হয়ে ওঠে এই চক্র। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালের ফোর্বসের বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকার ৭০১ নম্বরে জায়গা হয় গুজমানের। সে সময় গুজমানের আনুমানিক মূল্য নির্ণয় করা হয়েছিল ১ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে লাখ লাখ টন কোকেন পাচারে সহায়তাসহ হেরোইন, মেথ্যাম্ফেটামিন ও মারিজুয়ানা উৎপাদন ছাড়াও বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ধারণা করা হয়, ভাড়াটে গুণ্ডা ব্যবহার করে ‘শত শত’ হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনার পেছনে ছিলেন তিনি। জড়িত ছিলেন বিরোধীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অপহরণের মত ঘটনার সঙ্গেও। কী তথ্য প্রকাশিত হয়েছে আদালতে? মেক্সিকোর মাদক চোরাচালানকারীর জীবনের বিস্ময়কর অনেক দিক প্রকাশিত হয় আদালতে। অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের মাদক সেবন করিয়ে ধর্ষণ করতেন- আদালতের নথিতে এমন অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। তার সাবেক সহযোগী কলম্বিয়ান মাদক পাচারকারী অ্যলেক্স সিফুয়েন্তের ভাষ্য অনুযায়ী, গুজমান বিশ্বাস করতেন কম বয়সী মেয়েদের সঙ্গে যৌনতা তাকে ‘জীবন’ দিতো। তাই তার সব চেয়ে কম বয়সী যৌনসঙ্গীকে- যার বয়স ছিল ১৩- তিনি ‘ভিটামিন’ নামে সম্বোধন করতেন। আদালতে সিফুয়েন্তে এমন অভিযোগও করেন যে গুজমান ২০১২ সালে মেক্সিকোর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এনরিকে পেনা নিয়েতো’কে ১০ কোটি ডলার দিয়েছিলেন। গুজমানকে আটক করার জন্য চলা অভিযান থামানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১২ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর এল চাপো’র কাছে ২৫ কোটি ডলার দাবি করেন বলেও উঠে আসে সিফুয়েন্তের জবানবন্দীতে। তবে পেনা নিয়েতো এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। আরেকজন সাক্ষী নিজে গুজমানকে অন্তত তিনটি খুন করতে দেখেছেন বলে বিবরণ দিয়েছেন। গুজমানের সাবেক দেহরক্ষী ইসাইয়াস ভালদেজ রিওস জানান, বিপক্ষের মাদক চক্রে যোগ দেয়ার কারণে দু’জনকে নৃশংসভাবে নির্যাতনের পর মাথায় গুলি করে হত্যা করে গুজমান। এরপর তাদের লাশ আগুনে ছুড়ে ফেলার নির্দেশ দেন। আরেকটি ঘটনায় আরলানো ফেলিক্স চক্রের এক সদস্যকে জীবন্ত মাটি চাপা দেওয়ার আগে আগুনে পুড়িয়ে নির্যাতন করেছিলেন বলে জানা যায় রিওসের জবানীতে। আরেক মাদক চক্রের প্রধানের ভাই তার সঙ্গে হাত না মেলানোয় ওই ব্যক্তিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে গুজমানের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালে মেক্সিকোর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বলিত আল্টিপ্লানো কারাগার থেকে গুজমানের পালানোর ঘটনার বিস্তারিতও উঠে আসে আদালতে। সে সময় তার ছেলেরা কারাগারের কাছে জায়গা কেনে এবং গুজমানের কাছে কারাগারে একটি জিপিএস ঘড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে যেন সুরঙ্গ খুঁড়ে সরাসরি তার কাছে যাওয়া সম্ভব হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষভাবে তৈরি মোটরসাইকেল চালিয়ে ওই সুরঙ্গ দিয়ে পালান এল চাপো। স্ত্রী এবং রক্ষিতাদের ওপর নজর রাখতে নিজের ফোনে স্পাই সফটওয়্যার ব্যবহার করতেন গুজমান। ওই সফটওয়্যারের কল্যাণে আদালতে তার পাঠানো অনেক মেসেজ প্রমাণ হিসেবে পেশ করতে সক্ষম হয় এফবিআই। কেন গুরুত্ব পাচ্ছে এই বিচার? যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত মেক্সিকোর ড্রাগ কার্টেলের যতজন প্রধানের বিচার হয়েছে, তাদের মধ্যে সব চেয়ে কুখ্যাত গুজমান। মেক্সিকোতে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সহিংসতায়, যেগুলো মূলত মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কার্টেলগুলোর এবং কার্টেলদের নিজেদের মধ্যে সংঘটিত হয়, গত এক দশকে এক লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। মেক্সিকোতে পুলিশের হেফাজত থেকে দু’বার পালিয়ে এবং অসংখ্যবার গ্রেফতার এড়িয়ে আলোচনায় আসেন গুজমান। তার নিজের এলাকার অনেকের দৃষ্টিতে গুজমান বীরোচিত এক ব্যক্তিত্ব। সে সব এলাকায় তাকে উৎসর্গ করে লোকগানও প্রচলিত আছে। জেল থেকে পালানোর পর ২০১৬ সালে মেক্সিকোর এক জঙ্গলে থাকার সময় হলিউড অভিনেতা শন পেন’কে একটি সাক্ষাৎকার দেন তিনি। সেখানে নিজেকে বিশ্বের শীর্ষ হেরোইন, কোকেন, মেথ্যাম্ফেটামিন ও মারিজুয়ানা সরবরাহকারী বলে দাবি করেন। কৌসুলিদের বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতে গুজমান সাক্ষীদের ভয় দেখানো ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। সে কারণে এই বিচারের জুরিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি এবং তাদেরকে সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষীসহ ব্রুকলিনের আদালতে আনা-নেওয়া করা হতো। সূত্র: বিবিসি একে//

‘মার্কিন সাহায্য নিয়ে আফগানিস্তান ধ্বংস হয়েছে’

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তার দেশে পাঠানো মার্কিন ত্রাণকে উপহাস করে বলেছেন, এর আগে মার্কিন ত্রাণ গ্রহণ করে আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও লেবানন ধ্বংস হয়েছে। শনিবার রাজধানী কারাকাসে এক সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার কথিত মানবিক ত্রাণকে ‘বিষ’ বলে অভিহিত করেন। কোনো অবস্থাতেই এই ত্রাণ ভেনিজুয়েলায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন। আমেরিকা ত্রাণের নামে ভেনিজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করতে চায় বলে অভিহিত করেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো। মার্কিন সরকার ল্যাতিন আমেরিকার দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের একই সময়ে সেদেশে মানবিক ত্রাণ পাঠিয়েছে। ত্রাণের খাদ্য ও ওষুধবাহী কিছু ট্রাক বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ার সীমান্ত শহর কুকুটায় পৌঁছায়। ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইডো গতমাসে আমেরিকা ও তার মিত্রদের সমর্থন নিয়ে নিজেকে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলে দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়। ভেনিজুয়েলা সরকার গুয়াইডো’র ওই ঘোষণাকে ক্যু করার প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গুয়াইডোকে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পাশাপাশি দেশটিতে প্রয়োজনে সামরিক হস্তক্ষেপ করার হুমকি দিয়েছেন। তবে আমেরিকার এই অবস্থান ঘোষণা সত্ত্বেও চীন, রাশিয়া, ইরান, তুরস্ক ও মেক্সিকোসহ আরো কিছু দেশ ভেনিজুয়েলার নিকোলাস মাদুরো সরকারকে সমর্থন জানিয়েছে। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

আবারও উ.কোরিয়ার সঙ্গে মার্কিন দূতের বৈঠক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে তাদের বহুল প্রত্যাশিত দ্বিতীয় সম্মেলনে মিলিত হচ্ছেন। তাদের এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শান্তি আলোচনার জন্য জোরেসরেই প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়ে গেছে। ট্রাম্প টুইটারে দেয়া এক বার্তায় সম্মেলনের স্থানের নাম ঘোষণা করেছেন। এক্ষেত্রে কেবলমাত্র তিনি ভিয়েতনামের নাম উল্লেখ করেছেন। গত বছর সিঙ্গাপুরে এ দুই নেতার মধ্যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এদিকে ট্রাম্প এ দু’দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ প্রস্তুতিমূলক আলোচনার প্রশংসা করেছেন।তিনি বলেন, ‘আমার প্রতিনিধিরা অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা এবং কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিতীয় সম্মেলনের সময় ও তারিখের ব্যাপারে সম্মত হওয়ার পর মাত্রই উত্তর কোরিয়া ত্যাগ করেছে।’ট্রাম্প বলেন, ‘আগামী ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আমি চেয়ারম্যান কিমের সঙ্গে সাক্ষাতের এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, উত্তর কোরিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত ট্রাম্প ও কিমের বৈঠকের আগে পিয়ংইয়ং কর্মকর্তাদের সাথে আবারো বৈঠক করবেন।এ ঘোষণার মাত্র কয়েকঘন্টা আগে বিশেষ দূত স্টিফেন বিগুন সম্মেলন নিয়ে আলোচনা শেষে উত্তর কোরিয়া থেকে সিউলে পৌঁছান।বিবৃতিতে পররাষ্ট্র দপ্তর আরো জানায়, স্টিফেন বিগুনের তিনদিনের সফর চলাকালে আলোচনায় সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কোন্নয়ন এবং কোরীয় উপদ্বীপে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেয়া ট্রাম্প ও কিমের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বিশ্লেষণ করা হয়।মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, বিগুন ট্রাম্প ও কিমের সম্মেলনের আগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধি কিম হিয়োক চোলের সঙ্গে তার সাক্ষাতের ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।এদিকে উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত এ সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করার বিষয়ে কোনকিছু জানায়নি। এমনকি কিম জং উন কোরীয় পিপলস আর্মির শীর্ষ কর্মকতাদের সাথে বৈঠকেও ওই সম্মেলনের ব্যাপারে কোন ইঙ্গিত দেননি। সূত্র : এএফপিএসএ/

মার্কিন ত্রাণ প্রত্যাখ্যান করলেন মাদুরো

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পাঠানো মানবিক ত্রাণ প্রত্যাখ্যান করেছেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। তিনি বলেছেন, তার দেশ ভিক্ষুক নয় এবং এ ধরনের ত্রাণের কোনও প্রয়োজন ভেনিজুয়েলার নেই। মার্কিন সরকার ল্যাতিন আমেরিকার দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের একই সময়ে সে দেশে মানবিক ত্রাণ পাঠিয়েছিল। দৃশ্যত ত্রাণের খাদ্য ও ওষুধবাহী কিছু ট্রাক বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ার সীমান্ত শহর কুকুটায় পৌঁছানোর পর শুক্রবার এ মন্তব্য করেন মাদুরো। তিনি বলেন, ‘আমরা মানবিক ত্রাণের এই প্রদর্শনী দেখাতে দেব না। কারণ আমরা কারো কাছ থেকে ভিক্ষা গ্রহণ করি না।’ কারাকাসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ত্রাণের এ সব সামগ্রী কলম্বিয়ার দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করা যেতে পারে। ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলেন, গত চার বছর ধরে তার দেশে মানবিক সংকট সৃষ্টির ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়েছে আমেরিকা। তারপরও ত্রাণ পাঠিয়ে নিজের সাফল্য প্রমাণের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। ভেনিজুয়েলায় গত প্রায় এক মাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলছে। গত বছর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জের ধরে গতমাসে প্রেসিডেন্ট মাদুরো দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর এই সংকট শুরু হয়। বিরোধী দলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইডো নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে নিজেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। আমেরিকার পাশাপাশি ইউরোপের বেশ কিছু দেশ গুয়াইডোকে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে রাশিয়া, চীন, ইরান ও তুরস্কসহ বিশ্বের আরও বহু দেশ প্রেসিডেন্ট মাদুরোর প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছে। সূত্র: পার্সটুডে একে//

ব্রাজিলে ফুটবল ক্লাবে আগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর বৃহত্তর ফুটবল ক্লাব ফ্লেমিঙ্গোর ট্রেনিং সেন্টারে আগুন লেগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে কোন ফুটবলার আছেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে যখন আগুন লাগে তখন সেখানে কম বয়সী ফুটবলাররা ঘুমিয়ে ছিল।   আগুন নিয়ন্ত্রণ কাজে থাকা ফায়ার সাভির্সের একজন কর্মী জানান, যখন ডরমেটরিতে আগুন লাগে তখন ফ্লেমিঙ্গোর কিছু তরুণ ফুটবলার ঘুমিয়ে ছিল। তাদের কেউ নিহতের মধ্যে আছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া নিহতের পাশাপাশি তিনজন আহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ফ্লেমিঙ্গোর আর্ট ট্রেনিং সেন্টার নিদো দেল উরুবোতে আগুন লাগে। নতুন এই ট্রেনিং সেন্টারটি মাস দুই আগে অনুশীলনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এখানে সাধারণত ফ্লেমিঙ্গোর ১৪ থেকে ১৭ বছরের তরুণ ফুটবলাররা খেলে থাকে। ব্রাজিলের এই ফুটবল ক্লাবটি ১৮৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখান থেকে দেশটির অনেক তারকা ফুটবলার বেরিয়েছেন। জিকো, রোনালদিনহো, রোমারিও কিংবা সক্রেটিসরা এই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। প্রতিভা খুঁজতে ওস্তাদ এই ক্লাব থেকে সম্প্রতি রিয়াল মাদ্রিদে নাম লিখিয়ে দারুণ পারফর্ম করছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ব্রাজিলের টেলিভিশন চ্যানেল গ্লোবর তথ্য অনুযায়ী, যারা মারা গেছেন তারা ক্লাবেরই ফুটবলার। তবে তারা কোন নির্ভরযোগ্য সূত্র ব্যবহার করেনি। এছাড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আগুনে ক্লাবের শেড পুড়ে গেছে। পিলারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া নিকটে থাকা গাছও আগুনের ঝাপটায় পুড়ে গেছে। ফ্লেমিঙ্গো থেকে রিয়ালে আসা ভিনিসিয়াস সবাইকে প্রার্থনা করতে অনুরোধ করেছেন। এটিকে অত্যন্ত দুঃখের খবর বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। আরকে//

চলে গেলেন ১১ প্রেসিডেন্টের কংগ্রেসম্যান জন ডিঙ্গেল

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের কংগ্রেসম্যান জন ডিঙ্গেল চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার মিশিগানের ডিয়ারবর্নে নিজ বাড়িতে ৯২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। ডিঙ্গেলের মৃত্যুতে তার স্ত্রী ডেবি ডিঙ্গেলের কার্যালয় বলেছে, তিনি ছিলেন মার্কিন কংগ্রেসের একজন সিংহ। সেইসঙ্গে ছিলেন একজন স্নেহময় ছেলে, বাবা, স্বামী, দাদা ও বন্ধু। মিশিগান কংগ্রেসওম্যানের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আমরা এই ঘোষণা দিচ্ছি যে, মিশিগানের সাবেক কংগ্রেসম্যান ও মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জন ডেভিড ডিঙ্গেল মারা গেছেন। মাত্র ২৯ বছর বয়সে ১৯৫৫ সালে ডিঙ্গেল প্রথম কংগ্রেসম্যান নির্বাচিত হন। এর আগে তার বাবা জন ডিঙ্গেল সিনিয়র ওই আসনের কংগ্রেসম্যান ছিলেন। আচমকা তার মৃত্যুর পর সে আসন থেকে নির্বাচনে লড়েন ও জয়ী হন জন ডিঙ্গেল। এরপর থেকে ১১ প্রেসিডেন্টের আমলে টানা ৫৯ বছর ধরে মিশিগান থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জন ডিঙ্গেল। তিনি কংগ্রেসম্যান হিসেবে অবসরে যান ২০১৫ সালে। অবসরে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, আমি চাই না কেউ আমার জন্য দুঃখ অনুভব করুক। আমি কংগ্রেসম্যান থাকা অবস্থায় মরতে চাই না। কারণ আমি কোনও অপর্যাপ্ত কাজ করতে চাই না। তার উত্তরসূরী হিসেবে ডিঙ্গেলের স্ত্রী ২০১৫ সালে মিশিগান থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। যুক্তরাষ্ট্রে বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি সেবা মেডিকেয়ার প্রতিষ্ঠায় জন ডিঙ্গেলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে ওবামার সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। অবসরের পরও মার্কিন রাজনীতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতেন ডিঙ্গেল। বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের অবস্থান জানাতেন টুইট করে। সূত্র: বিবিসি একে//

রাজনৈতিক ঐক্যের ডাক দিলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে রাজনৈতিক ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। ভাষণে তিনি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে মাদক, চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার ঠেকাতে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।বৈধ অভিবাসীদের জন্য আমেরিকার পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার রাতে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ বলে পরিচিত বার্ষিক ভাষণে ট্রাম্প বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে নিজের মতামত দেন।ট্রাম্পের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ আজ বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে আটটার দিকে শুরু হয়। কংগ্রেসের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ- দুই কক্ষের সদস্যসহ অতিথিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এবারের কংগ্রেসে সর্বোচ্চসংখ্যক নারী সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান ট্রাম্প। ওই সময় বিপুল করতালি দিয়ে এতে সমর্থন দেন নারী সদস্যরা।আমেরিকার অব্যাহত রাজনৈতিক বিভক্তির মধ্যে ট্রাম্প কংগ্রেসে ভাষণ দিলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের অচলাবস্থার কারণে এই ভাষণ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে হয়েছে। এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের অচলাবস্থার কারণে বেশিরভাগ নাগরিক ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করেছেন। এই মুহূর্তে তার জনসমর্থন মাত্র ৩৭ শতাংশ।সূত্র : পার্সটুডেএসএ/

ট্রাম্পকে সতর্ক করল ইরাক

ইরানের ওপর নজরদারি করার জন্য ইরাকে মার্কিন সেনা মোতায়েন রাখা হবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি যে মন্তব্য করেছেন তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদিল আব্দুলমাহদি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, অন্য কোনো দেশে আগ্রাসী তৎপরতা চালানোর কাজে ইরাকের ভূমি ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরাকে আমেরিকার স্থায়ী কোনো সেনাঘাঁটি নেই। তবে আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের আওতায় ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য কিছু মার্কিন সেনা এদেশে মোতায়েন রয়েছে।’ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি কোনো অবস্থায় ইরাককে আরেক দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য অন্য কোনো দেশকে অনুমতি দেব না। ইরাক কখনোই দু’টি দেশের মধ্যে সংঘাতের অংশীদার হবে না।’এর আগে গত সোমবার ইরাকের প্রেসিডেন্ট বারহাম সালিহ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেছিলেন, প্রতিবেশী কোনো দেশে হামলার কাজে ইরাকি ভূমি ব্যবহারের ব্যাপারে এদেশের সংবিধানে সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।গত রোববার মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিবিএস’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরাকে একটি স্থায়ী সেনা ঘাঁটি স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দম্ভোক্তি করে বলেন, ইরানের তৎপরতার ওপর নজর রাখার জন্য এরকম একটি ঘাঁটি স্থাপন জরুরি।সূত্র : পার্সটুডেএসএ/

মার্কিন অস্ত্রের চালান ধরা পড়ল ভেনিজুয়েলায়

ভেনিজুয়েলার একটি বিমান বন্দরে মার্কিন অস্ত্রের চালান ধরা পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিপক্ষে খোলাখুলি অবস্থান ঘোষণার পরই এ অস্ত্রের চালান ধরা পড়ল। ভেনিজুয়েলার ভ্যালেনসিয়া নগরীর আরতুরো মিচেলিনা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের একটি গুদাম থেকে এ সব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফ্লোরিডার মিয়ামি থেকে এ সব অস্ত্র পাঠানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অস্ত্রভাণ্ডার ভেনিজুয়েলায় কার জন্য পাঠানো হয়েছিল তা বের করার জন্য তদন্ত চলছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে অন্তত ১৯টি রাইফেল, ১১৮ ম্যাগাজিন উচ্চ ক্ষমতার বুলেটসহ ৯০টি রেডিও এবং ৬টি মোবাইল ফোন রয়েছে। এর আগে আমেরিকা বলেছে, ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদোকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য প্রয়োজনে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি