ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ২:১১:৪২

সানিয়ার ইন্টারনেট যুদ্ধ শেষে এবার আসরে নামলেন শোয়েব

সানিয়ার ইন্টারনেট যুদ্ধ শেষে এবার আসরে নামলেন শোয়েব

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা কি ইতিমধ্যেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন? হঠাৎই এমন গুজবে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। শেষ পর্যন্ত সেই গুজব খণ্ডনে আসরে নামতে হল শোয়েব মালিককে। তিনি টুইট করলেন, `আমরা সঠিকভাবে সবাইকে জানাব যখন আমাদের সন্তান ভূমিষ্ঠ হবে। অনুগ্রহ করে আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন। প্লিজ ইন্টারনেটে যা দেখবেন/পড়বেন তা মোটেই বিশ্বাস করবেন না।` ঘটনা হল, কিছুদিনের মধ্যেই শোয়েব-সানিয়ার নতুন সন্তান আসতে চলেছে। আসন্নপ্রসবা সানিয়াকে গত কয়েকমাস ধরেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিক ছবি পোস্ট করতে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই সানিয়াকে দেখা গেছে সেই সব পোস্ট করা ছবিতে। এর মধ্যেই হঠাৎ চলতি সপ্তাহে গুজব ছড়িয়ে পড়ে সানিয়া ইতিমধ্যেই ফুটফুটে পুত্রসন্তান প্রসব করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিসহ শুভেচ্ছাবার্তাও ভেসে আসে। সানিয়া নিজেও এমন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে যারপরনাই বিরক্ত হন। তিনি সটান নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে লিখে দেন, `কিছু ব্যক্তির জন্য, যাদের অধিকাংশই পুরুষ কিছু পরামর্শ থাকছে। যারা মনে করেন গর্ভধারণ করা মানে নয় মাসের শীতঘুমে চলে যাওয়া, বাড়িতেই থাকা এবং এমন অবস্থার জন্য লজ্জিত থাকা। দেখুন, কোনও নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তিনি মোটেই কোনও অসুখে ভুগছেন না বা অস্পৃশ্যও হয়ে যান না কিংবা মৃত হয়ে যান না। তারা তখনও স্বাভাবিক মানুষ এবং তাদের পূর্ণ অধিকার রয়েছে স্বাভাবিক জীবন যাপন করার।` পাশাপাশি ক্রুদ্ধ সানিয়া তার ট্রোলারদের মনে করিয়ে দেন, তারাও জন্মেছেন তাদের মায়ের গর্ভে। নিজের টুইটে সানিয়াকে অশ্রাব্য কিছু শব্দ লিখতেও দেখা যায়। ট্রোলারদের সঙ্গে সানিয়ার ইন্টারনেট যুদ্ধে ইতি টানতেই এবার স্বয়ং আসরে নামলেন স্বামী শোয়েব। সূত্র: এবেলা একে//
মাত্র ৩৭ মিনিটেই চ্যাম্পিয়ন জোকার!

খেলার মাঠে ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছেন নোভাক জোকোভিচ। এই মৌসমে  দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম-উইম্বলডন ও ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। আর সাংহাই মাস্টার্স ফাইনালে তাঁর সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না ক্রোয়েশিয়ার বোরনা চোরিচ। নোভাক জিতলেন ৬-৩,  ৬-৪ গেমে, তাও মাত্র ৩৭ মিনিটে। সেই সঙ্গে এখানে এ নিয়ে চার বার সাংহাই মাস্টার্সে চ্যাম্পিয়ন হলেন জোকার।    ক্রোট প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শুরু থেকে দাপটে খেলা দেখাতে শুরু করেন সার্বিয়ান এই তারকা। ৩১ বছর বয়সী জোকারের সামনে এদিন অসহায় দেখাল প্রতিযোগিতার ১৩ নম্বর বাছাই চোরিচকে। কোন প্রতিরোধই গড়তে পারলেন না ক্রোট তারকা। এটিপি-র  নতুন ক্রমতালিকায় রজার ফেডেরারকে পিছনে ফেলে ২ নম্বরে উঠে এলেন নোভাক জোকোভিচ।  টানা ১৮ ম্যাচে জয়ী নোভাক তাড়া করছেন বিশ্বের এক নম্বর রাফায়েল নাদালকেও।  টেনিস বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে খেলে যেতে পারলে তাঁর এক নম্বরে ফিরে আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মৌসুম শেষে কিন্তু সিংহাসনের খুব কাছে জোকার। (সুত্রঃ জি-২৪)    কেআই/এসি   

সেমিতে হেরে র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই থেকে তিনে রজার

একই দিনে জোড়া ধাক্কা রজার ফেডেরারের। শনিবার সাংহাই মাস্টার্স টেনিসের সেমিফাইনালে তিনি হারলেন ক্রোয়েশিয়ার বরনা চোরিচের কাছে। সঙ্গে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়েও দুই থেকে তিনে নেমে গেলেন সুইস তারকা। আগামীকাল সোমবার বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং-এর যে তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে দু’নম্বরে থাকা ফেডেরারকে সরিয়ে জোকোভিচ উঠে আসবেন দু’নম্বরে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এ দিন ক্রোয়েশিয়ার চোরিচের কাছে সুইস কিংবদন্তি ফেডেরার হারেন ৪-৬, ৪-৬। বিশ্বের ১৯ নম্বর খেলোয়াড় ও প্রতিযোগিতার তেরোতম বাছাই চোরিচের বিরুদ্ধে শনিবার শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন না শীর্ষ বাছাই ফেডেরার। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে হ্যাল-এ এক বার চোরিচের কাছেই হেরেছিলেন তিনি। ম্যাচের পরে যা স্বীকারও করেন তিনি। সাংহাই মাস্টার্সে তার অতীত রেকর্ড ঝকঝকে থাকলেও এবার প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই সেই চেনা ছন্দে দেখা যায়নি ফেডেরারকে। চোরিচের বিরুদ্ধেও প্রথম গেম থেকেই নড়বড়ে ছিলেন।  সুইস টেনিস কিংবদন্তির কথায়, ‘আমি জানতাম চোরিচ ভাল খেলোয়াড়। আর ওর সার্ভিস জোরাল। নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল, সেই সার্ভিস আমি ফেরাতে পারব। কিন্তু এদিন ও তার চেয়েও ভাল সার্ভিস করেছে। বল ফেরানো ও সার্ভিসের ক্ষেত্রে আমাকে আরও ভাল করতে হবে। তবে মনে করি না বিপক্ষের সামনে একদম ভেঙে পড়েছিলাম।’ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে দুর্দান্তভাবে বছর শুরু করলেও ফেডেরার সেই ছন্দেই গোটা বছর এগোতে পারেননি। উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরেছিলেন। সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে বিশ্বের ৫৫ নম্বর অস্ট্রেলিয়ার জন মিলম্যানের কাছেও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গিয়েছিলেন ফেডেরার। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

অন্ত:স্বত্ত্বা মানে ছোঁয়া যাবে না-এমন নয়

ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা যে, মা হতে চলেছেন এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে সবারই জানা। সম্প্রতি তার সন্তানের ‘বেবি শাওয়ার’ আয়োজিত হল খুব ধুমধাম করেই। সানিয়া মির্জা ও তার স্বামী ক্রিকেটার শোয়েব মালিক কেক কেটে অনুষ্ঠান করেন। অনুষ্ঠানের বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। ওইসব ছবি দেখে এরপর থেকে অনেকেই সানিয়াকে তার অনাগত সন্তান হওয়া নিয়ে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এগুলোতে অনেকে অবশ্য সুদর্শনী সানিয়াকে নিয়ে সমালোচনা করছেন। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে এক টুইট বার্তায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ছেন সানিয়া। শুক্রবার টুইটে সানিয়া লেখেন, ‘যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন তাদেরকে বলছি, আপনারা অনেকেই ভাবছেন যে সন্তান জন্ম দেওয়া মানে নয় মাস একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়া, ঘরে বন্দি থাকা। এছাড়া অনেকে মনে করেন অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়া মানে নারীকে ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না। অন্ত:স্বত্ত্বা মানে অসুস্থ্য হয়ে পড়া। তাদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, অন্ত:স্বত্ত্বা হওয়া মানে অসুস্থ্ হয়ে পড়া নয়। বরং সন্তান পেটে আসা প্রাকৃতিক, এ সময়ে মেয়েরা স্বাভাবিক থাকে। এ সময়ে তাঁদের ধরাছোঁয়া যায়। সমালোচকদের এক হাত নিয়ে সানিয়া বলেন, অন্ত:স্বত্ত্বা নারীকে নিয়ে কথা বলার আগে একবার ভেবে দেখবেন আপনার পৃথিবীতে আসা কিভাবে? আপনিও মায়ের পেট থেকেই পৃথিবীতে এসেছেন।    কেউ ভাবছেন ঘরের মধ্যে বসে থাকা, যেন লজ্জার হাত থেকে বাঁচা যায়। কিন্তু আমি তা চিন্তা করি না। আমি বলতে চাই যখন নারীরা গর্ভবতী হয় সেটি কোনো রোগ নয়। তিনি বলেন, গর্ভবতী হলে নারীরা সাধারণ মানুষই থাকে। তাদের অধিকার আছে স্বাভাবিক জীবন যাবন করার এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করার। সুতরাং যারা এর ব্যতিক্রম ভাবছেন আমি তাদেরকে বলব আপনি একটু ভাবুন যে, আপনি আপনার মায়ের গর্ভ থেকেই জন্ম গ্রহণ করেছেন।        সূত্র: এনডিটিভি   এমএইচ/

শেষ চারে ফেডেরার, দুরন্ত জয় জাকোভিচের

সাংহাই মাস্টার্সের কোয়ার্টার ফাইনালে কেই নিশিকোরিকে হারালেন রজার ফেডেরার। অন্যদিকে, কেভিন অ্যান্ডারসনকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আলেকজান্ডার জেরেভের মুখোমুখি  নোভাক জোকোভিচ। আরও এক বার ফাইনালে দুই কিংবদন্তির মুখোমুখি হওয়ার আশায় ভক্তেরা। নিশিকোরির বিরুদ্ধে প্রথম সেট ৬-৪ জেতার পরে দ্বিতীয় সেটে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন ফেডেরার। টাই হয়ে যায় দ্বিতীয় সেট। টাই ব্রেকারেও ১-৪ পিছিয়ে পড়তে হয়েছিল ফেডেরারকে। সেখান থেকে দুরন্ত ভাবে উঠে দাঁড়ান সুইস কিংবদন্তি। শেষ চারে ফেডেরারের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়ার বোরনা কোরিচ। কোয়ার্টার ফাইনালে ৭-৫, ৬-৪ জেতেন তিনি। ফে়ডেরারের সামনে ফাইনালে ওঠার রাস্তা সহজ হলেও জোকোভিচের কাছে তা বেশ কঠিন। যদিও শেষ আটের ম্যাচে  দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা কেভিন অ্যান্ডারসনকে স্ট্রেট সেটে হারান জোকার। ফল ৭-৬ (৭-১), ৬-৩। সেমিফাইনালে জার্মান তারকার বিরুদ্ধে সেই ছন্দ জোকার ধরে রাখতে পারেন কি-না সেটাই দেখার। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় বাছাই জেরেভ ৬-৪, ৬-৪ সেটে উড়িয়ে দিয়েছেন ব্রিটিশ তারকা কাইল এডমান্ডকে। যদিও ম্যাচ শেষে তোয়ালে বিতর্ককে উস্কে দিলেন জেরেভ। তিনি বলেন, ‘কয়েক জনের কুসংস্কারের জন্য তোয়ালে নিয়ে দৌড়তে হয় বলবয়দের। বেশির ভাগ টেনিস তারকা কুসংস্কারের জন্য তোয়ালে ব্যবহার করেন।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

একবার শুনেছিলাম আমি নাকি অন্তঃস্বত্ত্বা : শারাপোভা

রাশিয়ান টেনিস সুন্দরী মারিয়া শারাপোভা। নিজের সম্পর্কে গুজব ও ভক্তদের পাগলামি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। তারকারা প্রায়ই খ্যাতির বিড়ম্বনায় পড়েন। তেমন কোন বিড়ম্বনা তার জীবনে এসেছে কিনা তা নিয়ে সম্প্রতি একটি টিভি শোতে খোলামেলা আলোচনা করেন রাশিয়ান এই টেনিস সুন্দরী। আর সেখানেই জানা গেছে অনেক অজানা কথা। ওই শো-তে তাকে প্রশ্ন করা হয়, নিজের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় গুজব তিনি কী শুনেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে শারাপোভা বলেন, ‘একবার শুনেছিলাম আমি নাকি অন্তঃস্বত্ত্বা। একজন তো সরাসরি আমায় প্রশ্ন করে বসেন, তুমি কী অন্তঃস্বত্ত্বা? এমন ঘটনার সাক্ষী বহুবার থেকেছি।’ এরপর তাকে প্রশ্ন করা হয়- ভক্তদের পাগলামো সামলাতে হয়েছে কখনও? এর উত্তর তিনি বলেন, ‘আমার সমর্থকরা যথেষ্ট ভদ্র আর সভ্য। তেমন পাগলামো কখনও করতে দেখিনি। কেউ কেউ আমার নাম বা অটোগ্রাফ ট্যাটু করিয়ে আমায় দেখিয়েছেন। কেউ ছবিও ট্যাটু করিয়েছেন। কিন্তু সেই পর্যন্তই।’ উল্লেখ্য, মাঠের বাইরে এই সুন্দরী বহুবার বহু বিষয় নিয়ে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন। প্রেম, সম্পর্ক নিয়ে সব সময়ই আলোচনায় থেকেছেন তিনি। বর্তমানে ৩১ বছরের এই সুন্দরী প্রেমে মজেছেন আলেকজান্ডার গিলকেসের প্রেমে। সূত্র : উইমেন্স টেনিস ব্লগ এসএ/

ক্যানসার সচেতনতায় সেরিনার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

টেনিস তারকা সেরিনা উইলিয়াম ইন্সটাগ্রামে একটি ভিডিও দিয়েছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে তিনি ‘আই টাচ মাইসেলফ’- বিখ্যাত এই গানটি গাইছেন। উদ্দেশ্য ব্রেস্ট ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। আমেরিকান এই টেনিস তারকার অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে গানটি। ‘আই টাচ মাইসেলফ’ এই গানটি ১৯৯০ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়। তখন এই গানটির উদ্দেশ্য ছিল নারীর যৌন জীবনের আনন্দের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু এখন এই গানটির উদ্দেশ্য পরিবর্তন করে রেকর্ড করা হয়েছে। মেয়েদের ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি আছে কি-না এটা পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। ২৩ বারের গ্রান্ড স্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন সেরিনা লিখেছেন ‘এই মিউজিক ভিডিওটি আই টাচ মাইসেলফ প্রকল্পের অংশ। প্রথমবার এই গানটি করেন গায়িকা ক্রিসি এম্পফেল্ট। পরে তিনি ব্রেস্ট ক্যানসারে মারা যান। তাকে সম্মান জানানো এবং একই সঙ্গে এই গানটির মাধ্যমে নারীদের মনে করিয়ে দেওয়া যে তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি তাদেরকেই প্রথমে খেয়াল রাখতে হবে’। তিনি আরও বলেছেন, গানটি রেকর্ড করতে যেয়ে তাকে তার ‘কমফোর্ট জোনের’ বাইরে যেয়ে কাজ করতে হয়েছে। ভিডিওটির ইতিমধ্যে অনেকে প্রশংসা করেছেন। অনেকেই বলছেন উইলিয়াম আসলেই গাইতে পারেন। সূত্র: বিবিসি একে//

সন্তানের লিঙ্গ নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই: সানিয়া মির্জা

টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জা। ভারতে তিনি একজন মেয়ে খেলোয়াড়। তাই বলে নিজের পরিবারের মধ্যে তাকে ঘিরে কখনও ছেলে-মেয়ের তফাত প্রসঙ্গে কথা শুনতে হয়নি। এখন তিনি মা হতে যাচ্ছেন। সন্তানের প্রতিক্ষায় সময় কাটছে তার। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই তারকা খেলোয়াড়।তাই তাদের ভক্তদের সংখ্যা অনেক। স্বাভাবিক ভাবেই ভক্তদের মনে প্রশ্ন- সানিয়া ছেলে নাকি মেয়ে চাইছেন? যদিও এ বিষয়ে স্পষ্ট কথা সানিয়ার। কারণ সব সময় তিনি স্পষ্ট কথা বলতেই পছন্দ করেন। নেটিজনদের উদ্দেশ্যে তাই সানিয়া মির্জা বলেন, ‘ছেলে বা মেয়ে, আমার কাছে কোনও ফ্যাক্টর নয়। অনেক হবু মায়ের কাছে হয়তো এটা ভাবনার বিষয়। তবে আমি শুধুমাত্র ভাবছি আমার বাচ্চার সুস্বাস্থ্য নিয়ে। এই মুহূর্তে আমার মাথায় একটাই চিন্তা। আমার সন্তান যেন সুস্থভাবে এই পৃথিবীতে আসে। আসলে ছেলে বা মেয়ে নিয়ে আমাদের সমাজে একটা ট্যাবু রয়েছে। তবে আমি মনে করি, প্রতিটা মানুষের নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে। সে ছেলে হোক বা মেয়ে। তাই আমার সন্তানের লিঙ্গ নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই।’ তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় নিজের উপর আস্থা রেখেছি। আমার মা-বাবাও আমাকে শক্তি জুগিয়েছেন। আমিও আমার সন্তানকে সেরকম সমর্থন দেব। ছেলে হোক বা মেয়ে, সে যেটা করতে চায় সেটা যেন পূর্ণ সমর্থন ও সততার সঙ্গে করতে পারে। সেদিকে খেয়াল রাখাটা আমাদের কর্তব্য।’ সূত্র : জি নিউজ এসএ/  

সেরিনার পাশে ম্যাকেনরো

যুক্তরাষ্ট্র ওপেন ফাইনালে চেয়ার আম্পায়ারকে ‘চোর’ বলেছিলেন সেরিনা উইলিয়ামস। আর এ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এবার মুখ খুললেন আর এক কিংবদন্তি জন ম্যাকেনরো। কোর্টে সেরিনার আচরণকে তিনি সমর্থন করেননি। যদিও তিনিও মনে করেন, টেনিসে পুরুষ ও নারীদের সম্পর্কে সব সময় একই নীতি নেওয়া হয় না। খেলা চলাকালীন কোচের কাছ থেকে নির্দেশ নেওয়ার অভিযোগে সেরিনার পয়েন্ট, গেম কেড়ে নেওয়ার পরে আর্থিক জরিমানা হয় ফাইনালে। যা নিয়ে ম্যাকেনরো বললেন, ‘সেরিনা যা বলেছে তার চেয়েও খারাপ কথা আমি আম্পায়ারদের সম্পর্কে বলেছি। র‌্যাকেট তো ভেঙেইছি। কিন্তু কখনও আমাকে এত বড় শাস্তির মুখে পড়তে হয়নি। যা প্রমাণ করে সার্কিটে ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা নিয়ম রয়েছে। এই বৈষম্য নিয়ে সেরিনা যা বলেছে তা একশো ভাগ সত্যি।’ পাশাপাশি চব্বিশটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক আর এক কিংবদন্তি মার্গারেট কোর্ট কিন্তু সেরিনার সমালোচনাই করেছেন। তার বক্তব্য, ‘আমাদের নিয়ম মেনেই খেলতে হবে। দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, কোনও কোনও খেলোয়াড় নিজেকে আইনের উর্ধ্বে মনে করে। বিশেষ করে ম্যাচে হারার সময়। সেরিনা যেমন ওর হাঁটুর বয়সি নেওমি ওসাকার বিরুদ্ধে প্রথম সেটে দাঁড়াতেই পারেনি। মনে হয় এটাই নিতে পারেনি সেরিনা।’ সেরিনা আপাতত নিজে এই ধরনের বিতর্ক থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছেন। লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে এসে জানালেন, ফ্যাশন আর নিজের পরিবার নিয়েই কথা বলতে তিনি আগ্রহী। নিজের মেয়ে, স্বামী ও ফ্যাশন নিয়ে তিনি বললেনও অনেক কথা। কিন্তু সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় যুক্তরাষ্ট্র ওপেন ফাইনালের বিতর্কিত প্রসঙ্গ একাধিক বার উঠল। এবং সেরিনাকে তা নিয়ে কথাও বলতে হল। তাকে বলা হয়, ‘এমন নয় যে এই প্রথম আপনাকে অবিচারের শিকার হতে হল। কিন্তু এই ধরনের ঘটনার পরে, প্রতি বারই দেখা যায় আপনি দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। আশা করি এবারও তেমন কিছুই হবে।’ এমন কথায় সেরিনার প্রতিক্রিয়া, ‘আপনাদের কথায় আমি সব সময়ই অনুপ্রাণিত হই। নিজের খেলাকে উন্নত করতেও সারাক্ষণ চেষ্টা করে যাই।’ সঙ্গে মজা করে যোগ করলেন, ‘এমনিতেই আমি খুব পরিশ্রমী। এমনকি নিজের মেয়েকে মানুষ করার ব্যাপারেও। তা ছাড়া ফ্যাশন নিয়েও আমার দুর্বলতা আছে। টেনিসের মতোই এই জায়াগাটাতেও আমি সেরা হতে চাই। আর তার জন্য সব সময় ভাবনা-চিন্তা করি।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

সন্তানের অপেক্ষায় সানিয়া, চলছে পারিবারিক পার্টি

টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। অপেক্ষায় আছেন কোল জুড়ে সন্তান আসার। শুধু অপেক্ষা নয়, নিজের গর্ভাবস্থা বেশ ভালোভাবেই উপভোগ করছেন তিনি। যার প্রমাণ পাওয়া গেলো তার ইন্সটাগ্রামে। মা হতে চলা সানিয়া সম্প্রতি পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ‘পাজামা পার্টি’ করেছেন। সেই পার্টির মজার সব ভিডিও এবং ছবি পোস্ট করেছেন ইন্সটাগ্রামে। সেই সঙ্গে তিনি লিখেছেন ‘সব আকারে এবং সব মাপে আমাদের পাওয়া যায়। কিন্তু এরা আমার জীবনের ধ্রুবক ... ধন্যবাদ সবাইকে!’ পোস্ট করা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে সানিয়া এবং তার বোন আনাম, বিভিন্ন পশুর বিশেষ ধরণের পাজামা পরেছেন। সানিয়া একটি সবুজ রঙের হাতির পোশাক পরেছেন, তার বোন আনাম গোলাপী খরগোশের মতো পোশাক পরেছেন। অন্য ছবি আর ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে মজার সব পারফর্ম্যান্স আর বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সানিয়া একটি কেক কাটছেন। তাতে চিৎকার করে তিনি তার স্বামী পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের উদ্দেশ্যে বলেছেন ‘মিস ইউ’! ইন্সটাগ্রামে তিনি লিখেছেন, ‘তোমাকে মিস করেছি। কিন্তু দায়িত্ব তো সবার আগে।’ উল্লেখ্য, অক্টোবরে সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিকের প্রথম সন্তানের জন্ম হতে চলেছে। সূত্র : এনডিটিভি এসএ/

দেল পোত্রোকে হারিয়ে ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ

ইউএস ওপেনের ফাইনালে জুয়ান মার্টিন দেল পোত্রোকে হারিয়ে পিট সাম্প্রাসের সঙ্গে এক আসনে চলে এলেন নোভাক জোকোভিচ। এ জয়ের মাধ্যমে জীবনের ১৪তম গ্রান্ড স্লাম জয় করেন তিন। রাফায়েল নাদালের থেকে আর মাত্র ৩টি গ্রান্ড স্ল্যামে পিছিয়ে জোকোভিচ। ইউএস ওপেনের ফাইনালে জোকোভিচ দেল পোত্রোকে হারিয়ে দেন স্ট্রেট সেটে। খেলার ফলাফল ৬-৩, ৭-৬ ও ৬-৩। ২০১১ ও ২০১৫ সালে ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন জোকারকে অবশ্য কঠিন লড়াইয়ে ফেলে দিয়েছিলেন পোত্রো। সেকেন্ড সেটে জোকোকে ঘামিয়ে দেন ওয়ার্ল্ড নাম্বার থ্রি পোত্রোরো। তবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে খেলায় টিকে থাকেন নোভাক। হাঁটুর অস্ত্রপচার থেকে ফিরে চারটি বড় টুর্নামেন্টের মধ্যে তিনটিতে জিতলেন সার্বিয়ান এই স্টার। রবিবার যে কোর্টে খেলে ইউএস ওপেন খেতাব জোকো তুলে নিলেন সেখানেই জীবনের ১৪তম গ্রান্ড স্ল্যাম টাইটেল জিতেছিলেন পিট সাম্প্রাস। এমএইচ/

প্রথম জাপানি হিসেবে ওসাকার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়

ইউ এস ওপেনে মার্কিন তারকা সেরেনা উইলিয়ামসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জাপানের নাওমি ওসাকা। এ দিন চেয়ার আম্পায়ারকে চোর, প্রতারক বলে বিতর্কে জড়ালেন সেরেনা উইলিয়ামস। খেলার মধ্যেই কোচিং নেওয়া, চেয়ার আম্পায়ারকে গালি দেওয়া এবং র‌্যাকেট ছোড়ার (র‌্যাকেট অ্যাবিউস) মতো একাধিক অভিযোগে জর্জরিত মার্কিন টেনিস তারকা। বিতর্কে জড়িয়ে পয়েন্ট খোয়ানো এবং শেষ পর্যন্ত স্ট্রেট সেটে নবাগতা ওসাকার কাছে হার। সব মিলিয়ে বিতর্কের মধ্যেই শেষ হল মেয়েদের যুক্তরাষ্ট্র ওপেন। আর কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতলেন জাপানের নাওমি ওসাকা। ম্যাচের ফল ৬-২, ৬-৪। প্রথম বার কোনও জাপানি হিসেবে ইউএস ওপেন জিতে ইতিহাসে ঢুকে পড়লেন তিনি। একই সঙ্গে মা হওয়ার পর গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের স্বপ্ন ফের অধরাই থেকে গেল সেরেনার। কিন্তু হেরেও প্রচারের আলো সেরেনার দিকেই। কারণ একাধিক বিতর্ক। প্রথম অভিযোগ, ম্যাচ চলাকালীন কোচিং নেওয়া। প্রথম সেট ৬-২-এ জেতেন ওসাকা। দ্বিতীয় সেটের দ্বিতীয় গেমে সেরেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তার কোচ প্যাট্রিক মৌরাতগ্লু তাকে ইশারায় পরামর্শ দিয়েছেন। চেয়ার আম্পায়ার কার্লোস র‌্যামোস তাকে ডেকে সতর্ক করেন। কিন্তু সেরেনা তার তীব্র প্রতিবাদ করেন। চেয়ার আম্পায়ারের কাছে গিয়ে বলেন, ‘জেতার জন্য আমি কখনও প্রতারণার আশ্রয় নিই না। তার চেয়ে হেরে যাওয়াই আমার কাছে শ্রেয়।’ কিছুক্ষণ পর ফের খেলা শুরু হয়। সেরেনা তখন ২-১ এ এগিয়ে। সেই সময়ে ফের চেয়ার আম্পায়ারের কাছে গিয়ে মসৃণভাবে খেলা পরিচালনার কথা বলেন তিনি। আরও এগিয়ে সেরেনার পক্ষে ফল দাঁড়ায় ৩-১। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সেরেনার পর পর দু’টি ডাবল ফল্ট এবং ব্যাক হ্যান্ডের একটি শট নেটে আটকে যাওয়ায় ম্যাচে ফেরেন ওসাকা। এবং মেজাজ হারান সেরেনা। নিজের র‌্যাকেট মাঠে ছুড়ে দেন। ভেঙে যায় র‌্যাকেটটি। তার জেরে পয়েন্ট পেনাল্টি হয় তার। ফলে পরের গেমে চাপে পড়ে যান ২৩ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। ওসাকা ৪-৩ লিড নিয়ে নেওয়ার পর ফের চেয়ার আম্পায়ার র‌্যামোসের সঙ্গে ফের সেরেনা বাদানুবাদ জুড়ে দেন। র‌্যামোসকে উদ্দেশ্য করে বারবার বলতে থাকেন, ‘আমি প্রতারক নই। আপনি মিথ্যা কথা বলেছেন। আপনি চোর, প্রতারক। আপনাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে আমি যে ম্যাচে খেলব, আপনি আর আম্পায়ার থাকবেন না।’ এই সময় সেরেনাকে কোর্টের মধ্যেই কাঁদতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে, দুই ম্যাচ রেফারিকেও কোর্টে নেমে আসতে হয়। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনেন দুই রেফারি। কিন্তু এই তর্কাতর্কির জন্য ফের ‘ভার্বাল অ্যাবিউস’-এ পয়েন্ট কাটা যায় সেরেনার। তার জেরে ওসাকার পক্ষে ফল দাঁড়ায় ৫-৩। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ পয়েন্টে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন ওসাকা। স্ট্রেট সেটে ম্যাচ জিতে ইউএস ওপেন খেতাব পকেটে পুরে নেন ২০ বছরের জাপানি তারকা। সেরেনার কোচ প্যাট্রিক মৌরাতগ্লু পরে ইএসপিএন-এ একটি সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন, তিনি ম্যাচ চলাকালীনই সেরেনাকে হাতের ইশারায় পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, সেরেনা সেটা খেয়াল করেননি। এই ঘটনায় টেনিসপ্রেমীদের অনেকেরই মনে পড়ে গেছে ২০০৯ সালে ইউএস ওপেন ফাইনালের কথা। কিম ক্লিস্টার্সের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচেও সেরেনার বিরুদ্ধে লাইন জাজকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ এবং চেয়ার আম্পায়ারকে কটূ কথা বলার অভিযোগ ওঠে। ওই ম্যাচেও হেরে যান মার্কিন তারকা। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি