ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩৪:২৪

খাশোগি হত্যার বিষয়টি মেনে নিলেন ট্রাম্প

খাশোগি হত্যার বিষয়টি মেনে নিলেন ট্রাম্প

সৌদি সরকার বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি প্রথমবারের মতো মেনে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, যারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদেরকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানই যে এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ জারি করেছেন সে কথা সরাসরি মেনে নেননি তিনি। ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরবের জড়িত থাকার যে অভিযোগ উঠেছে তা তার প্রশাসনের পররাষ্ট্র নীতির জন্য একটি মারাত্মক সংকট তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারী সাংবাদিক খাশোগি গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করার পর আর বের হননি। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের রোষানল থেকে বাঁচতে গত বছর জামাল খাশোগি মাতৃভূমি ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি উগ্র যুবরাজ বিন সালমানের হাত থেকে রক্ষা পাননি। মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট সেদেশেরই গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, বিন সালমানের সরাসরি নির্দেশে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা খাশোগিকে হত্যা করেছে। এর আগে সৌদি আরবের সঙ্গে হাজার হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্যের কথা বিবেচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েকদিন ধরে খাশোগি হত্যার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসল সত্য দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তা মেনে নিতে বাধ্য হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/
সংসার ভাঙার জন্য দায়ী হয়ে রইল গুগল ম্যাপ

ভিড় এড়িয়ে ফাঁকা রাস্তা খুঁজে বের করতে কিংবা অচেনা পথ চিনে নিতে গুগল ম্যাপের জুড়ি মেলা ভার। এক কথায় গুগল ম্যাপে উপকৃত হন স্মার্টফোন ইউজাররাই। কিন্তু এই ম্যাপের কারণেই চূড়ান্ত বিপাকে পড়তে হল এক নারীকে। এই অ্যাপের চক্করে বিবাহ বিচ্ছেদই হয়ে গেল তার। এই নেভিগেশন অ্যাপ ব্যবহার করেই এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে পরকীয়া করার সময় হাতে-নাতে পাকড়াও করলেন। তাহলে একটু খোলসে করে বলা যাক। ঘটনা পেরুর। এক ব্যক্তি গুগল ম্যাপে সার্চ করছিলেন কিভাবে লিমার একটি জনপ্রিয় ব্রিজে কম সময়ে পৌঁছে যাওয়া যায়। ম্যাপে তার সামনে ভেসে ওঠে বেশ কয়েকটি রাস্তা। শুধু তো রুট নয়, এই ম্যাপে সে সব পথঘাটের নানা ছবিও দেখে নেওয়া যায়। রাস্তা খুঁজতে গিয়ে তেমনই একটি ছবিতে গিয়ে চোখ আটকে যায় ব্যক্তির। ছবিতে এক ব্যক্তিকে নীল জিনস এবং সাদা টি-শার্ট পরে রাস্তার ধারের একটি বেঞ্চে শুয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তবে সে একা নয়। সাদা-কালো পোশাক পরা এক নারীর কোলে মাথা রেখে শুয়েছিল সে। ছবিটি দেখেই ব্যক্তি চিনে ফেলেন ছবির নারীকে। জুম ইন করে দেখেন সেই নারী আর কেউ নন, তারই স্ত্রী। স্ত্রীর পরকীয়ার কথা জানতে পেরেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন ব্যক্তি। আর এভাবেই সংসার ভাঙার জন্য দায়ী হয়ে রইল গুগল ম্যাপ। বিচ্ছেদের পর নিজেই স্ত্রীর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ওই ব্যক্তি। তাই সাবধান! পরকীয়ায় আসক্ত হলে নিজেকে অন্তত গুগল ম্যাপ থেকে দূরে রাখুন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

মেলানিয়ার নগ্ন ভিডিও ফাঁস!

সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এক মিনিটের এমন একটি মিউজিক ভিডিও, যা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে গেছে। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে চলছে তুমুল সমালোচনা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি টেবিলের ওপর দাঁড়িয়ে নগ্ন হয়ে নাচছেন মেলানিয়া। তার সামনে চেয়ারে বসে সেই নাচ উপভোগ করছেন কানাডার জনপ্রিয় র‌্যাম্প সঙ্গীতশিল্পী টিআই। আসলে ওই ভিডিওতে নাচের অভিনয়ে যিনি আছেন তিনি কাডানার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী মেলানিয়া মারডেন। কিন্তু মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের পোশাকের মতো পোশাক পড়েছেন তিনি। আর এমন পোশাক ব্যবহার করায় এ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হেলিকপ্টারে করে হোয়াইট হাউসের বাইরে যাচ্ছেন ট্রাম্প। ঘরের ভেতর থেকে সেই দৃশ্য দেখছেন টিআই। এর পর হেলিকপ্টারটি চলে গেলে প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসে পড়েন টিআই। কিছুক্ষণ পরই অর্ধনগ্ন হয়ে নাচতে নাচতে কক্ষটিতে হাজির হন সেই মডেল। আর একটু পরেই শরীরে থাকা একমাত্র পোশাকটি খুলে ফেলেন তিনি। ভিডিওটির খবর মেলানিয়া ট্রাম্পও জেনেছেন। তার মুখপাত্র একে ন্যক্কারজনক বলে অভিহিত করেছেন। একে//

স্ত্রীকে বৃষ্টিতে রেখে নিজের মাথায় ছাতা ধরলেন ট্রাম্প

ফের ঘরের খবর ফাঁস করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অঝর ধারার বৃষ্টিতে স্ত্রীকে ভিজিয়ে ছাতাটা ধরলেন নিজের মাথায়। এমন আচরণে তার আত্মকেন্দ্রীক মন-মানুষিকতাকে বুঝে নিল সমালোচকেরা। গত সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য পরিদর্শনে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে সেখানে যাওয়ার উদ্দেশে হোয়াইট হাউস থেকে যখন বের হন, বেশ বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টি দেখে একটা ঢাউস আকারের ছাতা নিয়ে বের হন ট্রাম্প। মূলত হোয়াইট হাউসের বাইরে অপেক্ষায় থাকা টিভি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় স্ত্রী মেলানিয়া এসে তার সঙ্গে যোগ দেন। কিন্তু ট্রাম্পের সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই।নিজের মাথার ওপর ছাতা ধরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন তিনি। মেলানিয়া ভিজতে থাকেন বৃষ্টিতে। ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এই আচরণে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে টুইটারে। একজন টুইট করেন, ‘বৃষ্টিতে কেবল নিজের মাথার ওপর বিশাল আকারের ছাতা ধরে থাকলেন ট্রাম্প। পাশে থাকা স্ত্রী ভিজছিলেন, এ দৃশ্য অনেক কিছুই বলে দেয়।’ আরেক ব্যক্তি টুইট করেন, ‘কেন কেউ এটা বলছে না যে, টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য ট্রাম্প বৃষ্টির মধ্যে তার স্ত্রীকে ফেলে একা ছাতা মাথায় দিয়ে হাঁটছিলেন।’ তবে মেলানিয়াকে এর আগেও বৃষ্টির মাঝে ফেলে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত জানুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসির ওয়েস্ট পাম বিচ বিমানবন্দরে এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় ঝড়বৃষ্টির মধ্যে স্ত্রী–সন্তানকে ফেলে ছাতা হাতে একাই এগিয়ে যান ট্রাম্প। ওই সময়ও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় ট্রাম্প-মেলানিয়া সম্পর্ক যে সুবিধের নয় তা বোঝা গেছে দুজনের আচরণেই। আরকে//

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মির মানহানি মামলা খারিজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পর্ন তারকা স্টর্মি ডেনিয়েলসের করা একটি মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন মার্কিন আদালত। স্থানীয় সময় সোমবার লস অ্যাঞ্জেলসের ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জেমস ওটেরো মামলাটি খারিজ করে দেন। তবে রায়ের বিরুদ্ধে স্টর্মির আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মাইকেল অ্যাভেনাত্তি। ট্রাম্পের সঙ্গে স্টর্মির যৌন সম্পর্ক এবং মুখ বন্ধের জন্যে অর্থ প্রদানের বিষয়ে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। স্টর্মির দাবি, ২০০৬ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। পরে মুখ বন্ধের জন্যে অর্থও প্রদান করা হয় তাকে। এমনকি যৌনতা করে ট্রাম্প স্টর্মিকে তাঁর মেয়ের সেঙ্গ তুলনা করেন। যদিও বরাবরই যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন ট্রাম্প। মামলার পটভূমি রচিত হয়ে এক অজানা ব্যক্তিকে নিয়ে। স্টিফানির বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয় নিয়ে ২০১১ সালে একটি ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। এ কারণে তাকে হুমকি দিয়েছিলেন অজ্ঞাত ব্যক্তি। এ বিষয়ে ‘চুপ থাকতে’ বলেছিলেন তিনি। ট্রাম্পকে নিয়ে এসব তথ্য ছড়াতে থাকলে কপালে খারাবি আছে বলে হুমকিও দিয়েছিলেন। সেই হুমকি প্রদানকারী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে স্টর্মির সঙ্গে কাজ শুরু করেন এক ফরেনসিক শিল্পী। এতেও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ট্রাম্প। তিনি টুইটারে জানান, অস্তিত্বই নেই এমন একজনের স্কেচ এত বছর পর আঁকা। এটা পুরোপুরি প্রতারণা। ট্রাম্পের এমন মন্তব্য স্টর্মির জন্যে মানহানিকর বলেই মনে করেছেন অভিনেত্রী। এ কারণে ট্রাম্পের  বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন তিনি। এ মামলার রায়ে বিচারক ওটেরো বলেন, মার্কিন রাজনীতি এবং সাধারণের পরিমণ্ডলে এ ধরনের পাল্টা কথা ছুঁড়ে দেওয়া প্রচলিত। প্রথম সংশোধনী এ ধরনের পাল্টা মন্তব্যকে সুরক্ষা দিয়ে আসছে। মানহানির মামলা খারিজ হলেও ট্রাম্প ও তার সাবেক আইনজীবী মাইকেল কোহেনের বিরুদ্ধে স্টিফানির করা অন্য মামলায় এর কোনো প্রভাব পড়বে না বলেও টুইটারে জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: এনবিসি নিউজ। / এআর /

খাশোগি নিখোঁজ: সৌদিকে নির্দোষ ঘোষণা ট্রাম্পের

সৌদি আরবের রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির নিখোঁজ হওয়ার পেছনে ‘খুনি দুর্বৃত্তদের’ হাত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার সৌদি রাজা সালমানের সঙ্গে এক টেলিফোনালাপের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে খাশোগির সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ডের দায় থেকে সৌদি রাজাকে মুক্ত করে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তারা বলছেন, রিয়াদের কাছে হাজার হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে ট্রাম্প এ কৌশলের আশ্রয় নিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, রাজা সালমানের মস্তিষ্কে অনুপ্রবেশ করা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না কিন্তু তার সঙ্গে আলাপ করে তিনি বুঝতে পেরেছেন ‘দুর্বৃত্ত হত্যাকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা শিগগিরই এ ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে ফেলব, তবে রাজা সালমান এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি দৃঢ় ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন।’ ট্রাম্প এমন সময় সৌদি আরবের পক্ষে অবস্থান নিলেন যখন এর দু’দিন আগে শুক্রবার তিনি রিয়াদকে সতর্ক করে বলেছিলেন, খাশোগির নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পেছনে সৌদি ক্ষমতাসীনদের হাত থাকলে তাদেরকে ‘চরম পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। অবশ্য একইসঙ্গে ট্রাম্প একথাও বলেছিলেন, রিয়াদের কাছে হাজার হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি বাতিল করার ইচ্ছে তার নেই। কারণ আমেরিকা ‘নিজেই নিজেকে শাস্তি দিতে পারে না।’ উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে জামাল খাশোগি নিখোঁজ রয়েছেন। তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের কাছে থাকা তথ্যপ্রমাণের ওপর ভিত্তি করে বলেছে, সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর খাশোগিকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয় এবং পরে তার লাশ টুকরা টুকরা করে গোপনে ওই কূটনৈতিক মিশন থেকে বাইরে নেওয়া হয়। সূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/একে/

বিতর্ক সত্ত্বেও নিজেকে প্রেসিডেন্ট ভাবতেই ভালো লাগে: ট্রাম্প 

রাজনৈতিক বিতর্ক বা বাক-বিতন্ডা সত্ত্বেও নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ভাবতে আমার ভালো লাগে। রোববার প্রকাশিত সিবিএস টেলিভিশনের নিউজের ‘সিক্সটি মিনিটস’অনুষ্ঠানের এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা বলেন।    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে থাকাটা তার জন্য আরামদায়ক, যদিও রাজনৈতিক কিছু ঝামেলার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে। তাকে এ সময় অভিবাসন, শুল্ক, মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং সর্বোচ্চ আদালতে তার মনোনীত প্রার্থী ব্রেট কাভানাকে নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এটা ভাবতেই আমার ভালো লাগে। এমনটা আসলে সবার ক্ষেত্রেই মনে হতে পারে।    তিনি বলেন, বন্ধুরা আমাকে ডোনাল্ড নামে না ডেকে প্রেসিডেন্ট নামে ডাকে। আমি তাদেরকে বলি তোরা কি আমাকে ছেড়ে দিবি না?  আমি এখান থেকে শিখছি।  এসময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ অভিবাসীদের সম্পর্কে বলেন, দেখুন আমরা যদি অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে জায়গা দেই তখন কি হতে পারে একটু কি ভেবে দেখেছেন। তারা আমাদের দেশে আসলে সমস্যা কমবে না বরং বৃদ্ধি পাবে।   ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কারণে জুনে প্রায় ২ হাজার পাঁচশ এর মতো সন্তান ও পিতামাতা পৃথক হয়েছেন। এদিকে সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া ট্রাম্প কর্তৃক মনোনীত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ব্রেট কাভানাকে নিয়েও সাক্ষাৎকারে কথা বলেন। তথ্যসূত্র: রয়টার্স এমএইচ/এসি    

পুতিন গুপ্ত হত্যায় জড়িত: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গুপ্ত হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। রোববার প্রকাশিত সিবিএস টেলিভিশনের নিউজের ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানের মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। তবে এটা এখনো পরিস্কার নয় যে ট্রাম্প আসলে পুতিনকে কোন গুপ্ত হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার ব্যপারে সন্দেহ করেছেন। ট্রাম্প সাক্ষাৎকারে বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদেমির পুতিন গুপ্ত হত্যা এবং বিদ্বেষ ছড়ানোর সাথে জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশ এই ধরণের কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।  এই সাক্ষাৎকারে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া এবং চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। এছাড়াও নিজের প্রেসিডেন্সি নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প।  ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার কোনো হস্তক্ষেপ ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, দেখুন আমি এ বিষয়ে চিন্তা করি না। কিন্তু আমি মনে করি চীন আমাদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে। এসময় ট্রাম্প চীনকে বড় সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।  নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, রাজনৈতিক বিতর্ক বা বাক-বিতন্ডা সত্ত্বেও নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ভাবতে আমার ভালো লাগে। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে থাকাটা তার জন্য আরামদায়ক, যদিও রাজনৈতিক কিছু ঝামেলার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে। তাকে এ সময় অভিবাসন, শুল্ক, মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং সর্বোচ্চ আদালতে তার মনোনীত প্রার্থী ব্রেট কাভানাকে নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়েছে। সূত্র: সিএনএন এমএইচ/

‘ইভাঙ্কাকেই জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত চান ট্রাম্প’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মেয়ে ইভাঙ্কা এবং জামাই জারেড কুশনারকে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। এর অংশ হিসেবে মেয়ে ইভাঙ্কাকেই জাতিসংঘের পররবর্তী রাষ্ট্রদূত বানাতে চান। ইরানের প্রেসটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভেটারান্স টুডে পত্রিকার সিনিয়র সম্পাদক গর্ডন ডাফ।  গত মঙ্গলবার বর্তমান রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপর দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইভাঙ্কা জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূতের পদের জন্য শ্রদ্ধার পাত্র হবেন না। এছাড়া, আমাকেও স্বজনপ্রীতির জন্য অভিযুক্ত করা হবে। তবে একথা ঠিক যে, বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে ইভাঙ্কা এ পদের জন্য বেশি যোগ্য।’ এদিকে নিকি হ্যালির পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এ প্রসঙ্গে গর্ডন ডাফ বলেন, নিকি হ্যালি মূলত জাতিসংঘে নানা বক্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে হাসির খোরাকে পরিণত করেছেন এবং জাতিসংঘে হ্যালি ছিলেন সবার ঘৃণার ব্যক্তি। এ অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তার মেয়ে ইভাঙ্কা এবং জামাই জারেড কুশনারকে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ব্যর্থ নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন। তবে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কিছু হবে না। বরং নির্বাচন শেষ হলে ট্রাম্প তার মেয়েকে জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেবেন। সূত্র : পার্সটুডে এমএইচ/

খাশোগি হত্যায় সৌদি আরব জড়িত থাকলে ব্যবস্থা: ট্রাম্প

যদি প্রমাণ হয় যে, ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে সৌদি আরব হত্যা করেছে তাহলে দেশটিকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসর  ‘সিক্সটি মিনিট’অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। তার এ বক্তব্য আজ  রোববার সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবকে শাস্তি দেওয়ার কথা বললেও জামাল খাশোগির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সৌদি সরকারকে দোষারুপ করা থেকে বিরত থাকেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা জানি না খশোগিকে হত্যা করা হয়েছে কিনা তবে পরিস্থিতি খুব শক্তভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’ এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, খাশোগির সন্দেহভাজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে হাজার হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি বাতিল করতে চান না। উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে সৌদি কন্স্যুলেটে বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন খোশোগি। তুরস্ক সরকার বলেছে, খশোগিকে কন্স্যুলেট ভবনের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তাদের কাছে রেকর্ড আছে। বলা হচ্ছে- এ হত্যাকাণ্ড সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের নির্দেশে সংঘটিত হয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি