ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৫৪:৫২

খাশোগি হত্যার দায় সৌদি সরকারের

নিকি হ্যালির স্বীকারোক্তি

খাশোগি হত্যার দায় সৌদি সরকারের

জাতিসংঘে আমেরিকার পদত্যাগকারী প্রতিনিধি নিকি হ্যালি শেষ পর্যন্ত স্বীকার করেছেন, সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের দায় সৌদি সরকারের ওপর বর্তায়। এমন সময় তিনি এ কথা বললেন যখন ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা খাশোগি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত থাকার বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করে আসছেন।তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কন্স্যুলেটে সৌদি সরকার বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দুই মাস পর বিশ্বের দেশগুলো সৌদি আরবের মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও এবং এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় যুবরাজ সালমানের হাত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তারা এখনো সালমানকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করছেন এবং তার প্রতি সমর্থন দিচ্ছেন।সাংবাদিক জামাল খাশোগি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নীতির কট্টর সমালোচক ছিলেন এবং এ কারণে সৌদি সরকার তাকে আটক করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তিনি গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কন্স্যুলেটে প্রবেশ করেন এবং আর কখনোই সেখান থেকে বের হয়ে আসেননি। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের পর ১৮দিন পর্যন্ত নীরব থাকার পর শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সৌদি সরকার খাশোগির নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করে।সাংবাদিক হত্যা এবং দেশের ভেতরে ও বাইরে বিরোধীদের দমনে সৌদি সরকারের নীতি ও সেইসাথে ইয়েমেনে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত থাকায় বিশ্বের মানবাধিকার কর্মীরা সৌদি সরকার বিশেষ করে যুবরাজ সালমানের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা ওই দেশটিতে অস্ত্র বিক্রি বন্ধেরও দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু তারপরও মার্কিন কর্মকর্তারা সৌদি যুবরাজ সালমানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে রাজি নন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিছুদিন আগে বলেছেন, খাশোগি হত্যার সঙ্গে যদি সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তবুও সৌদি আরব আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবেই টিকে থাকবে।প্রকৃতপক্ষে, একদিকে, আমেরিকার সঙ্গে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ আর্থ-রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং যুবরাজ সালমানকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা এবং কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি অন্যদিকে ওয়াশিংটনে সৌদি লবিং গ্রুপের তৎপরতা ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের কারণে মার্কিন কর্মকর্তারা খাশোগি ইস্যুতে যুবরাজ সালমানের অপরাধকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। এ কারণে সাংবাদিক খাশোগি হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আমেরিকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি উঠলেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও রাষ্ট্রদূতের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।যাইহোক, জাতিসংঘে আমেরিকার পদত্যাগকারী প্রতিনিধি নিকি হ্যালি সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের দায় সৌদি সরকারের ওপর বর্তায় বলে যে মন্তব্য করেছেন তাতে বোঝা যায় মার্কিন কর্মকর্তারা বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদিও খাশোগি হত্যাকাণ্ডে যুবরাজ সালমানের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন কিন্তু তারপরও তিনি মার্কিন স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সৌদি আরবের প্রতি সমর্থন দিচ্ছেন।সূত্র : পার্সটুডেএসএ/  
মুকেশ আম্বানি কন্যা ইশার বিয়েতে এলেন হিলারি ক্লিনটন

ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে শুরু হয়েছে জমকালো আয়োজন। আগামি ১২ ডিসেম্বর বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হলেও শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বিয়ে উপলক্ষে দেশি বিদেশি মেহমান এসেছেন। শনিবার ইশার বিবাহপূর্ব অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিনটন। আম্বানি কন্যার বিয়েতে সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে আসেন তিনি। হিলারি ক্লিনটন ছাড়াও বলিউডের অনেক সুপারস্টার উপস্থিত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন, ক্যাটরিনা কাইফ, আমির খান, করণ জোহর, বরুন ধাওয়ান, নিক-প্রিয়াংকা, জাহ্নবিসহ বচ্চন পরিবারের অনেকে। যদিও ১২ তারিখের উদয়পুরে হবে মূল অনুষ্ঠান হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অরিজিত্‍সিং ও এ আর রহমানের মতো তারকারা। অনুষ্ঠানে বিশেষ পারফরম্যান্স করবেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। জয়পুর থেকে উদয়পুরের পার্টিতে আমন্ত্রিত অতিথিদের পৌঁছে দিতে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ বিমানে। এ জন্য জয়পুর বিমানবন্দরে ২০০টি বিশেষ চার্টার বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। (সূত্রঃ বিজনেসটুডে) কেআই// আরকে

মৃত নারীর ডিম্বাশয় থেকে জন্ম নিল সুস্থ সন্তান 

এক মৃত নারীর শরীর থেকে গর্ভাশয় নিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল এক ব্রাজিলীয়ান নারীর শরীরে। প্রতিস্থাপিত ওই গর্ভাশয়ের ভ্রূণকে লালন করে সেই নারী জন্ম দিলেন এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের। তিনিই হলেন বিশ্বের প্রথম যিনি মৃতর গর্ভাশয় নিজের শরীরে প্রতিস্থাপন করিয়ে, তা থেকে সন্তান জন্ম দিলেন। ল্যানসেট মেডিক্যাল জার্নালে এই প্রতিস্থাপনের বিস্তারিত খবর সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে।      ইউনিভার্সিটি অফ সাও পাওলোর গবেষকদলের প্রধান দানি এজেনবার্গ জানিয়েছেন, ‘অঙ্গ দাতা মৃত ব্যক্তি হলে গোটা প্রক্রিয়ার ঝুঁকি অনেকটা কম হয়। পাশাপাশি গোটা প্রক্রিয়ার খরচ অনেকটা কমে যায়। কারণ, দাতা মৃত হওয়ায়, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা, তার দীর্ঘ অপারেশন করার ঝক্কি থাকে না। জীবিত দাতার ক্ষেত্রে কাজটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।’    চিকিত্সকরা জানান, ৩৫ সপ্তাহ তিন দিন গর্ভধারণের পর সিজারের মাধ্যমে ওই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়েছে। জন্মের সময় বাচ্চাটির ওজন ছিল ২ কিলো ৫৫০ গ্রাম। কী ভাবে গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ ল্যানসেট জার্নালে লেখা হয়েছে। মস্তিষ্কের রক্তবাহ ফেটে মৃত্যু হয়েছিল ৪৫ বছর বয়সী এক মহিলার। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার অপারেশনের মধ্যে দিয়ে ওই মহিলার দেহ থেকে গর্ভাশয় বের করা হয়েছিল। তার গর্ভাশয়ের ওজন ছিল ২২৫ গ্রাম। দাতা ওই মহিলা ইতিপূর্বেই তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। যে ব্রাজিলীয় মহিলার দেহে ওই গর্ভাশয়টি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল তার বয়স ছিল ৩২ বছর। জন্ম থেকেই তার দেহে গর্ভাশয় ছিল না। দেহের এই খামতিকে চিকিত্সার ভাষায় বলা হয় ‘মেয়ার রকিটান্সকি কাস্টার হাউজার সিনড্রোম’। গর্ভাশয় প্রতিস্থাপনের প্রায় পাঁচ মাস পর গ্রহীতা মহিলার শরীরে অঙ্গ প্রত্যাখ্যান জনিত কোনও সমস্যা দেখা যায়নি। আলট্রা সাউন্ড স্ক্যানের রিপোর্টও ছিল স্বাভাবিক। এমনকি তার নিয়মিত ঋতুস্রাবও হচ্ছিল। এই লক্ষণগুলি দেখে চিকিত্সকরা কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন। তবে ওই ব্রাজিলীয় মহিলার গর্ভাশয় না থাকলেও ডিম্বাশয় ছিল। তাই তার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু সংগ্রহ করে ‘আইভিএফ’ বা ‘ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ পদ্ধতিতে প্রতিস্থাপিত গর্ভাশয়ে রোপন করা হয়েছিল ভ্রূণ। গর্ভাশয় প্রতিস্থাপনের সাত মাস দশ দিন পর এই ভ্রূণ রোপনের কাজটি হয়েছিল। এর আগে মৃত মহিলার গর্ভাশয় প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্ম দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আমেরিকা, চেক প্রজাতন্ত্র ও তুরস্কের চিকিত্সক-গবেষকরা। কিন্তু তারা সে কাজে সাফল্য পাননি। অবশেষে ব্রাজিলের সাও পাওলোর চিকিত্সকদের হাতে ধরা দিল সাফল্য। এর আগে প্রতিস্থাপিত গর্ভাশয় থেকে সন্তানের জন্ম হয়নি, তা নয়। কিন্তু সেই প্রতিস্থাপিত গর্ভাশয়ের দাতারা ছিলেন জীবিত। জীবিত মহিলার গর্ভাশয় প্রতিস্থাপন করে প্রথম সন্তানের জন্ম হয়েছিল সুইডেনে, ২০১৩ সালে। তখন থেকে মোট ৩৯ বার এই পদ্ধতিতে সন্তানের জন্ম দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের চিকিত্সক-বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সাফল্য পেয়েছেন মাত্র ১১ বার। সেদিক থেকে দেখলে, মৃত মহিলার গর্ভাশয় থেকে সন্তানের জন্ম দেওয়া আধুনিক চিকিত্সা বিদ্যার এক অভূতপূর্ব সাফল্য।   তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/এসি    

মৃত নারীর ডিম্বাশয় থেকে জন্ম নিল সুস্থ সন্তান

এক মৃত নারীর শরীর থেকে গর্ভাশয় নিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল এক ব্রাজিলীয়ান নারীর শরীরে। প্রতিস্থাপিত ওই গর্ভাশয়ের ভ্রূণকে লালন করে সেই নারী জন্ম দিলেন এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের। তিনিই হলেন বিশ্বের প্রথম যিনি মৃতার গর্ভাশয় নিজের শরীরে প্রতিস্থাপন করিয়ে, তা থেকে সন্তান জন্ম দিলেন।ল্যানসেট মেডিক্যাল জার্নালে এই প্রতিস্থাপনের বিস্তারিত খবর সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অফ সাও পাওলোর গবেষকদলের প্রধান দানি এজেনবার্গ জানিয়েছেন, ‘অঙ্গ দাতা মৃত ব্যক্তি হলে গোটা প্রক্রিয়ার ঝুঁকি অনেকটা কম হয়। পাশাপাশি গোটা প্রক্রিয়ার খরচ অনেকটা কমে যায়। কারণ, দাতা মৃত হওয়ায়, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা, তার দীর্ঘ অপারেশন করার ঝক্কি থাকে না। জীবিত দাতার ক্ষেত্রে কাজটা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।’ চিকিত্সকরা জানান, ৩৫ সপ্তাহ তিন দিন গর্ভধারণের পর সিজারের মাধ্যমে ওই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়েছে। জন্মের সময় বাচ্চাটির ওজন ছিল ২ কিলো ৫৫০ গ্রাম। কী ভাবে গোটা প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ ল্যানসেট জার্নালে লেখা হয়েছে। মস্তিষ্কের রক্তবাহ ফেটে মৃত্যু হয়েছিল ৪৫ বছর বয়সী এক মহিলার। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার অপারেশনের মধ্যে দিয়ে ওই মহিলার দেহ থেকে গর্ভাশয় বের করা হয়েছিল। তার গর্ভাশয়ের ওজন ছিল ২২৫ গ্রাম। দাতা ওই মহিলা ইতিপূর্বেই তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। যে ব্রাজিলীয় মহিলার দেহে ওই গর্ভাশয়টি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল তার বয়স ছিল ৩২ বছর। জন্ম থেকেই তার দেহে গর্ভাশয় ছিল না। দেহের এই খামতিকে চিকিত্সার ভাষায় বলা হয় ‘মেয়ার রকিটান্সকি কাস্টার হাউজার সিনড্রোম’। গর্ভাশয় প্রতিস্থাপনের প্রায় পাঁচ মাস পর গ্রহীতা মহিলার শরীরে অঙ্গ প্রত্যাখ্যান জনিত কোনও সমস্যা দেখা যায়নি। আলট্রা সাউন্ড স্ক্যানের রিপোর্টও ছিল স্বাভাবিক। এমনকি তার নিয়মিত ঋতুস্রাবও হচ্ছিল। এই লক্ষণগুলি দেখে চিকিত্সকরা কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন। তবে ওই ব্রাজিলীয় মহিলার গর্ভাশয় না থাকলেও ডিম্বাশয় ছিল। তাই তার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু সংগ্রহ করে ‘আইভিএফ’ বা ‘ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ পদ্ধতিতে প্রতিস্থাপিত গর্ভাশয়ে রোপন করা হয়েছিল ভ্রূণ। গর্ভাশয় প্রতিস্থাপনের সাত মাস দশ দিন পর এই ভ্রূণ রোপনের কাজটি হয়েছিল। এর আগে মৃত মহিলার গর্ভাশয় প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্ম দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আমেরিকা, চেক প্রজাতন্ত্র ও তুরস্কের চিকিত্সক-গবেষকরা। কিন্তু তারা সে কাজে সাফল্য পাননি। অবশেষে ব্রাজিলের সাও পাওলোর চিকিত্সকদের হাতে ধরা দিল সাফল্য। এর আগে প্রতিস্থাপিত গর্ভাশয় থেকে সন্তানের জন্ম হয়নি, তা নয়। কিন্তু সেই প্রতিস্থাপিত গর্ভাশয়ের দাতারা ছিলেন জীবিত। জীবিত মহিলার গর্ভাশয় প্রতিস্থাপন করে প্রথম সন্তানের জন্ম হয়েছিল সুইডেনে, ২০১৩ সালে। তখন থেকে মোট ৩৯ বার এই পদ্ধতিতে সন্তানের জন্ম দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের চিকিত্সক-বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সাফল্য পেয়েছেন মাত্র ১১ বার। সেদিক থেকে দেখলে, মৃত মহিলার গর্ভাশয় থেকে সন্তানের জন্ম দেওয়া আধুনিক চিকিত্সা বিদ্যার এক অভূতপূর্ব সাফল্য।  তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার   এমএইচ/

তথ্যপ্রমাণ উদঘাটন করতে চায় না ট্রাম্প প্রশাসন

সৌদির রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশেই হত্যা করা হয়েছে বলে মতামত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সিনেটররা। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) পরিচালক গিনা হাসপেলের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তারা। তারা জানান, জামাল খাশোগি হত্যায় সৌদি যুবজার মোহাম্মদ বিন সালমানের যুক্ত থাকার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। সিনেটর বব মেন্ডেজ বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আগে যে মতামত দিয়েছিলাম তা আরও ঘনীভূত হচ্ছে। খাশোগি হত্যায় সৌদি যুবরাজের সম্পৃক্ত না থাকার কোনো সুযোগ নেই।’ এর আগে ডেমোক্র্যাট দলের শীর্ষ এই নেতা খাশোগি হত্যার প্রতিবাদে ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরবকে সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই হত্যার নির্দেশনা সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের কাছ থেকে আসেনি মনে করলে, আপনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্ধ হয়ে থাকতে হবে। এই নির্দেশনা তার কাছ থেকেই এসেছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’ রিপাবলিকান এই সিনিটের আরও বলেন, ‘এখন মনে হচ্ছে এই হত্যায় সৌদি যুবরাজের জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ উদঘাটন করতে চায় না ট্রাম্প প্রশাসন।’ আরেক রিপাবলিকান সিনেটর বব করকার বলেন, ‘সৌদি যুবরাজের নির্দেশ ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে না।’ গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনসুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। নিখোঁজের পর সৌদি আরব বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল। পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে খাশোগি হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তবে হত্যার সঙ্গে সৌদি যুবরাজের সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন তারা।  তথ্যসূত্র: আল জাজিরা  এমএইচ/    

পর্ন তারকার কাছে মামলার খরচ চেয়ে শিরোনামে ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলতি বছরের শুরুতে মানহানির মামলা করেন পর্ন তারকা স্টোর্মি ড্যানিয়েলস। কিন্তু সম্প্রতি ওই মামলা আদালতে খারিজ হয়ে যায়।মামলা খারিজ হওয়ায় গত সোমবার স্টোর্মির কাছ থেকে ৩ লাখ ৩৪ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ট্রাম্পের আইনজীবীরা। লস এঞ্জেলসের একটি আদালত ট্রাম্পের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুণে তারা দাবি করেন,  ট্রাম্পের বিরুদ্ধে করা মামলা লড়ার খরচ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে স্টোর্মি ড্যানিয়েলসের আইনজীবীর কৌশল দায়ী। তাই সেজন্য এই অর্থ স্টোর্মিকেই পরিশোধ করতে হবে। স্টোর্মি ড্যানিয়েলসের দাবি ছিল ট্রাম্পের সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক ছিল।  ২০১১ সালে এ বিষয়ে নাকি মুখ না খুলতেও ট্রাম্পের পক্ষ থেকে তাকে হুমকিও দেওয়া হয়। এতে ট্রাম্প ক্ষুদ্ধ হয়ে ড্যানিয়েলসের বিরুদ্ধে টুইট করেন।এরফলে স্টোর্মি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানী মামলা করেন।তার যুক্তিছিল ট্রাম্প এ বছরের এপ্রিলে তাকে নিয়ে যে টুইট করেছেন তাতে তার অবমাননা হয়েছে। সম্প্রতি আদালত এ বিষয়ে রায় দেন যে, ‘ ট্রাম্পের এ টুইট মানহানীকর নয়, অতিয়োশক্তি ছিল।’ তাই আদালত স্টোর্মি ড্যানিয়েলসের করা মামলা খারিজ করে দেয়। তাই ট্রাম্পের আইনজীবীরা এখন ওই মামলায় খরচ হওয়া অর্থ ফেরত চান।’  এমএইচ/

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে চালু হলো বায়োমেট্রিক টার্মিনাল    

ডেল্টা এয়ার লাইন্স যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা হার্টসফিল্ড জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশটির প্রথম বায়োমেট্রিক ট্রর্মিনাল প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিশ্বে এই প্রথম কোন বিমানবন্দরে কার্ব-টু-গেট বায়োমেট্রিক টার্মিনাল চালু হলো। কর্তৃপক্ষ নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আরো উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। স্ক্রীনিংয়ের মাধ্যমে চেকিং পদ্ধতিতে যাত্রীরা আরও দ্রুত চলাচল করতে পারবেন। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার মাধ্যমে যাত্রীরা সহজেই বিমানবন্দরের চেক ইন পর্বটি শেষ করতে পারবেন। লাগেজের জন্য নির্ধারিত স্থানে ব্যাগ চেক করিয়ে নিতেও ঝামেলা পোহাতে হবে না। এই প্রযুক্তিতে শুধু নির্দিষ্ট স্ক্রীনের দিকে তাকালেই হবে। এটি আপনার শরীর খুব কম সময়ের মধ্যেই চেক করে ফেলতে পারবে। ডেল্টা পরিচালনা প্রধান কর্মকর্তা গিল ওয়েস্ট বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর আটলান্টা বিমানবন্দর। আমাদের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম বিমানবন্দরে প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলো। নবেম্বরের ২৯ তারিখ থেকেই বায়োমেট্রিক টার্মিনাল যাত্রা শুরু করেছে। তথ্যসূত্র: সিএনএন  এমএইচ/

প্রয়াত বুশের প্রতি ট্রাম্পের শ্রদ্ধা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সোমবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এই শ্রদ্ধা জানান তিনি। ট্রাম্প প্রয়াত বুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ওয়াশিংটনের সমাধিস্থলে সংক্ষিপ্ত সফরে যান। এদিকে আগামী বুধবার ওয়াশিংটন ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালে বুশের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। তাই এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছন ট্রাম্প। তিনি শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সোমবার এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের প্রতি সম্মান জানাতে বুশের পরিবারের পাশে থাকতে চাই।’ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ যেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম এই প্রেসিডেন্টের প্রতি সম্মান জানাতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। এজন্য লাশবাহী কফিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় পতাকায় মুড়ে রাখা হয়েছে। তথ্যসূত্র: এএফপি  এমএইচ/

ইসরাইলের সমালোচনা করায় চাকরি গেল সিএনএন এর ধারাভাষ্যকারের

জাতিসংঘে ইসরাইলের সমালোচনা করে ভাষণ দেওয়ায় সিএনএন-এর ধারাভাষ্যকার ও টেম্পল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মার্ক ল্যামন্ট হিল তার চাকরি হারিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী গণমাধ্যমের সাথে মার্কের কাজ করার যে চুক্তি ছিল তার বাতিল করে দিয়েছে গণমাধ্যমটি।  গত সপ্তাহে এই সিদ্ধান্ত নেয় সিএনএন।   জাতিসংঘে দেওয়া বক্তৃতায় ইসরাইলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের ওপর  তাদের দখল অব্যাহত রেখেছে এবং ইসরাইলকে যে অধিকার দেওয়া হয়েছে তার অপব্যবহার করছে দেশটি। এ সময় মার্ক ইসরাইলে চলমান আইন এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে তাদের বৈষম্যের সমালোচনা করেন। এদিকে সিএনএন-এর এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মার্ক তার সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এর ফলে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া গণমাধ্যমটির উচিত হয়নি। এটি তার বাক-স্বাধীনতা হরণের সামিল। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা  এমএইচ 

৪ বছরের শিশু বাঁচালো মায়ের প্রাণ

মায়ের কাছে শিশু সবথেকে নিরাপদ এটা আমরা সবাই জানি। তবে সম্প্রতি  যুক্তরাজ্যে এর  উল্টো একটা ঘটনা ঘটেছে। একটি শিশুর বুদ্ধিমত্তার কারণে বেঁচে গেছে তার মায়ের জীবন। শিশুটির বয়স চার বছর। ভালো করে কথাও ফোটেনি। এই বয়সেই বিশ্ব গণমাধ্যমগুলোর শিরোনামে আসছে ছোট্ট শিশুটি। মেয়েটির নাম কেইটলিন রাইট। যুক্তরাজ্যের ডোরসেট অঞ্চলের ছোট গ্রাম আসকার্সওয়েলে বসবাস করে কেইটলিন রাইট ও তার পরিবার। গত মাসের শুরুর দিকে কেইটলিনের মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যান। ঘটনার দিন কেইটলিন তার মা শার্লিনের সঙ্গে বাড়িতেই ছিল। এক পর্যায়ে মা শার্লিন ভীষণ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান।এমন ঘটনায় ঘাবড়ে যায়নি কেইটলিন। বরং সে স্থানীয় জরুরি নম্বরে ৯৯৯ এ ফোন করে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে নেয়। এতো ছোট বয়সে এমন বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়ায় কেইটলিনের প্রশংসা এখন সবার মুখে মুখে।এ ব্যাপারে স্থানীয় সাউথ ওয়েস্টার্ন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস- সোয়াস কর্তৃপক্ষ জানান, `এতোটুকু বয়সে এই মেয়েটি যে বিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে, সেটা তুলনাহীন। সে যেভাবে ফোনের অপর-প্রান্তে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছে, তার মায়ের অবস্থা ব্যাখ্যা করেছে সেটা আশ্চর্য হওয়ার মতোই। পরে প্যারামেডিক্সরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শার্লিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।এরইমধ্যে ওই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটি শিশুটির সঙ্গে তাদের টেলিফোনের কথোপকথনের অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেছে। সেখানে কেইটলিনকে বলতে শোনা যায়, `মা অজ্ঞান হয়ে পড়েছে এবং তার দেখাশোনা করা প্রয়োজন।অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটির মুখপাত্র জানান, চার বছরের শিশু আমাদের ফোন করে তার উপস্থিত বুদ্ধি, প্রজ্ঞা আর ভীষণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। এ ব্যাপারে শার্লিন রাইট তার মেয়ে কেইটলিনকে `লিটল গার্ডিয়ান এঞ্জেল` বা `ক্ষুদে রক্ষাকারী পরী` হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, `সেই দিনের কথা আমার এতোটুকুই মনে আছে যে, কেইটলিনের বাবা কেইটলিনকে বাসায় নিয়ে এসেছেন আর আমার কাছে জানতে চেয়েছেন বাজার করার প্রয়োজন আছে কি-না। তারপর কেইটলিনের বাবা চলে গেলেন। পরে শুধু এটাই মনে আছে যে একজন প্যারামেডিক আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।শার্লিন রাইট প্রায়ই এভাবে অসুস্থ হয়ে হাত পা কাঁপিয়ে অজ্ঞান হয়ে যান। এ কারণে তার এমন পরিস্থিতির বিষয়ে আশেপাশের মানুষ বেশ সচেতন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, `আমি প্রায় দিনই এভাবে অজ্ঞান হয়ে যাই। আমার তিন সন্তানই জানে যে সে সময়ে ঠিক কি করতে হবে। আমরা তাদের সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে শিখিয়ে-পড়িয়ে রেখেছি। শার্লিন রাইট আরও বলেন,`আমার প্রথম চিন্তা এটাই ছিল যে, আমি আমার তিন সন্তানের সাথেই নিরাপদ। এটি সম্ভবত বিশ্বের সেরা অনুভূতিগুলির মধ্যে একটি।তিনি বলেন,`আপনি যদি অসুস্থ বা বিপর্যস্ত থাকেন, দুর্বল হন বা শারীরিক পরিস্থিতি ভাল না হয়, তাহলে এ বিষয়টা খুবই ভীতিকর। কিন্তু আমি জানি যে আমার এই ছোট মেয়েটাও আমার জীবন বাঁচাতে পারে। সে আমাকে সেদিন বাঁচিয়েছে, আসলে এমন অনেক কিছুই ঘটতে পারতো যখন সেখানে কেউ ছিল না। কেইটলিনের বাবা সায়মন রাইট এ বিষয়ে বলেন, `আমরা কেইটলিনকে এটুকুই শিখিয়েছি যে, টেলিফোনের একটি ছোট বোতাম তিনবার চেপে এবং এরপর একটি সবুজ বোতাম চেপে, কীভাবে সাহায্য চাইতে হয়। এই ছোট শিক্ষাটাই আজ শার্লিনকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে এনেছে। যদি কেইটলিন এমনটা না করতো, তাহলে তো আমাদের আজকে এভাবে একসঙ্গে বসে থাকা সম্ভব হতো না। এটা সত্যিই বিস্ময়কর।কেইটলিনের সেই জরুরি ফোন কলটির জবাব দিয়েছিলেন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের কর্মকর্তা জেস হডকিনসন। তিনি জানান, ঘটনার দিন তিনি এই ছোট্ট শিশুর বুদ্ধিমত্তা দেখে অভিভূত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, `কেইটলিনের সেই বাচ্চা কণ্ঠের আধো আধো বোল শুনে আমি প্রথমে খুব অবাক হয়েছিলাম। তাই শুনেই বুঝেছি যে, একটি ছোট শিশু ফোন দিয়েছে। তবে কেইটলিন ছিল ভীষণ সাহসী। সে আমার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর স্পষ্টভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দিয়েছে এবং সে জানত যে জরুরি অবস্থায় কী করতে হয়। কেইটলিনের এমন কাজের জন্য তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশংসা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর ব্রিস্টলের বাছে সোয়াসের ৯৯৯ কন্ট্রোল সেন্টারে ঘুরতে যায় কেইটলিন। সূত্র: বিবিসি   টিআর/

যুক্তরাষ্ট্রে জামাল খাশোগির নামে সড়ক তৈরির প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি দূতাবাসের পাশের সড়কের নাম পরিবর্তন করে ‘জামাল খাশোগি সড়ক’ নামে নাম করণ করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। নিহত সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে সম্মান দেখাতেই সড়কের নামের পরিবর্তনে ভোট দিয়েছেন তারা। সিটি কাউন্সিলের অনুমতি পেলে অ্যাডভাইজরি কমিশন জামাল খাশোগি সড়ক হিসেবে এটির নামকরণ করবে। এ ধরনের হত্যা যে একেবারে অগ্রহণযোগ্য সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের তা স্মরণ করিয়ে দিতে আমরা সড়কটি নাম পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছি। সড়কের নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত পিটিশনে এ কথা বলা হয়েছে।   গত ২ অক্টোবর ইস্তামবুলে সৌদি কনস্যুলেটে বিয়ের কাগজপত্র আনতে গিয়ে হত্যার শিকার হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক চাপের মুখে পড়েন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তথ্যসূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান  এমএইচ/

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি