ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ৩:২৩:৪৩

সন্দ্বীপের সাবেক এমপি মুস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

সন্দ্বীপের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ মাঠে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন  সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার শাহজাহান বি.এ। বিশেষ অতিথি ছিলেন- সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম। প্রধান অতিথি গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন সন্দ্বীপবাসীর অকৃত্তিম বন্ধু। তিনি সন্দ্বীপের মাটি ও মানুষের জন্যে নিবেদিত হয়ে আপ্রাণ কাজ করে গেছেন। তার কর্মই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তিনি সন্দ্বীপের ইতিহাসে অবিসংবাদিত নেতা।    দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমানকে আধুনিক সন্দ্বীপের রূপকার উল্লেখ করে বলেন, সন্দ্বীপের উন্নয়নে দ্বীপবন্ধুর ভূমিকা সন্দ্বীপবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার অসমাপ্ত কাজগুলো তার সুযোগ্য সন্তান মাহফুজুর রহমান মিতা ধীরে ধীরে সম্পন্ন করছে। সন্দ্বীপবাসীর জন্যে সরকার কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই সরকার সন্দ্বীপের উন্নয়নে নজিরবিহীন কাজ করেছে। সন্দ্বীপবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি বিদ্যুৎ দিয়েছে সরকার। আগামী নির্বাচনে সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগে কোন বিভেদ সৃষ্টি না করে নৌকার পক্ষে দ্বীপবন্ধুর জ্যৈষ্ঠ সন্তান মাহফুজুর রহমান মিতাকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, মিতা সন্দ্বীপে অনেক উন্নয়ন কাজ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ, জেটি, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অনেক উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। তার বাবার মতো সেও জনগণের নয়নমণি হয়ে উঠেছে। আজকেই এই স্মরণ সভার উপস্থিতি সেটাই জানান দিচ্ছে। দলীয় কোন্দল না করে জননেত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।  ভাসান চর চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপের অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একনেক’ সভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভাসান চর কোনভাবেই নোয়াখালীর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হবে না। সন্দ্বীপের আশ পাশে জেগে উঠা চরগুলিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সন্দ্বীপকে কেন্দ্র করে সরকারের নানান পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।     অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- চট্রগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, ও চট্রগ্রাম-৩ সন্দ্বীপ আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা। সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন বেদনের সঞ্চালনায় স্বরণসভায় বক্তব্য রাখেন- সন্দ্বীপ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহফুজুর রহমান সুমন, এ বি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ফাহাদ, চট্রগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাইন উদ্দীন মিশন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন নেসা জেসি,  দ্বীপবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র জিল্লুর রহমান, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী যু্বলীগ সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান, সন্দ্বীপ উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি কামরুল হাসান আলাল, সন্দ্বীপ উপজেলা সেচ্চাসেবকলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান বেলাল, মুক্তিযোদ্ধা মাজহারুল ইসলাম, সন্দ্বীপ উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী খসরু, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এই স্বরণসভা বিকেল গড়াতেই পরিষদ মাঠে হাজারও মানুষের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়। উল্লেখ্য, দ্বীপবন্ধু মুস্তাফিজুর রহমান সন্দ্বীপে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ দুবার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ২০০১ সালের ২০ অক্টোবর সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালে মৃত্যুবরণ করেন। কেআই/ এসএইচ/

মহেশখালী-কুতুবদিয়াকে দ্রুত দস্যুমুক্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দ্রুত সময়ে মহেশখালী-কুতুবদিয়াকে দস্যুমুক্ত করা হবে। তাই যারা এখনও দস্যুতা ছেড়ে ফিরে আসেননি, তাদের দ্রুত ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শনিবার বেলা ১১ টায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে আত্মসমর্পণ করেছেন ৫টি জলদস্যু ও সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা। এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসলে দস্যুদের সহযোগিতা করা হবে। একই অনুষ্ঠানে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দস্যুদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। প্রসঙ্গত, আজ শনিবার মহেশখালী দ্বীপের তালিকাভুক্ত অর্ধশত জলদস্যু আত্মসমর্পণ করছে। তাদের মধ্যে অস্ত্র তৈরিতে দক্ষ কয়েকজন কারিগরও রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও অনেক জলদস্যু আত্মসমর্পণ করতে এগিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে সূত্র। সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকাজুড়ে রয়েছে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর শত শত সশস্ত্র সদস্য। গত দুই বছরে মহেশখালীর পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে অন্তত ১৫টি অস্ত্রের কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। তবুও থেমে নেই অস্ত্র তৈরি। একদিকে গুঁড়িয়ে দিলে অন্যদিকে পাহাড়ের নির্জন গুহায় ফের গড়ে তোলা হয় নতুন কারাখানা। হাত বাড়ালেই এখানে পাওয়া যায় দেশে তৈরি বন্দুক, শটগান কার্তুজ ইত্যাদি আগ্নেয়াস্ত্র। এখানে একটি শটগানের দাম মাত্র ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। লম্বা বন্দুক পাওয়া যায় ১৩০০ থেকে ২০০০ টাকায়। এই অবস্থায় নতুন কৌশল গ্রহণ করে র‌্যাব। বুঝিয়ে-শুনিয়ে দ্বীপের দস্যু বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে সম্প্রতি সুন্দরবনের পর এখানে বিপুল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্তত অর্ধশতাধিক সদস্য র‌্যাবের হাতে আত্মসমর্পণ করে স্বভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন-উল হাকিম ও চ্যানেল ২৪-এর স্টাফ রিপোর্টার আকরাম হোসেনের মধ্যস্থতায় প্রথম দফায় এসব সন্ত্রাসী র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়েছেন। একে//

কক্সবাজারে ৫টি জলদস্যু ও সন্ত্রাসী বাহিনীর আত্মসমর্পণ

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৫টি জলদস্যু ও সন্ত্রাসী বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে। শনিবার বেলা ১১ টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে অস্ত্র জমা দিয়েছেন তারা। র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানান, প্রথম ধাপে আজ মহেশখালী দ্বীপের তালিকাভুক্ত অর্ধশত জলদস্যু আত্মসমর্পণ করছে। তাদের মধ্যে অস্ত্র তৈরিতে দক্ষ কয়েকজন কারিগরও রয়েছে। আশা করছি, দ্বিতীয় ধাপে আরও অনেক জলদস্যু আত্মসমর্পণ করতে এগিয়ে আসবে। সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকাজুড়ে রয়েছে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর শত শত সশস্ত্র সদস্য। গত দুই বছরে মহেশখালীর পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে অন্তত ১৫টি অস্ত্রের কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। তবুও থেমে নেই অস্ত্র তৈরি। একদিকে গুঁড়িয়ে দিলে অন্যদিকে পাহাড়ের নির্জন গুহায় ফের গড়ে তোলা হয় নতুন কারাখানা। হাত বাড়ালেই এখানে পাওয়া যায় দেশে তৈরি বন্দুক, শটগান কার্তুজ ইত্যাদি আগ্নেয়াস্ত্র। এখানে একটি শটগানের দাম মাত্র ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। লম্বা বন্দুক পাওয়া যায় ১৩০০ থেকে ২০০০ টাকায়। এই অবস্থায় নতুন কৌশল গ্রহণ করে র‌্যাব। বুঝিয়ে-শুনিয়ে দ্বীপের দস্যু বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে সম্প্রতি সুন্দরবনের পর এখানে বিপুল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্তত অর্ধশতাধিক সদস্য র‌্যাবের হাতে আত্মসমর্পণ করে স্বভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন-উল হাকিম ও চ্যানেল ২৪-এর স্টাফ রিপোর্টার আকরাম হোসেনের মধ্যস্থতায় প্রথম দফায় এসব সন্ত্রাসী র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়েছেন। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে যাওয়া এসব পরিবারের সদস্যের সমাজের মূলধারায় ফিরে আসার সহায়ক হিসেবে রাষ্ট্রের তরফ থেকে বড় উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলেও সূত্র জানিয়েছে। একে//

যে শিশুর ছবি কাঁদাচ্ছে সবাইকে

সন্তানের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলো মায়ের কোল। কিন্তু সেই মা-ই যখন সন্তানের মৃত্যুর কারণ হয় তখন? গতকাল শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। মাত্র চারদিন বয়সী নিজের সন্তানকে পাঁচতলা বিশিষ্ট একটি ভবনের ছাদ থেকে ছুঁড়ে ফেলে হত্যা করেছে শিশুটির মা সীমা আক্তার। সেইসঙ্গে তিনি নিজেও ওই ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, স্বামীর ওপর অভিমান এ ঘটনা ঘটিয়েছেন সীমা। জানা যায, সীমা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ফুলচং গ্রামের মনির মিয়ার স্ত্রী। লেবানন প্রবাসী মনিরের সঙ্গে পারিবারিকভাবে গত এক বছর আগে তার বিয়ে হয়। এদিকে, এ ঘটনার পর ফেসবুকে সীমার শিশু সন্তানের একটি ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে- হাসপাতালের সামনের সড়কে পড়ে আছে শিশুটির নিথর দেহ। প্রাণহীন ওই শিশুর দেহ ঘিরে উৎসুক জনতা। হৃদয় বিদারক ওই ছবি দাগ কেটেছে সবার মনে। ছবিটি যেন কাঁদাচ্ছে গোটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মানুষকে। অনেকেই শিশুটির ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন। এক সংবাদকর্মী শিশুটির ছবি দিয়ে লিখেছেন, আজ যে শিশুর থাকার কথা ছিল পরম আদরে, বাবা-মায়ের মান-অভিমান তাকে নিয়ে গেল লাশকাটা ঘরে। মা-সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়নি। এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পৌরশহরের পুরাতন জেল রোডস্থ দি ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও স্পেশালাইজড হাসপাতালের ছাদ থেকে নিজের শিশু সন্তানকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে হত্যা করেন সীমা। পরে তিনি নিজেও লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার প্রসব বেদনা নিয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী লাইফ কেয়ার শিশু ও জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন সীমা আক্তার। এদিন রাতেই সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলে সন্তান প্রসব করেন তিনি। গতকাল শুক্রবার সকালে সীমা ও তার সন্তানের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন সাকাল সাড়ে ৮টায় এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। একে//

চবির সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসেই

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) এই প্রথম সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও হাটহাজারী এবং নগরীর ১০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতো। এবারই ১ম সব ইউনিটের পরীক্ষা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ডিজিটাল ল্যাব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসেই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এবারেই প্রথম আমরা এই উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে কেন্দ্র সংকুলানের জন্যে প্রয়োজনে স্পেশাল ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমে যাবে বলে আসা করছি। যেহেতু এবার ভর্তি পরীক্ষা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে আর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি তাই এবার দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান চবির ডেপুটি রেজিস্টার (একাডেমিক) এবং ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সচিব এস এম আকবর হোসাইন। তিনি জানান, ২৭ অক্টোবর শনিবার ‘বি’ ইউনিটের মাধ্যমে শুরু হতে যাওয়া ভর্তি পরীক্ষায় ১ম শিফট সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে ২০০০০১ থেকে ২১৫৮৯৫ পর্যন্ত এবং ২য় শিফট দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটে ২১৫৮৯৬ থেকে ২৩১৭৯০। ২৮ অক্টোবর রোববার ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষায় ১ম শিফট সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে ৫০০০০১ থেকে ৫২২২৮৪ পর্যন্ত এবং ২য় শিফট দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটে ৫২২২৮৫ থেকে ৫৪৪৫৬৮ পর্যন্ত। ২৯ অক্টোবর সোমবার ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষায় ১ম শিফট সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে ১০০০০১ থেকে ১২২২১৫ পর্যন্ত এবং ২য় শিফট দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটে ১২২২১৬ থেকে ১৪৪৪৩১ পর্যন্ত। ৩০ অক্টোবর মঙ্গলবার ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে ১ শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ৩১ অক্টোবর দুই উপ ইউনিট ‘ডি১’ ১০টায় এবং ‘বি১’ এর পরীক্ষা দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে ১শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই দুই কপি প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি এবং উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং  A লেভেলের স্টেটমেন্ট অব এন্ট্রি (বিদেশি ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে) এর মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। আসন বিন্যাস ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের  ওয়েবসাইটে (admission.cu.ac.bd) পাওয়া যাবে। একে//

রাঙ্গামাটিতে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রশান্ত চাকমা (৩৫) নামে এক ইউপিডিএফ কর্মী নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বিহারপাড়ায় হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। নানিয়ারচর থানার ওসি আবদুল লতিফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত প্রশান্ত চাকমা ওই এলাকার বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র চাকমার ছেলে বলে জানা গেছে। তিনি গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফ দলের সদস্য। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রশান্ত চাকমার বাড়িতে অতর্কিত হানা দেয়। এ সময় তাকে ডেকে ঘরের বাইরে এনে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। পরে তারা পালিয়ে যায়। ওসি আবদুল লতিফ জানান, বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। একে//

চট্টগ্রামে পাহাড় ও দেয়াল ধসে নিহত ৪

ভারী বর্ষণে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পাহাড় ও দেয়ালধসে মা-মেয়েসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। শনিবার দিবাগত রাতে নগরীর আকবরশাহ থানার ফিরোজশাহ কলোনির ১নং ঝিল এলাকা ও পাঁচলাইশ থানার রহমান নগরে এ দুই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- নুরে আলম নান্টু (৩৫), জোহরা বেগম (৬০), নুরজাহান বেগম (৪৫) ও তার আড়াই বছর বয়সী মেয়ে ফজলুন্নেসা। ফায়ার সার্ভিস জানায়, প্রবল বৃষ্টিতে নগরীর আকবরশাহ থানার ফিরোজশাহ কলোনিতে পাহাড়ধস হয়। এতে মাটিতে চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন কয়েকজন। খবর পেয়ে উদ্ধারকাজ চলায় ফায়ার সার্ভিস। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে বায়েজিদ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার এনামুল হক জানান, ভারী বর্ষণে নগরের পাঁচলাইশ থানার রহমান নগর এলাকায় রাত ১টার দিকে দেয়াল ধসে নুরে আলম নান্টু নামে একজন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। একে//

সেন্ট মার্টিনে ১ মার্চ থেকে রাতযাপন নিষিদ্ধ!

আগামী ১ মার্চ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে। শুধু দিনের বেলায় পর্যটকদের যেতে দেওয়া হবে। পর্যটকদের ভারে বিপন্ন হতে চলা দ্বীপটিকে রক্ষায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ রক্ষায় গঠিত আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বরের আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের চিত্র তুলে ধরে পরিবেশ অধিদপ্তর একটি প্রতিবেদন দেয়। আর সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যায় এবং অবস্থান করে। এতে দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের পথে। শুধু তা–ই নয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে নির্মাণ করা রাস্তায় দ্বীপটির ক্ষতি বাড়ছে। এসএইচ/

সাতকানিয়ার দেওদীঘি কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৪ বছর পূর্তি উদযাপন

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ দেওদীঘি কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৪ বছর পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দেওদীঘি কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬৪ বছর পূর্তি উদযাপন ও পুনর্মিলনী উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান মালার সমাপনী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।   প্রধান অতিথি গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন,‘বাংলাদেশ এখন মজবুত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা এখন উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের অভিযাত্রায় রয়েছি। সাফল্য বয়ে আনতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদের কাজ করে যেতে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। যাতে পরবর্তী প্রজন্মকেও আরও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত উপহার দিতে পারি। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নিজামুদ্দীন নদভী। সভাপতিত্ব করেন দেওদীঘি কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের এক্স স্টুডেন্ট ফোরামের আহ্বায়ক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী। কেআই/ এসএইচ/

চবিতে ভর্তি: আসন প্রতি ২৭ জনের আবেদন 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)-এর স্নাতক শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ রোববার পর্যন্ত টাকা জমা দেওয়া যাবে। এবার ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রতি আসনের বিপরীতে ২৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক হানিফ সিদ্দিকী জানান, প্রাথমিকভাবে অনলাইনে আবেদন শেষ হয়েছে। এখন থেকে আর কোনও আবেদন গ্রহনযোগ্য হবে না। তবে যারা শনিবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট এর আগে আবেদন করেছে তারা রোববার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টাকা জমা দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। আইসিটি সেলের পরিচালক জানান, চারটি ইউনিট ও দুইটি উপ ইউনিটে মোট ৪ হাজার ৯২৬ সিটের বিপরীতে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৩ জন শনিবার রাত ১২টা ০৫ মিনিটের মধ্যে আবেদন করেছেন।  তিনি বলেন, ক-ইউনিটে ১ হাজার ২১৪টি আসনের বিপরীতে আবদেন করেছেন ৪৩ হাজার ৫৫৪ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬ জন।  খ ইউনিটে ১ হাজার ২২১টি আসনের বিপরীতে আবদেন পড়েছে ৩১ হাজার ২১৮ জনের। অর্থাৎ এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তির জন্য লড়বে ২৬ জন। খ১ উপ ইউনিটে ১২৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ১ হাজার ৮৪১ জনের। অর্থাৎ এই উপ ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তির জন্য লড়বে ১৫ জন। গ ইউনিটে ৪৪২টি আসনের বিপরীতে ১১ হাজার ২৯২ জন আবেদন করেছেন। এই ইউনিটে প্রতি আসনে লড়বে ২৬ জন।   ঘ ইউনিটে ১ হাজার ১৫৭টি আসনের বিপরীতে  ৪৩ হাজার ৬৪৬ জন আবেদন করেছেন। সম্মিলিত এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ৩৮ জন লড়বে। আর ঘ১-উপ ইউনিটে ৩০টি আসনের বিপরীতে ২ হাজার ৮২ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।এই উপ ইউনিটে আসন প্রতি লড়বে ৬৯ জন। একে//

বন্ধুত্ব আর ভালবাসায় সিক্ত প্রিয় ক্যাম্পাস

বন্ধুত্ব হচ্ছে দুই অথবা তার অধিক কিছু মানুষের মধ্যে একটি সম্পর্ক বিশেষ, যাদের একে অপরের প্রতি পারস্পরিক স্নেহ রয়েছে। বন্ধুত্বকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের খুব কাছের একটি অংশ ধরা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধুত্ব বিষয়টা আমাদের পরবর্তী  জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আড্ডা, খুনসুটি, গল্প আর গানে যেন ক্যাম্পাসে মেতে থাকে এই বন্ধুত্ব নামক বাঁধনে বাঁধা কিছু অপার সম্ভাবনাময় তরুন-তরুনী। ক্যাম্পাসের দিনগুলো যেন বন্ধু ছাড়া কেবল এক নির্জন ভূমি ছাড়া আর কিছুই না। অঞ্চল, সংস্কৃতি, জাতি, ধর্মকে উপেক্ষা করে বাঁচার নামই তো বন্ধুত্ব। ক্লাস ফাঁকি দেওয়া, প্রক্সি দেওয়া আর পরীক্ষার হলে ভুলে যাওয়া অংশটা দেখানো এই বন্ধুর-ই এক অসামান্য অবদান। বন্ধু মানে কিছু স্বপ্নের ভাগাভাগি, বন্ধু মানে ঝগড়ার পর কাঁধে কাঁধ রাখা। ক্লাসের ফাঁকে স্নিগ্ধ অপরাহ্নে বঙ্গবন্ধু হলের পিছনে আড্ডায় মেতে ওঠে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের একদল তরুন-তরুনী। যাদের কারোর শখ ছবি তোলা, কেউ বা চায় নেতৃত্ব দিতে, কারোর স্বপ্ন আবার উদ্যোক্তা হওয়ার, কেউ সুন্দর গান করে। কেউ আবার কবিতা ভালবাসে। কেউ সদা হাস্যোজ্জ্বল, কেউ বা চিন্তাশীল।  আছে বই পোকা, কেউ পুরো আসর জমায়। কারোর জন্য গানের ভাষায় ভেসে উঠে, ‘কাকে যেনো ভালবেসে, আঘাত পেয়েছে শেষে, পাগলা গারদে আছে রমা রায়’। ইচ্ছেগুলো ভিন্ন হলেও যেন কোনও একটা অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা সবাই। আড্ডা দিতে দেখা যায় রিজভী, প্রতিক, প্রিমা, মৌসুমি, সাবিহা, মিতু, জান্নাত, শাকিলাসহ আরও অন্যান্যদের । ভালোবাসার অভিন্ন সত্তার নাম এই বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব সব প্রতিবন্ধকতাকে ছাপিয়ে এগিয়ে চলে স্বীয় গন্তব্যে। একজন বলছিলেন, একটা সময় ছিল যখন স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে সবেমাত্র কলেজ লাইফ এ ভর্তি হয়েছিলাম, তখনও বুঝতে শিখিনি বন্ধু কি জিনিস। কাল,পাত্র আর ব্যক্তির পার্থক্যে আজ আমরা ঢের বুঝেছি আমাতে এর প্রয়োজনীয়তা! সেই ছোটবেলার খেলার সাথী হতে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোর পর্যন্ত সহস্র বন্ধুদের বারবার করে স্বপ্নের আঙ্গিনায় আজও লালন করি। মৌসুমী বলছিলেন, ক্যাম্পাস আমাকে দিয়েছে একরাশ সীমাহীন ভালোবাসা নামক একঝাক বন্ধু, যাদের নিয়েই পাড়ি দিতে চাই ওই দূর বহুদূর। আমাদের আড্ডাগুলো, বিকেল বেলা থেকে গোধূলি পর্যন্ত আকাশ দেখার মুহূর্তগুলো আর রাতের আধাঁরের গাঢ়তায় টিকে থাকুক বন্ধুত্ব। ক্যাম্পাসের চত্বরগুলো বন্ধুত্বের ভালোবাসায় সিক্ত হোক। বন্ধুত্বের এ বন্ধনে ভরে যাক চবি`র প্রতিটা আসর আর ডিপার্টমেন্টের করিডোরগুলো। একে//

কন্টেইনার ট্রেনে কাটা পড়ে দুই বোনের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে আপন মারা গেলেন দুই বোন। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিমরাইলকান্দিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে পুষ্প আক্তার (১৩) ও শিরীনা আক্তার (১৪)। শিরীনা আক্তার মাদ্রাসায় এবং পুষ্প আক্তার স্থানীয় নিয়াজ মুহাম্মদ স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকালে আখাউড়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি কন্টেইনার ট্রেন শিমরাইলকান্দি এলাকা অতিক্রমকালে রেললাইনের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তারা ট্রেনে কাটা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সানাউল ইসলাম জানান, বিকালে ওই দুই কিশোরী রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিল। এ সময় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এসএইচ/

কাল জাফর খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

 ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার কাগতিয়া গ্রাম নিবাসী বিনাজুরী নবীন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ গভরর্নিং বডির সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সাবেক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক এ, কে জাফর খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। এ. কে. জাফর খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিনাজুরী নবীন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মরহুম এ, কে, জাফর খান স্মৃতি সংসদ ও পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, পবিত্র কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল, কবর জিয়ারত ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে।৫ অক্টোবর বিকেল ৪ টায় স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে কাগতিয়া এ কে সি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। ৬ অক্টোবর সকাল ১১টায় বিনাজুরী নবীন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের উদ্যোগে মরহুম এ, কে, জাফর খান স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালে মরহুম এ. কে. জাফর খান চট্টগ্রাম রাউজান উপজেলার কাগতিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম সিরাজুল হক মাস্টার ছিলেন একজন স্বনামধন্য শিক্ষক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। চার সন্তানের সংসারে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় সন্তান। তার বড় ভাইয়ের নাম মরহুম এ. কে. আহমেদ ছগির (সাবেক উপ পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর)। মরহুম এ, কে, জাফর খান ২০০৮ সালে রাঙ্গামাটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এসএইচ/

চট্টগ্রামের টেকনোলজি সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময়

চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জব (ইসিফোরজে) প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত টেকনোলজি সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে মতবিনিময়। “এ স্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন মিটিং অন দ্যা প্রপোজড টেকনোলজি সেন্টার (টিসি) টু বি ইস্টাবলিস্ড এ্যাট মিরসরাই ইকনোমিক জোন ইন চিটাগাং” শীর্ষক মতবিনিময় সোমবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিটিও (অতিরিক্ত সচিব) ও প্রকল্প পরিচালক (ইসিফোরজে) মো. ওবায়দুল আজম, চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ ও ওমর হাজ্জাজ, সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি, বেজার ডেপুটি ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কনসালটেন্ট মৃনাল কান্তি সরকার, প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. লৎফুর রহমান, ইপিবির পরিচালক কংকন চাকমা, বিসিকর প্রমোশন কর্মকর্তা তানিজা জাহান, প্রান্তিক গ্রুপের এমডি ইঞ্জি. গোলাম সরওয়ার, লুব-রেফ’র পরিচালক সালাউদ্দিন ইউসুফ, ওসমানিয়া গ্লাস শীট ফ্যাক্টরি লি. এর এমডি ইঞ্জি. সুদীপ মজুমদার, ইউনিভার্সাল রাবার’র মিজানুর রহমান পাটোয়ারী, চট্টগ্রাম ক্ষুদ্র পাদুকা শিল্প মালিক গ্রুপ’র মো. মঞ্জুর খান, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ মনির আহম্মদসহ চামড়া ও চামড়াজাত, ফুটওয়্যার, প্লাস্টিক ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীরা বক্তব্য রাখেন। এসএইচ/

ভবন নির্মাণ না হওয়ায় মক্তবে পাঠদান

সোনাগাজীতে চর চান্দিয়া ইউনিয়নের নদী উপকূলীয় দক্ষিণ পূর্ব চর চান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা দ্বিতল ভবনটি ২০১১ সালে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নতুন ভবন নির্মাণের আশায় থেকে জোড়াতালি দিয়ে পাশের একটি মক্তবঘরে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম। দীর্ঘদিন এমন অবস্থা থাকায় স্থানীয়দের উদ্যোগে এক কক্ষ বিশিষ্ট মক্তব ঘরের মাঝখানে বেড়া দিয়ে করা হয়েছে দুটি কক্ষ। এখন মক্তব ঘরটিই ওই এলাকার শিশু শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম। জানা যায়, ১৯০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব চর চান্দিয়া গ্রামের স্থানীয় হোসেন আহম্মদ নামে এক ব্যক্তি ৩৩ শতক জমি দান করেন স্কুলের জন্য। ওই জমির ওপর টিন আর বেড়া দিয়ে বিদ্যালয়টি চালু করা হয়। আট-দশ বছর পর টিনের ঘরটি জোয়ার আর বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পুনরায় ঘরটি সংস্কার করে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে নেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হলে নতুন ঘর ও পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। ওই ভবনটি গত ২০১১ সালের জুলাই মাসে বিদ্যালয় ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা কোনমতে আপাতত পাঠদান চালিয়ে যাবার জন্য ওই মক্তবের একটু সংস্কার করা হয়। বিদ্যালয়টির নিজস্ব কোন ভবন না থাকায় নানা সমস্যার মধ্যে পাশ্ববর্তী সড়কের ওপর থাকা একটি ফোরকানীয়া মক্তবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও শ্রেণি কার্যক্রম চলছে। সেখানেও কক্ষ সংকট থাকায় প্রাক-প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণির পাঠদান এক সঙ্গে আর দ্বিতীয় শ্রেণিতে শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় সকাল বেলা তাদের শ্রেণি কার্যক্রম চালানো হয়। এদের ছুটি শেষে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একটি কক্ষে বসে ক্লাস করে। অপর কক্ষটিতে পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান চলে। একটি কক্ষে দুই শ্রেণির পাঠদান এক সঙ্গে হওয়ায় দুইজন শিক্ষকও এক সঙ্গে কাজ করে থাকে। এতে উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠ ভালভাবে বুঝতে ও লিখতে অসুবিধা হয়ে থাকে। পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে প্রয়োজন নতুন ভবন ও কক্ষের। বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সীমাহীন কষ্ট করে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা এ্যানি জানায়, বিদ্যালয়ের ভবন না থাকায় তাদেরকে মক্তবে লেখা-পড়া করতে হচ্ছে। ঘরটিও বেড়াগুলো ভালো না হওয়ায় বৃষ্টি হলে পানি পড়ে তাদের বই-খাতা নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় পাঠদান চলাকালে জোয়ারের পানি ডুকে তাদের জামা-কাপড় ভিজে লেখা-পড়াসহ বাড়ি যেতে অনেক অসুবিধা হয়। এছাড়াও এখানে নেই কোন মানসম্মত টয়লেট। আবার কখনো কখনো জোয়ারের পানি ঢুকে টেবিল চেয়ার সব ভিজে গেলে সেদিন ক্লাশ ছুটি হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.ইব্রাহিম ভূঁঞা বলেন, এক সময় স্কুলটিতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ছিলো। ভবন ও নানা সমস্যার কারণে বিত্তবান অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পাশের ইউনিয়নের স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন। কিন্তু আর্থিক অস্বচ্ছল পরিবারের ছেলে মেয়েরাই এখন এই স্কুলের শিক্ষার্থী। বর্তমানে স্কুলটিতে দেড়শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তিনি বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধের পর বিদ্যালয়ের আগের জায়গায় চর জেগে ওঠেছে। ওই স্থানে সরকারিভাবে বিদ্যালয়ের তিনতলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মানের জন্য সরকারিভাবে প্রায় চার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে কিছুদিন যাওয়ার পর কাজ বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সৈয়দ আহম্মদ বলেন, বিদ্যালয়ের বন্ধ হওয়া কাজটি পুনরায় চালু করার জন্য তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানিয়ে বারবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন সমাধান পাননি। পাশের একটি জায়গায় স্কুল ঘর নির্মাণের জন্য মাটি ভরাটের পর থেকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে গেছে। উপজেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী এএনএম মনির উদ্দিন আহম্মদ বলেন, সোনাগাজীতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে এক প্রকল্পে প্রায় ২৯ কোটি ১৮লাখ টাকা ব্যয়ে সাতটি আশ্রয় কেন্দ্র কাম বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য ২০১৬ সালের জুন মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয়। সাতটি ভবনের মধ্যে দক্ষিণ পূর্ব চর চান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ছিল। দরপত্রের শর্তানুযায়ী সাতটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরের এসএস এ ই জয়েন্ট বেঞ্জার নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। নির্মাণ কাজ তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থানীয় সরকার বিভাগকে। ২০১৭ সালে সালের মাঝামাঝি সময়ে আনুষাঙ্গিক কাজ শেষ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য মাটি কাটা শুরু করেছিল। কিন্তু মাটি কাটা শেষে তারা হঠাৎ কাজ বন্ধ করে কেন চলে গেল তা আমার জানা নেই। তিনি বলেন, একাধিক বার জানতে চেয়েও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাউকে পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেডএম কামরুল আনাম বলেন, যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে তাদেরকে অবশ্যই নির্মাণ কাজ করতে হবে। অন্যথায় তাদের বিল প্রদান বন্ধ করনসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, নদী উপকূলীয় হওয়ায় ওই এলাকায় বিদ্যালয়টির জন্য ভবন নির্মাণ করা অতীব জরুরি। এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এসএইচ/

বান্দরবানে বজ্রপাতে নিহত ২

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াছ আলীর ছেলে মো.রবিউল ইসলাম (২২) ও আবদুল লতিফের ছেলে আলী জহুর (২৫)। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান নামে আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ রোববার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার নয়াপাড়া ইউনিয়নের তুলাতলী পাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে ওই তিনজন বাড়ির পাশের জমিতে করলা ক্ষেতে কাজ কারতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনেরা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। আলীকদম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিক উল্লাহ (ওসি) জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি