ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৪:৫৬:৩৯

লেনদেনে খরা কাটছে পুঁজিবাজারে

লেনদেনে খরা কাটছে পুঁজিবাজারে। দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই’র লেনদেন নেমে এসেছে ৪শ’ কোটি টাকার নিচে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৪২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৫৪টির, আর ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১ পয়েন্ট বেড়ে উঠে আসে ৫ হাজার ২৫২ পয়েন্টে। দিন শেষে লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্য ছিল ৩৭৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সূচক কমেছে সিএসইতে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ১৩৮টির, আর ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের দর ছিল অপরিবর্তিত। আর মোট লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ২৪ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, জেমিনি সী ফুড, আমরা টেকনোলজিস, মালেক স্পিনিং, এইচ আর টেক্সটাইল, সায়হাম টেক্সটাইল ও জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৪শে অক্টোবর। সভায় ৩০শে জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৫ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান আইএসএন লিমিটেড, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, শাইনপুকুর সিরামিক, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালস, নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট, এসিআই ফর্মুলেশনস, এসিআই, হামিদ ফেব্রিকস, আর এন স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, নূরানী ডায়িং, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, মেট্রো স্পিনিং, ম্যাকসন স্পিনিং, আনলিমা ইয়ার্ন, ফরচুন সুজ, আইটি কনসালটেন্টস, মুন্নু সিরামিক ও মুন্নু জুট স্টাফলার্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৫ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৭ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রংপুর ফাউন্ড্রি, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, বেঙ্গল উইন্ডসোর, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যাল, এএফসি অ্যাগ্রোবায়োটেক, আলহাজ টেক্সটাইল, শাশা ডেনিমস, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, এমএল ডায়িং, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টীল, ফার কেমিক্যাল, এপেক্স ফুডস, এপেক্স স্পিনিং, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, সাইফ পাওয়ারটেক, জাহিন স্পিনিং, রেনাটা, ন্যাশনাল পলিমার, গোল্ডেন হারভেস্ট, ডেফোডিল কম্পিউটার্স, জিপিএইচ ইস্পাত, বারাকা পাওয়ার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, সেন্ট্রাল ফার্মা ও সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৭শে অক্টোবর। সভায় ৩০শে জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৮ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ার, দেশবন্ধু পলিমার, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, ফু-ওয়াং সিরামিক, এসকে ট্রিমস, ইয়াকিন পলিমার, সাফকো স্পিনিং, আমান কটন ফাইব্রোস, আমান ফিড, নাভানা সিএনজি, আফতাব অটোমোবাইলস, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, ন্যাশনাল ফিড মিল, দেশ গার্মেন্টস, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, আজিজ পাইপস, আরামিট লিমিটেড, আরএসআরএম স্টীল, আরামিট সিমেন্ট, ফু-ওয়াং ফুডস, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যাল, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, অগ্নি সিস্টেমস, লিবরা ইনফিউশনস, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়াইমেক্স, ইনট্রাকো রিফুয়েলিং, ইনটেক লিমিটেড, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ফাইন ফুডস, জিকিউ বলপেন, আরডি ফুড ও সায়হাম কটন মিলন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৯ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান বিডিকম অনলাইন, ওয়াটা কেমিক্যাল, সালভো কেমিক্যাল, উসমানিয়া গ্লাস ও কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ৩০ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট টেক্সটাইল, সমতা লেদার, গোল্ডেন সন, কেপিসিএল, শমরিতা হাসপাতাল, জেএমআই সিরিঞ্জ, প্রাইম টেক্সটাইল, সাভার রিফ্রাক্টরীজ ও ফ্যামিলিটেক্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ৩০ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ১ নভেম্বর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হাক্কানী পাল্প অ্যান্ড পেপার লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ১ নভেম্বর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ৪ নভেম্বর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ৪ নভেম্বর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। এসএইচ/      

চবিতে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে হাইটেক পার্ক 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে হাইটেক পার্ক। চীন, জাপান, কোরিয়াসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র এ প্রকল্পে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তি নির্মাণের কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ও আন্তরিকতায় নির্মিত হচ্ছে এই পার্ক।     রোববার (২১ অক্টোবর) ৬০-৭০ একর জমি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এটি নির্মাণের বিষয় চূড়ান্ত করেছে সরকার।    ভৌতবিজ্ঞান ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পর থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যন্ত একশ একরের সমতল জমিতে স্থাপন করা হবে এই পার্ক। আইসিটি মন্ত্রণালয় ও চবি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছায় চবিতে আইসিটি মন্ত্রণালয় হাইটেক পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। চীন, জাপান, কোরিয়াসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র এ প্রকল্পে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তি নির্মাণের কাজ করবে। তিন স্তরের কাজ হবে এ আইটি কিংবা হাইটেক পার্কে।এগুলো হলো- ট্রেনিং, ম্যানুফেকচার ও ডিস্ট্রিবিউশন। এ প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তৈরি হবে নতুন নতুন প্রযুক্তি। এখান থেকে এসব প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী বিপণন ও করা হবে।   এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত টিমকে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করে মনে করেছে, এটি এ পার্ক স্থাপনের উপযুক্ত স্থান।   ২১ অক্টোবর মন্ত্রী (আইসিটি) মোস্তফা জব্বার জানিয়েছেন সরকার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হাইটেক পার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৬০-৭০ একর জমি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। আমি জানিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আমরা একশ একর জমি ও দিতে পারবো। কারণ সীমানা প্রাচীর করতে গিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারদিকে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত জমি নির্ধারণ করতে পেরেছি। তিনি বলেন, ভৌতবিজ্ঞান ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পর থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যন্ত একশ একরের সমতল জমি রয়েছে। এ জমি হাইটেক পার্কের জন্য দিতে আমরা আগ্রহী। কয়েক দিনের মধ্যে আইসিটি মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন হবে।    এ দিকে হাইটেক পার্ক নির্মাণে চবি উপাচার্যের আগ্রহ ও সহায়তার বিষয়টি উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে চবি উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী ও চবি কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হানিফ সিদ্দিকীর সঙ্গে তোলা ছবি পোস্ট করে লিখেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান হানিফ সিদ্দিকী, হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আমি। আমরা কথা বললাম এক বিশাল স্বপ্ন নিয়ে। ভিসি স্যার শত একর ভূমি প্রদান করার ব্যবস্থা করলেন। আর আমরা সেখানে একটি ডিজিটাল পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করলাম। অভিনন্দন চট্টগ্রাম।    হাইটেক পার্ক নিয়ে উপাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে। আমরা চাই এর নামকরণ হউক ‘বঙ্গবন্ধু হাইটেক ভিলেজ। আমাদের স্বপ্ন হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হবে দেশের প্রধান আইটি হাব। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের টিম চেয়েছিল যোগাযোগের সুবিধার্থে চবি রেলস্টেশনের পাশে এ পার্ক স্থাপন করতে। কিন্তু ওই স্থানে আমাদের মাত্র আট একর জমি ছিল। আমি তাদের জানাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে সমতল একশ একর জায়গা চাইলেও আমরা দিতে পারবো। ওই জমিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। আইসিটি হাবে পৌঁছাতে স্বতন্ত্র যাতায়াত ব্যবস্থা থাকবে।    উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ প্রকল্পের লিয়াজোঁ অফিসার করা হয়েছে কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হানিফ সিদ্দিকীকে। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় অটোমেশন প্রকল্পের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। চবির প্রতিটি ক্ষেত্রকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দফতর, প্রতিটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট এখন অটোমেশনের আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। লাইব্রেরির জন্য নতুন একটি আইসিটি সেল করা হয়েছে। নতুন করে সাজানো আইসিটি সেল আগামী ২৫ অক্টোবর উদ্বোধন হবে। কেআই/এসি   

জবির বাণিজ্য শাখার ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির প্রথম বর্ষের ‘ইউনিট-৩’ (বানিজ্য শাখা)-এর ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফলে ৬৪৯টি আসনের বিপরীতে ২০০৩ জন পরীক্ষার্থীর নাম প্রকাশ হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে সব শিক্ষার্থী প্রথম মেধা তালিকায় রয়েছে তারা আগামী ২৪ অক্টোবর দুপুর ১২টা হতে ০৩ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত বিষয় পছন্দ করতে পারবে। প্রার্থীদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয় পছন্দ করতে হবে। এতে জানানো হয়, ভর্তির পরেও শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভাগ পরিবর্তন ঘটবে এবং শিক্ষার্থীদেও সেটা মেনে নিতে হবে। পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত বিষয় পছন্দত্রক্রম কোন অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যাবে না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিষয় পছন্দ করতে না পারলে কোন বিষয়ে ভর্তির জন্য বিবেচনা করার আর কোন সুযোগ থাকবে না। মেধা তালিকায় কোন শিক্ষার্থীর নাম না থাকলে পরবর্তী মেধা তালিকার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ও বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (jnu.ac.bd) এবং (admissionjnu.info) পাওয়া যাচ্ছে। এসএইচ/

সুখ সোনার হরিণ, সুখী হতে কিছু উপায় মেনে চলুন! 

সুখ সোনার হরিণ। সবাই সুখী হতে চায়? কিন্তু সুখ তো সহজে মেলে না। অনেক প্রাচুর্যে সুখ নেই। আবার সামান্য কিছুতেই ভরপুর সুখ। সুখী হওয়ার অনেক মাধ্যম আছে। তবে ব্যক্তি বিশেষে সুখের সংজ্ঞা ভিন্ন। তাই বলে কি মানুষ বসে আছে? সুখের সন্ধানে প্রত্যহ মানুষ ছুটছে।   সুখী হওয়ার টিপস নিয়ে বিজ্ঞান গবেষণা করছে। আবার কোন গবেষণায় সুখ সম্পর্কে পুরোপুরি ব্যাখ্যা নেই কোথাও। তারপরেও সুখকর মুহূর্তে ভাসতে হলে কিছু কাজ করতে হবে। যা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন। আসুন জেনে নিই কীভাবে সুখী হবে?    দয়াশীলতার চর্চা: প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আপনি প্রতিদিন অন্যকে সহায়তা করুন। দরিদ্র কিংবা অসহায়কে সামান্য সহায়তার বিনিময়ে আপনার মনে অনাবিল শান্তি এনে দিতে পারে। পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে যে, দয়ালু মানুষের মনে সুখ বিরাজ করে বেশি। একটু দয়াশীলতার চর্চা আপনাকে নিমিষেই সুখী করে তুলবে। শারীরিক ব্যায়াম:  দেহে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধিতে ছড়িয়ে পড়ে অ্যান্ড্রোফিন্স হরমোন। আর এই সুখকর অনুভূতি সৃষ্টি করে। মন ভালো করে দেয়। আর এর জন্য ব্যায়াম একটি অতুলনীয় মাধ্যম। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে, শরীরচর্চা বা কায়িক শ্রম দেহ-মনের অবসাদ দূর করে থাকে। এমনকি বিষণ্ণতার চিকিৎসা পর্যন্ত ব্যায়ামকে কার্যকর থেরাপি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দৌড়ানো, সাইকেল চালনা, ইয়োগা, নাচ ইত্যাদি দারুণ সব ব্যায়াম। প্রতিদিন  ২০-৩০ মিনিট হাঁটলেই কাজ হয়ে যাবে। সবুজ শাক-সবাজি:  সবুজ শাক-সবজি খেলে মন ভরপুর ভালো থাকে। এ খাদ্য উপাদানটি নেতিবাচক মেজাজ এবং বিষণ্নতা দূর করতে ওস্তাদ বলে গণ্য করা হয়। মস্তিষ্কে  ডোপামাইন উৎপন্ন করে। ২০১২ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, মধ্যবয়সীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে গাঢ় রঙের পাতাবহুল শাক-সবজি খেলে তাদের মধ্যে আর মন খারাপ ভাব থাকে না। নিজের জন্য ফুল:  হার্ভার্ডের একদল গবেষক পরীক্ষা করে দেখেছেন, নিজের জন্য ফুল কিনে বাড়িতে গেলে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেকটা দূরীভূত হয়। পরীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা এ কাজের মাধ্যমে আরো অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন। মুখে হাসি:  হাসি মুখ সুখকর অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম। বিজ্ঞানীরা আরও দেখেছেন, এমনকি মন খারাপ থাকা অবস্থায় কোনো কারণ ছাড়া জোর করে হাসলেও চট করে ভালোলাগা অনুভূতি প্রকাশ পাই। হাসির মাধ্যমে মস্তিষ্কে সুখের কেন্দ্রটাকে উন্মুক্ত করা যায়। বেড়াতে যাওয়া:  মন খারাপ হয়ে আছেন? সোজা বাইরে বেড়াতে চলে যান। দিনের ঝকঝকে আলো কিংবা রাতের অসাধারণ সৌন্দর্য উপভোগ করে আসুন। দিনের আলোয় দেহে ভিটামিন ‘ডি’ উৎপন্ন হয়। এই ভিটামিন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করতে পারে। আবার রাতে বাইরের পরিবেশও আপনার মনটাকে ভালো করে  দেয়। লেবু বা কমলার গন্ধ:   সাইট্রাস জাতীয় ফলের গন্ধ মন ভালো করে দেয় বলে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। কমলা, লেবু বা জাম্বুরার গন্ধ দেহে ইতিবাচক রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কাজেই মন ভালো না থাকলে এসব ফলের গন্ধ নিতে পারেন। চাইলে এ ধরনের ফলের এসেনশিয়াল ওয়েল কিনে রাখুন। মনে সুখ আনতে গন্ধ শুঁকে নিন। সুত্র: সিএনএন অবলম্বনে   কেআই/এসি     

মোবাইলের কারণে বাড়ছে যেসব রোগ

মোবাইল ফোন মানুষের অনেক উপকার করে থাকে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় এনেছে বড় এক পরিবর্তন। এখন খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যোগাযোগ করা যায়। কিন্তু এই মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বাড়ছে বেশ কিছু অসুখ। নিম্নে সেগুলো আলোকপাত করা হলো- মোবাইল ফোনে যে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকে বা তা থেকে যে বিকিরণ আসে, তা শরীরের জন্যে কতটা ক্ষতিকর? ফোনের লেডের কারণে কি টিউমার হতে পারে? এসব থেকে বাঁচার কি কোনো উপায় আছে? গত কয়েক বছর ধরেই এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও এখনো সব প্রশ্নের পুরোপুরি উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়তো ব্রেন টিউমার বা মাথা ও গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলি শহর একটি রুল জারি করেছে যেখানে প্রতিটি মোবাইল সেন্টারের দেয়ালে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে হবে, মোবাইল ব্যবহারের এই স্বাভাবিক মাত্রার উল্লেখ। কারণ বেশিরভাগ ফোনেই আপনি এটা খুব সহজে খুঁজে পাবেন না। মার্কিন এবং কানাডিয়ান ক্যান্সার বিজ্ঞানিরা ইদানিং অনেক ক্যান্সারের রোগীকেই পাচ্ছেন, যাদের মাত্রাতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের অভ্যাসের সঙ্গে ক্যান্সারকে মেলানোর যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যেমন, ২১ বছর বয়সী স্তন ক্যান্সারের একজন রোগী। নিজের ফোনটা সে সাধারণত অন্তর্বাসের ভেতরে রাখতো। দেখা গেল, তার স্রেফ একটি স্তনে ক্যান্সার হয়েছে এবং ৩/৪ টি আলাদা আলাদা এমন আকৃতির টিউমার জন্মেছে যা তার বয়সী কোনো নারীর হওয়ার কথা নয়। এবং তার স্তনের ঠিক সে জায়গাগুলোতেই এই টিউমারের বিস্তৃতি হয়েছে যেখানে সে ফোনটা রাখতো। গবেষকরা বলেন, আপনার দেহের যে অংশগুলো মোবাইল ফোনের বেশি কাছাকাছি থাকে, সে অংশগুলোর ঝুকিও বেশি। যেমন, পুরুষরা বেশিরভাগ সময়ই মোবাইল রাখে তাদের প্যান্টের সামনের বা পেছনের পকেটে। ১০ বছর ধরে পরিচালিত হয়েছে এমন একটি পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে, এতে করে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ যেমন কমেছে, তেমনি কমেছে এর উর্বরাশক্তি। এসএইচ/

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতিষ্ঠানে র‌্যাবের অভিযান 

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দুটি প্রতিষ্ঠানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।    র‌্যাব ৪ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তিনজন ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিকেলস লিমিটেডের কারখানায় একযোগে অভিযান শুরু করে। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে সহায়তা করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রাসেল হাসান এবং সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণব কুমার ঘোষ। অভিযান শেষে এক ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম জানান, গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিউটিক্যালে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ উৎপাদন ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রোম্যাটারিয়াল্স দিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন করায় ট্রাস্ট্রিকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ল্যাবটি সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়া গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র হাসপাতালের লাইসেন্স থাকায়, অপারেশন বিভাগের সরঞ্জামাদি পুরাতন ও প্যাথলজি বিভাগের বিভিন্ন দোষত্রুটির জন্য ১০ লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি লাইসেন্স করার জন্য এক মাসের সময় দেয়া হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। তিনি বলেন, এটা তাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ। এ অভিযান যে কোনো প্রাইভেট ক্লিনিক বা হাসপাতালে অব্যাহত থাকবে। এসি   

স্বাধীনতা বিরোধীরা একাত্তরের মতো আক্রমণ করতে পারে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের সংখ্যালঘু নির্যাতনের আশঙ্কা প্রকাশ করছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। সংগঠনটি জানায়, চলতি বছর ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হলেও স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনও সক্রিয়। তারা যে কোনো সময় একাত্তরের মতো আক্রমণ করতে পারে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কার কথা জানান সংগঠনটির আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চলতি বছর এখন পর্যন্ত তিনটি বড় ধর্মীয় উৎসব পালিত হয়েছে কোনো রকম অঘটন ছাড়াই। দেশের মানুষের সম্প্রীতি মনোভাবের কারণেই অন্ধকারের কুশীলবরা কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনি। দেশের মানুষ তার যোগ্য নেতৃত্বে সব ধরনের অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, আমরা এখন আর সংখ্যালঘু মনে করি না। বাঙালির যে কোনো উৎসবের সঙ্গে অর্থনীতির যোগ রয়েছে। সম্প্রীতি উদযাপিত দুর্গোৎসবে বাণিজ্যিক লেনদেন হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধুর দেশে কোনো অঘটন ঘটলে আমরা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবো। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান বলেন, যারা গণতন্ত্রের নামে দেশে অঘটন ঘটিয়েছে আমরা সেই শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে চাই না। সম্প্রীতির দেশকে রক্ষায় নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। এর বিকল্প মানেই সম্প্রীতি নষ্ট, নির্যাতন, একাত্তরের পরাজিত শক্তির উত্থান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ড. অসিম কুমার সরকার, ড. মামুন আল মাহতাব, ড. নুজহাদ চৌধুরী। এসএইচ/

এরদোয়ান কী সৌদি-মার্কিন চাপের মুখে? 

সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকান্ড নিয়ে আজ পার্লামেন্টে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান যে বক্তৃতা দিয়েছেন, তাতে তিনি `কি নগ্ন সত্য উদ্ঘাটন করেন` তা নিয়ে ব্যাপক কৌতুহল থাকলেও বাস্তবে দেখা গেল - এতে তেমন নতুন তথ্য ছিল খুবই কম।   বিশ্লেষকরা বলছেন, হয়তো তিনি সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করতে চান না - আর এর পেছনে পর্দার অন্তরালে হয়তো মার্কিন চাপ বা অন্য কিছু কাজ করে থাকতে পারে।    এরদোয়ান আজ কী বলেন, তা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই একটি ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কারণ তিনি নিজেই কদিন আগে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, আজকের বক্তৃতায় তিনি জামাল খাশোগজির হত্যাকান্ড সম্পর্কে `নগ্ন সত্য` ফাঁস করে দেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আজ যা প্রকাশ করলেন - তাতে আসলে ঘটনা সম্পর্কে নতুন তথ্য কমই জানা গেছে। তুর্কী কর্তৃপক্ষ এর আগে হত্যাকান্ডের ঘটনার যে অডিও রেকর্ডিং থাকার কথা বলেছিল, সেটির কোন উল্লেখও এরদোয়ানের বক্তৃতায় ছিল না। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কোন উল্লেখই এরদোয়ান বক্তৃতায় করেননি, যিনি এই হত্যাকান্ডের নির্দেশ দেন বলে বিশ্বাস করেন অনেকে। খাসোগির মৃতদেহ কোথায়, এবং কে তাকে হত্যা করার আদেশ দিয়েছে` - সৌদি আরবের কাছে তা জানতে চান এরদোয়ান তার ভাষণে। তবে সৌদি বাদশাহ সালমানের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি এরদোয়ান। তিনি বলেন, এরকম প্রশ্ন তোলার কোন কারণ তিনি দেখছেন না। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেছেন, এই হত্যাকান্ড ছিল খুবই একেবারেই পূর্ব পরিকল্পিত, খুব বর্বর এবং সহিংস পদ্ধতিতে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। কিন্তু হত্যাকান্ডের ব্যাপারে যেসব তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে তা এরদোয়ান প্রকাশ করেন নি। বিবিসির বিশ্লেষক মার্ক লোয়েন বলছেন, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সংঘাতে জড়াতে সাধারণত দ্বিধা করেন না। কিন্তু এক্ষেত্রে মনে হচ্ছে, তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে এখনো কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চান। "এর কারণ হয়তো পর্দার অন্তরালে ওয়াশিংটনের চাপ বা অন্য কোন কিছু" - বলছেন মার্ক লোয়েন। ব্যাপারটা যাই হোক, বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জামাল খাশোগির হত্যাকান্ড সম্পর্কে যতটা প্রশ্নের উত্তর জোগালেন, তার চেয়ে যেন নতুন প্রশ্ন তুললেন অনেক বেশি। বিবিসি বাংলা এসি    

দীপিকা কীভাবে সহ্য করে রণবীরকে, প্রশ্ন অক্ষয়ের!   

বলিউডের দুই সুপারস্টার তারকা দীপিকা-রণবীরের বিয়ের তারিখ নিয়ে লোক মুখে ব্যাপক গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিয়ে নিয়ে রোববার নিজের বিয়ের দিন প্রকাশ্যে এনে সকলকে চমকে দিয়েছেন দীপিকা।     আগামী ১৪ ও ১৫ নভেম্বর দু’দিন ব্যাপী তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছে জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন তিনি। তাঁদের বিয়ে নিয়ে তারকারা যখন উচ্ছ্বসিত, তখন রণবীর-দীপিকার রসায়ন নিয়ে বিশেষ প্রশ্ন ছুঁড়লেন বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমার!   এদিকে করণ জোহরের ‘কফি উইথ করণ সিজন সিক্স’- এর প্রথম পর্ব ইতিমধ্যেই সম্প্রচারিত হয়েছে। যে পর্বে হাজির হয়েছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন ও আলিয়া ভাটের মত জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই এই পর্বের বিভিন্ন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ‘কফি উইথ করণ’ এর পরবর্তী পর্বের বেশকিছু ভিডিও। যে পর্বে দেখা যাবে অক্ষয় কুমার ও রণবীর সিং জুটিকে। তবে এরই মধ্যে শোয়ের প্রমো সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে শোতে অমন্ত্রিত আক্কি, রণবীরের কার্যকলাপ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। অক্ষয়কে বিন্দুমাত্র কথাই বলতে দিচ্ছেন না রণবীর। এই কাণ্ড-কারখানাতেই অতিষ্ঠ অক্ষয় কুমার বিষ্মিত হয়ে বলেই বসেন, মানতেই হবে দীপিকার অসীম সহ্য ক্ষমতা যে রণবীরের মতো ছেলে সহ্য করেন। আর অক্ষয়ের এই প্রতিক্রিয়ার পরই রণবীর ও অক্ষয় দু`জনেই হাসিতে ফেটে পডেন।   একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে অক্ষয় কুমার ও রণবীর সিং একে অপরের কার্যকলাপ নিয়ে মজা করতে শুরু করেন তারা।   কেআই/এসি      

একাধিক বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেবে ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস্ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ছয় পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেবে। আগহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন।      পদের নাম ও পদসংখ্যা প্রভাষক পদে- ১) মার্কেটিং-০২ টি ২) ম্যানেজমেন্ট-০১ টি ৩) ফাইন্যান্স-০১ টি ৪) অ্যাকাউন্টিং-০২ টি ৫) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক-০২ টি ৬) ইকনোমিক্স-০২ টি   আবেদনের নিয়ম আবেদনের নিয়ম, যোগ্যতা এবং বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট http://www.bup.edu.bd  দেখুন। আবেদনের সময়সীমা অগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১২ নভেম্বর ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। সূত্র: দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ এমএইচ/এসি   

ঝুমুর-টুসু-ভাদু শীর্ষক বিশেষ গানের অনুষ্ঠান

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে শিল্পী মনিরা ইসলাম পাপ্পু ও টুম্পা দাশ এর পরিবেশনায় ‘ঝুমুর-টুসু-ভাদু’ শীর্ষক বিশেষ গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। টুসু গানের মূল বিষয়বস্তু লৌকিক ও দেহগত প্রেম। এই গান শিল্পীর কল্পনা, দুঃখ, আনন্দ ও সামাজিক অভিজ্ঞতাকে ব্যক্ত করে। কুমারী মেয়ে ও বিবাহিত নারীরা তাঁদের সাংসারিক সুখ দুঃখকে এই সঙ্গীতের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন। এছাড়া সমকালীন রাজনীতির কথাও ব্যাপক ভাবে এই গানে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। ভাদু গান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি প্রাচীন লোকগান। এই গান রাজ্যের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা ও বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমা এবং ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাঁচি ও হাজারিবাগ জেলার লৌকিক উৎসব ‘ভাদু উৎসবে’ এই গান গাওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে সামাজিক সচেতনা মূলক প্রচারের জন্য ভাদু গান গাওয়া হয়। ঝুমুর গান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড ও উড়িষ্যা রাজ্যের বিস্তির্ণ অঞ্চলে প্রচলিত লোকগীতি বিশেষ। এক সময় ঝুমুর গানগুলি মুখে মুখে রচিত হত এবং কোন ভণিতা বা পদকর্তার উল্লেখ থাকতো না। চৈতন্য পরবর্তী যুগে ভণিতাযুক্ত ঝুমুরের সূচনা হয়।এসএইচ/

মেডিটেশন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়  

আরমান আহমেদ (ছদ্মনাম)। পেশায় ডেন্টাল সার্জন। নিজে চিকিৎসক ছিলেন বলে স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন ছিলেন বরাবরই। প্রতিদিন নিয়ম করে একঘণ্টা হাঁটতেন, খাবারেও অতিরিক্ত তেল-চর্বি এড়িয়ে চলতেন সবসময়। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, মাত্রাতিরিক্ত কোলেস্টেরল কিছুই তার ছিল না। ওজনও ছিল শতভাগ নিয়ন্ত্রণে। হঠাৎ একদিন শোনা গেল, তার হার্ট অ্যাটাক করেছে। তিনি সিসিউতে ভর্তি আছেন। আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব কারোরই বিশ্বাস হতে চাইলো না খবরটা। এমন পরিমিত আর নিয়মনিষ্ঠ জীবনযাপন যার, তার কীভাবে হার্ট অ্যাটাক হলো। দিন কয়েক বাদে ধীরে ধীরে একটু সুস্থ হতে শুরু করলে ডাক্তার তার কেস-হিস্ট্রি নিতে গিয়ে বুঝলেন, আরমান সাহেবের হার্ট অ্যাটাকের কারণ মূলত তার মানসিক চাপ। পারিবারিক কিছু অশান্তিতে ভুগছিলেন, মাস কয়েক ধরে একটা অসহনীয় অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, অসহ্য এক স্ট্রেস প্রতিনিয়ত কুরে কুরে খাচ্ছিল তাকে। যার অন্যতম পরিণতি এই আকস্মিক হার্ট অ্যাটাক।     ধূমপান, মেদস্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস, অতিরিক্ত কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার ইত্যাদির পাশাপাশি টেনশন ও স্ট্রেস হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ। গত শতকের শেষভাগে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক গবেষণার ফলে বিভিন্ন প্রাণঘাতী রোগ, বিশেষত হৃদরোগের সাথে স্ট্রেসের যোগসূত্রের বিষয়টি তো এখন স্পষ্ট। মার্কিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ক্রিচটন বলেন, হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ মানসিক চাপ। দীর্ঘ গবেষণার পর তিনি দেখিয়েছেন যে, কোলেস্টেরল বা চর্বিজাতীয় পদার্থ জমে করোনারি আর্টারিতে রক্ত চলাচল কমিয়ে দিলেই যে হার্ট অ্যাটাক হবে এমন কোনো কথা নেই। দেখা গেছে, করোনারি আর্টারির ৮৫% বন্ধ অবস্থা নিয়েও একজন ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিয়েছে; আবার শুধুমাত্র স্ট্রেস, টেনশন বা মানসিক চাপের কারণে একেবারে পরিষ্কার আর্টারি নিয়ে আরেকজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মেয়ার ফ্রেডম্যান তার সহকর্মী রোজেনম্যানকে নিয়ে পঞ্চাশের দশকে একটি গবেষণা-প্রতিবেদন তৈরি করেন। তাতে বলা হয়, হৃদরোগের সাথে অস্থিরচিত্ততা, বিদ্বেষ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি, তীব্র অনুভূতিপ্রবণতা অর্থাৎ নেতিবাচক জীবনদৃষ্টির সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। আর এ ধরনের ব্যক্তিত্ব-বৈশিষ্ট্য দেখা যায় যাদের মধ্যে তাদেরকে গবেষকদ্বয় অভিহিত করেন টাইপ এ ব্যক্তিত্ব (Type A Personality) হিসেবে। ১৯৭৪ সালে তারা এ নিয়ে একটি বইও লেখেন-‘টাইপ এ বিহেভিয়ার এন্ড ইয়োর হার্ট’। বইটি তখন বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। মূলত তখন থেকেই টাইপ এ পার্সোনালিটি বাক্যটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূলধারায় ব্যাপক পরিচিতি পায়। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি, সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্যে চাই মানসিক প্রশান্তি ও সঠিক জীবনদৃষ্টি। আর মানসিক প্রশান্তি ও চাপমুক্ত জীবনের জন্যে মেডিটেশনের ভূমিকা এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃৎ ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ-এর মহাসচিব জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আব্দুল মালিক তার আত্মজীবনী ‘জীবনের কিছু কথা’ বইয়ে লিখেছেন, ‘শরীরের ওপর মনের প্রভাব অপরিসীম। তাই দেহের পাশাপাশি মনের যত্ন নেয়াও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মন বা আত্মা ভালো না থাকলে শরীরও ভালো থাকে না। কাজেই আমাদের দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্যে নিয়মিত নামাজ, প্রার্থনা ও মেডিটেশন করা উচিত। চাপমুক্ত জীবনযাপন, মানসিক সুস্বাস্থ্য ও সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্যে রিলাক্সেশন বা শিথিলায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বে তাই এটি দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে’। একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এটি এখন প্রমাণিত সত্য যে, মেডিটেশন হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় দুক্ষেত্রেই কার্যকর ভূমিকা রাখে। সাধারণভাবে, রক্তের উচ্চ কোলেস্টেরল হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ। মেডিটেশন এই অস্বাভাবিক বেশি কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমিয়ে আনতে পারে। মেডিকেল কলেজ অব জর্জিয়ার ফিজিওলজিস্ট ডা. বার্নেস ১১১ জন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীর ওপর একটি গবেষণা চালান। তিনি বলেন, কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ ব্যবহার করে আগে যে ফল পাওয়া যেত, তা-ই পাওয়া সম্ভব মেডিটেশনে। ২০০৭ সালে আমেরিকান সাইকোসোমাটিক সোসাইটির বার্ষিক কনফারেন্সে তিনি এ রিপোর্টটি পেশ করেন। এ-ছাড়াও ১৯৭৯ সালে দুজন গবেষক এম জে কুপার এবং এম এম আইজেন ২৩ জন উচ্চ কোলেস্টেরল রোগীর মধ্যে ১২ জনকে মেডিটেশন করান। ১১ মাস পর দেখা যায় যে, মেডিটেশনকারী দলের কোলেস্টেরল ২৫৫ থেকে ২২৫-এ নেমে এসেছে। মেডিটেশন করোনারি ধমনীর ব্লকেজ ও রক্তচাপ কমায়-বিজ্ঞানীরা এতদিন জানতেন শুধু এটুকুই। কিন্তু মেডিটেশনের মনোদৈহিক প্রভাব সম্বন্ধে সাম্প্রতিক যে তথ্যটি এখন তাদের আলোচনার বিষয় তা হলো, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধসহ হৃদরোগজনিত যে-কোনো অকালমৃত্যু ঠেকাতে মেডিটেশন অত্যন্ত কার্যকরী। আমেরিকায় ২০১ জন আফ্রো-আমেরিকান হৃদরোগীকে নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা নিয়মিত মেডিটেশন করেন তাদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অন্যান্যদের তুলনায় শতকরা ৪৭ ভাগ কমে গেছে। এ প্রসঙ্গে গবেষকদের একজন থিওডর কচেন্ বলেন, মানুষ ওষুধ পেলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে, কিন্তু আমাদের গবেষণায় এটাই প্রমাণিত হলো যে, স্ট্রেসজনিত রোগের ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকরী পন্থা মেডিটেশন। রিডার্স ডাইজেস্ট-এ প্রকাশিত হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা বিষয়ক একটি স্বাস্থ্য-প্রতিবেদনে এ তথ্যগুলো প্রকাশিত হয়। শুধু তা-ই নয়, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে মেডিটেশনের ভূমিকার সত্যতা এখন স্থান পেয়েছে কার্ডিওলজির প্রধান প্রধান পাঠ্যবইয়ের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতেও। হার্ট’স: দি হার্ট Hurst`s : The Heart বইটির দ্বাদশ সংস্করণে বলা হয়েছে-‘... মেডিটেশন জীবনে শৃঙ্খলা নিয়ে আসে। শরীর স্থির হয়, মন হয়ে ওঠে প্রশান্ত। এর ফলে একটি নিরাময়ের অনুরণন সৃষ্টি হয়, যা হৃদরোগের ভীতিকর বুকব্যথা থেকে মুক্তি দেয় এবং জীবনমানের উন্নতি ঘটায়। হৃদরোগীদের জীবনধারা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাই এর ভূমিকা রয়েছে এবং এটি এথেরোরিগ্রেশন করে বা করোনারি ধমনীতে জমে থাকা কোলেস্টেরলের নিঃসরণ ঘটায়।’ (পৃষ্ঠা ২৪৬৮)। Braunwald`s Heart Disease বইটির অষ্টম সংস্করণে ১১৫৭ পৃষ্ঠায় রয়েছে-‘... মেডিটেশন, যোগ ব্যায়াম, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস (প্রাণায়াম) ব্যথা-বেদনা ও দুশ্চিন্তা দূর করে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, এ পদ্ধতিতে মানসিক চাপ কমে ও রোগনিরাময় সুসম্পন্ন হয়। এ-ছাড়াও মেডিটেশন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়।’ তাই হৃদযন্ত্রের সুস্থতার জন্যে মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন করুন। আর তা সম্ভব নিয়মিত মেডিটেশন বা ধ্যানমগ্নতায়। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট মেডিটেশন আপনাকে নিয়ে যাবে নতুন আনন্দলোকে। প্রশান্তি হবে আপনার নিত্যসঙ্গী। অযাচিত সব দুঃখ-কষ্ট আর নেতিবাচকতা আপনার কাছ থেকে পালিয়ে যাবে দূরে, অনেক দূরে। আপনি হয়ে উঠবেন সুস্থ সুন্দর প্রাণবন্ত এক নতুন মানুষ। তথ্যসূত্র :   Hurst`s : The Heart (12th edition)Braunwald`s Heart Disease (8th edition)রিডার্স ডাইজেস্ট (সেপ্টেম্বর ২০১০) এসি     

বাংলাদেশের ন্যায় এসডিজি ট্র্যাকার ব্যবহার করবে পেরু সরকার

বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ-দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে নাগরিক কেন্দ্রিক পরিষেবা সরবরাহের ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার পেরু সরকার বাংলাদেশের ন্যায় তাদের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের ট্র্যাকিং করবে ‘এসডিজি ট্র্যাকার’ সিস্টেম ব্যবহার করে। এসডিজি এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের এটুআই এবং পেরু সরকারের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স (আইএনইআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং পেরুর পক্ষে আইএনইআই-এর ডেপুটি চিফ ড. আনীবাল সানসেজ এগুইলার নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। দুবাইয়ের ইউএন ওয়ার্ল্ড ডাটা ফোরামে আজ ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ এটুআই, আইএনইআই এবং চিলড্রেন ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ফাউন্ডেশন (সিআইএফএফ) যৌথভাবে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এটুআই কর্তৃক নাগরিক কেন্দ্রিক সেবা প্রদান সম্পর্কিত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ এবং এসডিজি ট্র্যাকারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য একটি শক্তিশালী পদ্ধতি, এসডিজি ট্র্যাকার ব্যবহার করবে। এই ট্র্যাকার পদ্ধতিটি সমন্বিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন পর্যবেক্ষণ সক্ষম এবং সূচক দ্বারা নির্দেশক। এসডিজি ট্র্যাকার সিস্টেমটির মাধ্যমে প্রতিটি উন্নয়ন প্রেক্ষাপট এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ক্ষেত্রে সমন্বয় করা যায়। এটি অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দক্ষ সম্পদ বরাদ্দ এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণের দিকে পরিচালিত করবে। নাগরিক কেন্দ্রিক পরিষেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার বিনিময় সহজতর করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ-দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে কাজ করে চলেছে সাউথ সাউথ নেটওয়ার্ক ফর পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন (এসএসএনফোরপিএসআই)। অংশীদারিত্ব এসডিজির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য এবং তাদের অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। উল্লেখ্য, এটুআই এবং পরিকল্পনা কমিশনের আওতাধীন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) যৌথভাবে এসডিজি ট্র্যাকার ডিজাইন এবং বাস্তবায়ন করেছে। এই ট্র্যাকার সিস্টেমটির মাধ্যমে অনলাইন ডাটা ভান্ডার তৈরি করে সঠিকভাবে এসডিজি’র নির্দেশকগুলোর উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ করা যায়। বাংলাদেশের এটুআই এবং পেরুর আইএনইআই যৌথভাবে এসডিজি ট্র্যাকার, সাউথ-সাউথ কোঅপারেশন এবং নাগরিক কেন্দ্রিক নাগরিক পরিষেবার বিকাশকে শক্তিশালী করে তুলবে এবং আরও কার্যকর করবে। এটি ভবিষ্যতে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন ও এসডিজি অর্জনে আরও নতুন সুযোগ এবং সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। এই অংশীদারিত্ব যৌথ সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম সাউথ সাউথ নেটওয়ার্ক ফর পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন-এর মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। যেখানে সরকার, বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, একাডেমী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ (এই নেটওয়ার্কের সদস্য) তাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নাগরিক সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্ভাবন করছে। এটি সরকার এবং নাগরিকদের এসডিজি এবং অন্যান্য উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জনে সহায়তা করবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ইউএনডিপি এবং ইউএসএইড এর সহায়তায় এটুআই নাগরিকবান্ধব সেবা প্রদান নিয়ে কাজ করে চলেছে, যা এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে দক্ষিণের অন্যান্য দেশগুলোর সাথে উক্ত সেবা প্রদানের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, আইএনইআই-এর টেকনিক্যাল কোঅপারেশন স্পেশালিস্ট মি. লুইস কেলি রোসাসকো, এটুআই-এর হেড অব রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট এ্যান্ড ডাটা ড. রমিজ উদ্দিন এবং ইউএন স্ট্যাটিস্টিক্স ডিভিশন ও মেক্সিকোর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি (আইএনইজিআই) এর প্রতিনিধিরা। এসএইচ/

ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুক্তি 

সম্প্রতি ব্যাংক এশিয়া আইপিএফএফ-টু-প্রকল্প থেকে তহবিল সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।   আইপিএফএফ-টু (ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এন্ড ফিন্যান্সিংফ্যাসিলিটি-টু) বাংলাদেশ সরকার এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ) এর একটি যৌথ আর্থিক তহবিল প্রকল্প যার মোট তহবিলের পরিমান ৩২৮৯ কোটি টাকা, এর মধ্যে ১০২.৩১ কোটি টাকা কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং ৩০১৭৭ কোটি টাকা দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে।   ব্যাংক এশিয়া আইপিএফএফ-টু প্রকল্প থেকে সংগ্রহকৃত তহবিল বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন, পরিবেশ, শিল্প ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক, মহাসড়ক, শিল্পএলাকা ও পার্ক উন্নয়নখাতে বিনিয়োগ করবে।    বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর ও আইপিএফএফ-টু প্রকল্পের পরিচালক আহমেদ জামাল এবং ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড-এর প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। আইপিএফএফ-টু প্রকল্পের উপ-পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক  কুমার পাল এবং ব্যাংক এশিয়ার এসইভিপি ও হেড অব কর্পোরেট এন্ড লার্জ লোন শাফিউজ্জামান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।   কেআই/এসি     

কনস্যুলেটের ভেতরেই খাশোগির দেহের একটি টুকরো! 

সাংবাদিক জামাল খাশোগির দেহের একটি টুকরো পাওয়া গেছে। এমন দাবি করেছে তুরস্কের বামপন্থী এক রাজনীতিবিদ। ইস্তাম্বুলের যে কনস্যুলেটে তাকে হত্যা করা হয়েছে, সেখানেই তার দেহের একটি টুকরো পাওয়া যায়। ওই নেতার বরাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।     খাশোগি গত ২ অক্টোবর দ্বিতীয় বিয়ের জন্য কাগজপত্র সংগ্রহ করতে তুরস্কে সৌদি কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন। ভেতরের যাওয়ার পর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি। সৌদি প্রথমে দাবি করেছিল কনস্যুলেটের পেছনের গেট দিয়ে বের হয়ে যান খাশোগি। এবার জানা গেল, খাশোগি নন, তার পোশাক করে পেছনের গেট দিয়ে কনস্যুলেট ত্যাগ করেন তারই ঘাতক। মূলত হত্যার বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই এটা করা হয়। তুরস্কের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। এদিকে তুর্কির একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে দেশটির বামপন্থী দল প্যাট্রিয়াটিক পার্টির নেতা দোগু পারিন্সিক দাবি করে বলেন, ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটেরর ভেতরে গ্রাউন্ডে পড়ে ছিল সাংবাদিক খাশোগির মরদেহের একটি টুকরো। যা ওই কনস্যুলেটরের কর্মকর্তারা দেখতে পেয়েছিলেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান মঙ্গলবার এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পার্লামেন্টে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কনস্যুলেট কেন এত দিন পর আমাদের তদন্ত করার অনুমতি দিয়েছে? কেন তাদের বক্তব্যের মধ্যে একেক ধরনের তথ্য ছিল? হত্যার শিকার মানুষটির লাশ কোথায়? আমাদের সেসব প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার।’ এরদোগান তার বক্তৃতায় বলেন, ‘তিন সদস্যের একটি সৌদি দল হত্যাকাণ্ডের এক দিন আগে ইস্তাম্বুল আসে। তারা ইস্তাম্বুল ও ইয়ালোভার বনাঞ্চলেও গিয়েছিল।’ তিনি বলেন, আরও দুটি পৃথক দলে ভাগ হয়ে কনস্যুলেটে আসে হত্যাকারীরা। এসি   

ইসলামী ব্যাংক সোনাতলা শাখার স্কুল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়ার সোনাতলা শাখার উদ্যোগে টি এম মেমোরিয়াল একাডেমিতে স্কুল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান। টি এম মেমোরিয়াল একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যংকের ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সোনাতলা শাখা প্রধান মো. আলতাফ হোসাইন। এসময় টিএম মেমোরিয়াল একাডেমির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ড. মো. জিল্লুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে ও তাদের মধ্যে সঞ্চয়ের মানসিকতা গড়ে তুলতে ইসলামী ব্যাংকের স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি স্কুল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ ও নিজেদের সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। এসএইচ/

মেডিকেল ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থীকে সহায়তা করলো এসবিএসি ব্যাংক

সিলেট এমএজি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থী সজীব বাড়ৈর কাছে ৫০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেছেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. গোলাম ফারুক। এ সময়ে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জালাল উদ্দিন আহমেদ, এসইভিপি মো. কামাল উদ্দিন, সিএফও মো. মাসুদুর রহমান ও কোম্পানি সেক্রেটারি মো. মোকাদ্দেস আলী এবং শিক্ষার্থীর বাবা সুধীর বাড়ৈ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সজীব বাড়ৈ চলতি বছরে মেডেকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু পেশায় দর্জি বাবার পক্ষে ভর্তি টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না, এই মর্মে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে এসবিএসি ব্যাংক এ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে। এসএইচ/

বৌদ্ধ প্রবারণা সম্প্রীতি উৎসব

শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধদের আনন্দময় উৎসব। ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত পালন শেষে প্রবারণা পূর্ণিমা আসে শারদীয় আমেজ নিয়ে। প্রবারণার আনন্দে অবগাহন করেন সকলেই। এটি সর্বজনীন উৎসব। আকাশে উড়ানো হয় নানা রকম রঙ্গিন ফানুস যেটাকে আকাশ প্রদীপও বলা হয়। নদীতে ভাসানো হয় হরেক রকমের প্যাগোডা আকৃতির জাহাজ। সবাই আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে নানা রকমের কীর্তন , গান গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। আবহমান বাংলার সংস্কৃতি , কৃষ্টিকে তুলে ধরে উৎসবের মধ্যে দিয়ে। এ উৎসব আশ্বিনী পূর্ণিমাকে ঘিরে হয়ে থাকে । এ পূর্ণিমায় বৌদ্ধদের তিন মাসব্যাপী আতœসংযম ও শীল- সমাধি , প্রজ্ঞার সাধনার পরিসমাপ্তি ও পরিশুদ্ধতার অনুষ্ঠান বলে বৌদ্ধ ইতিহাসে এ পূর্ণিমার গুরুত্ব অপরিসীম । ফলে এ পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসবে রূপ পেয়েছে । আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা - এ তিন মাস বৌদ্ধদের কাছে বর্ষাবাস বা ব্রত অধিষ্ঠান হিসাবে পরিচিত । বর্ষার সময় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে দেখে ভগবান বুদ্ধ ভিক্ষু সংঘকে তিন মাস বিহারে অবস্থান করে শীল - সমাধি --- প্রজ্ঞার সাধনা করার জন্য বিনয় প্রজ্ঞাপ্ত করেন। সেই থেকেই তিনমাস বর্ষাব্রত অধিষ্ঠান পালনের শুরু। গৃহী বৌদ্ধরাও এ তিনমাস ব্রত পালন করে থাকে । এ তিমাস ব্রত পালনের পরিসমাপ্তি প্রবারণা । প্রবারণার আনন্দকে সবাই ভাগাভাগি করে নেয় । প্রবারণার অর্থ আশার তৃপ্তি , অভিলাষ পূরণ , ধ্যান সমাধির শেষ বুঝালেও বৌদ্ধ বিনয় পিটকে প্রবারণার অর্থ হচ্ছ ত্রæটি বা নৈতিক স্খলন নির্দেশ করাকে বুঝায়। অর্থ্যৎ কারও কোন দোষ ত্রæটি বা অপরাধ দেখলে তা সংশোধন করার সনিবন্ধ অনুরোধ । সংক্ষেপে বলা যায় - অকুশল বা পাপের পথ পরিহার পূর্বক প্রকৃষ্ট রূপে বারণ করে বলে প্রবারণা বলা হয় । প্রবারণাকে বিনয় গ্রন্থে পূর্ব কার্তিক ও পশ্চিম কার্তিক ভেদে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে । আষাঢ়ী পূর্ণিমায় র্বষাবাস শুরু হয়ে আশ্বিনী পূর্ণিমায় যে প্রবারণা হয় তাকে পূর্ব কার্তিক দ্বিতীয় বা শ্রাবণী পূর্ণিমায় যে বর্ষাবাস শুরু হয়ে কার্তিক পূর্ণিমায় শেষ হয় তাকে পশ্চিম কার্তিক প্রবারণা বলা হয় । ভগবান বুদ্ধ প্রথম পাঁচজন ভিক্ষুদের নিয়ে প্রবারণা বিধান চালু করেন । পরবর্তীতে দু’জন ভিক্ষু’র পারষ্পরিক প্রতি দেশনীয় প্রবারণার বিধান চালু করেন । একজন ভিক্ষুও প্রবারণা বিধান পালন করতে পারে ।ভিক্ষু’র অভাবে একজন ভিক্ষু মÐপে কিংবা বৃক্ষমূলে ও আসনাদি করে প্রদীপ জ্বালিয়ে একজন ভিক্ষু প্রবারণা পালন করেন । ভগবান বুদ্ধের জীবনে দেখা যায় , আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা পর্যন্ত তিন মাস তাবতিংস স্বর্গে অবস্থান করে তাঁর মাতৃদেবী প্রমূখ অসংখ্য দেবদেবী অভিধর্ম দেশনা করে সাংকাশ্য নগরে অবতরণ করেন । এবং প্রবারণার দিনে ষাট জন ভিক্ষুকে বহুজনের হিত ও মঙ্গলের জন্য দিকে দিকে বিচরণ করে সর্দ্ধমকে প্রচার করার নির্দেশ দেন । ভিক্ষু সংঘকে লক্ষ্য করে ভগবান বুদ্ধ বলেন - ’ হে ভিক্ষুগণ ! আমার ন্যায় তোমরাও দিব্য এবং জাগতিক সকল প্রকার বন্ধন হতে মুক্ত হয়েছ । তোমাদের ন্যায় স্বল্পরজ ব্যত্তির অভাব জগতে নেই । কিন্তু প্রকৃত মার্গের সন্ধান না পেয়ে তারা শুধু অন্ধকারে হাতড়িয়ে বৃথা উদ্যম ও শক্তির অপচয় করছে । সর্দ্ধম শ্রবণের সুযোগ না পেলে এরা সকলেই বিনাশ প্রাপ্ত হবে । ’ ’ হে ভিক্ষুগণ ! তোমরা দিকে বিচরণ কর , বহুজনের হিতের জন্য , বহুজনের সুখের জন্য , জগতের প্রতি অনুকম্পা প্রর্দশনের জন্য । দেব ও মানবের আতœহিত এবং সুখের জন্য । কিন্তু দু’জন এক পথে যেও না । তোমরা দেশনা কর আদিতে কল্যাণ , মধ্যে কল্যাণ , অন্তে কল্যাণ । সর্দ্ধকে প্রকাশিত কর অর্থ ও ব্যঞ্জন যুক্ত , কৈবল্যময় পরিশুদ্ধ ব্রহ্মচর্য ।’ভগবান বুদ্ধের নব আবি®কৃত সর্দ্ধমকে প্রচার ও প্রকাশ করতে প্রবারণার দিন এ নির্দ্দেশ দান করেন । প্রবারণা পূর্ণিমার পর দিন থেকে ভিক্ষুরা দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েন সর্দ্ধমকে প্রচার ও প্রকাশ করতে । জন্মের পর থেকে মানুষের চিত্ত বা মন স্বভাবতই বিশুদ্ধ থাকে।বাহ্যিক পরিস্থিতিতে তা কলুষিত হয়।কলুষিত ও অশান্ত মনকে শান্ত ও বিশুদ্ধ করতে ধর্মের প্রয়োজন।এ ধর্মকে বুকে বেঁধে রাখার জন্য নয়, কিংবা ঘাড়ে করে বহন করে নেওয়ার জন্য নয়। এ ধর্মকে বুদ্ধ ভেলা সদৃশ ভব সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার জন্য বলেছেন।ধর্ম পালনের মূখ্য উদ্দেশ্য হলো---‘আমি মানুষ হব, ভাল মানুষ হব।’ কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এক কথায় বলেছেন---‘সকল ধর্ম মাঝে মানবধর্ম সার ভুবনে।’ পৃথিবীতে মাঝে মাঝে কিছু সংকট ----সমস্যা মানুষই সৃষ্টি করে; যে সমস্যা মানুষের মাঝে মানবিক বিপর্যয়ই ডেকে আনে।এমনই প্রায় চার দশকেরও পুরোনো রোহিঙ্গা সংকট এবার নতুন করে চেপে বসেছে বাংলাদেশের উপর; যা এখন জাতিসংঘ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। প্রায় চার লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় গ্রহণ করেছে।মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আরসা জঙ্গী দমনের নামে নিরীহ রোহিঙ্গাদের উপর দমন পীড়ন তা বৌদ্ধধর্ম কখনো সমর্থন করে না।এটি একটি দীর্ঘ দিনের জাতিগত সমস্যা।যে সমস্যাকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর ধর্মান্ধ গোষ্টি এদেশের নিরীহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উপর নানা হুমকি---যা মোটেই কাম্য নয়। বড়– চÐীদাস বলেছিলেন----‘সবার উপর মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই’।আমাদের বিচার বিবেচনায় মানুষের মানবতাকে সবার ঊর্দ্ধে স্থান দিতে হবে।কিন্তু তার উল্টো ¯্রােতে গিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে সম্প্রীতি নষ্ট করার প্রয়াস চালায়।এদেশের হাজার বছরের সম্প্রীতির মাঝে ছিড় ধরাতে চায়।ধর্ম সব সময় মানবতার কথা বললেও,মানুষকে কল্যাণের পথ দেখালেও ---ধর্মবিশ্বাসী কিছু মানুষ একে পূজিঁ করে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তারা ধর্মান্ধ গোষ্ঠি ছাড়া আর কেউ নয়।তারাই যুগ যুগ ধরে ধর্মের নামে মানবতা,সভ্যতাকে পিছিঁয়ে দিয়েছে। চর্যাপদ থেকে উঠে আসা বাঙ্গালী জাতি যুগ যুগ ধরে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করেছে।তাই এ জাতির কাছে মানবতা, সম্প্রীতি, সৌর্হাদ্য,সংহতি এখনো অটুট।তাই ----‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’----এ শ্লোগানে সবাই কণ্ঠ মিলিয়েছে।বাঙ্গালী শান্তিপূর্ণ অসাম্প্রদায়িক জাতি হিসেবে ধর্মীয় বিভাজনে কখনো বিভক্ত হয়নি। বরঞ্চ ভাষাতাত্তি¡ক বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ মহান মুক্তিযুদ্ধে ঐক্য যুগিয়েছে। এদেশের লোক বরাবরই অসাম্প্রদায়িক,মানবিক সম্পন্ন।তাই জীবনের নিরাপত্তায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার মানবিক ও উদারতায় আশ্রয় প্রাপ্ত রোহিঙ্গাদের সাহার্য্যে সর্বস্তরের মানুষ এগিয়ে গিয়েছে। এদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ও সাধ্যমতো তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।তবুও দু:খজনক যে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে এদেশের নিরীহ বৌদ্ধ সম্প্রদায় চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে।বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটের গভীরে না গিয়ে একশ্রেণীর মিডিয়া সরাসরি বৌদ্ধদের উপর দায় চাপিয়ে এদেশের হাজার বছরের সম্প্রীতিতে ছিড় ধরাতে চায়।সব চাইতে বড় কথা ---রোহিঙ্গারা নির্যাতিত, তারা আশ্রয় প্রার্থী।তাদের পার্শ্বে দাঁড়ানো মানবিক সম্পন্ন সকল মানুষের কর্তব্যে। লেখক: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন, সম্পাদক সৌগত  

গ্রামীণফোন ও ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং গ্রামীণফোন ও মাইক্রোসেভের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় মাইক্রো-মার্চেন্ট সাপ্লাই চেইনে ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভাপনি পণ্য ও টেকসই ব্যবসায়িক মডেল চালুর লক্ষে ব্যাংক এশিয়া ও ইউএনসিডিএফ’র শিফ্ট সার্ক এন্ড আশিয়ান প্রজেক্টের সঙ্গে ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়া প্রাথমিকভাবে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর এবং শেরপুর জেলায় মাইক্রো মার্চেন্ট লেভেলে ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদান করবে। ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী ও ইউএনসিডিএফ’র শিফ্ট সার্ক এন্ড আশিয়ান প্রজেক্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাজিব কুমার গুপ্ত নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অর্থমন্ত্রণালয়ের ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিভিশনের সচিব মো. আসাদুল আলম, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ফার্স্ট সেক্রেটারি মেনফ্রেড ফার্নলজ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. নাজিমুদ্দিন, ডি নেট-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল হোসেন, ব্যাংক এশিয়ার এসইভিপি ও চ্যানেল ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান সরদার আখতার হামিদ, গ্রামীণ ফোনের হেড অব ফিনান্সিয়াল সার্ভিস রাশেদা সুলতানা এ সময় উপিস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

আড়ংয়ের ৪০ বছর পূর্তি উৎসব শুরু বৃহস্পতিবার

বৃহস্পতিবার ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আড়ং-এর তিন-দিনব্যাপী ৪০ বছর পূর্তি উৎসব। সবার জন্য উন্মুক্ত এই উৎসবটির নাম দেওয়া হয়েছে “আড়ং ফোরটি ইয়ার্স ফেস্টিভাল”, যেখানে তুলে ধরা হবে বাংলাদেশের হস্তশিল্পের ঐতিহ্য এবং কারুশিল্পীদের সাফল্যের গল্প। মঙ্গলবার ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আড়ং এবং ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস এর সিনিয়র ডিরেক্টর তামারা হাসান আবেদ বলেন, “আড়ং বাংলাদেশের মানুষের একটি সম্মিলিত প্রয়াস। একেবারে গ্রামীণ নারী থেকে শুরু করে ওস্তাদ কারুশিল্পী, ডিজাইনার এমনকি প্রশাসনিক কর্মকর্তা পর্যন্ত, প্রতিটি পর্যায়ে সবারই রয়েছে সমান অবদান। বাংলাদেশ এবং আড়ং বেড়ে উঠেছে একইসঙ্গে। আমাদের এই উৎসব সেই ভালোবাসার, সেই সম্পর্কের উৎসব। গত চার দশক ধরে যেই কারুশিল্পীরা আমাদের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, এই উৎসব তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উৎসব”। ২৫-২৭ অক্টোবর তিন-দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে, হস্তশিল্প প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকছে বেশ কয়েকটি কর্মশালা যেখানে দর্শনার্থীরা সরাসরি কারু ও হস্তশিল্পীদের কাজের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, ফ্যাশন শো এবং কনসার্ট। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সেরা হস্ত ও কারুশিল্পী এবং উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। ফ্যাশন শো-তে প্রদর্শিত হবে হারস্টোরি, তাগা এবং তাগা ম্যান ব্র্যান্ডের নতুন পোশাক। আর কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন নগর বাউল জেমস, জলের গান, নেমেসিস এবং মিনার। দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বেশ কয়েকটি খাবারের স্টল, বাচ্চাদের জন্য আলাদা জায়গা এবং পার্টনার প্রতিষ্ঠানের স্টলে বিশেষ সুবিধায় কেনাকাটার ব্যবস্থা। আড়ং প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে, গ্রামীণ কারু ও হস্তশিল্পীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে। গত ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশের আবহমান ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ঘটিয়ে নিজেকে দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে আড়ং। বর্তমানে আড়ংয়ের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছেন ৬৫ হাজারেরও বেশি কারু ও হস্তশিল্পী। তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি হচ্ছে দেশজুড়ে আড়ংয়ের ২০টি আউটলেটে। এসএইচ/

ডিজিটাল আর্থিক সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডিজিটাল আর্থিক সেবার নানাবিধ দিক সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরতে হয়ে গেল দিনব্যাপী এক কর্মশালা। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আজ মঙ্গলবার এ কর্মশালার আয়োজন করে জাতিসংঘের  ক্যাপিটাল ডিভিলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ)। ‘ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাডভোকেসি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ফর প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া’ শীর্ষক এ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস, ইউএনসিডিএফ’র কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম বাংলাদেশের (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল, ইআরএফ সাধারণ সম্পদক এস এম রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় ‘ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাডভোকেসি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ফর প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া’ বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন ফ্যাসিলিটেটর ড. ক্লিনসিক অ্যান্ড্রিউজ।তিনি তার উপস্থাপনায় বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার অগ্রগতি, পশ্চাদপদতাসহ নানাবিধ দিক নিয়ে আলোচনা করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস বলেন, ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (ডিএফএস)’র সুবিধা অসুবিধা দুটি দিকই আছে।তবে অসুবিধার তুলনায় সুবিধাটাই বেশি।ব্যাংকিং সুবিধা ডিজিটাল হয়েছে বিধায় আজ মুহুর্তে আমাদের অর্থনৈতিক লেনদেন সম্ভব হচ্ছে।এ সেবা গ্রামীণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করবো আপনার একটা ভুল প্রতিবেদন যেন কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর রাখবেন। ইউএনসিডিএফ’র কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম বলেন, ২০১১ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার ফলে আর্থিক লেনদেনে যেমন গতি বেড়েছে। তেমন তা সাধারণের দোর গোড়ায় পৌঁছেছে। তবে এ সেবা এখনও অনেকটা ইংরেজি ভার্সনের হওয়ায় তা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝে উঠতে পারছে না। তাই অপারেটরদের সাধারণের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশে এ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে বাংলা ভার্সনে ব্যবহারের উপযোগী করতে হবে। একুশে টেলিভিশনের পরিকল্পনা সম্পাদক ও ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল বলেন, ইউএনসিডিএফ খুব সময় উপযোগী একটা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। বর্তমান সময়ে আমরা সবকিছুতেই ডিজিটালাইজড হচ্ছি। এ ধরণের কর্মশালার মাধ্যমে এর ব্যবহারের দিক যেমন জানা যায়, তেমন ক্ষতিকর দিকও জানা যায়।প্রয়োজনের দিক বিবেচনায় আশা করবো ইউএনসিডিএফ আগামীতে আরো প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার নানাবিধ সুবিধা রয়েছে।এর মাধ্যমে মানুষ আজ লেনদেনে সময় বাঁচাতে পারছে। স্বচ্ছতা রক্ষা করতে পারছে।নানাবিধ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছে।তাই চমৎকার এ বিষয়টির উপর ইআরএফ কার্যালয়ে আরো একটি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব রাখছি।        

২২ দিনের ৩ দিনই শুক্র-শনিবার

২০১৯ সালের সরকারি  ছুটির খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী বছর ২২ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এতে দেখা গেছে, ৩ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। আবহাওয়া অধিদফতর, বাংলা একাডেমি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে করা তালিকাটি এখন মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদিত হতে পারে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সুত্রে জানা গেছে। জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। কোনো শুক্র ও শনিবার এই ছুটি পড়েনি। এর বাইরে খসড়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর জন্য ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারী  শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১ মে মে দিবস, ১৮ মে বুদ্ধপূর্ণিমা, ৩১ মে জুমাতুল বিদা, ৫ জুন ঈদুল ফিতর, ১২ আগস্ট ঈদুল আজহা, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২৩ আগস্ট শুভ জন্মাষ্টমী, ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ১০ নভেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)। নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে রয়েছে, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২১ এপ্রিল শবে-বরাত, ২ জুন শবে-কদর, ৪ ও ৬ জুন ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের দিন, ১১ ও ১৩ আগস্ট ঈদুল আজহার আগে ও পরের দিন এবং ১০ সেপ্টেম্বর আশুরা। ঐচ্ছিক ছুটির (মুসলিম পর্ব) রয়েছে, ৪ এপ্রিল শবে-মেরাজ, ৭ জুন ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন, ১৪ আগস্ট ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন, ২৩ অক্টোবর আখেরি চাহার সোম্বা এবং ৯ ডিসেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পূজা, ৪ মার্চ শিবরাত্রী ব্রত, ২১ মার্চ দোলযাত্রা, ৩ এপ্রিল হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ২৮ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ৭ অক্টোবর দুর্গাপূজা (নবমী), ১৩ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ২৭ অক্টোবর শ্যামাপূজা। এছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ৬ মার্চ ভস্ম বুধবার,১৮ এপ্রিল পুণ্য বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল পুণ্য শুক্রবার, ২০ এপ্রিল পুণ্য শনিবার, ২১ এপ্রিল ইস্টার সান-ডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি। ঐচ্ছিক ছুটির (বৌদ্ধ পর্ব) মধ্যে রয়েছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তি, ১৬ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ১৩ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ১৩ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে- ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অনুরূপ সামাজিক উৎসব। কেআই/

জন্মদিনে দু:স্থ শিশুদের সঙ্গে সময় কাটবে পরীমনির

বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পনীমনি। একের পর এক হিট ছবি দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। এ পর‌্যন্ত ২৩ টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর প্রায় সবগুলোই হিট। কাল ২৪ অক্টোবর ঢালিউডের এই ডানাকাটা পরীর জন্মদিন। জন্মদিনে বিশেষ প্লান কার না থাকে। তবে পরীমনির পরিকল্পনা একটু ব্যাতিক্রম।   ‘প্রতিবছরের মতো ইচ্ছে আছে এবারও কিছু সুবিধাবঞ্ছিত শিশুর সঙ্গে সময় কাটানোর। আর সন্ধ্যায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি আমার কাছের বন্ধু বান্ধবদের জন্য’- বলে পরীমনি। পরীর জন্মদিনের প্রতিটি অনুষ্ঠানেই আলাদা ড্রেসকোড থাকে। এবারও সেটা থাকছে কি-না-এমন প্রশ্নে পরীর জবাব, গত বছর তো নীল-সাদা রংয়ের পোশাক পরতে বলেছিলাম সবাইকে। এবার ছেলেদেরকে বলেছি কালো পোশাক পরতে আর মেয়েদেরকে বলা হয়েছে সোনালী রঙের পোশাক পরতে। বিশেষ দিনে কী ধরনের উপহার পেতে ভালোবাসেন? এমন প্রশ্নে পরীমনি বলেন, উপহারের মধ্যে সবচেয়ে পছন্দ বই এবং ফুল। এই দুইটি জিনিসকে বেশি প্রেফার করি। তাই যদি কেউ আমাকে উপহার দিতে চায় আমি চাইব, তিনি যেন আমাকে বই ও ফুল দেন। প্রিয় লেখকের মধ্যে যদি জিজ্ঞেস করেন, তাহলে শুরু থেকে শেষ অবধি একজনই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। উনি আমার কোন রকমের পছন্দ এটা আমি বলে বুঝাতে পারব না। যখন খুব ছোট ছিলাম তখন থেকেই তার লেখার প্রতি আমার অনেক টান ছিল। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি