ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:০৪:৩৪

হেরে এটিপি ফাইনাল থেকে বিদায় ফেদেরারের

হেরে এটিপি ফাইনাল থেকে বিদায় ফেদেরারের

এ যাত্রায় রজার ফেদেরারের আর ১০০ ট্রফি জেতা হল না। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিলেন রজার। কিন্তু সেমিফাইনালে আলেকজান্ডার জারেভের কাছে ৭-৫, ৭-৬ (৭/৫)এ হেরে এটিপি ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেন রজার ফেতেরার। ফাইনালে জারেভকে খেলতে হবে নোভাক জকোভিচ অথবা কেভিন অ্যান্ডারসনের সঙ্গে। এই দু’জন মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে। ২১ বছরের আলেকজান্ডার অভিজ্ঞদের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মের পথ প্রদর্শক হয়ে উঠতে পারেন। তার জীবনের সেরা টাইটেল থেকে তিনি এখন এক ম্যাচ দূরে দাঁড়িয়ে। লন্ডনের ওটু এরিনায় প্রথম সেট টিকে থাকল সার্ভের উপর। জারেভের গতির কাছে হার মানলেন রজার ফেডেরার। জাভেরেভের কাছ থেতে যে বলগুলো ফেরৎ আসছিল তার গতি ছিল ঘণ্টা ২২৫ কিলোমিটারের গতিতে। তবে দু`জনকেই লড়তে দেখা গেল শেষ পর্যন্ত। প্রথম সেটে ১২তম গেমেই ভুল করে বসলেন সুইস তারকা। জাভেরেভের কাছে একাধিকবার নতি শিকার করতে হল। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বাছাইয়ের মধ্যে ম্যাচে দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে কিছুটা সফলও হচ্ছিলেন রজার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হল না। কিন্তু ২০ বারের গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী ধরে রাখতে পারলেন না। জারেভ ২-২ করে ফেললেন। দ্বিতীয় গেম টাইব্রেকে চলে যায়। জারেভের দখলে রয়েছে তিনটি মাস্টার্স টাইটেল। ২০০৯ এ জুয়ান মার্টিন দেল পোতোর্র পর তিনিই সর্ব কনিষ্ঠ ফাইনালিস্ট এই টুর্নামেন্টের। জকোভিচ অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার কেভিন অ্যান্ডারসনের। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/
চেনা ছন্দে ফিরলেন ফেডেরার

এটিপি ফাইনালসে প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্বপ্ন ঝেড়ে ফেললেন রজার ফেডারার। লন্ডনে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে সুইস মহাতারকা কার্যত উড়িয়ে দিলেন অস্ট্রিয়ার তারকা দমিনিক থিমকে। ফেডেরার জিতলেন ৬-২, ৬-৩ সেটে। এই প্রতিযোগিতায় ছ’বারের চ্যাম্পিয়ন রজার প্রথম ম্যাচেই হেরে যান জাপানের কেই নিশিকোরির কাছে। যে ম্যাচে অবিশ্বাস্যভাবে বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর তারকা মোট ৩৪টি ভুল শট মেরেছিলেন! দ্বিতীয় ম্যাচে থিমের বিরুদ্ধে তিনি কিন্তু কার্যত নিখুঁত টেনিস খেললেন। স্বভাবতই এই প্রতিযোগিতায় ফাইনালে খেলার সম্ভাবনাও জিইয়ে রাখলেন। উল্লেখ্য অতীতেও একবার তিনি এটিপি ফাইনালসে প্রথম ম্যাচে হেরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। শুক্রবার গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে ফেডেরার খেলবেন কেভিন অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে। যিনি নিশিকোরিকে ৬-০, ৬-১ হারিয়ে চমকে দিয়েছেন। এ দিকে, থিমকে হারিয়ে ফেডেরার বলেছেন, ‘ম্যাচটা জিতে অন্য রকম আনন্দ হচ্ছে। আসলে প্রথম ম্যাচটায় অত ভুল করার পরে নিজেরই খুব খারাপ লেগেছিল। আজ ম্যাচের আগে তাই নিজেকে বলেছিলাম, ভুল করে প্রতিপক্ষকে পয়েন্ট দেওয়া চলবে না। চেষ্টাও করেছি নিজের ভাবনা অনুযায়ী টেনিসটা খেলার।’ তার আরও কথা, ‘আজ শুধু ভুল কম করেছি এমন নয়। প্রথম থেকেই ম্যাচে ইতিবাচক খেলা খেলেছি। এমনিতে লন্ডন শহরটা আমার খুবই প্রিয়। প্রিয় এখানকার দর্শকেরাও। ওদের সামনে সব সময়ই আমি জিততে চাই।’ ফেডেরার পরের প্রতিপক্ষ অ্যান্ডারসন কিন্তু গ্রুপে নিজের দু’টি ম্যাচই জিতে বেশ সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন। আর ফেডেরার, নিশিকোরি একটা করে জিতেছেন ও হেরেছেন। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে লড়াইটা বেশ কঠিন মেনে নিয়েছেন সুইস তারকা। তার কথা, ‘ওকে হারানো কখনওই সহজ নয়। বিশেষ করে ইন্ডোরে কেভিন দুরন্ত টেনিস খেলে। তার উপর এখানকার কোর্ট একটু মন্থর বলে আমার মানিয়ে নিতে সামান্য হলেও অসুবিধা হচ্ছে। এমনিতে উইম্বলডনের পরে আবার কেভিনের সঙ্গে খেলব ভেবে ভাল লাগছে। যদিও নিজেও জানি যে, এ বার আমার কাজটা সহজ নয়।’     সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মৌসুমের শেষ ট্রফির লক্ষ্যে রজার

টেনিস মৌসুমের শেষ প্রতিযোগিতা এটিপি ফাইনালস আজ রোববার থেকে লন্ডনের ও-টু স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে। বিশ্বের সেরা আট তারকা খেলবেন দু’টি গ্রুপে। একটি গ্রুপ গুগা কুয়ের্তেনের নামে। অন্যটি গ্রুপ লেটন হিউইটের। দু’টি গ্রুপ থেকে সেরা দুই তারকা খেলবেন সেমিফাইনালে। ‘কুয়ের্তেন’ গ্রুপে আছে নোভাক জোকোভিচ, মারিন চিলিচ, আলেকজান্ডার জেরেভ ও জন ইসনার। ‘হিউইট’ গ্রুপে লড়াইটা রজার ফেডেরার, কেভিন অ্যান্ডারসন, দমিনিক থিম ও কেই নিশিকোরির। ‘কুয়ের্তেন’ গ্রুপে লড়াইটা একপেশে হবে বলেই ধরে নিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। তারা এগিয়ে রাখছেন জোকোভিচকে। পাশাপাশি ফেডেরারদের গ্রুপে কাউকেই এগিয়ে রাখছেন না কেউ। ফেডেরার অবশ্য জানিয়েছেন, তার লক্ষ্য মৌসুমের শেষ ট্রফি জেতা।  সূত্র: আনন্দবাজার একে         

ফাইনালে রুশ তরুণের কাছে জোকোভিচের হার

টেনিস মৌসুমের প্রায় শেষ দিকে এসে বড় অঘটন ঘটালেন কারেন খেচানভ। রোববার প্যারিস মাস্টার্সের ফাইনালে এই রুশ তরুণ হারিয়ে দিলেন নোভাক জোকোভিচকে। খেলার ফল ৭-৫, ৬-৪। অথচ আজ সোমবারই দীর্ঘদিন পরে এটিপি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে ফিরবেন সার্বিয়ান মহাতারকা। আর গত শনিবারই তিনি সেমিফাইনালে রজার ফেডেরারকে হারিয়ে এখানে খেললেন। শুধু তাই নয় বাইশ বছরের এই রুশ তরুণ থামিয়ে দিলেন ট্যুরে নোভাকের তিন মাস ধরে টানা ম্যাচ জিতে যাওয়ার নজির। স্বভাবতই র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে ফেরার আগে প্যারিসে জিতে উৎসব করা হল না জোকোভিচের। এখানে এবার জিতলে তিনি প্যারিসে পাঁচবার জিতে রেকর্ড করতেন। সেখানে এক ঘণ্টা ৩৭ মিনিট লড়ে হেরেই গেলেন শেষ পর্যন্ত। তবে এই ফাইনালে জোকোভিচকে বেশ ক্লান্ত দেখিয়েছে। বোঝা যাচ্ছিল, বছরের শেষে এসে পর পর ম্যাচ খেলে যাওয়ার ধকল আর তিনি নিতে পারছেন না। অন্তত রোববার প্যারিসের এই ম্যাচটার ক্ষেত্রে সে রকমই মনে হয়েছে। সেমিফাইনালে জিতে জোকোভিচ বলেছিলেন, ‘আমার কেরিয়ারের রজারের বিরুদ্ধে অন্যতম সেরা লড়াই।’ আর ফাইনালে অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে তাকে বলতে শোনা গেল, ‘কিছু করার নেই। কখনও কখনও এ রকম হয়ই। তবে কারেন কিন্তু দারুণ খেলেছে। ও এতটা ভাল খেলবে সত্যিই ভাবতে পারিনি। ওকে অভিনন্দন।’ পুরস্কার দেওয়ার অনুষ্ঠানে জোকোভিচ অবশ্য স্বীকার করে নেন তিনি পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন না ফাইনালে। তবে তার অসুস্থতা নিয়ে বিশদে কিছু বলতে রাজি হননি। তাতে তরুণ প্রতিদ্বন্দ্বীর কৃতিত্ব খাটো করা হবে বলে মনে করেন জোকোভিচ। ‘আমি নিজেকে নিয়ে নয়, এই সপ্তাহে কী রকম দুরন্ত খেলল ও (খেচানভ) সে নিয়ে কথা বলতে চাই। আমার মনে হয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের টেনিসে ও যে রকম খেলছে, ভবিষ্যতে আমরা ওর থেকে আরও দুরন্ত সব পারফরম্যান্স পাব।’ তবে এই ম্যাচে হারলেও তা নিয়ে ভাবছেন না জোকোভিচ। বরং টানা কুড়িরও বেশি ম্যাচ জেতার আত্মবিশ্বাস নিয়ে এবার নামতে চান আসন্ন এটিপি ফাইনালসে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ছেলেসহ সানিয়া মির্জার ছবি ভাইরাল

ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা শোয়েব মালিকের ঘরে এসেছে নতুন অতিথি। নতুন এই অতিথির নাম রাখা হয়েছে ইজহান মির্জা মালিক। গত মঙ্গলবার  শোয়েব মালিক এক টুইটার বার্তায় ছেলের জনক হওয়ার কথা জানান। এদিকে সম্প্রতি পুত্র সন্তানকে কোলে নিয়ে সানিয়া মির্জা ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন। পোস্ট করার পর পরই অনেকেই সানিয়া মির্জাকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন। এ সময় সানিয়ার পোস্টে অনেকেই মাসহ সন্তানের সু-স্বাস্থ্য কামনা করেন। এই ছবি যথারীতি ভাইরাল হয়ে যায়। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে শোয়েব মালিক সামাসাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সানিয়া মির্জার মা হওয়ার কথা ঘোষণা দেন। তাদের বিবাহ হয়েছিল ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে।     তথ্যসূত্র: জি নিউজ   এমএইচ/

পুত্র সন্তানের বাবা-মা হলেন শোয়েব-সানিয়া

ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা শোয়েব মালিকের ঘরে এসেছে নতুন অতিথি। আজ মঙ্গলবার সকালে পুত্র সন্তানের জন্মদিলেন সানিয়া মির্জা। ব্যক্তিগত টুইটার অ্যাকাউন্টে এই সুখবর জানালেন শোয়েব। এরপর থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তারকা দম্পতি। টুইটে শোয়েব বলেন, ‘ভীষণ আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে : আমাদের ছেলে হয়েছে। আমার বালিকা (সানিয়া) ভালো আছে। বরাবরের মতোই সে সুস্থ #আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের জন্য শুভকামনা ও দোয়া করায় সবাইকে ধন্যবাদ, আমরা কৃতজ্ঞ’। উল্লেখ্য, সানিয়া-শোযেব ২০১০ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই বছরের এপ্রিলেই সানিয়ার সন্তানসম্ভবা হওয়ার সংবাদটি প্রকাশ্যে আসে। সূত্র : আনন্দবাজর এসএ/

সানিয়ার ইন্টারনেট যুদ্ধ শেষে এবার আসরে নামলেন শোয়েব

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা কি ইতিমধ্যেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন? হঠাৎই এমন গুজবে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। শেষ পর্যন্ত সেই গুজব খণ্ডনে আসরে নামতে হল শোয়েব মালিককে। তিনি টুইট করলেন, `আমরা সঠিকভাবে সবাইকে জানাব যখন আমাদের সন্তান ভূমিষ্ঠ হবে। অনুগ্রহ করে আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন। প্লিজ ইন্টারনেটে যা দেখবেন/পড়বেন তা মোটেই বিশ্বাস করবেন না।` ঘটনা হল, কিছুদিনের মধ্যেই শোয়েব-সানিয়ার নতুন সন্তান আসতে চলেছে। আসন্নপ্রসবা সানিয়াকে গত কয়েকমাস ধরেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিক ছবি পোস্ট করতে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই সানিয়াকে দেখা গেছে সেই সব পোস্ট করা ছবিতে। এর মধ্যেই হঠাৎ চলতি সপ্তাহে গুজব ছড়িয়ে পড়ে সানিয়া ইতিমধ্যেই ফুটফুটে পুত্রসন্তান প্রসব করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিসহ শুভেচ্ছাবার্তাও ভেসে আসে। সানিয়া নিজেও এমন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে যারপরনাই বিরক্ত হন। তিনি সটান নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে লিখে দেন, `কিছু ব্যক্তির জন্য, যাদের অধিকাংশই পুরুষ কিছু পরামর্শ থাকছে। যারা মনে করেন গর্ভধারণ করা মানে নয় মাসের শীতঘুমে চলে যাওয়া, বাড়িতেই থাকা এবং এমন অবস্থার জন্য লজ্জিত থাকা। দেখুন, কোনও নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তিনি মোটেই কোনও অসুখে ভুগছেন না বা অস্পৃশ্যও হয়ে যান না কিংবা মৃত হয়ে যান না। তারা তখনও স্বাভাবিক মানুষ এবং তাদের পূর্ণ অধিকার রয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাপন করার।` পাশাপাশি ক্রুদ্ধ সানিয়া তার ট্রোলারদের মনে করিয়ে দেন, তারাও জন্মেছেন তাদের মায়ের গর্ভে। নিজের টুইটে সানিয়াকে অশ্রাব্য কিছু শব্দ লিখতেও দেখা যায়। ট্রোলারদের সঙ্গে সানিয়ার ইন্টারনেট যুদ্ধে ইতি টানতেই এবার স্বয়ং আসরে নামলেন স্বামী শোয়েব। সূত্র: এবেলা একে//

মাত্র ৩৭ মিনিটেই চ্যাম্পিয়ন জোকার!

খেলার মাঠে ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছেন নোভাক জোকোভিচ। এই মৌসমে  দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম-উইম্বলডন ও ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। আর সাংহাই মাস্টার্স ফাইনালে তাঁর সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না ক্রোয়েশিয়ার বোরনা চোরিচ। নোভাক জিতলেন ৬-৩,  ৬-৪ গেমে, তাও মাত্র ৩৭ মিনিটে। সেই সঙ্গে এখানে এ নিয়ে চার বার সাংহাই মাস্টার্সে চ্যাম্পিয়ন হলেন জোকার।    ক্রোট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শুরু থেকে দাপটে খেলা দেখাতে শুরু করেন সার্বিয়ান এই তারকা। ৩১ বছর বয়সী জোকারের সামনে এদিন অসহায় দেখাল প্রতিযোগিতার ১৩ নম্বর বাছাই চোরিচকে। কোন প্রতিরোধই গড়তে পারলেন না ক্রোট তারকা। এটিপি-র  নতুন ক্রমতালিকায় রজার ফেডেরারকে পিছনে ফেলে ২ নম্বরে উঠে এলেন নোভাক জোকোভিচ।  টানা ১৮ ম্যাচে জয়ী নোভাক তাড়া করছেন বিশ্বের এক নম্বর রাফায়েল নাদালকেও।  টেনিস বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে খেলে যেতে পারলে তাঁর এক নম্বরে ফিরে আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মৌসুম শেষে কিন্তু সিংহাসনের খুব কাছে জোকার। (সুত্রঃ জি-২৪)    কেআই/এসি   

সেমিতে হেরে র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই থেকে তিনে রজার

একই দিনে জোড়া ধাক্কা রজার ফেডেরারের। শনিবার সাংহাই মাস্টার্স টেনিসের সেমিফাইনালে তিনি হারলেন ক্রোয়েশিয়ার বরনা চোরিচের কাছে। সঙ্গে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়েও দুই থেকে তিনে নেমে গেলেন সুইস তারকা। আগামীকাল সোমবার বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং-এর যে তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে দু’নম্বরে থাকা ফেডেরারকে সরিয়ে জোকোভিচ উঠে আসবেন দু’নম্বরে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এ দিন ক্রোয়েশিয়ার চোরিচের কাছে সুইস কিংবদন্তি ফেডেরার হারেন ৪-৬, ৪-৬। বিশ্বের ১৯ নম্বর খেলোয়াড় ও প্রতিযোগিতার তেরোতম বাছাই চোরিচের বিরুদ্ধে শনিবার শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন না শীর্ষ বাছাই ফেডেরার। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে হ্যাল-এ এক বার চোরিচের কাছেই হেরেছিলেন তিনি। ম্যাচের পরে যা স্বীকারও করেন তিনি। সাংহাই মাস্টার্সে তার অতীত রেকর্ড ঝকঝকে থাকলেও এবার প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই সেই চেনা ছন্দে দেখা যায়নি ফেডেরারকে। চোরিচের বিরুদ্ধেও প্রথম গেম থেকেই নড়বড়ে ছিলেন।  সুইস টেনিস কিংবদন্তির কথায়, ‘আমি জানতাম চোরিচ ভাল খেলোয়াড়। আর ওর সার্ভিস জোরাল। নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল, সেই সার্ভিস আমি ফেরাতে পারব। কিন্তু এদিন ও তার চেয়েও ভাল সার্ভিস করেছে। বল ফেরানো ও সার্ভিসের ক্ষেত্রে আমাকে আরও ভাল করতে হবে। তবে মনে করি না বিপক্ষের সামনে একদম ভেঙে পড়েছিলাম।’ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে দুর্দান্তভাবে বছর শুরু করলেও ফেডেরার সেই ছন্দেই গোটা বছর এগোতে পারেননি। উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরেছিলেন। সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে বিশ্বের ৫৫ নম্বর অস্ট্রেলিয়ার জন মিলম্যানের কাছেও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গিয়েছিলেন ফেডেরার। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

অন্ত:স্বত্ত্বা মানে ছোঁয়া যাবে না-এমন নয়

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা যে, মা হতে চলেছেন এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে সবারই জানা। সম্প্রতি তার সন্তানের ‘বেবি শাওয়ার’ আয়োজিত হল খুব ধুমধাম করেই। সানিয়া মির্জা ও তার স্বামী ক্রিকেটার শোয়েব মালিক কেক কেটে অনুষ্ঠান করেন। অনুষ্ঠানের বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। ওইসব ছবি দেখে এরপর থেকে অনেকেই সানিয়াকে তার অনাগত সন্তান হওয়া নিয়ে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এগুলোতে অনেকে অবশ্য সুদর্শনী সানিয়াকে নিয়ে সমালোচনা করছেন। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে এক টুইট বার্তায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ছেন সানিয়া। শুক্রবার টুইটে সানিয়া লেখেন, ‘যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন তাদেরকে বলছি, আপনারা অনেকেই ভাবছেন যে সন্তান জন্ম দেওয়া মানে নয় মাস একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়া, ঘরে বন্দি থাকা। এছাড়া অনেকে মনে করেন অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়া মানে নারীকে ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না। অন্ত:স্বত্ত্বা মানে অসুস্থ্য হয়ে পড়া। তাদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়া মানে অসুস্থ্ হয়ে পড়া নয়। বরং সন্তান পেটে আসা প্রাকৃতিক, এ সময়ে মেয়েরা স্বাভাবিক থাকে। এ সময়ে তাঁদের ধরাছোঁয়া যায়। সমালোচকদের এক হাত নিয়ে সানিয়া বলেন, অন্ত:স্বত্ত্বা নারীকে নিয়ে কথা বলার আগে একবার ভেবে দেখবেন আপনার পৃথিবীতে আসা কিভাবে? আপনিও মায়ের পেট থেকেই পৃথিবীতে এসেছেন।    কেউ ভাবছেন ঘরের মধ্যে বসে থাকা, যেন লজ্জার হাত থেকে বাঁচা যায়। কিন্তু আমি তা চিন্তা করি না। আমি বলতে চাই যখন নারীরা গর্ভবতী হয় সেটি কোনো রোগ নয়। তিনি বলেন, গর্ভবতী হলে নারীরা সাধারণ মানুষই থাকে। তাদের অধিকার আছে স্বাভাবিক জীবন যাবন করার এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার। সুতরাং যারা এর ব্যতিক্রম ভাবছেন আমি তাদেরকে বলব আপনি একটু ভাবুন যে, আপনি আপনার মায়ের গর্ভ থেকেই জন্ম গ্রহণ করেছেন।        সূত্র: এনডিটিভি   এমএইচ/

শেষ চারে ফেডেরার, দুরন্ত জয় জাকোভিচের

সাংহাই মাস্টার্সের কোয়ার্টার ফাইনালে কেই নিশিকোরিকে হারালেন রজার ফেডেরার। অন্যদিকে, কেভিন অ্যান্ডারসনকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আলেকজান্ডার জেরেভের মুখোমুখি  নোভাক জোকোভিচ। আরও এক বার ফাইনালে দুই কিংবদন্তির মুখোমুখি হওয়ার আশায় ভক্তেরা। নিশিকোরির বিরুদ্ধে প্রথম সেট ৬-৪ জেতার পরে দ্বিতীয় সেটে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন ফেডেরার। টাই হয়ে যায় দ্বিতীয় সেট। টাই ব্রেকারেও ১-৪ পিছিয়ে পড়তে হয়েছিল ফেডেরারকে। সেখান থেকে দুরন্ত ভাবে উঠে দাঁড়ান সুইস কিংবদন্তি। শেষ চারে ফেডেরারের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়ার বোরনা কোরিচ। কোয়ার্টার ফাইনালে ৭-৫, ৬-৪ জেতেন তিনি। ফে়ডেরারের সামনে ফাইনালে ওঠার রাস্তা সহজ হলেও জোকোভিচের কাছে তা বেশ কঠিন। যদিও শেষ আটের ম্যাচে  দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা কেভিন অ্যান্ডারসনকে স্ট্রেট সেটে হারান জোকার। ফল ৭-৬ (৭-১), ৬-৩। সেমিফাইনালে জার্মান তারকার বিরুদ্ধে সেই ছন্দ জোকার ধরে রাখতে পারেন কি-না সেটাই দেখার। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় বাছাই জেরেভ ৬-৪, ৬-৪ সেটে উড়িয়ে দিয়েছেন ব্রিটিশ তারকা কাইল এডমান্ডকে। যদিও ম্যাচ শেষে তোয়ালে বিতর্ককে উস্কে দিলেন জেরেভ। তিনি বলেন, ‘কয়েক জনের কুসংস্কারের জন্য তোয়ালে নিয়ে দৌড়তে হয় বলবয়দের। বেশির ভাগ টেনিস তারকা কুসংস্কারের জন্য তোয়ালে ব্যবহার করেন।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

একবার শুনেছিলাম আমি নাকি অন্তঃস্বত্ত্বা : শারাপোভা

রাশিয়ান টেনিস সুন্দরী মারিয়া শারাপোভা। নিজের সম্পর্কে গুজব ও ভক্তদের পাগলামি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। তারকারা প্রায়ই খ্যাতির বিড়ম্বনায় পড়েন। তেমন কোন বিড়ম্বনা তার জীবনে এসেছে কিনা তা নিয়ে সম্প্রতি একটি টিভি শোতে খোলামেলা আলোচনা করেন রাশিয়ান এই টেনিস সুন্দরী। আর সেখানেই জানা গেছে অনেক অজানা কথা। ওই শো-তে তাকে প্রশ্ন করা হয়, নিজের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় গুজব তিনি কী শুনেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে শারাপোভা বলেন, ‘একবার শুনেছিলাম আমি নাকি অন্তঃস্বত্ত্বা। একজন তো সরাসরি আমায় প্রশ্ন করে বসেন, তুমি কী অন্তঃস্বত্ত্বা? এমন ঘটনার সাক্ষী বহুবার থেকেছি।’ এরপর তাকে প্রশ্ন করা হয়- ভক্তদের পাগলামো সামলাতে হয়েছে কখনও? এর উত্তর তিনি বলেন, ‘আমার সমর্থকরা যথেষ্ট ভদ্র আর সভ্য। তেমন পাগলামো কখনও করতে দেখিনি। কেউ কেউ আমার নাম বা অটোগ্রাফ ট্যাটু করিয়ে আমায় দেখিয়েছেন। কেউ ছবিও ট্যাটু করিয়েছেন। কিন্তু সেই পর্যন্তই।’ উল্লেখ্য, মাঠের বাইরে এই সুন্দরী বহুবার বহু বিষয় নিয়ে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন। প্রেম, সম্পর্ক নিয়ে সব সময়ই আলোচনায় থেকেছেন তিনি। বর্তমানে ৩১ বছরের এই সুন্দরী প্রেমে মজেছেন আলেকজান্ডার গিলকেসের প্রেমে। সূত্র : উইমেন্স টেনিস ব্লগ এসএ/

ক্যানসার সচেতনতায় সেরিনার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

টেনিস তারকা সেরিনা উইলিয়াম ইন্সটাগ্রামে একটি ভিডিও দিয়েছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি ‘আই টাচ মাইসেলফ’- বিখ্যাত এই গানটি গাইছেন। উদ্দেশ্য ব্রেস্ট ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। আমেরিকান এই টেনিস তারকার অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে গানটি। ‘আই টাচ মাইসেলফ’ এই গানটি ১৯৯০ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়। তখন এই গানটির উদ্দেশ্য ছিল নারীর যৌন জীবনের আনন্দের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু এখন এই গানটির উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে রেকর্ড করা হয়েছে। মেয়েদের ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি আছে কি-না এটা পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। ২৩ বারের গ্রান্ড স্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন সেরিনা লিখেছেন ‘এই মিউজিক ভিডিওটি আই টাচ মাইসেলফ প্রকল্পের অংশ। প্রথমবার এই গানটি করেন গায়িকা ক্রিসি এম্পফেল্ট। পরে তিনি ব্রেস্ট ক্যানসারে মারা যান। তাকে সম্মান জানানো এবং একই সঙ্গে এই গানটির মাধ্যমে নারীদের মনে করিয়ে দেওয়া যে তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি তাদেরকেই প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে’। তিনি আরও বলেছেন, গানটি রেকর্ড করতে যেয়ে তাকে তার ‘কমফোর্ট জোনের’ বাইরে যেয়ে কাজ করতে হয়েছে। ভিডিওটির ইতিমধ্যে অনেকে প্রশংসা করেছেন। অনেকেই বলছেন উইলিয়াম আসলেই গাইতে পারেন। সূত্র: বিবিসি একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি