ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৫২:২৯

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ডিজিটাল সার্ভিস

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সিস্টেম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সব সেবাসমূহকে ডিজিটাল রূপান্তরের বুধবার পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ইউএসএইড ও ইউএনডিপি এর সহায়তায় পরিচালিত এটুআই এর যৌথ উদ্যোগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং ও সচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং এটুআই এর চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট (ই-গভর্নেন্স) ফরহাদ জাহিদ শেখ। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয় তার বক্তব্যে সমন্বিত সিস্টেম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মোবাইলের মাধ্যমে সব সেবা প্রদানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। এসএইচ/

চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় কাভার্ড ভ্যান ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় অটোরিকশা চালকসহ আরও দু’জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম- বাঁশখালী আঞ্চলিক সড়কে সাধনপুর ইউনিয়নের বাণীগ্রাম বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- রহিমা বেগম (৪৮) ও সুমাইয়া আক্তার (১৩)। তাদের বাড়ি বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া এলাকায়। আহতরা হলেন- অটোরিকশা চালক জামাল হোসেন (২৮) এবং যাত্রী তড়িৎ কান্তি গুহ (৪৮)। তাদের বাঁশখালীর স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, অটোরিকশাটি বাঁশখালী থেকে চট্টগ্রাম শহরের দিকে যাচ্ছিল, আর কাভার্ড ভ্যানটি শহর থেকে বাঁশখালীর দিকে। পরস্পরকে সামনাসামনি অতিক্রম করতে গিয়ে দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। অটোরিকশার চালক ও যাত্রীদের মধ্যে চারজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি আরও জানান, ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যান ফেলে চালক পালিয়েছে। সেটি জব্দ করা হয়েছে। আরকে//

বিশ্ব পরিমন্ডলে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শীতা অর্জনের বিকল্প নেই

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিশ্ব পরিমন্ডলে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে হলে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শীতা অর্জন করতে হবে। শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর এ জন্য চাই দক্ষ ও আলোকিত মানব সম্পদ। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন ও উক্ত বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। উপাচার্য তরুণ শিক্ষার্থীদেরকে সময়ের প্রতি নিষ্ঠাবান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে যথাসময়ে শিক্ষাজীবন শেষ করে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে কাঙ্খিত ভূমিকা রাখার আহবান জানান। দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের কোর্স শিক্ষক মাছুম আহমেদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, চবি প্রক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোমিনুল ইসলাম ও আফরিন সাদী। নবীনদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন সিদরাতুল মুনতাহা। অনুষ্ঠানে উক্ত বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কেআই/

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ভালোবাসা দিলেন চবি শিক্ষার্থীরা

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। এদিনে সবাই কম বেশি প্রিয়জনদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সবাই যখন প্রিয়জনের সান্নিধ্যে সময় কাটাচ্ছে ঠিক সে সময় ব্যতিক্রমী ভালোবাসার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গঠিত সামাজিক সংগঠন ‘পথের পাঁচালি’। বৃহস্পতিবার দুপুরে চবির বুদ্ধিজীবী চত্বরে ‘পথের পাঁচালি’ এবং ‘লাভ ফর চিল্ড্রেন’ এ আয়োজন করেন। এর মধ্যে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষা-সামগ্রী, খাবার বিতরণ, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠার দেড় বছরে পথশিশুদের শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি দিবসগুলোতে বিশেষ আয়োজন করে সংগঠনটি। তারই অংশ হিসেবে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়। ৩৫ জন পথশিশু ‘পথের পাঁচালি’র তালিকাভূক্ত থাকলেও আয়োজনটিতে ছিল ৫৫ জন পথশিশু। উক্ত আয়োজন সম্পর্কে পথের পাঁচালির সভাপতি ওবায়েদ উল্লাহ বলেন, আমরা সপ্তাহের দু’ দিন ঘণ্টাব্যাপী সুবিধাবঞ্চিতদের শিক্ষা দিয়ে থাকি। আমাদের সাময়িক লক্ষ্য হচ্ছে এ বছরে তাদের শিক্ষা কেন্দ্রিক সকল ব্যয়ভার বহন করা। সামনে এটা আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে জুনিয়রদেরও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন শিক্ষার্থী চাইলে আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। উল্লেখ্য, ‘মুকুলে না ঝরে প্রস্ফুটিত হোক জ্ঞানের আলোয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৭ সালের মে মাস থেকে সামাজিক কার্যক্রম শুরু করে পথের পাঁচালি। বাংলা বিভাগে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত ১৫ জন সদস্য এর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার বিকাল চারটা থেকে ঘণ্টাব্যাপী পথশিশুদের শিক্ষা দিয়ে থাকে তারা। তাদের শিক্ষা সামগ্রীর ব্যয়ভার বহনে সংগঠনের সদস্যরা নিজ থেকে চাঁদা দিয়ে থাকে। এছাড়াও বিশেষ আয়োজনে সমাজের গুণিব্যক্তিদের সহযোগিতা নেওয়া হয়। কেআই/  

সিএমপি কমিশনারের সঙ্গে চিটাগাং চেম্বার সভাপতির মতবিনিময়

‘দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান, পিপিএম এর সাথে দামপাড়া পুলিশ লাইনস্থ কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।   সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য পরিবহন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে যানজট নিরসন,পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমেনা বেগম, চেম্বার পরিচালক মো.অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাক মালিক ও কন্ট্রাক্টর এসোসিয়েশন’র সাধারণ সম্পাদক জহুর আহাম্মদ ও উত্তর চট্টগ্রাম ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আহসান উল্ল্যা চৌধুরী হাসান উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে সভায় নিন্মরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়- ১। নগরীতে নির্দিষ্ট কিছু রুটে বড় গাড়ী যেমন ট্রাক,কাভার্ডভ্যান,লরী ইত্যাদি রাত ৮টার পরিবর্তে সন্ধ্যার পর থেকে চলাচলের সময় নির্ধারণ করা হয়। ২। নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের মধ্যে শুধুমাত্র চাল, ডাল ও গম পরিবহনে অনধিক ৫০টি গাড়ী সিএমপি ও চেম্বার অনুমোদিত স্টিকার ব্যবহার সাপেক্ষে দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবে। ৩। প্রয়োজনে শুক্র ও শনিবার সার্বক্ষণিক সব ধরণের গাড়ী চলাচলের অনুমতি প্রদানের বিষয় পুলিশ প্রশাসনের বিবেচনাধীন রয়েছে। ৪। চিটাগাং চেম্বার ও.আর.নিজাম রোডে একটি ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ করবে। ৫। চেম্বারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও অগ্রসর শিল্প প্রতিষ্ঠানের সৌজন্যে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণের আহবান জানানো হয়। কেআই/

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিঙ্গেল সোসাইটির বিক্ষোভ মিছিল

‘প্রেমের  মন্দিরে তালা, বন্ধুত্ব দরজা খোলা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সিঙ্গেল সোসাইটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শালবন বিহারে এসে শেষ হয়। এরপর মুক্তমঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। এ সময় সিঙ্গেল সোসাইটির সভাপতি কুবির ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নিয়ামুল আরাফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাওন এর সঞ্চলনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তরা বলেন, যারা ডাবল হওযার চেষ্টায় আছেন তাদের পদত্যাগের জন্য বলা হয়। ফেসবুকের টাইমলাইন সিঙ্গেলের তকমা ও স্টাটাস দেওয়ার জন্য আহবান করা হয়। ‘ভালোবাসা কেউ পাবে কেউ পাবে না, তা হবে না তা হবে না। কুবির মাটি সিঙ্গেল সোসাইটির ঘাঁটি এ রকম নানান স্লোগানে মুখরিত ছিলো পুরো ক্যাম্পাস। ১২ তম ব্যাচের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, আজকাল প্রেমগুলো শুধুমাত্র লাভ লোকসানের হিসেব নিকাশের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসতে দেখা যায় না অনেকেই তাই সম্পর্কগুলো খুব দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে ও ঘটে আত্মহত্যার মতো ঘটনা। আমরা এই রকম প্রেম-ভালোবাসার তীব্র নিন্দা জানাই। ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী অপু তার ভাষ্য মতে,‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস মানে কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার প্রেমকে বুঝায় না। এই দিনটিতে একটি মানুষ তার চারপাশের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সকল সদস্যদের ভালোবাসা নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ করতে পারে এটাই তার বিশেষত্ব। সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাওন বলেন, বিয়ের আগে অবৈধ প্রেম পরিহার করে বৈধ প্রেমে আসার। ভালোবাসা দিবসে কেউ বঞ্চিত হবে তা হবে না তা হবে না। এ বিষয়ে সংগঠনের সভাপতি নিয়ামুল আরফাত বলেন, প্রেম যেন সার্বজনীন হয়। বিয়ের আগে তথাকথিত প্রেম বিসর্জন দিয়ে সার্বজনীন প্রেমে আসার আহবান জানান। তিনি আরও দাবি জানান, প্রশাসন যেন ক্যাম্পাসের অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গায় লাইটিং এর ব্যাবস্থা করে। কেআই/  

চুয়েট কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর কর্মচারী ক্লাবের ২০১৮-১৯ সালের নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে মো. ফজলুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আজিজুর রহমানসহ বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় পূর্ণ প্যানেল বিজয়ী হয়েছেন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও মানবিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, নির্বাচন কমিশনার ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান খান এবং ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চীফ টেকনিক্যাল অফিসার মোহাম্মদ হারুন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বিজয়ী অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মো. শাহ্ আলম মিয়া, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল ফাহাদ খান, অর্থ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান শাহ্, দপ্তর সম্পাদক মো. সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আবু সাদাত, প্রচার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. শফিউল মোস্তফা এবং নির্বাহী সদস্য মো. বাবুল মিয়া, মো. তসলিম উদ্দীন, মো. হুমায়ূন কবির, মো. সালাউদ্দীন আলম ও মো. জিহাদ বিশ্বাস। কেআই/

লক্ষ্মীপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাইন উদ্দিন মানু (৪৪) ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দ্বিনা মাঝির খেয়াঘাট সংলগ্ন মতলব মাঝির পরিত্যাক্ত বাড়ি থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মাইন উদ্দিন চর কাদিরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহাম্মদ পাটোয়ারির ছেলে বলে জানা গেছে। তিনি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ফেনী, নোয়াখালির চাটখিল, লক্ষ্মীপুর সদর ও কমলনগর থানায় ৬টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওসি মো. আলমগীর হোসেন জানান, চর কাদিরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দ্বিনা মাঝির খেয়াঘাট সংলগ্ন মতলব মাঝির পরিত্যক্ত বাড়িতে ডাকাত দলের অন্তঃকোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ সময় ডাকাত মানুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে গুলিবিদ্ধ মাইন উদ্দিনকে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একে//

চট্টগ্রামে কাল থেকে ৩ দিনব্যাপী ডায়াবেটিস মেলা শুরু

‘আর নয় ডায়াবেটিস ভয়, সচেতন হয়ে করবো জয়’। আসুন, ডায়াবেটিস সম্পর্কে সতেন হই, ডায়াবেটিস মুক্ত পরিবার গড়ি’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হচ্ছে তিনদিন ব্যাপী ডায়াবেটিস মেলা। চট্টগ্রাম ডায়াবেটিস জেনারেল হাসপাতালের উদ্যোগে এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এই উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী জানান, বিশ্বে ৪০ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আক্রান্ত রোগীর ৬৫ শতাংশই বাস করে শহরে। আর যাদের ওজন বেশী অর্থাৎ স্থুল তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ২০ গুন বেড়ে যাবে। যারা ধুমপায়ী তাদেরও ৬০শতাংশ বেড়ে যাবে। এ জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান তিনি। ডায়াবেটিসের ভয়াবহতা  নিয়ে গণ সচেতনতা গড়ে তুলতে মূলত এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কেআই/      

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঋতুরাজ বসন্ত বরণ উৎসব পালিত

ফাল্গুনের হাত ধরেই প্রকৃতিতে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটে। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির  বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়েছে। বসন্তের আগমনে প্রকৃতির সঙ্গে তরুণ হৃদয়েও লেগেছে দোলা। সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে, বিভেদ ভুলে, নতুনের প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে বসন্ত উপস্থিত হয়েছে। আর তাই তো বসন্তের আনুষ্ঠানিক বার্তা জানান দিতে কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন- ‘ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক আজ বসন্ত’। বসন্তের আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের ঐকতান জানান দেয় বসন্ত এসে গেছে। আর তাই বাসন্তী রং শাড়ি পড়ে, কপালে টিপ, হাতে কাঁচের চুড়ি, পায়ে নুপুর, খোঁপায় গাঁদা ফুল আর ছেলেরা ফতুয়া-পাঞ্জাবি, ফতুয়া পড়ে ভালোবাসার বসন্ত বন্দনায় মুখরিত করে সাঁটলের ক্যাম্পাস। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে আড্ডায় ব্যস্ত ছিলো। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ছিল নবীনের দখলে। বেশির ভাগ তরুণ-তরুণীদের ছবি তুলে সামাজিক গণমাধ্যমে শেয়ার করতে দেখা গেছে। বসন্ত অনেক ফুলের বাহারে সজ্জিত হলেও গাঁদা ফুলের রঙকেই পোশাকে ধারণ করে তরুণ-তরুণীরা। খোঁপায় শোভা পায় গাঁদা ফুলের মালা। শীতের রুক্ষতার প্রকৃতির রিক্ততায় ক্যাম্পাসে ছিল না প্রাণের জোয়ার। কিন্তু গাছে গাছে ফুলের মৌ মৌ গন্ধ আর প্রজাপতির উড়াউড়ি  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের বোটানিক্যাল গার্ডেনে এখন বসন্তের আগমনী বার্তা বইছে। বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী নানা আয়োজনে বরণ করে নিয়েছে ঋতুরাজকে। উদীচীর বর্ণাঢ্য এই উৎসবের আয়োজনে বসন্তের প্রকৃতি বর্ণনা ও বন্দনা করা ছাড়াও বাঙালির জীবনে বসন্তের প্রভাব নানা ব্যঞ্জনায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বসন্তের শুভেচ্ছা জানিয়ে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘বসন্তের এ দিনে আমাদের প্রাণপ্রিয় শিক্ষার্থীরা অন্যায়-অবিচার-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে প্রতিহত করে সকল কুসংস্কার ও অন্ধকার শক্তিকে নিধন করে আলোর প্রজ্জ্বলন ঘটিয়ে দেশ তথা বিশ্বকে আলোকিত করবে এটিই হোক বসন্তের শপথ।’ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আহমদ সুমন বলেন, ‘বসন্ত সব সময় মনেই থাকে। প্রকৃতি তাকে রাঙিয়ে তোলে কেবল’ রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শবনম তন্বী বলেন, ‘সকাল থেকেই শাড়ি পড়ে এসেছি। আজ খুবই ভালো লাগছে। বন্ধুদের সাথে ছবি তুলেছি, ঘুরছি। বসন্ত আমার কাছে ঈদ উৎসব।’ বাংলা পঞ্জিকা বর্ষের শেষ ঋতু বসন্তের প্রথম দিনকে আমরা পালন করি ‘পহেলা ফাল্গুন-বসন্ত উৎসব’ হিসেবে পালন করি। এ উৎসব এখন পরিণত হয়েছে বাঙালির নিজস্ব সার্বজনীন প্রাণের উৎসবে। বসন্তের প্রথম মুহূর্তকে ধরে রাখতে তাই তো সবাই মেতে ওঠে নানা উৎসব ও সাজে। বাসন্তি রঙের শাড়িতে বাঙালি নারীকে অপরূপ দেখায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আতিকা চৌধুরী আদ্রিতা, আফিয়া ফারজানা, তুলতুল রামিছা এবং তৌসি বসন্তকে বরণ করতে নিজেদের উদ্যোগে বসিয়েছে মেহেদী দেওয়ার স্টল। যেখানে তরুণীরা এসে লাগিয়ে নিচ্ছেন ইচ্ছে মত মেহেদী। কেআই/

উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় তারেক (২৪) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন শাহাব উদ্দিন (২৩) ও সুজন (২২) নামে আরও দুই যুবক। মঙ্গলবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত তারেক হলদিয়াপালং ইউনিয়নের রুমখাঁ মাতব্বর পাড়া গ্রামের আবু তাহের মিস্ত্রীর ছেলে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া গ্রামে বেড়াতে যায় তিনবন্ধু শাহাব উদ্দিন, সুজন ও তারেক। সেখান থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল নিয়ে ফিরছিলেন তারা। এ সময় তারা মোটরসাইকেল নিয়ে কোটবাজার-সোনারপাড়া সড়কের লম্বরী পাড়ার রাস্তার মাথায় এলে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মাইক্রোবাস সামনে থেকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল চালক তারেক নিহত হন। এ সময় অপর দুই আরোহীকে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কোটবাজার একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। একে//

চট্টগ্রামে বিশেষ সাহিত্য সম্মেলন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়াম প্রাঙ্গনে অমর একুশে বইমেলা মঞ্চে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ সাহিত্য সম্মেলন। বিশেষ সাহিত্য সম্মেলনের উদ্যোগ নিয়েছে কলম সাহিত্য সংসদ-লন্ডন। সহযোগিতায় থাকছে সমাজ, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, মানবাধিকার, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তচিন্তার জবাবদিহিমূলক সংগঠন ‘আমরা করবো জয়’। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর আয়োজনে এবং সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ ও নাগরিক সমাজ, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন-এর উদ্যোগে আয়োজিত বই মেলাকে কেন্দ্র করে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সাহিত্য সম্মেলনের প্রস্তুতি বিষয়ে এক বিশেষ সভা আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন- এর তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত হয়। লেখক ও সাংবাদিক শওকত বাঙালির সভাপতিত্বে সভায় সূচনা বক্তব্য দেন কলমের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম হাবিবী। আলোচনায় অংশ নেন একুশে বইমেলা পরিষদের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন- এর কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউকসহ আরও অনেকেই। বক্তারা বলেন, এ দেশে রাজনৈতিকভাবে মৌলবাদের উত্থান ঘটেছে। গ্রামে-গঞ্জে ফতোয়ার নামে নারীদের নির্যাতন করা হচ্ছে, কখনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লাঞ্চিত করা হচ্ছে। কিন্তু সাংস্কৃতিক পরিম-লের দিকে তাকালে দেখা যায় তারা কখনো এই অশুভ, অমঙ্গলকর দিকগুলোকে পশ্রয় দেয়নি। বইমেলা বাঙালির চেতনাকে জাগ্রত রাখে, চেতনাকে শানিত করে। এটা শুধু বইয়ের জগত নয়। এর সঙ্গে আছে মানুষের সুস্থ-সুন্দর-পরিশীলিতভাবে বেঁচে থাকার অঙ্গিকার। সম্মেলন দিনব্যাপী নানা আয়োজনের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের কলমীদের লেখা নিয়ে ‘শতকলম’ নামে বিশেষ গ্রন্থ ও সম্মেলন উপলক্ষে স্মারক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। আআ// এসএইচ/

কুবিতে আন্তঃবিভাগ ভলিবল প্রতিযোগিতা উদ্ধোধন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আন্তঃবিভাগ ভলিবল টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভলিবল মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ১ম দিনে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ হারিয়ে জয় লাভ করে। দিনের অপর খেলায় ইরফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগকে হারিয়ে জয় লাভ করে একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগ। এবারের আন্তঃবিভাগ ভলিবল টুর্নামেন্টে ১৮ টি বিভাগ অংশগ্রহণ করেছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ফাইনালের মধ্য দিয়ে ভলিবল প্রতিযোগিতা- ২০১৯ পর্দা নামবে। কেআই/  

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি হলেন শেখ ইফতেখার

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হলেন শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। রোববারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সাতটি ও বিএনপি জামায়াত ১২টি পদে জয়লাভ করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান খান আলমগীর চৌধুরী ভোট গণনা শেষে ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নির্বাচনে ১ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের এএসএম বদরুল আনোয়ার ১ হাজার ১৭৪ ভোট পেয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কলেজ থেকে ইসলামিক ইতিহাসে সম্মান ও ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কৃতিত্বের সাথে আইন পাস করেন। ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বিএনসিসির সদস্য হিসেবে তিনটি জাতীয় প্যারেডে অংশ নেন। ক্যাডেটদের সর্বোচ্চ পদক ‘সিইউও’ হিসেবে ক্যাডেট জীবন শেষ করেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রাম স্কাউটের সহকারী পরিচালক হিসেবে আছেন। তিনি বাংলাদেশ এক্স ক্যাডেট এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম চেপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট। ১৯৮০ সালে কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে তিনি কবিতা ও বিতর্ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮২ সালে সংস্কৃতি সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৩-৮৪ সালে যথাক্রমে জিএস ও ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পা্ররন করেন। ১৯৮৫ সালে সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এ আইনজীবী ২০০৭ সালে জেলা আইজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে জাহানারা ইমামের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০০ সালে খন্ডকালীন পিপি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আআ// এসএইচ/

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নামফলক মুছে দিলেন বিক্ষোভকারিরা

জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর’ নামকরণের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নামফলক কালি দিয়ে মুছে দেয় বিক্ষোভকারিরা। মঙ্গলবার সকালে নগরীর কাজীর দেউড়ির জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের সামনে মানব বন্ধন করেছে ‘মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন। এ মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য আবদুর রহিম শামীমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও নগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক রাহুল দাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধারা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বক্তারা বলেন, জিয়ার মতো একজন বিতর্কিত মানুষের নামে কখনও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর হতে পারে না। স্বাধীনতা দিবসের আগে জাদুঘরের নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর’ নামকরণের দাবি জানান তারা। কেআই/  

ছাগলনাইয়া বর্ডারহাট ফের চালু

ফেনীর ছাগলনাইয়ার মধুগ্রাম সীমান্ত হাট দীর্ঘ ৪ সাপ্তাহ বন্ধ থাকার পর উভয় দেশের প্রশাসনিক ব্যক্তিদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত মতে আজ মঙ্গলবার থেকে পুনরায় হাট চালু হয়েছে। গত ১৫ জানুয়ারি হাটে ভারতের একতরফা নীতি ও অসম বাণিজ্য থাকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা হাট বর্জন করে ধর্মঘটের ডাক দেয়। ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা জানায়, ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের ছাগলনাইয়া উপজেলার মধুগ্রাম ও ভারতের শ্রীনগর সীমান্তের দু’ দেশের সম্প্রতি ও বাণিজ্য প্রসারে সীমান্তহাট চালু হয়। হাটের শুরুতে দু’দেশের আশপাশের পাঁচ কিলোমিটারে বসবাসরত গ্রামবাসীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বেচাকেনার উদ্দেশ্যে ২৭ জন করে ব্যবসায়ীকে স্থান বরাদ্ধ দেয় হয়। ভারতীয় বিএসএফ’র কড়াকড়ির কারণে সীমান্তহাট থেকে ভারতীয়দের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় ও কম পণ্য ক্রয় করতে বাধ্য করায় ক্ষতির সম্মুখি হচ্ছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে প্রতি মঙ্গলবার ভারতীয় ব্যবসায়ীরা কোটি টাকার পণ্য বিক্রি করছে বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছে। এ নিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিক বলেও কোন সুরাহা না হওয়া ১৫ জানুয়ারি বিক্ষোভ করে ব্যবসায়ীরা। পরে ২২ জানুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। প্রতি মঙ্গলবার বসা এ হাটে উভয় দেশের ক্রেতাদের দু’শ ডলার পরিমান খরচ করার নিয়ম রয়েছে। এতে ভারতের বিক্রেতারা লাখ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করছে বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছে। কিন্তু ভারতের আইনশৃংখলা বাহিনী তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশি হাটে প্রবেশ করতে দিচ্ছে সীমিতভাবে। পাশাপাশি সল্প পরিমান পণ্য কিনতে বাধ্য করছে তাদের ক্রেতাদের। ফলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত। তাই বাজারে শৃঙ্খলা তৈরি না হওয়ায় ধর্মঘট ডাক দেয়। সীমান্তহাট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান জানান, সোমবার বর্ডার হাট প্রাঙ্গণে উভয় দেশের প্রশাসনিক যৌথ সভায় ক্রেতারা দু’শ ডলার সমপরিমাণ মালামাল ক্রয়সহ ক্রেতাসাধারণ প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়। এরপর হাট ব্যবসায়ীরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে আজ থেকে বাজার চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহেদা ফাতেমা জানান, বাজারে স্থিতি অবস্থা ফিরে আনতে সীমান্তহাট দরবার হলে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপরের অভিযোগগুলো নিয়ে বিশদ আলোচনার পর আজ মঙ্গলবার থেকে বাজার পুনরায় চালু করার সীদ্ধান্ত হয়। এসএইচ/

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে গণস্বাক্ষর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্রলীগ। এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক উপ-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল হাসান দিনার জানান, দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে ‘চাকসু’ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি আদায় হচ্ছে না। নির্বাচন হলে দাবি আদায় সম্ভব হবে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা গণস্বাক্ষর কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। অনতিবিলম্বে চাকসু নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। আগামী দিনে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেওয়াসহ বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে রয়েছে। কেআই/

নোবিপ্রবিতে ‘ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন’ ২১ মার্চ শুরু

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘ছায়া জাতিসংঘ সংস্থার’ অধীনে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন। আগামী ২১-২৪ মার্চ ৪ দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সমগ্র দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিদের কোলাহলে মুখরিত হতে যাচ্ছে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ। ২০১৫ সালে এই সংস্থাটি দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু করে। এর ঠিক পরের বছরই তারা একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তর থেকে তারা বিপুল সাড়া পায়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাদের। ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয় ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন যাতে সারাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধি জড়ো হয়েছিলেন। এরপর ২০১৮ সালেও এই সংস্থাটি তাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সমর্থ হয়। গত দুই বছরের আয়োজন ধারাবাহিকভাবে অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং সর্বমহলে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। এবারও বিপুল সংখ্যক অংশগ্রহণকারীর স্বতঃস্ফূর্ত  অংশগ্রহণ ও পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফলপ্রসূ একটি সম্মেলন আশা করা যাচ্ছে। আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আয়োজনকে সফল করার জন্য তারা দিন-রাত অক্লান্ত  পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাইরে থেকে আগত প্রতিনিধিদের সঠিকভাবে আতিথেয়তা প্রদান করা এবং পূর্বের সম্মেলনগুলোর ন্যায় মান অক্ষুণ্ণ রাখাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য। ছায়া জাতিসংঘ একটি সহশিক্ষা কার্যক্রম যাতে শিক্ষার্থীরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘের আদলে সাজানো কমিটিগুলোতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। জাতিসংঘের আদলে ছায়া সম্মেলনে বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আর কিভাবে সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব সে বিষয়টি সম্পর্কেও জানা যায় এই সম্মেলন থেকে। শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে কূটনীতি,আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গন, জাতিসংঘ ইত্যাদি বিষয়ে ধারণা লাভ করে থাকে। তাছাড়া এর মাধ্যমে আত্মোন্নয়নমূলক বিভিন্ন গুণাবলি যেমন,গঠনমূলক চিন্তাধারা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব, সংকটপূর্ণ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সাবলীল বাচনভঙ্গি, দলগতভাবে কাজ করা, সুস্থ বিতর্ক চর্চা ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে থাকে। এ প্রসঙ্গে নোবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড.এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, `নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের এ ধরণের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সম্যক জ্ঞান থাকা অবশ্যম্ভাবী। ব্যক্তিগতভাবে আমার পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ সব সময় সমর্থন পেয়ে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও পাবে। এই সম্মেলনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।’ কেআই/    

চট্টগ্রামে তিন তারকা নেতার তিন উত্তরাধিকারী

মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে চট্টগ্রামের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করতে চট্টগ্রামে যারা ভূমিকা রেখেছিলেন তারা হলেন আতাউর রহমান খান কায়ছার, আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ও মহিউদ্দিন চৌধুরী। সময়ের ব্যবধানে তিনজনই প্রয়াত হয়েছেন। চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এ তিনজন ছিলেন তারকা নেতা। আজ তারা নেই। তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তাদের সন্তানেরা। এমন রাজনৈতিক স্থলাভিষিক্ততায় একদিকে যেমন অনেকে খুশী তেমনি প্রত্যাশাও বেড়েছে সাধারণ মানুষের। পিতাদের শ্রম, মেধা ও কর্মের মতো তাদের সন্তানরাও ভূমিকা রাখবে সেটাই এখন অনেকের প্রত্যাশা। বর্তমান সরকারের ভূমিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। চট্টগ্রামের আনোয়ারা আসন থেকে নির্বাচিত এ সংসদ সদস্য আওয়ামীলীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র সন্তান। আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু নবম সংসদের নির্বাচিত সদস্য থাকা অবস্থায় ২০১২ সালের ৪ নভেম্বর মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি পাট ও বস্ত্র মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি মোট চার বার ( ১৯৭০, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। প্রায় কিংবদন্তীতুল্য এ রাজনীতিবিদ ১৯৭৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবারা দাপুটে রাজনীতিবিদ হলেও সন্তানরা অনেক সময় সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। তবে সেই ব্যর্থতার পথে হাঁটেননি আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র পুত্র সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। বাবার মৃত্যুর পর পরই সেই আসনে (চট্টগ্রাম- ১২) উপনির্বাচন হলে তাতে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দশম সংসদে নির্বাচিত হয়ে তিনি সরকারের ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও একাদশ সংসদে তিনি একই মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র রাজনৈতিক বন্ধু মহিউদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পরপর তিনবার নির্বাচিত মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী কখনও সরকারের এমপি- মন্ত্রী ছিলেন না। দল বারবার চাইলেও তিনি কখনও কেন্দ্রীয় নেতা হননি। তবু দেশের আনাচে কানাচে তিনি এক নামে পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, বরং গণমানুষের অধিকারের রাজনীতিতেও চট্টগ্রাম বাসীর একমাত্র মুখপাত্র ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এ রাজনীতিবিদ মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আমৃত্য তিনি নগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত (মোট তিন বার) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন- এর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী’র মৃত্যুর পর কে হবেন তার স্থলাভিষিক্ত তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার কমতি ছিল না। আদৌ তার শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারবে কি না তা নিয়ে তার রাজনৈতিক সহযোগীদের মধ্যেও ছিল হতাশা। তবে বাস্তব চিত্র বলছে সেই হতাশা ইতোমধ্যেই কেটে গেছে। বাবার শূন্য পথে বেশ ভালোভাবেই হাঁটছেন ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ছাত্র রাজনীতির কোনও অভিজ্ঞতা না থাকলেও  মহিউদ্দিন চৌধুরীর জীবিতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসেন নওফেল। ২০১৬ সালে আওয়ামীলীগের সর্বশেষ সম্মেলনে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এমন একটি নতুন মুখকে এমন শীর্ষ পদে দেখে অনেকে যেমন বিস্মিত হয়েছিলেন তেমনি আলোচনা - সমালোচনাও কম হয়নি। কিন্তু ফলে যেমন বৃক্ষের পরিচয় পাওয়া যায় তেমনি রাজনৈতিক নেতার পরিচয় পাওয়া যায় তার কর্মে। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণেই হোক বা প্রধানমন্ত্রীর আনুকূল্যের কারণেই হোক, ব্যারিস্টার নওফেল রাজনৈতিক যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে পারছেন তা কিন্তু বুঝাই যাচ্ছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র দু’বছরের মাথায় চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন কোতোয়ালী (চট্টগ্রাম- ৯) থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি তিনি নতুন সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী ও আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোদ্ধা (বয়সে খানিকটা বড়) আতাউর রহমান খান কায়সার। পূর্ব পাকিস্থান জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আতাউর রহমান খান কায়সার আমৃত্যু বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসেডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে তিনি চট্টগ্রামের (আনোয়ারা- বাঁশখালী) থেকে এমএনএ নির্বাচিত হন। চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আতাউর রহমান খান কায়সারের জীবন অনেকটা এক সূত্রে গাঁথা। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে হলে পাল্টে যায় দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। তখন মোশতাক- জিয়া সরকার বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় আতাউর রহমান খান কায়সারকে দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দী রাখে। ১৯৮৭ সালে তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে এরশাদ সরকারের পুলিশ - বিডিআর শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। সেই হামলায় আহত হন তিনি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে তাকে কোরিয়ায় রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হয়। আতাউর রহমান খান কায়সারের স্ত্রী নিলোফার কায়সার চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী নিলুফা কায়সার ও আজীবন রাজনীতিতে ভূমিকা রেখেছেন। কায়সার দম্পতির কোনও পুত্র সন্তান ছিল না। সেই জায়গা থেকে আতাউর রহমান খান কায়সার সময়ের ব্যবধানে বিস্মৃত হয়ে যাবেন কি না তা নিয়ে অনেক পুরোনো রাজনীতিবিদদের মধ্যে মনোকষ্ট ছিল। সেই কষ্টটি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ কায়সার দম্পতির সন্তান ওয়াসিকা আয়েশা খান সংসদ সদস্য হিসেবে (আসন- ৩৩১, মহিলা আসন-৩১) শপথ নেন। দশম সংসদে তিনি সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং অনুমিত হিসাব সংক্রান্ত কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের ব্যুরো অব উইমেন পার্লামেন্টারিয়ানসের সদস্য এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদেও নারী সংসদ সদস্যদের সংরক্ষিত আসনে ওয়াসিকা আয়েশা খান সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই দিক থেকে ওয়াসিকা আয়েশা খান দ্বিতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। দশম সংসদে যারা আওয়ামীলীগের মনোনয়নে নারী সাংসদ হয়েছিলেন তাদের দু’জন ব্যতীত অন্যকেউ এবার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাননি।  দু’জনের একজন ওয়াসিকা আয়েশা খান। বলার অপেক্ষা রাখে না, এ থেকে বুঝা যায় দশম সংসদের ইনিংসে ওয়াসিকা আয়েশা খান- এর পারফর্মেন্স বেশ ভালই ছিল। একুশে টেলিভিশন অনলাইনের পক্ষ থেকে কথা বলেছিলাম ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ- এর সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র সন্তান। ফলে আমার দায়বদ্ধতাটা বেশি। আমার কাজগুলোকে মানুষ আমার বাবার কাজের সঙ্গে তুলনা করছে। ফলে আমি যদি কোথাও হেরে যাই তখন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াটা বেশি হবে। তাই আমাকে সব সময় মাথায় রাখতে হয়, কোথাও হারা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর অর্পিত দায়িত্ব আমি সঠিকভাবে পালন করতে চাই। একই আত্মবিশ্বাসের সুর দেখা গেল ব্যারিস্টার নওফেলের কণ্ঠেও। একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে তিনি বলেন, মানুষ আমার ভেতরে মহিউদ্দিন চৌধুরীকে খোঁজে। এটা আমার জন্য একটা বড় পরীক্ষা। বাবা সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শত প্রতিকূলতার মাঝেও অবিচল ছিলেন। আমিও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আজীবন মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বাবার কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান। তিনি বলেন, বাবার যে বিশাল অর্জন তার কিছুই আমরা পাইনি। এরপরও বাবার দেখানো পথে আজীবন হাঁটতে চাই। ওয়াসিকা আয়েশা খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে দ্বিতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দিল। ফলে আমার দায়বদ্ধতা আরো অনেক বেড়ে গেল। রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের জায়গা থেকে উঠে আসা এ তরুন রাজনীতিবিদদের নিয়ে আশাবাদী চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এমএ সালাম। একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে তিনি বলেন, এ তরুণ রাজনীতিবিদরা দুই দিক থেকে শিখেছেন। একদিকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় তারা সফল তেমনি ছোটবেলা থেকে রাজনীতি দেখেছেন। মানুষের সঙ্গে কীভাবে মিশতে হয় তা দেখেছেন তা আয়ত্ত করেছেন। ফলে আমার বিশ্বাস তারা চট্টগ্রামবাসীর জন্য ভাল কাজ করতে পারবেন। মহিউদ্দিন চৌধুরী, আতাউর রহমান খান কায়সার, আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু গণমানুষের রাজনীতিতে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। দলীয় সংকীর্ণতার বাইরে গিয়ে তারা হয়ে উঠেছিলেন গণমানুষের নেতা। তাদের সন্তানরা সে তালিকায় নিজেদের নিতে পারবেন কি না তা সময় বলে দিবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণী অর্চনা অনুষ্ঠিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণী অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির উদ্যোগে পূজা অর্চনা ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চবি কেন্দ্রীয় বাণী অর্চনা সংসদ-২০১৯ এর সভাপতি প্রফেসর সুকান্ত ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শংকর লাল সাহা,এ এফ রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. গণেশ চন্দ্র রায়, চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলক পাল এবং চবি প্রক্টর প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অদুল-অনিতা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী। উপ-উপাচার্য বাণী অর্চনা ২০১৯ উপলক্ষে উপস্থিত সকলকে স্বাগত ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, দেবী সরস্বতী জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও আলোর দিশারী। ভক্তগণ দেবীকে শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান এবং আশীর্বাদ গ্রহণের জন্য দেবী মায়ের কৃপা দৃষ্টি কামনা করে থাকেন। তিনি শিক্ষার্থীসহ সকলকে দেবী সরস্বতীর আশীর্বাদ গ্রহণের মাধ্যমে অশুভ শক্তিকে নিধন করে সত্য-সুন্দর-কল্যাণকে ধারণ করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করার আহবান জানান। চবি মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সজীব কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় আলোচকের বক্তব্য রাখেন, শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চবি কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায়। এছাড়া অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, চবি সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্রী কুশল বরণ চক্রবর্তী, ঢাকা রমনা কালী মন্দির-এর উপদেষ্টা শ্রী মিলন শর্মা এবং শ্রী পার্থ প্রতীম দাশ। পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান সূচিত হয়। অনুষ্ঠানে চবি সহকারী প্রক্টর জনাব লিটন মিত্র, চবি’র শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা

চট্টগ্রাম সমিতি শিক্ষাবৃত্তি-২০১৮ প্রদান ও সমিতির জীবন সদস্যদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩ টায় চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এ সমিতির বৃত্তি প্রদানের ঐতিহ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে সমিতির সহ-সভাপতি ও শিক্ষাবৃত্তি উপ-পরিষদের আহবায়ক এবং ওয়েল ফুডের সিইও সৈয়দ নুরুল ইসলাম নিজের শিক্ষা জীবনের কিছু অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি তার সময়ে লেখাপড়ার কিছু বৈচিত্র এবং সে সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলেন। তিনি ১৯৭৫ এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার পর শিক্ষা ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন। সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মোবারক এর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষাবৃত্তি উপপরিষদের সদস্য-সচিব সালাহ্উদ্দীন চৌধুরী-এর সঞ্চালনায় শিক্ষাবৃত্তি ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান থেকে তেলাওয়াত করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ড. সৈয়দ মুহম্মদ এমদাদ উদ্দীন, ত্রিপিটক থেকে পাঠ করেন বোধি রতন ভিক্ষু, গীতা পাঠ করেন বাবু অসীম চৌধুরী। পরে সম্মিলিতভাবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।   সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাবুদ। স্বাগত বক্তব্যে তিনি সমিতির ইতিহাস, শিক্ষাবৃত্তির পটভূমি ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত ও সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তার এ সমিতি হাল ধরবে বলে আশা প্রকাশ করেন। হাসপাতাল কমিটির চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম খান দৃঢ় আশা প্রকাশ করে বলেন আজকে যাঁরা সংবর্ধিত হচ্ছে এবং যারা বৃত্তি পাচ্ছেন তারা ভবিষ্যতে যোগ্য নাগরিক হয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন। সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আবদুল মোবারক শিক্ষার্থীদের বাস্তব উদাহরণ দিয়ে আস্থাশীল, আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী হতে বলেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মানুষকে ভালবাসবে, মানবতার জয়গান গাইবে এবং দৃঢ় মনোবলের অধিকারী হবে এই প্রত্যাশা করেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত ও সংবর্ধিত  শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনুভূতি প্রকাশ করেন (১) ফারিয়া হায়দার অর্পি, (২) আব্দে মুহাইমিন চৌধুরী, (৩) ইস্তিলা ইসলাম কথা, (৪) আদিত্য চৌধুরী জয়। অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালে এস.এস.সিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩১ জন ছেলে-মেয়েদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সমিতির সভাপতি ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত ১৪ জনকে চেক ও সংবর্ধিত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ক্রেস্ট ও মূল্যমান বই প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল কমিটির সদস্য সচিব মো. মহিউল ইসলাম মহিম, সাবেক উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর হান্নান বেগম, নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি জয়নুল আবেদনি জামাল, মো. গিয়াস উদ্দিন খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুদ্দিন আহমদ বাবুল, শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরিদুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম.ওয়াহিদ উল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ রাসেল, মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান (মন্টু), মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আনিচ উল মাওয়া (আরজু), নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মনসুর আলী চৌধুরী, মো. কামাল হোসেন তালুকদার, মোঃ গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী, মোস্তফা ইকবাল চৌধুরী (মুকুল), ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ আবছার চৌধুরী, আবরাজ নুরুল আলম এবং সমিতির চার কমিটির সাবেক কর্মকর্তাবৃন্দ ও জীবন সদস্যগণ। সর্বশেষে সমিতির সম্মানিত সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং আগত অতিথিদেরকে আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।  কেআই/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি