ঢাকা, ২০১৯-০৬-১৮ ৭:৪৯:০৫, মঙ্গলবার

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রাসেল মাহমুদ (৩৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যংয়ের দৈংগাকাটা পাহাড়ে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র, পাঁচ রাউন্ড কার্তুজ ও পাঁচ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রাসেল নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার উত্তর লক্ষণ ঘোনা এলাকার ফয়েজ আহমদের ছেলে বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, শনিবার ভোরে হোয়াইক্যংয়ের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আমির হামজার বাড়িতে কিছু ব্যবসায়ী ইয়াবা কিনতে এসেছেন- এমন খবরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। পরে রাসেলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফেনীতে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত

ফেনীতে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত হয়েছে। জেলার ২৫ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যৌথভাবে আন্তর্জাতিক এ দিবসটি পালন করে। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার র‌্যালি, জন সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন করা হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবী পরিবারের ব্যানারে ফেনী পৌরসভার সামনে থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাধারণ মানুষের মাঝে রক্তদান বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পরে কমিশনার জয়নাল আবেদীন ব্লাড ব্যাংকে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। ফেনী প্রেসক্লাব একাংশের সভাপতি আসাদুজ্জামান দারার সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজজামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী পৌরসভার প্যানেল মেয়র আশ্রাফুল আলম গিটার, পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা. কৃষ্ণপদ শাহা, ডিবিসি নিউজ’র ফেনী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া, দৈনিক ফেনীর সময়ের সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ফেনী রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি আরিফুল আমীন রিজভী, গ্রান্ড হক টাওয়ারের পরিচালক ইমন উল হক, দৈনিক স্টার লাইন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক নুরউল্লাহ কায়সার প্রমুখ। এমএস/এসি  

দুই জাহাজের সংঘর্ষে চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল বন্ধ

চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলে একটি ফিডার জাহাজের সঙ্গে একটি তেলের ট্যাংকারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে বন্দরের জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কর্ণফুলী চ্যানেলের চট্টগ্রাম ড্রাই ডক ও বোট ক্লাব সংলগ্ন অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ফিডার জাহাজ এক্সপ্রেস মহানন্দা এবং অয়েল ট্যাংকার এমটি বুর্গান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানান বন্দর সচিব ওমর ফারুক। তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কা থেকে সাড়ে সাতশ’ কনটেইনার নিয়ে আসা এক্সপ্রেস মহানন্দা বন্দরে ঢুকছিল। আর এমটি বুর্গান ওই সময় চ্যানেল দিয়ে সাগরের দিকে বেরিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু চ্যানেলের ভেতরে দুই নৌযানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো জাহাজ ডোবেনি। দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজ দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি। আই//    

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুমিল্লা সদর (দক্ষিণ) উপজেলায় এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম বাপ্পি ওরফে রাজিব (২৬)। তিনি উপজেলার উত্তর রামপুর এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেন দেলুর ছেলে।কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কৃষ্ণ ধর জানান, গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার উত্তর বিজয়পুর এলাকায় মাদক উদ্ধারে অভিযান চালায় সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ। উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী বাপ্পি ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এরপর, ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ী বাপ্পিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বাপ্পি মাদক মামলার তালিকাভুক্ত আসামি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মাদক আইনে ১১টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ধারালো অস্ত্র এবং ১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসএ/    

ঈদে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত

ফেনীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার যাত্রী মা-মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আরও দু’জন। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লেমুয়া ভাঙার তাকিয়া নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-জেলার ছাগলনাইয়ার পশ্চিম ঘোপাল গ্রামের আমির উদ্দিন মাষ্টার বাড়ির ব্যবসায়ী লিয়াকত হোসেনের স্ত্রী বিবি জোহরা মুন্নি (৩৫) এবং তার একমাত্র মেয়ে ফারিয়া আক্তার (১৫)। আহত লিয়াকত হোসেন ও তার দু ছেলেকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন। ঘোপাল ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম আজিজুল হক মানিক জানান, লিয়াকত হোসেন তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বিকালে সিএনজি অটোরিকশা করে ফেনী সদরের লেমুয়া তেরবাড়িয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ঈদে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের ভাঙারতাকিয়ায় অটোরিকশা মোড় ঘোরার সময় চট্টগ্রামগামী ইউনিক পরিবহনের যাত্রী বাস দ্রুতবেগে অটোরিকশাকে ধাক্কায় দেয়। এতে অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে মা-মেয়ে নিহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠান। মহিপাল হাইওয়ে পুলিশের এসআই শাহজাহান জানান, ঘাতক বাস জব্দ ও অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছে।

‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের আগে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন সেই সাইফুল

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক চোরাকারবারী  ইয়াবা ডন সাইফুল করিম ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের আগে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু তথ্য দিয়েছেন।  পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৩৩ জন ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীর তথ্য ফাঁস করেছেন সাইফুল। তাদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানও। গত ৩০ মে রাতে নাফ নদীর পাড়ে পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুল নিহত হয়। সে টেকনাফের শীলবুনিয়াপাড়ার ডা. মোহাম্মদ হানিফের ছেলে। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে ৯টি এলজি, ৪২ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ৩৩ রাউন্ড কার্তুজের খোসা ও এক লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাইফুল নিহতের পরদিন ৩১ মে টেকনাফ মডেল থানার এসআই রাসেল আহমদ বাদী হয়ে ৩৩ জন ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে ১৮ আসামির পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা উল্লেখ করা হয়। মামলার এজাহারে বাকিদের নাম উল্লেখ করা হয় নিহত সাইফুলের বরাত দিয়ে। মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে সাইফুল পুলিশের পৃথক জিজ্ঞাসাবাদে টেকনাফ সীমান্তের ইয়াবা ও হুন্ডি চক্রের ৩৩ জনের তথ্য ফাঁস করে গেছেন। এজাহারে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার বিষয়ে সাইফুলের স্বীকারোক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়, সাইফুল করিম পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, মিয়ানমার থেকে আমদানি পণ্যের ভেতরে লুকিয়ে বাংলাদেশে প্রথম ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে আসে সে। তখন থেকে সে টেকনাফসহ সারাদেশে ইয়াবার একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো। তার অন্যতম সহযোগী ছিল টেকনাফের হুন্ডির ডন টিটি জাফর। টিটি জাফরের মাধ্যমে হুন্ডির টাকায় বাংলাদেশে ইয়াবার চালান আনা হতো। সিন্ডিকেট সদস্যদের মাধ্যমে সেই ইয়াবা সারাদেশে পাচার করা হতো। এজাহারে যে ১৮ জনের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা রয়েছে, তারা হলো— টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার মৃত মো. হোসেনের ছেলে জাফর আহমদ ওরফে টিটি জাফর (৩৮), অলিয়াবাদ গ্রামের আবু ছিদ্দিকের ছেলে ছৈয়দ আলম প্রকাশ সোনা মিয়া (৩৫), পুরান পল্লনপাড়ার হাফেজ আবু বক্করের ছেলে (বদির বোনের জামাই) মোহাম্মদ ফারুক (৩০), ডেইলপাড়ার কালা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আমিন (৩৭), শীলবুনিয়াপাড়ার মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে নুর হাছন (২৮), দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার মৃত খুইল্যা মিয়ার ছেলে আমির আলী প্রকাশ বর্মাইয়া আলী (৪৮), টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড় হাবিরপাড়ার মৃত আমির হামজার ছেলে মো. আলী আহম্মদ (৪৫), শীলবুনিয়াপাড়ার মো. রশিদের ছেলে মো. আয়াছ ওরফে বর্মাইয়া আয়াছ (৩৮), তার ছোট ভাই মো. ইয়াছের প্রকাশ বার্মাইয়া ইয়াছের (২৮), শীলবুনিয়াপাড়ার জুবায়েরের ছেলে মো. দেলোয়ার (৩০), কেরুণতলী এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে মো. মিজান (২৮), লেঙ্গুবিলের জাফর চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে মো. হোসেনের ছেলে মো. কাদের (২৮), অলিয়াবাদ গ্রামের সিদ্দিক আহমদের ছেলে রবিউল আলম (২৫), শীলবুনিয়াপাড়ার সোলাইমানের ছেলে মো. শফিক (৪৮), শীলবুনিয়াপাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে মো. শামসু (২৮), উত্তর লম্বরীর মাহবুব শর্দারের ছেলে মো. শামসু (৩৫), মধ্য জালিয়াপাড়ার মো. হোসেনের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান ওরফে আমির সাব ( ৪৮) ও নিহত সাইফুল করিমের ভাগ্নে মো. মিজান (২৭)। এজাহারে আরও বলা হয়, সাইফুল উল্লিখিত আসামিদের মাধ্যমে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করতো। আসামিরা যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে ইয়াবা পাচারের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলির ব্যবসাও নিয়ন্ত্রণ করত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ যে ৭৩ জন ইয়াবাকারবারীর তালিকা তৈরি করেছে, সাইফুল করিম সে তালিকার ২ নম্বরে ছিলেন, আর সবার শীর্ষে সাবেক এমপি বদির নাম। এছাড়া, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাদকসংক্রান্ত একাধিক তালিকায় নামও ছিল সাইফুলের। এছাড়া নিহতের আগে সাইফুল করিম জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে দেশে ইয়াবা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার সহযোগী হিসেবে জড়িত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বেশ কয়েকজন সদস্য, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেছেন বলেও জানা যায়। গত মাসে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুলের দুই ভাইকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক করে কারাগারে প্রেরণ করেন। এ ছাড়া তার পাঁচ ভাইয়ের নাম মাদকের তালিকায় রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে, সাইফুল করিম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার পর সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী ও মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেছে। বদির ভাই মৌলভি মুজিব এতদিন টেকনাফে প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও কিছুদিন ধরে মিয়ানমারের মংডুতে অবস্থান করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ ও তার ছেলে শাহজাহান চেয়ারম্যান ঢাকায় আছে বলে জানা গেছে। সেখান থেকে তারা দুবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। নুরুল হক ভুট্টু কক্সবাজারের একটি আস্তানায় অবস্থান করছে। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ১৮টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে টেকনাফ থানা পুলিশ নুরুল হক ভুট্টু, তার এক ভাই ও বাবার ৩১ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ‘মৃত্যুর আগে সাইফুল পুলিশের পৃথক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকটি সিন্ডিকেটের ৩৩ জন ইয়াবা ও হুন্ডি ডনের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক এমপির দুই ভাইও রয়েছেন। সাইফুল  হত্যা মামলার এজাহারে ৩৩ জনের নাম রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশের এই কর্মকর্তা। আই//

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মুফিজুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে। টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, মুফিজুরকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাতে ইয়াবা উদ্ধারে যায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মুফিজুরের সহযোগীরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থলে মুফিজুর রহমান গুলিবিদ্ধ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

পটিয়ায় মালঞ্চের ৪০ বছর পূর্তি উৎসব অনুষ্ঠিত

পটিয়াস্থ সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী ‘মালঞ্চ প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর পূর্তি উৎসব পুনর্মিলনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়ায় আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মালঞ্চ সভাপতি অধ্যাপক অজিত মিত্রের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিবুকান্তি দাশের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বরণ্য সাংবাদিক ও লেখক নাসিরুদ্দীন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন সংস্কৃতিজন ও পুথি গবেষক মুহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মৃনাল কান্তি বড়ুয়া, আহমদ কবির, অধ্যক্ষ আবু তৈয়ব, অধ্যাপক অভিজিত বড়ুয়া, সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সৈয়দ, প্রধান শিক্ষক এস এম একে জাহাঙ্গীর, মো. লিয়াকত আলী, এড.খুরশীদ আলম, অধ্যাপক ভগিরত দাশ, সাংবাদিক হারুনুর রসিদ সিদ্দিকী, আবদুল হাকিম রানা,ডা.পিন্টু কুমার দে,সোহেল পারভেজ সুমন, আবদুর রহমান রুবেল, রুদ্রু সাজেদুল করিম প্রমুখ।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসিরুদ্দিন চৌধুরী বলেন,‘পটিয়ার ইতিহাস ঐতিহ্য খুবই গৌরবান্বিত।এখানেই শিল্প সাহিত্যের উবর্র ভূমি। ইতিহাসের গৌরবদীপ্তি ব্যক্তিত্বদের গৌরবগাঁথা প্রজম্মের সামনে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য সরকারি বেসরকারী ও ব্যক্তিগত পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন রয়েছে।’নতুন প্রজম্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার কোন বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন,‘কবীন্দ্র পরমেশ্বর, বদিউদ্দিন কাজী, শেখ ফয়জুল্লাহ, চম্পা গাজী, সৈয়দ সুলতান, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, ড. আহমদ শরীফ, নূর মোহাম্মদ সাহিত্যরত্ন, আবদুস সাত্তার, শরচ্চন্দ্র দাসসহ পটিয়ার অসংখ্য সাহিত্যিক ও গবেষক তাঁদের সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুগে যুগে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে গেছেন। তাঁদের ধারাবাহিতকতায় সাহিত্য ও সাহিত্যিক-গুণীজনদের মূল্যায়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে মালঞ্চ।’ এমএস/কেআই

আশরাফুল হক চৌধুরী ব্যাংক এশিয়া’র পরিচালক

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যেকোনো বাণিজ্যিক জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলায় যিনি অত্যন্ত পারদর্শী ও সিদ্ধহস্ত, দীর্ঘ দু’যুগেরও বেশি সময় ধরে বহুজাতিক কোম্পানিতে শীর্ষপদে কাজ করে যিনি প্রচুর অভিজ্ঞতা ও সুনাম কুড়িয়েছেন, বাণিজ্য প্রশাসন পরিচালনা, কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে যার খ্যাতি প্রশ্নাতীত সেই প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব, রাজধানীর একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান স্টার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কনসোটিয়াম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সীতাকুণ্ডের কৃতিসন্তান আশরাফুল হক চৌধুরী সম্প্রতি ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের পরিচালক পদে আসীন হয়েছেন। আশরাফুল হক  সততা, নিষ্ঠা, কর্মকুশলতা, কর্তব্যপরায়ণ ও দায়িত্বশীল কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মক্ষেত্রে অসাধারণ প্রভাববলয় তৈরি করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। একটেল ( বর্তমানে রবি) , এয়ারটেল মোবাইল কোম্পানিসহ দেশিবিদেশী নামীদামী বহু বাণিজ্যিক  প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে কোম্পানির সার্বিক অগ্রগতি ও উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। দক্ষিণ ইউরোপ, স্ক্যানডিভিয়া , উত্তর আমেরিকা  ও ক্যারিবিয়ানে বেসরকারি বাণিজ্যিক উন্নয়নখাত, এইচআরডি ম্যানেজমেন্ট এন্ড পার্সোনাল এডমিনেস্ট্রেশান, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এন্ড কর্পোরেট কমিউনিকেশন,আন্তর্জাতিক বাজার ও রফতানি উন্নয়ন, আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে এ.এইচ চৌধুরী তিনদশকেরও বেশি সময়ের বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। অত্যন্ত চটপটে, কর্মঠ ও বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী আশরাফুল হক কর্মক্ষেত্রে স্বীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সর্বদা অনুগত ও নিবেদিতপ্রাণ। ইংরেজি, বাংলা ও সুইডিশ ভাষায়  তিনি বেশ পারদর্শী । উর্দু  এবং হিন্দিও তিনি খুব ভালো বোঝেন। আশরাফুল হক চৌধুরী ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার মরহুম পিতা মজিবুল হক চৌধুরী এলাকার একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক ও সমাজসেবক ছিলেন। তার বড় ভাই মরহুম আজিজুল হক চৌধুরী ছিলেন পেট্রোবাংলার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা । ১৯৭১ সালে জাফরনগর অপর্ণাচরণ উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় উর্ত্তীণ হয়েছিলেন। তিনি ১৯৮০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি সুইডেনের স্টকহোম ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট স্টাডিজে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালে একই ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য প্রশাসন বিভাগ থেকে  রিচার্স ফেলো  এবং ১৯৯৫ সালে কানাডার টরেন্টো  ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অব ফরেস্ট্রি থেকে  রিচার্স ফেলো অর্জন করেন।  এছাড়াও তিনি ফিনল্যান্ডের হেলসিনকি স্কুল অব ইকোনোমিক্স থেকে এক্সপোর্ট মার্কেটিং  প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করেই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। শিক্ষাজীবন যেভাবে তিনি সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন ঠিক তেমনি কর্মজীবনেও সফলতার সিঁড়ি বেয়ে অনেক দূর এগিয়ে যান। ১৯৮১ সালে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারি পরিচালক হিসেবে। এখানে তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর তিনি ১৯৯০ সালে লন্ডনের কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটে ট্রেড এডভাইজার পদে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে তিনি অর্থনীতি ও বাণিজ্যসম্পর্কিত  উপদেষ্টা হিসেবে রয়েল নেদারল্যান্ড অ্যাম্বাসিতে যোগদান করে বেশ সুনামের সাথে কাজ করেন। এখান থেকে তিনি গ্রামীণ ফোন লিমিটেডের পেরেন্ট অর্গানাইজেশান গ্রামীণ টেলিকম লিমিটেডে প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ লাভ করেন। এখানে তিনি প্রকল্প ব্যবস্থাপনায়  সার্বিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালনপূর্বক স্বীয় যোগ্যতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হন। ১৯৯৭ সালের অক্টোবরে তিনি গ্রামীণ ফোন কোম্পানি  থেকে একটেল-এ জেনারেল ম্যানেজার (এইচ আর এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স) পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ইতোপূর্বে অর্জিত অভিজ্ঞতা তিনি এখানে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সহকর্মীদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন। আশরাফুল হক চৌধুরী এখানেও বেশ সুনাম ও দাপটের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এবার তিনি ২০০১ সালের জানুয়ারিতে ডেল্টাসফ্ট লিমিটেডে ব্যবস্থাপনা পরিচালক/ সিইও হিসেবে যোগদান করেন এবং এখানে প্রায় সাড়ে চার বছর কৃতিত্বের সাথে চাকরি করেন। এখান থেকে তিনি ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়ারিদ ( বর্তমানে এয়ারটেল) টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডে জেনারেল ম্যানেজার (বিদেশবিষয়ক ও সরকারসম্পর্কিত ) পদে যোগ দিয়ে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি গুলশানের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান স্টার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কনসোটিয়াম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। আশরাফুল হক চৌধুরী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও গবেষণাধর্মী কাজে অংশ নিয়ে পেশাগত ক্ষেত্রে প্রচুর অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ২০০১ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল স্মল বিজনেস কংগ্রেসে তিনি অংশ নেন এবং  প্রাইভেট সেক্টর বিজনেস ডেভলপমেন্ট বিশেষ করে আইসিটি টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ২০০৪ সালে  প্রথম বাংলাদেশ  মালয়েশিয়া বিজনেস ফোরামে তিনি  ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট অপরচুনিটিজ ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও তিনি ফিলিপাইন্স, ফিনল্যান্ড, হংকং, জার্মানী, চীন ও সুইডেনে আয়োজিত দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায় ও রফতানি বাজার, মার্কেট স্টাডিজ, সার্ভেজ,পল্লী টেলিযোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা  বিষয়ভিত্তিক সেমিনারে সক্রিয় অংশ নিয়ে সময়োপযোগী প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। আশরাফুল হক চৌধুরী এশিয়ার ভারত , পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর , থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, চীন , মালয়েশিয়া, হংকং ও ওমান , ইউরোপের সুইডেন , সুইজারল্যান্ড. ইতালী, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক, জার্মানী, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং হল্যান্ড , ক্যারিবিয়ান ও আফ্রিকার এসটি লুচিয়া বারবাডস  ও  অন্যান্য ওইসিএস দেশসমূহ এবং আমেরিকা মহাদেশের আমেরিকা ও কানাডাসহ বিশ্বের বহুদেশ ভ্রমণ করেন। আশরাফুল হক চৌধুরী  ব্যক্তিগত জীবনে একপুত্র ও এককন্যা সন্তানের জনক। ছেলে নাবিদ জাহেদ ও মেয়ে ঈশিতা আশরাফ কর্মজীবনে স্ব স্ব ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। তার স্ত্রী তাজমীরা  আশরাফ রাজধানীর স্কলাস্টিকা স্কুলের একজন  সিনিয়র শিক্ষিকা। তিনি পেশাগত ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক  সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। লেখক- প্রধান সম্পাদক, সাপ্তাহিক চাটগাঁর বাণী     

বিজিবির অভিযানে ২৯ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকা মূল্যমানের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বার্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার এক অভিযানে নাফ নদী থেকে ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবি। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে আসছে এমন খবর ছিল বিজিবির কাছে। এই তথ্যের প্রক্ষিতে নাফ নদীতে নৌকায় টহল আরও জোরদার করে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় কয়েকজন ইয়াবা পাচারকারী একটি নৌকা নিয়ে মিয়ানমার দিক থেকে নাফ নদী পার হওয়ার চেষ্টা করলে। বিজিবি তাদের সতর্ক ও থামতে বললে তারা না থেকে গতি বাড়িয়ে দেয়। এ সময় তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালালে ইয়াবা পাচারকারীরা নৌকা হতে নাফ নদীতে লাফ দেয়। নদীতে জোঁয়ার থাকায় অনেক খোঁজাখুজির পরও পাচারকারীদের পাওয়া যায়নি। পরে নৌকা তল্লাশী করে ২৮ কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৯ লক্ষ ৬২ হাজার পিছ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে বিজিবি। বিজিবি টেকনাফ (ব্যাটালিয়ন ২) এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান,  জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। এগুলো বিজিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে। এমএস/কেআই

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে নিহত ৩

রাঙ্গামাটিতে নির্মাণাধীন ভবনের মাটি কাটতে গিয়ে পাহাড় ধসে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরো একজন। আজ রোববার দুপুর দেড়টার দিকে শহরে সরকারি মহিলা কলেজ সড়কসংলগ্ন কাপ্তাই হ্রদের পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- পাপ্পু আহমেদ (২২), সেন্টু মিয়া (৩৫) ও আনফর আলী (৭৫)। নিহতদের সবার বাড়ি রাঙ্গামাটি শহরে বলে জানা গেছে। রাঙ্গামাটি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর করিম অকবর বলেন, ‘রাঙামাটি মহিলা কলেজের পাশে একটি ভবনের ভিত্তি নির্মাণের কাজ করছিলেন চার শ্রমিক। এ সময় মাটি চাপা পড়ে ঘটস্থালেই তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়।’ কোতোয়ালি থানার ওসি জাহিদুল হক রনি জানান, খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত একজনকে উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেলারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ একই হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ওসি। আই/এসএ/  

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টিউশনি থেকে ফেরার পথে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় আহত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রানীবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেকুল ইসলাম ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মারা গেছেন। শনিবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার নগরীর পলিটেকনিক মোড়ে দুর্ঘটনায় শিকার হন সাদেকুল। সাদেকুলের বন্ধুরা জানায়, প্রথম দুই দিন তার শরীরের অবস্থা কিছুটা ভালো থাকলেও তৃতীয় দিন থেকে অবনতির দিকে যায়।  পরে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই আজ সকালে মারা যায় সে। সাদেকের গ্রামের বাড়ী কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায়। পিতৃহীন সাদেক তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলো। তার টিউশনের টাকা দিয়েই চলতো পরিবার। এদিকে সাদেকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাস ও সহপাঠিদের মধ্যে। তার বিভাগের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম বলেন, বন্ধু-বান্ধাবদের সাথে সবসময় হাসি খুশি থাকতো সে। কখনো কারও সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত ছিল না। পড়ালেখায়ও ভালো ছিলো। সে এভাবে আমাদের ছেড়ে চলে যাবে এটা আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন,সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার পাশে ছিল। আমরা তার সার্বক্ষণিক খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি সব ধরনের সহযোগিতা করেছি। এখন যেহেতু সে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে, তার বাড়ীতে লাশ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে দিবো আমরা। এনএম/কেআই    

ফেনী স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব কুবির ইফতার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক সংগঠন ‘ফেনী স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির’ উদ্যোগে ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (৩১ মে) ফেনী শহরে নাহার চৌধুরী চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এ এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহ মুহাম্মদ ফাহিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন, ফেনী জেলার আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক কফিল উদ্দিন। অ্যাসোসিয়েশন বতর্মান সভাপতি বোরহান উদ্দিন এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কফিল উদ্দিন বলেন,অ্যাসোসিয়েশন শুধু আসলে গেলে হবে না, সব সময় একটিভ থাকতে হবে। অ্যাসোসিয়েশন জন্য সময় দিতে হবে এবং সদস্যদের কল্যাণে কাজ করতে হবে। কাজের দক্ষতার অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। কেআই/    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি